সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০

শসার যেসব রেসিপি দ্রুত ওজন কমাবে

ওজন কমানোর জন্য কতরকম চেষ্টা। ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি, খাবারের তালিকায় কাটছাঁট! কিন্তু শসা নামক নিরীহ সবজিটি আপনার ওজন দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে, তা কি জানা আছে? শসা শুধু আপনার ওজন কমাবে তাই নয়, সঙ্গে শরীরে পানির চাহিদা মেটাবে।

 শসায় মোটেই ফ্যাট নেই, আর ক্যালোরিও নামমাত্র। তাই এই খাবার সহজেই শরীরের ওজন কমিয়ে ফেলায় সহায়ক। এছাড়া শসাতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও নানা খনিজ লবণ। শুধু শসা খেতে ভালো না লাগলে রয়েছে অন্য উপায়। চলুন জেনে নেয়া যাক-


শসার রায়তা বানানো যতটা সহজ, ততই সুস্বাদুও। গ্রেটারে শসা ঘষে নিন। এরপর তা টক দই, লবণ, জিরা গুঁড়া, ধনেপাতা, গোলমরিচ গুঁড়া দিন। সব মিশিয়ে নিলেই রায়তা তৈরি
ব্লেন্ডারে ছোট ছোট করে কাটা শসার টুকরো, পুদিনা পাতা, লেবুর রস, সবুজ আপেল দিয়ে স্মুদি তৈরি করে নিন। এরপর এতে বরফের টুকরা মেশান। ঠান্ডা শসার স্মুদিতে যেমন পুষ্টিগুণ পাবেন, তেমনই মেদ ঝরবে চটপট। এতে স্বাদ বাড়াতে ভাজা মশলার গুঁড়া বা গোলমরিচের গুঁড়া ছড়িয়ে দিন।

 স্মুদির মতোই বানিয়ে নিতে পারেন শসার শরবত। ধনে পাতা, আদা, শসার টুকরো, লেবুর রস দিয়ে বানিয়ে নিন শসার শরবত, আর প্রতিদিন খালি পেটে খান এটি, মেদ ঝরবে দ্রুত।
 গাজর, পেঁয়াজ, টম্যাটোর সঙ্গে শসা মিশিয়ে প্রায়ই আমরা সালাদ বানাই। এবার তাতে যোগ করুন একটু সিদ্ধ চিকেন। উপর থেকে ছড়িয়ে দিন কয়েকটি কাজু বাদাম আর লেবুর রস। ব্যস, দুপুরের খাবার তৈরি আপনার। আর এতেই কমবে ওজন।

সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০

চুল পড়া নিয়ন্ত্রনে আনতে ৫ টি খাবার

১. বাদাম এবং বীজ

পেস্তা বাদাম, ফ্লাক্স সীড (শ্বেত বীজ), মেথি বীজ, আখরোট, তিল প্রভৃতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা অ্যাসিড। যাতে রয়েছে এমন স্থিতিস্থাপক উপাদান যা চুলের ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
২০১৫ সালে জার্নাল অফ কসমেটিক ডারমাটোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাদেরকে নিয়মিতভাবে ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো হয়েছে তাদের চুলপড়া ৯০% কমেছে। এছাড়া ৯০% রোগীরই মাথায় ফের শক্ত চুল গজিয়েছে। মেথি বীজ খুশকি দূর করতে এবং স্বাস্থ্যকর চুল গজানোতে সহায়ক।

২. ডাল

নানা ধরনের ডালবীজে থাকা ফলিক অ্যাসিড রক্তে লাল কোষ বৃদ্ধিতে সহায়ক। আর রক্তের লাল কোষ আমাদের মাথার ত্বক সজীব রাখে এবং চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে।

৩.স্পিনাক

এই সবুজ এবং পাতাবহুল সবজিটি চুলের জন্য খুবই ভালো। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং আয়রন। চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ আয়রণের ঘাটতি। স্পিনাকে সেবাম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালিসিয়াম এবং পটাশিয়ামও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। যা চুলকে উজ্বল এবং শক্ত রাখতে সহায়ক।

৪. ডিম

ডিমে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন এবং ভিটামিন ডি। এছাড়াও রয়েছে প্রচুর পরিমাণ জিঙ্ক। চুলপড়া সংশ্লিষ্ট বেশিরভাগ গবেষণায়ই দেখা গেছে চুল পড়ার অন্যতম কারণগুলোর একটি জিঙ্কের ঘাটতি।

৫. চর্বিবহুল মাছ

স্যামন, টুনা, ম্যাকারেল জাতীয় মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। মাথার ত্বকের কোনো ধরনের প্রদাহ হলে তা প্রতিরোধ করে চুল পড়া কমায় এই পুষ্টি উপাদান। আর তাছাড়া মাছে রয়েছে ভিটামিন বি-৬ এবং প্রোটিন ও ম্যাগনেশিয়াম। এই পুষ্টি উপাদানগুলোও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
পেঁয়াজের রস মাথায় নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং জীবাণুমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

ব্যবহার পদ্ধতি

১টি বড় পেঁয়াজ ভালো করে পিষে ছাকনি দিয়ে ছেকে রস বের করে নিতে হবে। তারপর এই রস পুরো মাথার ত্বক ও চুলে লাগিয়ে একঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।

পেঁয়াজের গন্ধ বেশ তীব্র, যদি সহ্য না হয় তবে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে গোলাপ জল মেশানো যেতে পারে। একঘণ্টা পর মাথা শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
চুল পড়ার পরিমাণের উপর নির্ভর করে প্যাকটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করা যাবে।

মেহেদী, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই :
মেহেদীর নির্যাস চুলের জন্য অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর, ডিম মাথার ত্বকে সঠিক পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে এবং চুলের ফলিকল মজবুত করে। টকদই চুল ও মাথার ত্বক ময়েসচারাইজ করে চুল পড়া Hair fall বন্ধে সহায়তা করে।
– মেহেদী পাতা বাটা বা গুঁড়ো চুলের ঘনত্ব ও লম্বা অনুযায়ী নিন, এতে মেশাম ১ টি ডিমের সাদা অংশ এবং ২-৩ টেবিল চামচ টকদই।
– যদি চুল অনেক শুষ্ক হয় তাহলে ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল দিয়ে ভালো করে হেয়ার প্যাক তৈরি করে নিন।
– এই প্যাকটি চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং প্রায় ২ ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন।
– এরপর সাধারণ ভাবে চুল ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। যদি প্রথম দিন চুল পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে ১ দিন এভাবেই রেখে তার পরের দিন শ্যাম্পু করতে পারেন তাহলে সব চাইতে ভালো ফলাফল পাবেন।
– এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে মাত্র ১ বার ব্যবহার করলেই চুল পড়া অনেকাংশে কমে যাবে।

শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০

গলা ব্যথা উপশমের কিছু কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায়


শীতে একটি সাধারণ সমস্যা হচ্ছে গলা ব্যথা ও গলা বসে যাওয়া। শীতকাল শুরু হলে হঠাৎ করেই আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়াতে অনেকেরই এই সমস্যা হয়। এটি সাধারনত তাপমাত্রা কমে যাওয়া ও এক ধরনের ফ্লু ভাইরাসের আক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। আরো কিছু কারণে এই সমস্যা হতে পারে যেমন, এলার্জি জনিত কারণ, বায়ু দূষণ, শুষ্ক আবহাওয়া ও টনসিল জনিত সমস্যা ইত্যাদি। গলায় সমস্যা হলে কথা বলায় অসহ্য যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতে পড়তে হয় এবং অতিরিক্ত ব্যথা হলে গলা অনেক সময় ফুলেও যায়।
তাই শীতে বিশেষ করে শীতের শুরুতে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকতে হবে। তারপরেও সমস্যা হয়ে গেলে প্রাথমিকভাবে প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
গলা ব্যথা হলে কিছু পদ্ধতি অনুসরন করে এই ব্যথা থেকে উপশম পাওয়া যায়।
  • পদ্ধতি ১
উপাদেয় উপাদানঃ কিসমিস।
কিসমিস গলা ব্যথা উপশমে অত্যন্ত উপদেয় একটি উপাদান। ব্যথা কমে যাবার আগ পর্যন্ত এটি নিয়মিত খেলে গলা ব্যথা ধীরে ধীরে কমে যায়।
  • পদ্ধতি ২
উপাদেয় উপাদানঃ আদা / আদার রস।
আদা / আদার রস গলার সমস্যায় অত্যন্ত কার্যকরী । আদা টুকরো করে অথবা আদার রস করে সেবনে গলার সমস্যা থেকে খুব সহজেই আরাম পাওয়া যায়।
  • পদ্ধতি ৩
উপাদেয় উপাদানঃ পানি, চা-পাতি, আদা, তুলসি পাতা।
১ কাপ পরিষ্কার ফুটানো পানি পাত্রে নিয়ে এতে ১/২ চা চামচ টুকরো করা আদা, ১/২ চা চামচ চা-পাতি, ২-৩ টি তুলসি পাতা দিয়ে ৫-১০ মিনিট চুলায় গরম করতে হবে। ৫-১০ মিনিট পরে এটি নামিয়ে রেখে দিতে হবে। কিছুক্ষন পর যখন হালকা গরমে পরিণত হবে তখন পানি পান করে নিতে হবে। এটি পানে গলা ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়, তুলসি পাতায় ভেষজ গুণ রয়েছে যা গলা ব্যথা সারাতে অত্যন্ত কার্যকরী।
  • পদ্ধতি ৪
উপাদেয় উপাদানঃ পানি, তুলসি পাতা, মধু।
১ গ্লাস পরিষ্কার পানিতে ৪/৫ টি তুলসি পাতা নিয়ে ৫ মিনিট ফুটাতে হবে। ফুটানো হয়ে গেলে এটি নামিয়ে ২ থেকে ৩ ফোঁটা মধু মিশিয়ে নিয়ে পান করে ফেলতে হবে। এটি গলা ব্যথা কমাতে বেশ কার্যকরী।
  • পদ্ধতি ৫
উপাদেয় উপাদানঃ পানি, মধু, লেবুর রস।
প্রথমে একটি লেবু নিয়ে তা থেকে লেবুর রস করে রাখতে হবে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস মৃদু গরম পানিতে ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে সকালের নাস্তার আগে খেতে হবে। প্রতিদিন এটি পান করলে গলা ব্যথা ও খুশখুশে কাশি সাড়াতে সাহায্য করে।
  • পদ্ধতি ৬
উপাদেয় উপাদানঃ গুড়, আদা।
গলা ব্যথা ও গলায় যাবতীয় সমস্যার উপক্রম দেখলেই একটি গুড়ের টুকরার সাথে ১ চা চামচ আদার রস/আদা টুকরা চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এটি প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে খেতে হবে।
  • পদ্ধতি ৭
উপাদেয় উপাদানঃ মেথি গুঁড়া, পানি।
মেথি গুঁড়া করে নিয়ে পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০

চর্বি কমানোর কার্যকর পরামর্শ

১. নিয়মিত হাঁটুন :
প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটুন। যে দূরত্বে হেঁটেই যেতে পারবেন সেখানে রিকশা করে যাবেন না। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটুন। প্রথম কিছুদিন ক্লান্ত লাগলেও কয়েক দিন পর এটা আপনার অভ্যাসে পরিণত হবে।

২. ভাজা পোড়া কম খান :
ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার কম খান। চেষ্টা করুন কম তেলে রান্না করা বা সেদ্ধ করা খাবার খেতে।
 


৩. ফাস্টফুড পরিহার করুন :
কোনভাবেই ফাস্টফুড খাবেন না। মেয়োনেজ, পনির, সস, তেল, মাখন এসব আপনার পেটে চর্বি জমতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

৪. ঘুমানোর আগে হাঁটুন :
ভুঁড়ি হবার অন্যতম কারণ খাবার ঠিকভাবে হজম না হওয়া। ঘুমাবার অন্তত দুই ঘন্টা আগে রাতের খাবার খান এবং খেয়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন। এতে খাবার ভালোভাবে হজম হবে। পেট বাড়বে না।

৫. সিঁড়ি ব্যবহার করুণ :
অফিস বা বাসায় যতটা সম্ভব লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। এটা পেটের জমে থাকা চর্বি অপসারণের খুব ভাল উপায়। এতে পেটের উপর চাপ পড়ে ও আস্তে আস্তে চর্বি কমতে থাকে।

৬. খাবার গ্রহণে নিয়ম মেনে চলুন :
দিনে তিন বেলা ভারী খাবার খাওয়ার চেয়ে ৫ বেলা কম করে খান। একেবারে না খেয়ে থাকা ঠিক নয়। ভাত খাবার চেয়ে ফল বা সবজি বেশি করে খান। পেট ভরবে কিন্তু ভুঁড়ি বাড়বে না।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০

তৈলাক্ত ত্বকে দীর্ঘক্ষণ মেকআপ ধরে রাখার উপায়

তৈলাক্ত ত্বকের নারীরা সবসময়েই বেশ বিরক্তিকর একটি সমস্যায় পড়ে থাকেন তা হচ্ছে ত্বকে মেকআপ ধরে রাখার সমস্যা। শীত হোক গরম হোক সামান্যতেই ত্বকের মেকআপ গলে যাওয়ার সমস্যায় পড়েন তৈলাক্ত ত্বকের নারীরা। কারণ কিছুসময় পার হলেই ত্বকের অতিরিক্ত তেলের কারণে মেকাআপ গলতে থাকে। বিশেষ করে গরমকালে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। কিন্তু পার্টিতে গেলে একটু বেশি সময় ত্বকে মেকআপ তো থাকাই লাগে। তখনই মূল সমস্যা শুরু হয়। তবে চিন্তা করার কিছু নেই। এই সমস্যারও রয়েছে দারুণ কিছু সমাধান। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক তৈলাক্ত ত্বকে কি করে দীর্ঘক্ষণ মেকআপ ধরে রাখবেন।

১) প্রথমেই প্রাইমার ব্যবহার করুন
লস-অ্যাঞ্জেলসের মেকআপ আর্টিস্ট এমিলি ওয়ারেন বলেন, ‘তৈলাক্ত ত্বকে মেকআপ ধরে রাখতে প্রথমেই প্রাইমার ব্যবহার করে নেয়া উচিত। কপাল, নাক ও গালে অর্থাৎ মুখের ‘T’ জোনে ওয়াটার প্রুফ, অ্যান্টি-শাইনিং প্রাইমার ব্যবহার করুন’। প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে প্রাইমার ব্যবহার করুন এবং এরপর অন্যান্য মেকআপ করুন।

২) অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার করবেন না
অনেকের মতে পাউডার ব্যবহার তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো, কারণ পাউডার ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নেবে। কিন্তু সমস্যা এখানেই। অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার করলে পাউডার বাড়তি তেল শুষে নিয়ে মুখের ভাঁজগুলোতে মেকআপ ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা সৃষ্টি করবে। তাই মুখে অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার না করলেই বেশ খানিকটা সময় ত্বকে মেকআপ ধরে রাখতে পারবেন।

৩) ব্লটিং পেপার সাথে রাখুন
টিস্যু নয় ব্লটিং পেপার সাথে রাখুন। ব্লটিং পেপারের দ্রুত বাড়তি তেল ও ঘাম শুষে নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। যখনই মনে হবে ত্বক ঘেমে যাচ্ছে তখনই ত্বকে ব্লটিং পেপার চেপে ধরে বাড়তি তেল ও ঘাম শুষে নিন। মনে রাখবেন ব্লটিং পেপার ত্বকের ঘষতে যাবেন না, এতে মেকাআপ উঠে যাবে। শুধু চেপে ধরে তেল ও ঘাম শুষে নিন। এতে অনেকটা সময় মেকআপ নষ্ট হবে না।
৪) অয়েল ফ্রি মেকাআপ
একটু বেশি টাকা খরচ করে মেকআপের সরঞ্জাম অয়েল ফ্রি কিনে ফেলুন। প্রাইমার থেকে শুরু করে শ্যাডো পর্যন্ত সব কিছুই অয়েল ফ্রি কিনুন। এতে করে ত্বকে মেকাআপ ধরে রাখতে সমস্যা হবে না।

৫) অরিতিক্ত তৈলাক্ত ত্বক দূর করুন
সপ্তাহে অন্তত ২ দিন ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করতে মাস্ক ব্যবহার করুন। শসা, লেবু, চন্দন বা মুলতানি মাটির ঘরোয়া ফেসমাস্ক নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের তৈলাক্ততা অনায়েসেই দূর করে নিতে পারেন। এতে মেকআপের এই সমস্যায় পড়তে হবে না।

বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০

ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর যেভাবে করবেন

ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর কি ও কিভাবে করবেন?
প্রথমে রিমুভার দিয়ে নখের পুরোনো নেইল পলিশ তুলে ফেলুন। এবার কিউটিক্যাল অয়েল লাগিয়ে নিন নখের চামড়া বা কিউটিক্যালের উপর। কিছুক্ষণ এভাবে রেখে দিন, যাতে চামড়া কিছুটা নরম হয়। এবার হালকা হাতে নখের ওপর তেলটা একটু ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। তারপর একটি কিউটিক্যাল পুশার দিয়ে আস্তে আস্তে কিউটিক্যাল পিছনের দিকে পুশ করুন। কিউটিক্যাল পুশারের অপর প্রান্ত দিয়ে নখে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন।

এবার নেইল কাটার এবং ফাইলার দিয়ে নখকে দিন আপনার পছন্দ অনুযায়ী আকার।
এবার চলে আসি মূল প্রসঙ্গে।
প্রথমেই আপনার কয়েক ধরনের নেইলপলিশ দরকার। কয়েক ধরনের বলতে তিন রঙের ওয়াটার কালার, পিঙ্ক বা বেইজ এবং ঝকঝকে উজ্জ্বল সাদা রঙ। এক নজরে দেখে নিন সেই রঙ গুলো।

স্বচ্ছ নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন প্রথমে নখে। তাতে নখ ভালো থাকবে এবং যেকোনো রঙের নেইল পলিশ ব্যবহার করা হলে কেমিক্যাল থেকে সৃষ্ট হলুদ ছাপ নখে পড়া থেকে বিরত রাখবে। ক্লিয়ার কালারের নেইল পলিশটি শুকিয়ে গেলে এর উপর হালকা গোলাপি বা বেইজ রঙের নেইলপলিশ লাগিয়ে নিন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর আরেক কোট নেইলপলিশ লাগান।

এরপর নেইল পলিশ শুকিয়ে যাওয়ার পর নখের সামনের দিকে অর্থাৎ আপনার নখের ওপর যেটুকু অংশ আপনি সাদা রাখতে চান,সেটি বাদে বাকি অংশে নেইল গাইড লাগিয়ে নিন ঠিক ছবিটির মত করে। এবার বাড়তি নখের উপর উজ্জ্বল সাদা রঙের নেইল পলিশ লাগিয়ে দিন। যেকোনো দোকানে আপনি এই স্টিকারগুলো কিনতে পারেন। এ ছাড়া স্টিকার ব্যবহার না করে সাবধানেও নেইল পলিশ দিয়ে নখের ওপরের অংশটি সাদা করে নিতে পারেন।

কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন এবার নেইল গাইডটি তুলে ফেলুন। ভালো করে নেইলপলিশ শুকালে এবার পুরো নখে স্বচ্ছ কালারের নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন। এভাবেই হয়ে গেল আপনার ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর।
ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের পরিচ্ছন্নতা, হালকা ভাব এবং একই সঙ্গে ফ্যাশনেবল ভাবের জন্য খুবই জনপ্রিয়। তবে বর্তমানে ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের ধরনেও এসেছে বৈচিত্র্য। আজকাল ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের সাদা রঙের বদলেও এসেছে বিভিন্ন রঙের ব্যবহার। লাল, কালো বা ছাই রং অথবা আপনার পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করতে পারেন যেকোনো রং।  ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর অনেক দিন ধরে রাখতে কয়েক দিন পর পর ওপরের নেইল পলিশের কোটটি লাগিয়ে নিন।

সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০

ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার ৪টি সহজ উপায়


মুখ সুন্দর থাকলেও অনেকের ঘাড়ে কালো কালো দাগ দেখা যায়। এতে সৌন্দর্যহানি ঘটে। ঘাড়ের কালো দাগ নিয়ে অনেকেই বেশ অস্বস্তিতে থাকেন এ জন্য।
 
তবে আপনি কি জানেন, লেবু ব্যবহার করে ঘাড়ের এই কালো দাগ দূর করা সম্ভব? জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর পাঁচটি ব্যবহারের কথা। লেবু ত্বককে শুষ্ক করে ফেলে। তাই এর মধ্য থেকে যেকোনো একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে ঘাড়ের কালো দাগ দূর করুন।

১. লেবু ও গোলাপজল
এক টেবিল চামচ লেবুর রস নিন। এর সঙ্গে এক টেবিল চামচ গোলাপজল মেশান। একে ভালোভাবে মেশান। একটি তুলার বলে মিশ্রণটি মেখে ঘাড়ের কালো অংশে ঘষুন। সারা রাত এভাবে রেখে দিন। পরের দিন সকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি সব ধরনের ত্বকের সঙ্গেই মানাবে।


২. লেবু ও মধু
মধু ও লেবু ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় সমাধান হিসেবে ব্যবহার করা যায়। লেবুর রসের মধ্যে কয়েক ফোঁটা মধু দিন। একে ভালোভাবে মেশান। এর পর ঘাড়ে মাখুন। ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে দিন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতি ত্বককে উজ্জ্বল করবে।
৩. লেবু ও হলুদের গুঁড়া
লেবুর রসের মধ্যে কয়েক ফোঁটা হলুদের গুঁড়া মেশান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধীরে ধীরে ঘাড়ের কালো অংশে লাগান। নিয়মিত এই পদ্ধতি মেনে চলুন। একপর্যায়ে ঘাড়ের কালো দাগ দূর হবে।

৪. লেবু ও টমেটো
টমেটোর পিউরি বা ভর্তা লেবুর রসের সঙ্গে মেশান। ঘাড়ের কালো অংশে এটি মেখে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট রাখুন। দিনে দুবার পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন। ঘাড়ের কালো দাগ দূর হবে।

৫. লেবু, জলপাইয়ের তেল ও মধু
এই তিন উপাদান মৃত কোষ দূর করতে খুব ভালোভাবে কাজ করে। এক টেবিল চামচ কাঁচা মধুর মধ্যে জলপাইয়ের তেল মেশান। এর মধ্যে লেবুর রস নিন। ২৫ থেকে ৩০ মিনিট ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।