শীত কালেল যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শীত কালেল যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের উপকারিতা

 

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহার

 বর্তমান সময়ে ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এর মধ্যে অলিভ অয়েল (Olive Oil) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কার্যকর উপাদান। প্রাচীনকাল থেকেই ত্বক ও চুলের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে থাকা ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে করে তোলে কোমল, মসৃণ ও উজ্জ্বল। অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন E, ভিটামিন A এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কোষকে পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে শুধু সুন্দরই করে না, বরং ত্বকের ক্ষত সারাতেও সহায়তা করে।

🌼 ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের উপকারিতা

✅ ১. প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার

অলিভ অয়েল ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বককে দীর্ঘ সময় আর্দ্র রাখে।

২. ত্বক উজ্জ্বল করে

নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের নিস্তেজ ভাব দূর হয়ে ত্বক হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল।

৩. বয়সের ছাপ কমায়

অলিভ অয়েলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমাতে সাহায্য করে।

৪. ব্রণ ও দাগ কমাতে সাহায্য করে

এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা ব্রণ কমাতে ও ত্বকের দাগ হালকা করতে সহায়ক।

৫. ত্বক পরিষ্কার রাখে

অলিভ অয়েল একটি প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে এবং মেকআপ সহজে তুলে ফেলতে সাহায্য করে।

🧴 ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহারের উপায়

✔️ ম্যাসাজ: রাতে ঘুমানোর আগে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মুখে হালকা ম্যাসাজ করুন।

✔️ ফেসপ্যাক:লিভ অয়েল + মধু + দই মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে ব্যবহার করুন।

✔️ স্ক্রাব: অলিভ অয়েল ও চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব করলে মৃত কোষ দূর হয়।
✔️ মেকআপ রিমুভার: তুলায় অলিভ অয়েল নিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

⚠️ ব্যবহারে সতর্কতা

  • অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বক তৈলাক্ত করে দিতে পারে
  • যাদের ত্বক খুব তেলতেলে, তারা সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করবেন
  • প্রথমবার ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করা ভালো  

 

🌸 উপসংহার

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল একটি সহজলভ্য, নিরাপদ ও কার্যকর প্রাকৃতিক উপাদান। নিয়মিত সঠিকভাবে ব্যবহার করলে আপনি ঘরে বসেই পেতে পারেন উজ্জ্বল, কোমল ও স্বাস্থ্যকর ত্বক। তাই আজ থেকেই আপনার স্কিন কেয়ার রুটিনে অলিভ অয়েল যুক্ত করুন।


 

 

রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

শীতে হাত এবং পায়ের ত্বক রুক্ষ ও খসখসে হয়ে গেলে যা করবেন

শীতকালে হাত ও পায়ের ত্বক অনেক রুক্ষ ও খসখসে হয়ে যায়। এর থেকে মুক্তি পেতে আছে নানা ধরনের উপায়। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন হাতের কুনুই, পায়ের গোড়ালি ইত্যাদিতে সমস্যা হয়। তবে এই সমস্যার সমাধান রয়েছে।

কনুইয়ের যত্নে

১। শীতের শুরুতে কনুইয়ের খসখসে ভাব দূর করতে নিয়মিত সমপরিমাণে আলমন্ড অয়েল ও তিলের তেল মিশিয়ে লাগান।

২। অর্ধেক লেবু ও সামান্য মধু নিয়ে কনুইয়ে বেশ কয়েকবার গোল করে ঘুরিয়ে ঘষুন। তারপর কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৩। ডিমের সাদা অংশের সাথে এক টেবিল চামচ দুধ ও কয়েকফোঁটা মধু মিশিয়ে কনুইয়ে একঘণ্টা লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন।
৪। কনুই বেশি খসখসে হয়ে গেলে পাকা কলা চটকে দিতে পারেন। এর সাথে দুই চা চামচ চিনি মিশিয়ে মিশ্রণটি কনুইয়ে মালিশ করুন। চিনি পুরোপুরি ভাবে গলে না যাওয়া পর্যন্ত মালিশ করুন। এতে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয়ে যাবে।

ফাটা গোড়ালি সারাতে
১। রাতে ঘুমানোর আগে হালকা উষ্ণ গরম পানিতে মোটা দানার লবন ও অল্প শ্যাম্পু মিশিয়ে তাতে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পিউমিস স্টোন দিয়ে বা হিল স্ক্রাবার দিয়ে হালকা ভাবে গোড়ালি ঘষুন।

২। তারপর পা ভালমত ধুয়ে ভাল ক্রিম ম্যাসেজ করুন। ঘন মশ্চারাইজার সমৃদ্ধ ক্রিম বা পেট্রোলিয়াম জেলি ভাল করে গোড়ালিতে লাগান। ঘুমানোর আগে সুতির মোজা পরে ঘুমাতে যান। এতে চাদরে ক্রিম লেগে যাবেনা। এক সপ্তাহে প্রতিদিন এই নিয়ম মেনে চলুন উপকার পাবেন।

৩। বেসনের সাথে অল্প দুধ বা দই , হলুদ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর ভিজে হাত দিয়ে পেস্টটি পায়ে আস্তে আস্তে ঘষুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন তবে সাবান ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। বেসনের এই মিশ্রণটি ভাল কাজ করবে।
৪। গোড়ালিতে ব্যথা হলে ও রক্তপাত হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন।

মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

শীতে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল রাখার ১০টি উপায়

 




শীতের মরসুম যতই আরামদায়ক হোক, এই সময়ে ত্বকের উপর প্রভাব পড়ে সবচেয়ে বেশি। ঠান্ডা বাতাস, কম আর্দ্রতা এবং ঘরে হিটার ব্যবহার—সব মিলিয়ে ত্বক দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়, টান টান লাগে, এমনকি খুসকির মতো স্কিন ফ্লেকও দেখা দেয়। তাই এসময় ত্বকের জন্য প্রয়োজন বিশেষ যত্ন। আজ জানুন শীতে ত্বক নরম, ময়েশ্চারাইজড এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখার ১০টি সহজ উপায়।


১️. গরম নয়, হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন

অনেকেই শীতে গরম পানি দিয়ে মুখ ধুতে পছন্দ করেন, কিন্তু অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট করে। এতে ত্বক আরও শুষ্ক হয়। তাই মুখ, হাত ও শরীর ধোয়ার সময় হালকা গরম বা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।


২️.স্নানের পরপরই ময়েশ্চারাইজার লাগান

স্নানের ২–৩ মিনিটের মধ্যেই ময়েশ্চারাইজার লাগালে তা ত্বকে ভালোভাবে শোষিত হয়। শীতে thick বা cream-based moisturizer ব্যবহার করুন। Shea Butter, Cocoa Butter বা Ceramide আছে এমন ক্রিম হলে আরও ভালো।


৩️. সপ্তাহে ২ দিন হালকা এক্সফোলিয়েশন করুন

শীতে ডেড স্কিন দ্রুত জমে, ফলে ত্বক রুক্ষ লাগে। সপ্তাহে ২ দিন হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়।
তবে বেশি ঘষা–মাজা বা হার্শ স্ক্রাব ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।


৪️. ঘরোয়া ফেসমাস্ক ব্যবহার করুন

শীতে ত্বককে নরম রাখতে ঘরোয়া মাস্ক খুবই কার্যকর। যেমন—

  • দুধ + মধু

  • অ্যালোভেরা জেল + ভিটামিন ই

  • কলা + দই
    এই ধরনের মাস্ক ত্বককে তাৎক্ষণিক হাইড্রেটেড ও সফট করে।


৫️.পর্যাপ্ত পানি পান করুন

অনেকেই শীতে পানি কম খেয়ে থাকেন, ফলে ত্বক ভেতর থেকে শুষ্ক হয়ে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৬–৮ গ্লাস পানি পান করুন। চাইলে লেবুর পানি বা গ্রিন টি খেতে পারেন।


৬️.ত্বক–উপযোগী ক্লিনজার ব্যবহার করুন

শীতে ফোমিং ক্লিনজার বা আলকোহলযুক্ত প্রোডাক্টে ত্বক আরও শুষ্ক হয়। তাই mild, hydrating বা cream-based cleanser ব্যবহার করুন যাতে ত্বক নরম থাকে।


৭️. রাতে স্কিন–কেয়ার রুটিন অনুসরণ করুন

শীতে রাতের স্কিনকেয়ার অত্যন্ত জরুরি।
রুটিন—

  1. ক্লিনজিং

  2. টোনিং

  3. সিরাম (হায়ালুরোনিক অ্যাসিড থাকলে ভালো)

  4. হেভি ময়েশ্চারাইজার
    এই ৪ স্টেপ ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে সারারাত।


৮️.লিপ কেয়ার ভুলবেন না

শীতে ঠোঁট সবচেয়ে দ্রুত ফেটে যায়। দিনে কয়েকবার লিপ বাম ব্যবহার করুন। Shea Butter, Coconut Oil বা Vitamin E থাকা লিপ বাম সবচেয়ে ভালো।


৯️.যথেষ্ট ঘুম ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন

ঘুম কম হলে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম এবং খাদ্য তালিকায় শীতকালীন ফল–সবজি, বাদাম, মাছ ও ভিটামিন–সমৃদ্ধ খাবার রাখলে ত্বক ভিতর থেকে সুস্থ থাকবে।


১০. ঘরের আর্দ্রতা বাড়াতে Humidifier ব্যবহার করুন

শীতকালে ঘরের বাতাস খুব শুষ্ক হয়ে পড়ে। এতে ত্বক দ্রুত পানি হারায়। রুমে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ে এবং ত্বক নরম থাকে।


শীত মানেই ত্বকের সমস্যা—এ ধারণা ভুল। একটু সচেতনতা আর নিয়মিত যত্নই আপনার ত্বককে রাখতে পারে নরম, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। উপরের টিপসগুলো অনুসরণ করলে পুরো শীতজুড়ে ত্বক থাকবে সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর।


মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

ড্রাই স্কিনের জন্য ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার রেসিপি

 





শীতকাল মানেই ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, টান টান অনুভূতি আর খসখসে ভাব। বাজারের অনেক ক্রিম বা লোশন অস্থায়ীভাবে কাজ করে, কিন্তু ঘরোয়া উপকরণে বানানো ময়েশ্চারাইজার ত্বককে ভেতর থেকে নরম ও পুষ্ট রাখে। আজ জেনে নিন ৩টি দারুণ হোমমেড ময়েশ্চারাইজার রেসিপি — সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে


 ১. মধু ও অ্যালোভেরা ময়েশ্চারাইজার

ত্বক নরম ও হাইড্রেট রাখতে দারুণ কার্যকর

উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল

  • ১ টেবিল চামচ মধু

  • ১ চা চামচ নারিকেল তেল

 প্রস্তুত প্রণালী:

  1. সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।

  2. পরিষ্কার মুখ ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন।

  3. হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

  4. সপ্তাহে ৩–৪ দিন ব্যবহার করলে ত্বক থাকবে নরম ও মসৃণ।

 রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করলে সকালে ত্বক আরও উজ্জ্বল লাগবে।


 ২️.দুধ ও অলিভ অয়েল ময়েশ্চারাইজার

ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ন্যাচারাল গ্লো ফিরিয়ে আনে

 উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ

  • ১ চা চামচ অলিভ অয়েল

  • কয়েক ফোঁটা গোলাপজল (চাইলে)

প্রস্তুত প্রণালী:

  1. সব উপকরণ মিশিয়ে তুলোর সাহায্যে মুখে লাগান।

  2. ১০ মিনিট পর নরম টিস্যু বা কটন প্যাড দিয়ে মুছে ফেলুন।

  3. ত্বক সঙ্গে সঙ্গে নরম ও হাইড্রেট অনুভব করবে।

এটি মেকআপের আগে বেস হিসেবে ব্যবহার করা যায়, ত্বক মসৃণ রাখবে।


৩. শিয়া বাটার ও ভিটামিন E ময়েশ্চারাইজার

খুব ড্রাই বা রুক্ষ ত্বকের জন্য পারফেক্ট

উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ শিয়া বাটার

  • ১ চা চামচ বাদাম তেল

  • ১ ক্যাপসুল ভিটামিন E (তেল বের করে)

প্রস্তুত প্রণালী:

  1. ডাবল বয়লার বা হালকা গরম পানির বাটিতে শিয়া বাটার গলিয়ে নিন।

  2. বাদাম তেল ও ভিটামিন E তেল যোগ করে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

  3. ঠান্ডা হয়ে গেলে ছোট কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন।

  4. প্রতিদিন রাতে মুখে বা হাত-পায়ে লাগান।

 এই মিশ্রণটি ফাটা গোড়ালির যত্নেও ব্যবহার করা যায়।


 টিপস:

  • মুখ ধোয়ার পর সাথে সাথেই ময়েশ্চারাইজার লাগান — এতে ত্বকের পানি লক হয়ে থাকবে।

  • অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ ধোবেন না; এতে ত্বক আরও শুষ্ক হয়।

  • হাইড্রেট থাকতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২

ত্বকের ধরন ভেদে শীতকাল উপযোগী ঘরোয়া স্ক্রাব

(১) ফেস স্ক্রাব 

ফেস স্ক্রাব টি আপনি ব্যবহার করবেন শুধুমাত্র মুখেই। কারন, মুখের ত্বক অনেক পাতলা হয়। তাই, সেটি খেয়াল রেখেই সবসময়  স্ক্রাব ব্যবহার করতে হবে।
  • চালের গুঁড়ো
  • অ্যালোভেরা জেল
  •  মধু
যেভাবে তৈরি করবেন – 
চালের গুঁড়ো এর সাথে মধু এবং এলোভেরা জেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। বেশী ঘন হয়ে গেলে একটু পানি মিশিয়ে নিন এবং ব্যবহার করুন।

(২) হাত-পায়ের জন্যে স্ক্রাব

  • দারুচিনি
  • মধু
  • লেবুর রস
  • অলিভ অয়েল
যেভাবে তৈরি করবেন-
দারুচিনি গুঁড়ো  করে নিন। দানা-দানা ভাব যেন থাকে। এবার দারুচিনির সাথে বাকি উপকরণ মিশিয়ে নিন।   হাত এবং পায়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন।

(৩) বডি স্ক্রাব

  • চিনি
  • আমন্ড বাদাম
  • গুঁড়ো দুধ
  • টমেটোর রস

যেভাবে তৈরি করবেন – 
আমন্ড বাদাম গুড়ো করে নিন। এবার বাকি সব উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে নিন।

(৪) লিপ স্ক্রাব 

  • চিনি
  • অলিভ অয়েল
  • ভ্যানিলা ফ্লেভার
যেভাবে তৈরি করবেন-
সব উপকরণ একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে ঠোঁটে ব্যবহার করুন।

(৫) নখের জন্যে স্ক্রাব 

শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও, নখেও স্ক্রাবিং এর প্রয়োজন রয়েছে। নখ এবং নখের আশেপাশের মড়া চামড়া দূর করে নখকে শক্ত করে তুলতে স্ক্রাবিং জরুরী।
  • অলিভ অয়েল
  • লেবুর রস
  • ছোট ব্রাশ
যেভাবে তৈরি করবেন –
অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। একটি কটন বলের সাহায্যে নখে মিশ্রন টি কিছুহ্মন লাগিয়ে রাখুন। এবার ছোট ব্রাশের সাহায্যে নখ এবং নখের চারদিক ঘষে নিন এবং ধুয়ে ফেলুন।

(৬) হাত ও পায়ের তালুর জন্যে স্ক্রাব 

হাত ও পায়ের তালুও শীতের রুক্ষতা থেকে রেহাই পায় না। যার ফলাফল হাত ও পায়ের তালু শক্ত হয়ে যাওয়া, চামড়া ওঠা, ফেটে যাওয়া। এজন্য এই সব স্থানেও স্ক্রাবিং প্রয়োজন।
  • চিনি
  • অলিভ অয়েল
যেভাবে তৈরি করবেন –
চিনি এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি হাত-পায়ের তালুতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট।

বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২

শীতে চুলের খুশকি দূর করার সহজ ৫টি উপায়

মাথার তালুর সাদা বর্ণের মৃত চামড়াকে খুশকি বলে। মাথার তালু শুষ্ক হলে অথবা সেবোরহেইক ডারমাটাইটিস এর জন্য খুশকি হয়। এছাড়াও এক্সিমা, সোরিয়াসিস বা ম্যালাসেজিয়া নামক ছত্রাকের আক্রমনেও খুশকি হতে পারে। যে কোন বয়সের মানুষেরই খুশকির সমস্যা হতে পারে, তবে টিনএজার ও প্রাপ্তবয়স্কদের বেশি হয়ে থাকে। এটা বিরক্তিকর ও অস্বস্তিকর একটি সমস্যা তবে মারাত্মক কোন সমস্যা নয়। খুশকির পরিমাণ বেশি হলে ব্রণ ও চুলকানির সমস্যা হতে পারে। খুশকি নিয়ন্ত্রণের জন্য সহজ ও কার্যকরী কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি আছে। আসুন সেই পদ্ধতি গুলো জেনে নেই।

১। ভিনেগার

খুশকি দূর করার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপাদান হচ্ছে ভিনেগার যা সস্তা ও সহজ লভ্য।আপেল সিডার ভিনেগার বা সাদা ভিনেগার দুইটাই খুশকি নির্মূলের কাজে ব্যাবহার করা যায়।
-এক কাপের ৪ভাগের ১অংশ ভিনেগার এবং ৪ভাগের ৩অংশ পরিমাণ পানি একসাথে মিশিয়ে চুল ধোয়ার পর ব্যাবহার করুন।
-ভিনেগার দেয়ার পর আর চুল ধোবেন না।তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।চুল শোকানোর সাথে সাথে ভিনেগারের গন্ধও চলে যাবে।
-যতদিন না খুশকি দূর হচ্ছে নিয়মিত ভিনেগার ব্যবহার করুন।

২। নিম

নিমে ছত্রাক নাশক ও ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান আছে।তাই শুধু খুশকি দূর করার জন্যই না মাথার তালুর অ্যাকনি,চুলকানি এবং চুল পড়া বন্ধ করতেও নিম ব্যাবহার করা হয়।নিমকে ইন্ডিয়ান লাইলাক ও বলা হয়।
– চার কাপ পানিতে এক মুঠো নিম পাতা দিয়ে সিদ্ধ করুন
– ঠান্ডা করে মিশ্রণটি ছেকে নিন
– এই মিশ্রণটি চুলে ব্যবহার করুন সপ্তাহে ২-৩বার।

৩। নারিকেল তেল

ক্রাঞ্চিবেটি ডট কম এর মতে খুশকির চিকিৎসায় নারিকেল তেল প্রয়োগ কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।
-গোসলের আগে ৩-৫ টেবিল চামুচ নারিকেল তেল মাথার তালুতে লাগান এবং এক ঘন্টা রাখুন
-তারপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৪। মাউথওয়াশ

খুশকির সমস্যা দূর করার জন্য মাউথ ওয়াশ ব্যাবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। খুশকির সমস্যা অনেক বেশি হলে চুল ধোয়ার পর মাথার তালুতে মাউথ ওয়াশ লাগান। এভাবে ৫-১০মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।চোখে যেন না লাগে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। সপ্তাহে একবার এটা করতে পারেন।

৫। লেবু

খুশকি দূর করতে লেবু চমৎকার কাজ করে। গোসলের আগে মাথার তালুতে ভালো ভাবে লেবু ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের আঠালো ভাব দূর করে এবং উজ্জ্বলতা দান করে।
নিয়মিত চুল আঁচড়ান, এতে মাথার তালুর রক্ত চলাচল বাড়বে এবং তেল এর নিঃসরণ বাড়বে। স্ট্রেস এর কারনে খুশকি বাড়তে পারে।তাই স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।স্বাস্থ্যকর খাবার খান।অস্বাস্থ্যকর খাবার যেমন- ফাস্ট ফুড ও চিনি সমৃদ্ধ খাবার কম খান।ভিটামিন বি৬ ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান,কারণ এগুলো চুল ও তালুর ত্বক ভালো রাখে।পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১

শীতে মলিন ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনার কৌশল

হাল্কা শীতের পরশ বইছে। এই সময়ে ত্বকের যত্ন নিতে শুরু করুন।
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকেও কিছু পরিবর্তন আসে। গরমে ত্বকে যে রকম সমস্যা, শীতের সমস্যা অনেকটা ভিন্ন। আবার ত্বকের ধরন যখন শুষ্ক তখন সব ঋতুতেই প্রধান সমস্যা থাকে শুষ্কতা।
সারা বছরই যাদের ত্বক শুষ্ক থাকে শীতের সময় তাদের সমস্যা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। তবে এ ধরনের ত্বকে একটু যত্ন নিলেই ফ্রেশ থাকার পাশাপাশি সুন্দরও থাকে।

এ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন আকাঙ্ক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড’য়ের কর্ণধার অ্যারোমা থেরাপিস্ট জুলিয়া আজাদ।
শুষ্ক ত্বকে তেল গ্রন্থি স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে। ফলে ত্বক অল্পতেই শুষ্ক হয়ে যায়। এ ধরনের ত্বকে বলিরেখা তাড়াতাড়ি পড়ে, শীতের সময় শুষ্কতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার জন্য এক ধরনের অস্বস্তি হয়।

সমস্যা থেকে রেহাই পেতে যত্ন করে প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। সপ্তাহে দুতিন দিন নিয়ম করে স্ক্রার্বিং করতে হবে। আমন্ড অয়েল এ ধরনের ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী। ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ তেল শুষ্ক ত্বকে পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে।

শুষ্ক ত্বকে ক্রিম সমৃদ্ধ ক্লেজার ব্যবহার করা উচিত। আর টোনিংয়ের ক্ষেত্রে ‘ফ্লাওয়ার’ সমৃদ্ধ টোনার শুষ্ক ত্বকের উপযোগী। কখনও অ্যালকোহল সমৃদ্ধ টোনার ব্যবহার করবেন না। কারণ এ ধরনের ত্বকে অ্যালকোহল আরও বেশি শুষ্ক করে দেয়।
ঘরোয়া উপায়ে যদি পরিষ্কার করতে চান তবে বেসন ভালো ক্লেনজার। সাবানের পরিবর্তে বেসন দিয়ে দিনে দুতিনবার পরিষ্কার করুন।

এ সময় শুষ্কতার থেকে রক্ষা পেতে বেসনের সঙ্গে কাঁচাদুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে এবং দেহের অনাবৃত অংশে ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক পরিষ্কার উজ্জ্বল ও মোলায়েম হবে।
স্ক্রার্বিংয়ের সময় এই মিশ্রণের সঙ্গে এক চা-চামচ চিনি মিলিয়ে নিন। এরপর পুরো মুখে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট হাল্কা হাতে ম্যাসাজ করুন। তারপর উষ্ণ পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চাইলে এর সঙ্গে কয়েকটা গোলাপের পাপড়ি পেস্ট করে মিশিয়ে নিন।

তৈলাক্ত হলেও শীতের সময় ত্বক একটু শুষ্ক অনূভুত হয়। এক্ষেত্রেও ত্বকের জন্য এই মিশ্রণ ব্যবহার করা যাবে। তবে চিনির পরিবর্তে তৈলাক্ত ত্বকে মধু ভালো কাজ করবে। বেসনের ক্ষেত্রে মুসুর ডালের বেসন তৈলাক্ত ত্বকের উপযোগী।

মধু ত্বকে বাড়তি পুষ্টি যোগান দেয়। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ। ত্বক পরিষ্কার করার একদুই মিনিটের মধ্যে টোনিং করতে হবে।

তুলায় টোনার নিয়ে ত্বকে একবার বুলিয়ে নিন। টোনার ব্যবহার করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ত্বকের রোমকূপগুলো সঙ্কুচিত হয়। যা ত্বক সতেজ রাখে। এরপর ময়শ্চারাইজিং করুন। পাকাপেঁপে ও মধু মিলিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। পাঁচ মিনিট রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
পাকাপেঁপে ‘ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার’ হিসেবে ভীষণ ভালো কাজ করে এবং নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে।

প্রতিদিনই রাত্রে শোবার আগে ত্বক পরিস্কার করে ভালো ব্র্যান্ডের একটা নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন। এটা রুক্ষতা দূর করে ত্বক আদ্র করে তুলবে।

মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১

শীতের সাজকথা

বেইজের ক্ষেত্রেঃ মেকাপের শুরুতে স্ক্রাব করে নিতে পারেন এতে ত্বকের জমে থাকা মরা কোষ উঠে যাবে। আর মেকাপের আগে ত্বকের ধরন অনুযায়ী অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন। এরপর প্রাইমার দিয়ে বেইজ মেকআপ আরম্ভ করবেন। বেইজের ক্ষেত্রে দিনের বেলা লাইট টু মিডিয়াম আর রাতে মিডিয়াম টু হাই কাভারেজ দেয় এমন ফাউনডেশন ইউজ করতে পারেন।

কালার কারেক্টার ও কন্সিলারঃ অনেকের কাছেই শোনা যায় যে স্কিন টোনের সাথে ম্যাচ করে কন্সিলার দেওয়ার পরেও চোখের নিচের কালচে ভাবটা যেন রয়েই যায়। তাদের জন্য কন্সিলারের আগে ব্যবহার করা প্রয়োজনকারেক্টার। যাদের চোখের নিচে কালচে দাগ আছে তারা অরেঞ্জ কালার কারেক্টার ব্যবহার করবেন। আর পিম্পল এর লাল দাগ বা নাকের পাশে অনেকের লালচে দাগ থাকে সেটি মিন্ট গ্রিন কালার কারেক্টার দিয়ে ঠিক করা যায়। আর যাদের ত্বকের রঙ ফ্যাকাশে তাদের
ত্বকের জন্য ইয়ালো কালার কারেক্টার উপযুক্ত। এই নিয়ে বিস্তারিত একটা আর্টিকেল লিখব ভবিষ্যতে। কালার কারেক্টার দেওয়ার পরে কন্সিলার ব্যবহার করুন।

ব্লেন্ড করুন ভালোভাবেঃ  যেকোনো ত্বকেই মেকআপ সেট করর মূলমন্ত্র হল ত্বকের সাথে তা ভালভাবে মিশিয়ে দেওয়া, অর্থাৎ ব্লেন্ড করা।ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে স্টিপলিং ব্রাশ বা বিউটি ব্লেন্ডার অথবা মেকআপ স্পঞ্জ একটু ভিজিয়ে চিপে নিয়ে আলতো করে চেপে চেপে ত্বকে ব্যবহার করবেন। সবশেষে সেটিং পাউডার দিয়ে বেইজ সেট করে নিন। আর চোখের সাজে ব্লেন্ডিং ব্রাশ ইউজ করুন।

ব্যবহার করুন হাইলাইটারঃ মেকাপের পরে চেহারায় একটা glowy ফিনিশ আনার জন্য হাইলাইটার ব্যবহার করুন চিক বোনে, ব্রাও বোনে, আর নাকের হাড়ের ঠিক মাঝ বরাবর। আর পুরো ফেসে ডিউই লুক আনার জন্য ফাউনডেশনের সাথে মিক্স করে নিতে পারেন লিকুইড হাইলাইটার বা লুমিনেটর।শীতকালে দিনের মেকআপে সফটকনটোরিং করুন আর রাতের বেলা কনটোরিং এর জন্য আরও একটু ডার্ক শেড দিতে পারেন। জমকাল ভাব আনার জন্য রাতের সাজে চাইলে ব্রঞ্জার ইউজ করতে পারেন। ব্লাশের জন্য সফট পিঙ্ক বা পিচ টোনের ব্লাশ ভালো লাগবে।

ঠোঁটের সাজেঃ এই বছর মেকাপের ট্রেন্ডে  সারা বছর চুটিয়ে রাজত্ব করেছে ম্যাট লিপস্টিক। হাল্কা থেকে গাঢ়, সব রঙেই ছিল ম্যাট বা ভেলভেট ফিনিশিং লিপস্টিকের জয়জয়কার। শীতকালেও এর রেশ থেকে যাবে কিছুটা। তাই ম্যাট এর পাশাপাশি সেমি ম্যাট বা একটু ক্রিমি ধাঁচের লিপস্টিকেই ঠোঁট সাজাতে পারেন উৎসবে আমন্ত্রণে। তবে লিপস্টিক দেওয়ার আগে অবশ্যই লিপবাম দিয়ে নেবেন।
মেকাপের সময় অবশ্যই মনে রাখবেনঃ
  • ত্বকের ধরন যেমনই হক, মেকআপ শুরুর আগে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না। শুষ্ক ত্বকে একটু ভারিময়েশ্চারাইজার আর নরমাল ও অয়েলি ত্বকে হাল্কা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।
  • ডার্ক ব্রাউন, মেরুন, বেরি, প্লাম; এসব রঙ গুলো ঠোঁটের সাজেই বেশি মানানসই। ঠোঁটের এসব শেডের সাথে চোখে পার্ল, স্যাটিন বা শিমারি ফিনিশের আইশ্যাডো দিন।
  • স্মোকি আইকে একটু ড্রামাটিক করার জন্য চোখের ওয়াটার লাইনে সাদা কাজল ব্যবহার করতে পারেন। আর নিচের পাতায় ডার্ক ব্রাউন আইশ্যাডো স্মাজ করে দিন। ঘন মাশকারার প্রলেপ দিন দু তিনবার।
  • লাল, মেরুন, ম্যাজেন্টা এসব বোল্ড কালার চোখে ব্যবহার করতে যাবেন না যেন। আমাদের দেশের মেয়েদের স্কিন টোনের সাথে এসব কালার চোখের জন্য মানানসই নয়। আই মেকআপে বেছে নিন নেভি ব্লু, গ্রিন, পার্পল শেড।
  • স্মোকি আইয়ের সাথে চড়া রঙা লিপস্টিক ইউজ করবেন না। চোখের সাজ ভারি হলে ঠোঁটে নিউট্রাল কালার যেমন লাইট পিঙ্ক সফট ব্রাউন লিপস্টিক দিন। আর গাঢ়  রঙে ঠোঁট রাঙ্গাতে চাইলে চোখের জন্য ন্যাচ্রাল কালার আইশ্যাডো বেছে নিন। এতে সাজের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
  • লিপস্টিকের সাথে ম্যাচিং নেইল পলিশ ইউজ করতে পারেন। অথবা ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর করতে পারেন।

শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১

শীতে ঠোঁটের যত্নে বিশেষ টিপস্‌

শুষ্ক বা ফাটা ঠোঁট

একটি পরিষ্কার ভেজা কাপড়ে চিনি নিয়ে সেটি ঠোঁটে আলতো করে ঘষে নিলে ঠোঁটের মরা চামড়াগুলো উঠে যাবে। এরপর ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ঠোঁটে নারকেল তেল লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাছাড়া ঠোঁটের যত্নে আধা চামচ মধু এবং এক চামচ অলিভ ওয়েল মিশিয়ে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে হবে।
১. শীতকালের শুষ্কতা থেকে রেহাই পেতে নিয়মিত লিপ বাম বা অ্যালোভেরা যুক্ত ভ্যাসলিন পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে।
২. প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। অনেক সময় ডিহাইড্রেশনের ফলে ‘ডার্ক লিপ্স’য়ের সমস্যা হতে পারে | তাই শরীর আর্দ্র রাখতে প্রচুর পানি পান করতে হবে|
৩. খুব ঠাণ্ডা হাওয়া থেকে মুখের ত্বক বাঁচাতে স্কার্ফ পরা যেতে পারে।
৪. ঠোঁটে প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ লিপস্টিক বেছে নিতে হবে।
৫. জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিত নয়। আবার ঠোঁটে মরা চামড়া হলে সেটি টেনে তোলাও উচিত নয়।

নরম গোলাপি ঠোঁট

ঠোঁট সুন্দর করতে ঘোরোয়া কিছু সহজ উপায় মেনে চললেই হয়।
শিবানী দে বলেন, “প্রথমেই ঠোঁট পরিষ্কার করার সহজ একটি উপায় জানা যাক। কাঁচা দুধ আর মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি সাদা পরিষ্কার কাপড় বা তুলা ওই মিশ্রণে ভিজিয়ে ঠোঁটে ঘষে নিতে হবে। এতে ঠোঁট পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি মসৃণ ও সুন্দর হবে।”
এরপর ঠোঁট স্ক্রাবি’য়ের পদ্ধতি সম্পর্কে জানান তিনি।
এক চা-চামচ অলিভ অয়েলের সঙ্গে এক চা-চামচ চিনি মিশিয়ে ঠোঁটের জন্য ঘরোয়া স্ক্রাব তৈরি করা যায়। এই মিশ্রণ ঠোঁটে লাগিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে আলতো করে ঘষে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর ঠোঁটে লিপ বাম লাগিয়ে নিতে হবে। এই ঘরোয়া স্ক্রাব ঠোঁটের মরা কোষ পরিষ্কার করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করতে সাহায্য করবে।

ঠোঁট নরম করার উপায়

– পাকা পেঁপে চটকে তার সঙ্গে দুধের মাঠা মিশিয়ে একটা মিশ্রণ করতে হবে। সেটা ঠোঁটে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্রলেপ ঠোঁটের পুষ্টিও জোগাবে।

– সমান পরিমাণে লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে| এরপর ভালো করে মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগিয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে নরম কোনও ভেজা কাপড় দিয়ে আলতো করে ঘষে তুলে ফেলতে হবে| এটি চাইলে প্রতিদিনে এবং দিনে একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে।

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে গ্লিসারিন ব্যবহার

– সান ট্যান ছাড়াও ঠোঁট বেশি শুষ্ক হয়ে গেলে ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে| রোজ রাতে ‍ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে ঠোঁটে গ্লিসারিন লাগিয়ে নিতে হবে| এর ফলে ঠোঁটে আর্দ্রতার পরিমাণ ঠিক থাকবে আর নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের রং-ও স্বাভাবিক হয়ে আসবে| ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতেও এই পদ্ধতি বেশ উপকারী|

– ঠোঁটে এক টুকরা বিট নিয়ে হাল্কা করে ঠোঁটে মালিশ করতে হবে| বিটের রস ট্যান বা পোড়াভাব দূর করতে সাহায্য করে আর কিছুদিনের মধ্যেই ঠোঁটের রং স্বাভাবিক গোলাপি হয়ে উঠবে|

– শসার রস কালো দাগ উঠাতে দারুণ কার্যকর। রোজ নিয়ম করে ঠোঁটে শসার রস লাগালে কিছুদিনের মধ্যেই ঠোঁটের কালচেভাব অনেকটাই কমে আসবে।

ঠোঁটের ত্বক অত্যন্ত নমনীয়। তাই বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। ঠোঁটে লিপ বাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এপিএফ যুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করতে হবে।
শিবানী দে বলেন, “সস্তা বা কম দামি লিপ প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে এবং আরও অনেক ধরনে ক্ষতি হতে পারে। ঠোঁটের জন্য হার্বাল লিপ বাম ব্যবহার করা সব থেকে ভালো।”

শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১

শীতে ত্বকের যত্ন

  • শীতের সময় ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। শুষ্ক ও রুক্ষ হওয়া থেকে ত্বক বাঁচাতে নিয়মিত তেল ব্যবহার জরুরি। ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে ১ অথবা ২ ফোঁটা আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিন। অ্যাভোকাডো অয়েল মেশালেও উপকার পাবেন। তেলমিশ্রিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন গোসলের পর পরই।
  •  
  • ফেসওয়াশ অথবা বডিওয়াশের সঙ্গে সামান্য মোটা দানার চিনি মিশিয়ে নিন। হালকা হাঁটে কয়েক মিনিট ঘষে নিন ত্বকে। এটি ত্বকের মরা চামড়া দূর করবে। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে সামান্য নারকেল তেল ঘষুন ত্বকে। ত্বক নরম ও কোমল থাকবে পুরো শীতকাল জুড়েই।
  •  
  • টক দইয়ের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চক্রাকারে পেস্টটি ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মরা চামড়া দূর করে ত্বক নরম করবে।  
  •  
  • শীতে ত্বক ও চুলের যত্নে অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালোভেরা জেল সরাসরি চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ত্বকেও সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন এই জেল। এটি ত্বক নরম রাখবে।
  •  
  • চুলের রুক্ষতা দূর করতে নারকেল তেল সামান্য গরম করে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। তোয়ালে গরম পানিতে ডুবিয়ে নিংড়ে চুল ঢেকে রাখুন ১৫ মিনিট। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  •  
  • ঠোঁট ফাটা রোধ করতে সুইট আমন্ড অয়েল ব্যবহার করেত পারেন ঠোঁটে। রাতে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
  •  
  • হাত ও পায়ের যত্নে ব্যবহার করুন লেবু। লেবু অর্ধেক করে কেটে বেকিং সোডা মিশিয়ে হাত ও পায়ের ত্বকে ঘষে নিন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। রাতে ঘুমানোর আগে নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন হাত-পায়ের ত্বকে।
  •  
  • পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে গরম পানি ও শ্যাম্পুর মিশ্রণে পা ডুবিয়ে রেখে পিউমিস স্টোন দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। পা মুছে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। রাতে মোজা পরে ঘুমাবেন।

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

ত্বকের ধরন ভেদে শীতকাল উপযোগী ঘরোয়া স্ক্রাব

তবে শীতকালে স্কিন কেয়ারটা  একটু  আলাদা হয়ে থাকে। তাই স্ক্রাবিং করতে হলে, স্ক্রাবগুলো হতে হবে শীতকালের উপযোগ। এছাড়াও ফেস, বডি,  হাত পায়ের জন্য দরকার  আলাদা আলাদা স্ক্রাব।
তো চলুন জেনে নিই, কীভাবে ঘরে বসেই বানাবেন শীতকালের জন্য উপযোগী  (A to Z) স্ক্রাব।
কীভাবে স্ক্রাব করবেন? প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে নিন ফেসওয়াসের সাহায্যে। এবার স্ক্রাব নিয়ে স্কিনে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করতে থাকুন। সবসময় ঘড়ির কাটার উলটো দিকে ম্যাসাজ করবেন। ৩-৪ মিনিট ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। স্ক্রাবিং করার পর স্কিনে অবশ্যই ভালো কোনো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিবেন।
জেনে নিলেন তো স্কিনে কী উপায়ে ম্যাসাজ করতে হয়। এবার একে একে মুখ থেকে শুরু করে হাত-পায়ের জন্য পারফেক্ট স্ক্রাবার তৈরি উপায় জানব।

(১) ফেস স্ক্রাব 

ফেস স্ক্রাব টি আপনি ব্যবহার করবেন শুধুমাত্র মুখেই। কারন, মুখের ত্বক অনেক পাতলা হয়। তাই, সেটি খেয়াল রেখেই সবসময়  স্ক্রাব ব্যবহার করতে হবে।
  • চালের গুঁড়ো
  • অ্যালোভেরা জেল
  •  মধু
যেভাবে তৈরি করবেন – 
চালের গুঁড়ো এর সাথে মধু এবং এলোভেরা জেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। বেশী ঘন হয়ে গেলে একটু পানি মিশিয়ে নিন এবং ব্যবহার করুন।

(২) হাত-পায়ের জন্যে স্ক্রাব

  • দারুচিনি
  • মধু
  • লেবুর রস
  • অলিভ অয়েল
যেভাবে তৈরি করবেন-
দারুচিনি গুঁড়ো  করে নিন। দানা-দানা ভাব যেন থাকে। এবার দারুচিনির সাথে বাকি উপকরণ মিশিয়ে নিন।   হাত এবং পায়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন।

(৩) বডি স্ক্রাব

  • চিনি
  • আমন্ড বাদাম
  • গুঁড়ো দুধ
  • টমেটোর রস

যেভাবে তৈরি করবেন – 
আমন্ড বাদাম গুড়ো করে নিন। এবার বাকি সব উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে নিন।

(৪) লিপ স্ক্রাব 

  • চিনি
  • অলিভ অয়েল
  • ভ্যানিলা ফ্লেভার
যেভাবে তৈরি করবেন-
সব উপকরণ একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে ঠোঁটে ব্যবহার করুন।

(৫) নখের জন্যে স্ক্রাব 

শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও, নখেও স্ক্রাবিং এর প্রয়োজন রয়েছে। নখ এবং নখের আশেপাশের মড়া চামড়া দূর করে নখকে শক্ত করে তুলতে স্ক্রাবিং জরুরী।
  • অলিভ অয়েল
  • লেবুর রস
  • ছোট ব্রাশ
যেভাবে তৈরি করবেন –
অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। একটি কটন বলের সাহায্যে নখে মিশ্রন টি কিছুহ্মন লাগিয়ে রাখুন। এবার ছোট ব্রাশের সাহায্যে নখ এবং নখের চারদিক ঘষে নিন এবং ধুয়ে ফেলুন।

(৬) হাত ও পায়ের তালুর জন্যে স্ক্রাব 

হাত ও পায়ের তালুও শীতের রুক্ষতা থেকে রেহাই পায় না। যার ফলাফল হাত ও পায়ের তালু শক্ত হয়ে যাওয়া, চামড়া ওঠা, ফেটে যাওয়া। এজন্য এই সব স্থানেও স্ক্রাবিং প্রয়োজন।
  • চিনি
  • অলিভ অয়েল
যেভাবে তৈরি করবেন –
চিনি এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি হাত-পায়ের তালুতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট।

সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

ত্বকের ধরন ভেদে শীতকাল উপযোগী ঘরোয়া স্ক্রাব

(১) ফেস স্ক্রাব 

ফেস স্ক্রাব টি আপনি ব্যবহার করবেন শুধুমাত্র মুখেই। কারন, মুখের ত্বক অনেক পাতলা হয়। তাই, সেটি খেয়াল রেখেই সবসময়  স্ক্রাব ব্যবহার করতে হবে।
  • চালের গুঁড়ো
  • অ্যালোভেরা জেল
  •  মধু
যেভাবে তৈরি করবেন – 
চালের গুঁড়ো এর সাথে মধু এবং এলোভেরা জেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। বেশী ঘন হয়ে গেলে একটু পানি মিশিয়ে নিন এবং ব্যবহার করুন।

(২) হাত-পায়ের জন্যে স্ক্রাব

  • দারুচিনি
  • মধু
  • লেবুর রস
  • অলিভ অয়েল
যেভাবে তৈরি করবেন-
দারুচিনি গুঁড়ো  করে নিন। দানা-দানা ভাব যেন থাকে। এবার দারুচিনির সাথে বাকি উপকরণ মিশিয়ে নিন।   হাত এবং পায়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন।

(৩) বডি স্ক্রাব

  • চিনি
  • আমন্ড বাদাম
  • গুঁড়ো দুধ
  • টমেটোর রস

যেভাবে তৈরি করবেন – 
আমন্ড বাদাম গুড়ো করে নিন। এবার বাকি সব উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে নিন।

(৪) লিপ স্ক্রাব 

  • চিনি
  • অলিভ অয়েল
  • ভ্যানিলা ফ্লেভার
যেভাবে তৈরি করবেন-
সব উপকরণ একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে ঠোঁটে ব্যবহার করুন।

(৫) নখের জন্যে স্ক্রাব 

শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও, নখেও স্ক্রাবিং এর প্রয়োজন রয়েছে। নখ এবং নখের আশেপাশের মড়া চামড়া দূর করে নখকে শক্ত করে তুলতে স্ক্রাবিং জরুরী।
  • অলিভ অয়েল
  • লেবুর রস
  • ছোট ব্রাশ
যেভাবে তৈরি করবেন –
অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। একটি কটন বলের সাহায্যে নখে মিশ্রন টি কিছুহ্মন লাগিয়ে রাখুন। এবার ছোট ব্রাশের সাহায্যে নখ এবং নখের চারদিক ঘষে নিন এবং ধুয়ে ফেলুন।

(৬) হাত ও পায়ের তালুর জন্যে স্ক্রাব 

হাত ও পায়ের তালুও শীতের রুক্ষতা থেকে রেহাই পায় না। যার ফলাফল হাত ও পায়ের তালু শক্ত হয়ে যাওয়া, চামড়া ওঠা, ফেটে যাওয়া। এজন্য এই সব স্থানেও স্ক্রাবিং প্রয়োজন।
  • চিনি
  • অলিভ অয়েল
যেভাবে তৈরি করবেন –
চিনি এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি হাত-পায়ের তালুতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১

শীতকালে চুলের সঠিক পরিচর্যায় শ্যাম্পু করার কায়দা-কানুন

এই শীতে অনেকেই ঝামেলায় পড়েন চুল ধোয়া নিয়ে। ঠান্ডায় রোজ চুল ধোয়াটা বেশ বিরক্তিকর। এই আবহাওয়ায় চুল নিষ্প্রাণও হয়ে পড়ে অনেকের। অাবার এমনটাও দেখা যায় যে তৈলাক্ত চুলে হয়তো কারও মানিয়ে যাচ্ছে বিশেষ কোনো ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু, আরেকজনের তৈলাক্ত চুলে সেই শ্যাম্পুটি ব্যবহারে কাজ হচ্ছে উল্টো। শুষ্ক চুলের বেলায়ও এমনটা দেখা যায়। আসলে চুলের ধরনের ওপর নয়, শ্যাম্পু কোনটা ব্যবহার করবেন, তা নির্ভর করে মাথার তালুর ত্বকের ওপর—এমনটাই জানালেন বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভের রূপবিশেষজ্ঞ শারমীন কচি।

মাথার ত্বক যাদের তৈলাক্ত, তাঁদের তেলবিহীন এবং কন্ডিশনারের মাত্রা কম—এমন শ্যাম্পু বেছে নিতে হবে। এখন বাজারে বিভিন্ন ধরনের ভেষজ শ্যাম্পু পাওয়া যায়। এই ধরনের শ্যাম্পুতে যদি লেবু আর আমলকীর মতো উপাদান থাকে, তাহলে তা তৈলাক্ত চুলের উপযোগী বলে জানালেন এই রূপবিশেষজ্ঞ। এদিকে শুষ্ক চুল যাঁদের, তাঁরা শ্যাম্পু কেনার সময় তাতে কন্ডিশনার ও শ্যাম্পুর পরিমাণটা সমান আছে কি না, তা দেখে নিন। এত কিছু দেখে শ্যাম্পু কেনার পরও যদি তা চুলের সঙ্গে না মানায়, তাহলে শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড পরিবর্তন করেন অনেকেই। তবে, শ্যাম্পুর ব্র্যান্ডটা যা-ই হোক না কেন, নিয়মিত ব্যবহারের পর চুলের সঙ্গে তা মানিয়ে নিতে ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় লাগে।

শীতেও নিয়মিত চুল ধোয়া চাই। মডেল: সায়রাচুল পরিষ্কার করার সময় আরও কিছু বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দিলেন এই রূপবিশেষজ্ঞ। শ্যাম্পু করার আগে চুলগুলো হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। এরপর হাতের তালুতে একটু শ্যাম্পু নিয়ে তার চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে পানি মিশিয়ে নিন। এবার শ্যাম্পুর মিশ্রণটা আলতো করে মাথার তালুতে লাগান। অনেকেই মাথার ত্বক আঙুল দিয়ে জোরে জোরে ঘষে পরিষ্কার করে থাকেন। এতে চুল পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় বলে জানালেন শারমীন কচি।

মাথার তালুর পর পুরো চুলে শ্যাম্পুর ফেনা তৈরি করে ভালো করে হাত দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। তেল দিয়ে শ্যাম্পু করার সময় অনেকের চুল থেকেই তৈলাক্ত ভাবটা দূর হতে চায় না। এ সময় চুলে শ্যাম্পু লাগিয়ে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিলেই দূর হবে চুলের তৈলাক্ত ভাব।

চুল ধোয়ার পর আলতো করে তোয়ালেতে মুছে নিন চুলটাকে আরও ঝলমলে দেখানোর জন্য অনেকেই দুই থেকে তিনবার শ্যাম্পু ব্যবহার করে থাকেন। তবে বারবার মাথার তালুতে শ্যাম্পু ব্যবহার না করাই ভালো। এ ছাড়া প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহারে যাঁদের চুল কিছুটা রুক্ষ হয়ে যায়, তাঁরা শ্যাম্পু করার পর চায়ের লিকার কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
জেঁকে বসেছে শীত। এই সময়টায় হয়তো প্রতিদিন চুল ভেজানো বা গোসল করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আর এতে বেশ নেতিয়ে পড়ে চুলটা। এই সমস্যার সমাধানে যেদিন গোসল করবেন, সেদিন চুলে হট অয়েল ম্যাসাজ করুন। এরপর শ্যাম্পু করে শেষে কন্ডিশনার হিসেবে ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। শীতের সময় চুলের খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলকে ঝলমলে করতেও সাহায্য করে ভিনেগার।

শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২১

সৌন্দর্য ধরে রাখতে শীতকালে করবেন না এই ৭টি ভুল


১) অনেকদিন ধরে পায়ের নখে নেইলপলিশ লাগিয়ে রাখা
সাধারণত হাতের নেইলপলিশ সপ্তাহখানেক পরেই নষ্ট হয়ে যায়। এ কারনে আমরা তা মুছে ফেলি। কিন্তু শীতকালে বেশিরভাগ সময়েই পায়ে মোজা পরে থাকা হয় ফলে অনেকদিন ধরেই পায়ে রয়ে যায় নেইল পলিশ। এতো বেশি সময় ধরে নেইল পলিশ থাকার কারনে নখ ক্ষয় হতে পারে, হলদেটে হয়ে যেতে পারে। এ দিকে লক্ষ্য রাখুন। তিন সপ্তাহের বেশি নখে নেইল পলিশ রাখবেন না।

 ২) বেশি ব্রঞ্জার ও ব্লাশ ব্যবহার করা
এসময়ে ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যায় বলে অনেকেই ব্রঞ্জার ব্যবহার করে তাকে উজ্জ্বল করে তুলতে চান কিন্তু এতে আসলে মেকআপ বেশি অস্বাভাবিক মনে হয়। নিজের ত্বকের চাইতে এক বা দুই শেড গাড় ব্রঞ্জার ব্যবহার করুন। ফর্সা ত্বকের অধিকারী নারীরা গাল লালচে দেখানোর জন্য ব্লাশ ব্যবহার করেন। কিন্তু শীতে ঠাণ্ডা বাতাসে এমনিই ত্বক লালচে হয়ে থাকে। এ সময়ে লালচে শেডের ব্লাশ ব্যবহার না করাই ভালো।

৩) অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল
শীতে গরম পানিতেই বেশিরভাগ মানুষ গোসল করেন। কিন্তু এই পানির তাপমাত্রা বেশি গরম হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। কুসুম গরম পানিতে গোসল  করুন।

৪) খুব বেশি হেয়ার ট্রিটমেন্ট করানো
সপ্তাহে একদিন হেয়ার ট্রিটমেন্ট- যেমন পার্লারে গিয়ে হট অয়েল মাসাজ করানোটা ঠিক আছে। কিন্তু শীতে অনেকেরই চুল উস্কোখুস্কো হয়ে যায় আর এই নিষ্প্রাণ চুল ঠিক করতে অনেকেই বেশি বেশি হেয়ার ট্রিটমেন্ট করিয়ে থাকেন। এর চাইতে প্রতিদিন হেয়ার মাস্ক কন্ডিশনারের মত চুলে এক দুই মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন।

৫) বেশি শিমার পাউডার ব্যবহার করা
শিমার পাউডার ব্যবহারে ত্বকে ভেতর থেকে একটা গ্লো আসে বলে মনে হয় সত্যি। কিন্তু পাউডার ব্যবহার করলে শুষ্ক ত্বক আরো শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এ কারণে শিমার পাউডারের বদলে ব্যবহার করতে পারেন ক্রিম শিমার।

৬) ত্বকের যত্ন না নেওয়া
অনেকেই মনে করেন শীতে মুখ না ধুলেও চলবে, এক্সফলিয়েট না করলেও চলবে এবং সানস্ক্রিন দেবার দরকার নেই। এগুলো ভুল ধারনা। শীতকালেও নিয়ম করে ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে গ্রীষ্মকালের থেকে কিছুটা আলাদা হবে এ সময়ে ত্বকের যত্ন।

৭) অতিরিক্ত চা-কফি পান
এ সময়ে বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করলে আপনি ডিহাইড্রেটেড হয়ে যেতে পারেন এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। সুতরাং ক্যাফেইনের পরিমান কমিয়ে দিন।

সোমবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২১

শীতের শুরুতে ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় সহজ কিছু টিপস

শীতকালে বিশেষ করে ত্বক ও চুল রুক্ষ হয়ে যায়, তাই ত্বক ও চুলের বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন। সঠিক যত্নের মাধ্যমে আমরা শীতকালেও ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বজায় রাখতে পারব।
ত্বকের যত্নে
  • শীতকালে ক্রিম, সাবান যাই ব্যবহার করবেন লক্ষ রাখবেন তা যেন ময়েশ্চারাইজারযুক্ত হয়। দিনে অন্তত দু’বার ক্রিম ব্যবহার করবেন। ভিটামিন-ই যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করা ভালো।
  • সাধারণত আমরা মনে করি, শীতকালে সানস্ক্রিন প্রয়োজন হয় না। এটি ভুল ধারণা। একথা ঠিক যে, সূর্যরশ্মি সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের জন্য প্রয়োজন। এতে যে ভিটামিন পাওয়া যায় তা প্রয়োজনীয়। কিন্তু বেশি সূর্যরশ্মি ত্বকে অপূরণীয় ক্ষতি ও অকালবার্ধক্যের কারণ। সানস্ক্রিন এই রশ্মি দাহ্যতা কমিয়ে দেয়। শীতকালেও নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।
  • শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে বিধায় ত্বকের আর্দ্র ভাব কমে যায়। এর ফলে ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ময়শ্চারাইজারযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। তা ছাড়া গোলাপজল ও গ্লিসারিন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া ব্যবহার করতে পারেন অলিভ ওয়েল। অলিভ ওয়েল বা ময়েশ্চারাইজার পুরো মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করে ঘুমিয়ে পড়ুন। এতে ত্বক পরিষ্কারও হবে এবং সকালে ত্বক হয়ে উঠবে প্রানবন্ত।
  • শীতের আরেক সমস্যা হচ্ছে ঠোঁট ফাটা ও কালো হয়ে যাওয়া। এর সমাধানও গ্লিসারিন। বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাবেন না। আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে গ্লিসারিন অথবা লিপ জেল লাগাবেন। ঠোঁটে বা হাত পায়ের চামড়া ফেটে গেলে ভিটামিন-ই যুক্ত ভেসলিন লাগাবেন।
  • অন্য সময়ের থেকে শীতের ফেসপ্যাক হবে একটু আলাদা। যেমন-
    -পাকা কলা, পাকা পেপে ও ময়দা এক সঙ্গে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর এই পেস্টটি ১০/১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃন।

চুলের যত্নে
  • বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকার কারণে শীতে চুল হয়ে উঠে রুক্ষ এবং খুশকির উপদ্রব হয়। খুশকির জন্য ভালো শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন।
  • চুল সাধারণত দু’রকম, তৈলাক্ত ও শুষ্ক। তৈলাক্ত চুলের ক্ষেত্রে স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখা জরুরি। একদিন অন্তর অন্তর চুলের উপযোগী শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুলে ভালো। আর শুষ্ক চুলের ক্ষেত্রে হটওয়েল থেরাপি ভালো কাজ করে। সামান্য গরম অলিভ অয়েল চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করে তারপর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখতে হবে। এরপর চুলের উপযোগী শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধুয়ে ফেলবেন।
  • রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পারলে বজ্রাসনে বসে চুল আঁচড়াবেন। এতে চুল পড়া বন্ধ হবে এবং আপনি মানসিক চাপমুক্ত হয়ে ঘুমাতেও পারবেন।
  • শীত কালে অনেকেরই চুল রুক্ষ হয়ে যায় এং আগা ফেটে যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে শীতের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুলে নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল গরম করে ম্যাসাজ করেন নিন। চুলের আগায় ও গোড়ায় ভালো করে হালকা গরম তেল ম্যাসাজ করে ঘুমিয়ে যান। সারা রাত চুলে তেলের উপস্থিতিতে চুলের রুক্ষ ভাব কেটে যাবে এবং চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে উজ্জ্বল।
  • ভিটামিন-ই চুলের জন্য অনেক ভালো। ২ দিন পর পর যেকোন তেলের সাথে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ভেঙ্গে এর তেলটি মিশিয়ে মাথায় ভালো ভাবে লাগিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রাখুন। সারারাত রাখলে ভালো হয়। সকালে ধুয়ে ফেলুন। তবে বেশি গরম পানি দিয়ে কখনো চুল ধুবেন না।
শীতকালে ত্বকের ও চুলের যত্নে কিন্তু আপনাকে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারেও মনোযোগী হতে হবে। শীতের শাকসবজি ও ফল সুন্দর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য প্রয়োজন। শিম, বরবটি, নানারকম শাক, মটরশুঁটি, ফুলকপি ইত্যাদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন। হাতের নাগালের সব ফলই প্রতিদিন খাবেন। যেমন-আপেল, আমলকী কিংবা আমড়া সে যা-ই হোক না কেন।
শীতে এইসহজ কিছু পদ্ধতিগুলো অনুসরন করলেই ত্বক এবং চুল উজ্জ্বল, মসৃন রাখা যায়।

শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২১

শীতে ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য গাজরের উপকারিতা!!!


গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু এবং খাদ্যআঁশসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি, যা প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। তরকারি ও সালাদ হিসেবে গাজর খাওয়া যায়। এ ছাড়া গাজর দিয়ে অনেক সুস্বাদু খাবার তৈরি করা যায়। তবে রান্না করে খাওয়ার চেয়ে গাজর কাঁচা খাওয়া বেশি ভালো। কারণ এতে পুষ্টির অপচয় কম হয়।

স্বাস্থ্যতথ্যঃ
* গাজরের বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-'এ'-তে রূপান্তরিত হয়ে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। এটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবেও কাজ করে।
* গবেষণায় দেখা গেছে, গাজরে বিদ্যমান ফ্যালক্যারিনল ও ফ্যালক্যারিডিওল ফুসফুস ও অন্ত্রের ক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
* গাজরের আলফা ক্যারোটিন ও লুটিন নামক উপাদান হৃদরোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
* গাজর থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন-'এ' রক্তের ক্ষতিকর টঙ্কি উপাদানগুলো দেহ থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।
* গাজর শ্বাসনালির প্রদাহ নিরাময় করে।
* গাজর দাঁত ও মাড়ির সুস্থতা রক্ষা করে।
* গর্ভবতী মায়েরা গাজরের রস খেলে শিশুর জন্ডিস হওয়ার ঝুঁকি কমে।
* এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
* গাজর শরীরের যেকোনো ক্ষত নিরাময় করে। গাজরের পাতা মধুর সঙ্গে মিলিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
* গাজরের স্যুপ ডায়রিয়া রোগে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
* গাজর কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে।
* গাজরের সঙ্গে কয়েক কোয়া রসুন মিশিয়ে খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

সৌন্দর্য রক্ষায় গাজরঃ
* গবেষণায় পাওয়া গেছে, গাজরে ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ রয়েছে। এ উপাদানটি ত্বকের কোষ পরিষ্কার করে ত্বককে করে তোলে আকর্ষণীয়।
* ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে গাজর কার্যকরী।
* গাজর চুল, ত্বক ও নখের সৌন্দর্য রক্ষা করে।
* এটি ত্বকের ভাঁজ, খসখসে ভাব ও ব্রণ দূর করে।
* গাজরের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ত্বকের প্রলেপ হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

সতর্কতাঃ
যাঁরা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন, তাঁদের জন্য গাজরের রস সেবনে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। কারণ এতে যকৃতে toxic উপাদান তৈরি হতে পারে। তাই সকাল ও রাতে খাওয়ার পর এবং ওষুধ সেবনের দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর গাজর খাওয়া ভালো।

বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০২০

শীতকালে সুন্দর থাকার টিপস


শীতকালে সুন্দর থাকার টিপস
আবহাওয়ার সঙ্গে ত্বকের প্রয়োজনীয়তাও বদলায় । শীতকালে শুষ্ক এবং কম্প্লাসিনিয়েট থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্য আমাদের এর বিশেষ যত্ন নিতে হবে । নিম্নলিখিত পরামর্শগুলি জন্য সহায়ক হবে:
শীতকালে সাবান দিয়ে মুখ ধোবেন না । এতে মুখের উপর বন্ধুভাব বৃদ্ধি পাবে । দিনে দুইবার দুধ পরিষ্কার করে ত্বক পরিষ্কার করুন, তারপর ভাল ময়শ্চারাইজিং সাবান বা ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন । ময়শ্চারাইজিং সাবান ত্বকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা প্রদান করবে ।
চোখের চারপাশের ত্বক খুব টেন্ডার । মুখ ধোয়ার পর একটি ভাল কোম্পানির আন্ডার আই ক্রিম ব্যবহার করুন । আন্ডার আই ক্রিম শীতের গেলের পরিবর্তে উপযুক্ত হবে ।
মুখে ও গলায় ক্রিম বেসড ময়েশ্চারাইজার লাগান । বজায় থাকা ঘাড়ের সৌন্দর্য
শীতের সাধারণ অভিযোগ ঠোঁটের রূপটুরিং । ঠোঁট রক্ষা করার জন্য ভ্যালাইন বা যে কোনও লিপস্টিক ইত্যাদি ব্যবহার করুন । ময়রাইজরাইজড লিপস্টিক আজকাল বাজারে পাওয়া যায় । ঠোঁট নরম থাকবে ।
রাতে শুতে যাওয়ার আগে বাদাম তেল, ক্রিম বা যে কোনও পুষ্টিকর ক্রিম দিয়ে মুখ ম্যাসাজ করুন । এই দিন হরেক রকমের ত্বকে ম্যাসাজ করুন অপরিহার্য ।
রাতে ঘুমানোর সময় নারকেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে হাত ও পায়ের খোলা অংশে ম্যাসাজ করুন ।
ঠান্ডা সারা শরীরে সুখ সৃষ্টি করে । স্নানের জলে দু ‘ চা চামচ গ্লিসারিন বা কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল মেশান । এতে ত্বককে খুশি করতে পারবে না ।
বিশেষ করে হাত ও পায়ে স্নান সেরে নেওয়ার পর শরীরে ভাল বডি লোশন লাগান । এই দিন শরীরে পাউডার ব্যবহার করবেন না । কন্ডিশনার চুল তৈরি রেশমী
গরমকালে এই দিন তৃষ্ণা কম হয়, কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করা অপরিহার্য ।
শীতকালে সূর্যকে খুব ভাল লাগে । এটি শরীরে ভিটামিন ডি সরবরাহ করে, কিন্তু রোদে আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে, যা ত্বককে স্নিগ্ধ ও রংকালো মনে করে, তাই রোদে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন ।
শীতকালে সবুজ শাকসবজি ও তাজা ফল পাওয়া যায় । আপনার খাবারে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না । সবজি স্যুপ ও স্যালাড হিসেবেও নেওয়া যেতে পারে । গাজরের রস খাওয়া ত্বকের জন্য খুবই উপকারী ।
শুকনো বাদাম এবং চীনাবাদাম ত্বককে উজ্জ্বল করে ।
উইন্টার বস
ত্বকের যত্নে
এই মৌসুমে নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা অপরিহার্য
সপ্তাহে দুইবার ফেস প্যাকটি লাগান । এটি হরেক রকমের ত্বকের জন্য উপকারী ।
জেনে নিন আপনার ত্বক কেমন?
এক চা চামচ গ্রাম ময়দা, আধা চা চামচ হলুদ এবং কয়েক ফোঁটা ল্যাকার মিশিয়ে এক চা-চামচের মধ্যে মেশান । দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন । মুখ পরিষ্কার করে তা প্রয়োগ করুন । মিনিট কুড়ি পর ধুয়ে ফেলুন ।
এক চা চামচ ওটমিল, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস এবং তিন চা চামচ দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন । এটি মুখে ও ঘাড়ে লাগান । মিনিট পনেরো পর মুখটা পরিষ্কার করুন ।
একটি ডিমের জারডি, এক চা চামচ মিল্ক পাউডার, এক চা চামচ সেমোলিনা, ১ চা চামচ মধু ও দই দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন । মুখে লাগিয়ে শুকনো করে, ভরাট করে ঘষে ধুয়ে নিন ।
কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন । দুই চা চামচ পাউরুটির মধ্যে ক্রিম বা দই মেশান এবং নাড়তে থাকুন । এটি মুখে লাগান এবং শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন ।
এক চা চামচ মধু মিশিয়ে ভাল করে মেশান । মুখে ও নখের ওপর লাগান । শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন ।
এক চা চামচ ওটমিল, একটি ডিম জরি এবং এক চা চামচ অলিভ অয়েল নিন । সেগুলিকে একসঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে ঢালুন । মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে নিন । চচ্চড়ি ধুয়ে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন ।
স্কিন বেশি আসমানস হলে ফেস প্যাক লাগানোর আগে মুখে কয়েক ফোঁটা বাদাম তেল লাগান ।
ফেস প্যাক সরিয়ে ফেলার পর ময়শ্চারাইজ়ার প্রয়োগ করতে ভুলবেন না ।
শীতকালে ত্বকের অভাব দূর করতে গোলাপ জলে ডাবল রুটির সঙ্গে একটা পুরু পেস্ট মেশান, মুখে তা শুকানোর পর পুরোপুরি মাস্ক ধুয়ে নিন ।
এক চা চামচ ডিমের সাদা অংশ ও ১ টেবিলচামচ মিল্ক পাউডার মেশান । তিরিশ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন । আপনার ত্বক কয়েক দিনের মধ্যে সুন্দর এবং নমনীয় হয়ে উঠবে, এটি সপ্তাহে অন্তত দুইবার করুন ।
শুষ্ক ত্বকের মহিলারা স্নানের আগে অবশ্যই মাখন লাগান । ডিমের তেল বা অলিভ অয়েল, একটি ছোট চামচ মুলতানি মাটির গুঁড়া এবং গোলাপ জল একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন এবং সপ্তাহে দুইবার পানি দিয়ে মুখ ভাল করে ধুয়ে নিন ৩০ মিনিট । আপনার ত্বক হবে নরম ও মসৃণ ।
স্বাভাবিক ত্বক সঙ্গে মহিলাদের জন্য, একটি ডিম জারদি, একটি টেবিল চামচ ভিনেগার, একটি কোয়ার্টার সরিষার তেল, সব যতক্ষণ না এটি পুরু, মুখের উপর এটি প্রয়োগ করুন এবং শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন । কিছুদিন পর পরই আপনার ত্বক হবে উজ্জ্বল ।
স্কিন বাড়ায় নাইট ক্রিম
গরম ঠান্ডা জল দিয়ে স্নান করুন
প্রথমে উষ্ণ জল দিয়ে স্নান করা উচিত । তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে স্নান ত্বক এবং অত্যাবশ্যক অভ্যন্তরীণ অঙ্গ সংবেদন দেয় । এ ধরনের স্নানের উপকারিতা প্রাথমিক ভাবে অনুভূত না হলেও কিছু দিন পর সেখানেও লাভ হয় ।
প্রথমে গরম তারপর কোল্ড ওয়াটার বাথ ফোস্ট বাইট, থার্মাল অ্যাটিটিটোরেন্ট, অ্যাপিক ডার্মাটাইটিস থেকে দারুণভাবে লাভবান ।
শীতের সময় তৈলাক্ত ত্বককে ধোঁয়াও উজ্জ্বল করে তুলতে একটি ক্লিয়ারিং স্ক্রাব ব্যবহার করুন । মুলতানি মাটির এক চতুর্থাংশ কাপ শুকনো কমলার খোসা গুঁড়ো এবং এক চা চামচ চন্দনের গুঁড়া বা ওটমিল মিশিয়ে আপনার বাথরুমে রাখুন । গোসল করার আগে পানিতে এক চা চামচ পানি মিশিয়ে ঘন প্রস্তুতি নিয়ে মুখে লাগান । দশ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করুন ।

মঙ্গলবার, ৩ জুলাই, ২০১৮

নারকেল তেলের অভিনব ব্যবহার শীতের রূপচর্চায়

শীত মানেই শুষ্ক ত্বক আর রুক্ষ চুলের সমস্যা? তাই চুল ও ত্বকের সুস্থতায় অবশ্যই পরিচর্যা করুন। আপনার হাতের কাছে থাকা খুব সাধারণ একটি জিনিস হল নারকেল তেল, আর এই তেল দিয়েই আপনি শীতে বেশ ভাল করে নিজের পরিচর্যা করতে পারেন। তাই এখন থেকেই পরিচর্যা করা শুরু করুন নারকেল দিয়ে, সুন্দর ত্বক ও কোমল চুল পেয়ে যান আপনার হাতের মুঠোয়।

ময়েশ্চারাইজার
শীতকালের রুক্ষ আবহাওয়ায় হাত ও পায়ের ত্বকে ময়েশ্চারের অভাব দেখা দেয়। ফলে ত্বক ক্রমশ শুষ্ক ও রুক্ষ হতে শুরু করে। তাই এই সমস্যায় ব্যবহার করতে পারেন নারকেল তেল, তবে বিশেষ করে হাতে ও পায়ে। প্রতিদিন গোসল করার আগে নারকেল তেল সামান্য গরম করে হাতে ও পায়ে ভাল করে লাগিয়ে নিন।

বডি স্ক্রাবার
কোমল ত্বক পেতে বা ত্বকের কালো দাগ দূর করতে, ত্বক এক্সফলিয়েট করা অত্যন্ত জরুরি। নারকেল তেল বডি স্ক্রাবার হিসেবে বেশ ভাল কাজ করে। আধা কাপ নারকেল তেল ও সামান্য বেসনের সঙ্গে বড় দানার চিনি বা লবন মিশিয়ে সারা শরীরে ঘষুন। যতক্ষণ না চিনি গলে যাচ্ছে ততক্ষণ হালকা হাতে ঘষতে থাকুন। এইভাবে সপ্তাহে দু’দিন ব্যবহার করুন।
ঠোঁটের যত্ন
শীতে যাদের ঠোঁট ফাটে তাঁরা লিপবাম হিসেবে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। একটা পাত্রে নারকেল তেল নিয়ে রুম টেম্পারেচারে রেখে দিন। সেমি লিকুইড হয়ে গেলে লিপবাম হিসেবে ব্যবহার করুন। এটা দিনের যেকোন সময়ই লাগাতে পারেন। এই উপায়ে ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে তো রেহাই পাবেনই ঠোঁট ও কোমল হবে।

আই ক্রিম
রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে তুলোতে নারকেল তেল লাগিয়ে চোখের উপর রেখে দিন। আইপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করুন। চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ রিল্যাক্স করুণ। এই উপায়টি দারুন কাজে দেয়। শুধু তাই নয় প্রতিদিনের ব্যবহারে দেখবেন ধীরে ধীরে চোখের চারপাশের ডার্ক সারকেল গায়েব হয়ে গেছে।

মেক-আপ রিমুভার
সুন্দর থাকতে আমরা সবাই কম বেশি মেক-আপ করে থাকি। কিন্তু সেই মেক-আপ নিয়ে তো আর বসে থাকা যায়না। তাই সুন্দর ভাবে মেক-আপ তুলতে নারকেল তেল খুব ভাল কাজে দেয়। সেক্ষেত্রে তুলোয় নারকেল তেল নিয়ে মুখে , গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তুলো দিয়ে মুখ মুছে নিন। দেখবেন কড়া মেক-আপও সহজে উঠে যাবে।

চুলের যত্নে
শীতে রুক্ষ চুলের সমস্যাতে সপ্তাহে অন্তত একদিন হট ওয়েল ম্যাসেজ করুন। নারকেল তেল সামান্য গরম করে চুলের গোড়ায় ও চুলে লাগিয়ে নিন। তারপর আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এতে ব্লাড সার্কুলেশন ভাল হবে। তারপর তোয়ালে হালকা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিংড়ে নিয়ে মাথায় পাঁচ মিনিয় জড়িয়ে রাখুন। এই পদ্ধতিটা ৩/৪ বার ট্রাই করুণ। এতে সহজে চুলের গোড়ায় তেল ঢুকবে ও পুষ্টি জোগাবে। চুল নরম ও চকচকে হবে। চুল সহজে ম্যানেজ করতে পারবেন। সবশেষে শ্যাম্পু করে নিন।

শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

শীতে ত্বকের যত্নে ৫টি ফেইস মাস্ক

টমেটো ও লেবুর মাস্ক:

এই মৌসুমে খুবই সহজলভ্য সবজি টমেটো। আর ত্বকের পোড়াদাগ দূর করে উজ্জ্বল করতে টমেটো খুবই উপকারী।
একটি টমেটো নিয়ে ভালোভাবে থেঁতলে এর সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি গলায় এবং মুখে মেখে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। কিছুটা শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। যা ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে কার্যকর। এই মাস্ক ব্যবহারে রোদে পোড়া ভাব দূর হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

কাঠবাদামের মাস্ক:
চার, পাঁচটি কাঠবাদাম সারা রাত দুধে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে কাঠ বাদামের খোসা ছাড়িয়ে দুধ এবং বাদামের পেস্ট তৈরি করতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে ওই পেস্ট মুখে লাগিয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
এই মাস্ক ভালো নাইট ক্রিম হিসেবে কাজ করবে, যা ত্বক উজ্জ্বল করবে। তাছাড়া শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যাবে।

হলুদের মাস্ক:

ত্বকের যত্নে হলুদ অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপাদান। ত্বকের যেকোনো সমস্যা দূর করে, অসম গায়ের রং স্বাভাবিক করে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। তিন টেবিল-চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ হলুদগুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই মিশ্রণ ত্বকে মেখে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

কলা ও দইয়ের প্যাক:

একটি পাকাকলা চটকে সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ টক দই এবং এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রতিটি উপাদান খুব ভালোভাবে মিশে যায়। মুখ এবং গলায় পুরু করে মিশ্রণটি মেখে অপেক্ষা করতে হবে।
কিছুটা শুকিয়ে গেলে ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। কোমল ত্বকের জন্য সপ্তাহে দুবার এই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

ওটমিল মাস্ক:

ত্বকে জমে থাকা ময়লা এবং মৃত কোষের পরত তুলতে নিয়ম করে এক্সফলিয়েট করা জরুরি। স্ক্রাবারের সাহায্যে এক্সফলিয়েশন করতে হয়। এতে ত্বক পরিষ্কার হয় এবং ত্বকে বলিরেখা পড়ার সম্ভাবনাও কমায়।
চার টেবিল-চামচ ওটমিলের সঙ্গে চারটি কাঠবাদাম গুঁড়া করে মিশিয়ে নিতে হবে। সামাণ্য দুধ এবং এক টেবিল-চামচ মধু দিয়ে ওটমিল ও কাঠবাদামের মিশ্রণ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। মুখের ত্বকে এই মিশ্রণ লাগিয়ে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে আলতো হাতে মালিশ করতে হবে। এতে ত্বকে জমে থাকা ময়লা এবং মৃতকোষ পরিষ্কার হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
সুন্দর ত্বক চাইলে নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি। আর তাই প্রতিদিন বা সপ্তাহে নিয়ম করে ত্বকের যত্নে কিছুটা সময় বরাদ্দ করে রাখা উচিত। আর এই মৌসুমে যে কোনো প্যাক ব্যবহার বা মুখ ধোয়ার পর অবশ্যই ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্বকে লাগাতে হবে। নইলে ত্বক শুষ্ক ও মলিন হয়ে যাবে।