গ্রীষ্ম কালের যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রীষ্ম কালের যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গরমে সুস্থ থাকার উপায়

 

  

গরমে তরমুজ, শসা ও পানি সমৃদ্ধ ফলের ছবি

বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল মানেই তীব্র রোদ, অতিরিক্ত ঘাম ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি। এই সময় একটু অসাবধান হলেই দেখা দিতে পারে হিটস্ট্রোক, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা ডিহাইড্রেশন। এই পোস্টে জানুন

 গরমে সুস্থ থাকার সেরা উপায়গুলো

🥤 ১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

গরমে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যায়। তাই দিনে কমপক্ষে ৮–১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। বাইরে গেলে সঙ্গে পানি রাখুন।

✔ লেবুর শরবত
✔ ডাবের পানি
✔ ঘরে তৈরি ফলের জুস

এসব পানীয় শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

🍉 ২. পানি সমৃদ্ধ ফল খান

গরমকালে তরমুজ, বাঙ্গি, শসা, আনারস ইত্যাদি ফল শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে। এসব ফল ভিটামিন ও মিনারেলে সমৃদ্ধ, যা শরীরকে শক্তি দেয়।

🧴৩. রোদ থেকে সুরক্ষা নিন

দুপুর ১১টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে রোদ সবচেয়ে বেশি তীব্র থাকে। এই সময় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।

✔ ছাতা ব্যবহার করুন
✔ হালকা রঙের ঢিলেঢালা কাপড় পরুন
✔ সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

🥗 ৪. হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান

অতিরিক্ত তেল-ঝাল খাবার গরমে হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই চেষ্টা করুন

✔ ভাত, ডাল, সবজি
✔ দই
✔ সালাদ

 খাওয়ার এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

🚿 ৫. নিয়মিত গোসল ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকে ঘামাচি বা সংক্রমণ হতে পারে। দিনে অন্তত একবার গোসল করুন এবং পরিষ্কার কাপড় পরুন।

😴 ৬. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন

অতিরিক্ত গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৭. হিটস্ট্রোকের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকুন

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন—

  • মাথা ঘোরা

  • অতিরিক্ত ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া

  • জ্বরের মতো উচ্চ তাপমাত্রা

  • বমি বমি ভাব

এমন হলে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় যান ও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

 

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

“তৈলাক্ত ত্বকের জন্য স্কিন কেয়ার রুটিন”

 

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সঠিক স্কিন কেয়ার পদ্ধতি


☀️ সকালবেলার স্কিন কেয়ার রুটিন (Morning Routine)

      ১️. মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া

সকালে উঠে সালফেট-ফ্রি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
এতে রাতের জমে থাকা তেল ও ময়লা দূর হয়।

👉 দিনে ২ বারের বেশি মুখ ধোবেন না।

     ২️. টোনার ব্যবহার করুন

গোলাপ জল বা গ্রিন টি টোনার ব্যবহার করুন।
এটি ওপেন পোরস ছোট করতে সাহায্য করে।

     ৩️. অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার

অনেকে তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন না—এটা ভুল।
জেল বেসড বা অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

      ৪️. সানস্ক্রিন (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)

 SPF 30 বা তার বেশি oil-free sunscreen ব্যবহার করুন।

রোদে বের না হলেও সানস্ক্রিন জরুরি।

🌙 রাতের স্কিন কেয়ার রুটিন (Night Routine

       ৫️. ক্লিনজিং

দিন শেষে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
মেকআপ করলে অবশ্যই ক্লিনজার ব্যবহার করবেন।

       ৬️. অ্যালোভেরা জেল বা নাইট জেল

রাতে অ্যালোভেরা জেল লাগালে—

  • ত্বক ঠান্ডা থাকে

  • ব্রণ কমে

  • অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ হয়

     

    ৭️. সপ্তাহে ১–২ দিন ফেসপ্যাক

    তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো ফেসপ্যাক:

  • মুলতানি মাটি + গোলাপ জল

  • দই + মধু (অল্প পরিমাণ)

    লাইফস্টাইল টিপস (Very Important)

  • ✔️ দিনে ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন
    ✔️ তেল-ঝাল খাবার কম খান
    ✔️ পরিষ্কার তোয়ালে ব্যবহার করুন
    ✔️ পর্যাপ্ত ঘুমান

     

 

 

 

 

 

 

বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪

রোদে পোড়া ত্বকের দাগ দূর করতে

রোদে কুঁচকানো ত্বক :
২৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সীদের ত্বকে দিনের পরিবর্তনের মাত্রাটা একটু বেশিই থাকে। এ বয়সী কারও কারও ত্বক রোদে পোড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুঁচকে আসতে থাকে। এটা এ বয়সী প্রত্যেকের শরীরের জন্য খুবই ভয়ানক। তাই এ ক্ষেত্রে হাত-পায়ের ত্বকে এমন কিছু প্যাকের ব্যবহার আনতে হবে যা কি-না রোদে পোড়া বা কুঁচকানো ত্বককে স্বাভাবিক করে তুলতে পারে। এজন্য চন্দন গুঁড়া, কাঁচা হলুদ, মাষ কলাইয়ের ডাল ও মুগ ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে হাত-পায়ের ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের টানটান ভাব ফিরে আসবে, হাত-পায়ের পুড়ে যাওয়া টোনিংটা চলে যাবে এবং ত্বক আগের মতই সৌন্দর্য ফিরে পাবে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য :
যাদের হাত-পায়ের ত্বক খুবই শুষ্ক এবং ত্বকে রোদে পোড়া ভাব রয়েছে তাদের জন্য এটি একটি উপকারী প্যাক হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। এজন্য সয়াবিন পাউডার, দুধের সর, কাঁচা হলুদ, গাজরের রস একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে ১০/১৫ মিনিট পরে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্যাকটি শুষ্ক ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে অনেকটা চমকের মতোই কাজ করবে।

স্বাভাবিক ত্বক :
যাদের ত্বক অতিমাত্রায় তৈলাক্ত নয় আবার শুষ্কও নয় ঠিক এমন ত্বককেই স্বাভাবিক ত্বক হিসেবে ধরা হয়। স্বাভাবিক ত্বক যাদের, তাদের জন্য এখানে দুটি প্যাক দেওয়া হলো। প্রথমটি হতে পারে কাঁচা হলুদের সঙ্গে দুধ, মধু ও অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে রেখে ১০/১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। আর দ্বিতীয় প্যাকটি হতে পারে ডিমের কুসুম, এক টেবিল চামচ বেসন ও দুধ দিয়ে তৈরি সহজ একটি প্যাক। প্যাক ব্যবহারের ১০/১৫ মিনিটে ত্বক ধুয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। এ প্যাক দুটি ব্যবহারে ত্বক তার হারানো লাবণ্য ফিরে পাবে।

তৈলাক্ত ত্বক :
যাদের ত্বক খুবই তৈলাক্ত তারা মসুরের ডাল বাটা, শসার রস ও ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। প্যাকটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই ফলপ্রসূ। তাই প্রথমে প্যাকটি তৈরি করে তারপর ত্বকে ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে ১০/২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে।

স্ক্রাবের ব্যবহার :
হাত-পায়ের কালো দাগ দূর করতে সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য প্রয়োজন হবে এক টেবিল-চামচ করে চালের গুঁড়া, ময়দা, দুধ, শসার রস ও লেবুর রস। এর সঙ্গে মেশাতে হবে এক টেবিল চামচ নারকেল অথবা তিলের তেল। আবার অলিভ অয়েলও মেশানো যেতে পারে। এর সঙ্গে আরও লাগবে আধা চা চামচ মধু। প্যাকটি ক্রিমের মতো করে মিশিয়ে প্রতিটি দাগে ঘষতে হবে। তারপর ধুয়ে টোনিং করতে হবে।

টোনিং করতে শুধু দুধ ও মধুর ক্রিমের মতো মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। হালকা ঘষে পানিতে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম লাগাতে হবে।

আরও সহজ পদ্ধতিতেও দাগ দূর করতে চাইলে এক চা-চামচ লেবুর রসে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে দাগে ঘষতে পারেন। তবে সরাসরি কখনও লেবুর রস দাগে মাখাবেন না। লেবুর রস ত্বকে সহ্য না হলে অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী ব্যবহার করতে পারেন। দুই টেবিল-চামচ ঘৃতকুমারীর শাঁসে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে দাগে মাখালেও দাগ ধীরে ধীরে কমে আসবে।

আমাদের কিছু কিছু ত্বকের জন্য ত্বকের প্যান্টোনিংটা কিছুতেই দূর করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ত্বকের প্যান্টোনিং ভাবটা দূর করতে ত্বকে কাঁচা হলুদের ব্যবহারটা বাড়ানো যেতে পারে। তবে ত্বকের বাহ্যিক অংশে আমরা যদি নিয়মিতভাবে সানবার্ন ব্যবহার করি তবেও আমাদের হাত-পায়ের কালো দাগ অনেকাংশে কমে আসবে।

রোদের মাঝেও ত্বকের ব্রাইটনেস বাড়াতে আমরা কেউ কেউ বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি। অথচ রোদে যাওয়ার জন্য এসব প্রসাধনী ত্বকের জন্য মোটেই সুফল বয়ে নিয়ে আসে না বরং ত্বককে আরও রুক্ষ-শুষ্ক করে তুলে ত্বকের পুড়ে যাওয়া কালো দাগকে বেশি করে ফুটিয়ে তোলে। এই প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহারে আমরা আমাদের শরীরের রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক ও হাত-পায়ের কালো দাগকে সহজেই দূর করতে পারি। রোদ থেকে বাঁচতে নিত্যদিনের ব্যবহারে সুতি কাপড়, সানগ্গ্নাস ও রোদ প্রটেক্টেড ছাতা ব্যবহার করতে পারি। তাহলে খুব সহজেই আমাদের ত্বক রোদে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে। তাই যতটা সম্ভব তীব্র রোদের হাত থেকে দূরে থাকতে হবে।

রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪

মুখের ব্রন দুর করার ৬ টি ঘরোয়া উপায়




বাড়িতে হাতের কাছেই রয়েছে এমন অনেক উপাদান, যা দিয়ে অতি সহজে সমাধান করা যায় মুখের ব্রণের

শসা


কেবল খাদ্যগুণই নয়, শসার নানা গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা অবশ্যই ত্বকের কাজে লাগা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এর প্রতিটিই ত্বকের জন্য মারাত্মক ভালো। শসা থেঁতো করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। এছাড়াও শসাকে অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারেন। শসা গোল গোল করে কেটে অন্তত একঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি খেয়েও নিতে পারেন, বা ওই পানি দিয়ে মুখও ধুয়ে নিতে পারেন।

টুথপেস্ট

ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট। মুখের অতিরিক্ত তেল টেনে নেওয়ায়র ক্ষমতা আছে এই পেস্টের। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের কারণে যাদের মুখে ব্রণ বা গোটা বেরয়, তারা টুথপেস্ট ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন। তবে বেশি নয়, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন ব্রণের জায়গায়। সমস্যা না হলে পরিমাণ বাড়ান।

গ্রিন টি


গ্রিন টি গোটা বা ব্রণের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী। গরম পানি গ্রিন টি বানান। তারপর সেই গ্রিন টি একদম ঠাণ্ডা করে ব্রণ বা গোটার জায়গায় ব্যবহার করুন। তুলায় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভালো করে ত্বকের ওপর মিশতে পারবে চায়ের মিশ্রণটি। যদি টি ব্য়াগ থেকে গ্রিন টি বানান, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগটিও রাখতে পারেন ত্বকের ওপর। মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন।

অ্যাসপিরিন

খাওয়ার ওষুধ হিসেবেই নয়, ব্রণ বা গোটা সারাতেও এই ওষুধের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে দেয়। চার-পাঁচটা ট্যাবলেট প্রথমে গুঁড়িয়ে নিন। তারপর সেগুলো অল্প পানির সঙ্গে মেশান। এমনভাবে মেশাবেন, যাতে একটা পেস্ট তৈরি হয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেস্ট আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক খুব স্পর্শকাতর হলে, কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন।

রসুন

রসুন ব্রণের বড় শত্রু। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন দুই টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ব্রণের জায়গায় রসটা লাগান। মিনট পাঁচেক পরে ধুয়ে ফেলুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে এটা করলে পরদিন সকালে ত্বকের উন্নতি টের পাবেন।

লেবুর রস

তুলায় করে লেবুর রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে দারুচিনির মিশ্রণ তৈরি করে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেটা ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নেবেন।

মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০২৩

ঘরোয়া যত্নে সতেজ সুন্দর

নিয়ম মেনে ত্বকের যত্ন নিন

ঘরে থাকা বিভিন্ন উপকরণ দিয়েই করা যাবে রূপচর্চা। ত্বক ও চুল থাকবে সতেজ ও সুন্দর

নিয়ম করে আগের মতো সৌন্দর্যসেবা কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ হচ্ছে না এখন। তাই ত্বক ও চুলের যত্নে বাড়িতে দিতে হচ্ছে বাড়তি সময়। ত্বক ও চুলের যত্নে ঘরোয়া উপাদানের ব্যবহার অনেকেই করে থাকেন। তবে সঠিক ফল পেতে জেনে নিতে হবে সঠিক উপকরণ ব্যবহারের প্রয়োগ।

বাড়িতে রূপর্চচা করার সময় সঠিক উপকরণের ব্যবহার জরুরি। বলছিলেন হার্বস আয়ুর্বেদিক ক্লিনিকের রূপবিশেষজ্ঞ শাহীনা আফরিন। এ–ও জানালেন, তা না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। সব ধরনের ত্বক ও চুলের সঙ্গে মানিয়ে যাবে, এমন কিছু ঘরোয়া উপকরণ রয়েছে। সেসবের মিশ্রণে তৈরি প্যাক দিয়ে নেওয়া যাবে ত্বক ও চুলের যত্ন।

ত্বকের জন্য

মুখের ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির বিকল্প খুব কমই আছে। এ জন্য ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, সঙ্গে তিন থেকে চার ফোঁটা লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ কাঁচা হলুদের রস, ১ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে মুখের ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণটি সপ্তাহে ১ দিন লাগিয়ে ৮ থেকে ১০ মিনিট রাখুন। এরপর ভালো করে পানিতে ধুয়ে ফেলুন মুখ।

যাঁদের ব্রণের সমস্যা আছে, তাঁদের বেশ চিন্তায় পড়তে হয়। এর রয়েছে সহজ সমাধান। যেমন ২ থেকে ৩ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি ও ৫টি লবঙ্গ ১ টেবিল চামচ পানিতে ভিজিয়ে গুঁড়া করে নিন। এরপর মিশ্রণটি লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে তিন দিন এই মিশ্রণের ব্যবহার ব্রণের দাগ দূর করবে।

এদিকে চলে আসছে ঈদুল আজহা। নিতে পারেন বাড়তি যত্ন। ত্বকে উজ্জ্বলতা আনতে ১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ, আধা চা–চামচ ভিনেগার, ১ চা–চামচ চালের গুঁড়া ও ১ চা–চামচ ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকের স্ক্র্যাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ সপ্তাহে তিন দিন ৫ মিনিট মালিশ করলে ত্বকে দ্রুত উজ্জ্বলতা আসবে।

বিটরসের প্যাকে ত্বক হবে উজ্জ্বল

হাতের যত্নে

১টি পুরো বিট নিয়ে রস বের করতে হবে। এই রসের সঙ্গে ৬ টেবিল চামচ ময়দা মিশিয়ে নিন। এবার ১ চা–চামচ মধু আর লেবুর খোসা বাটা মিশিয়ে হাতের ত্বকে যতক্ষণ না শুকায় ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। এই মিশ্রণটি সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করলেই চলবে।

পায়ের যত্নে

দুটি ডিমের কুসুমের সঙ্গে একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার ২ টেবিল টেবিল ডালের গুঁড়া মিশিয়ে ঘষে পা পরিষ্কার করে নিন। সপ্তাহে এক দিন কুসুম গরম পানিতে পা ধুয়ে নিলেই উজ্জ্বল হবে ত্বক।

গলার ত্বক

যাঁদের গলার ত্বক একটু গাঢ় রঙের তাঁরা এই মিশ্রণটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আধা কাপ লেবুর রসের সঙ্গে মসুর ডাল বাটা ও দুধ মিশিয়ে গলার ত্বকে মেখে ১০ মিনিট ঘষে নিন। এই প্যাকের ব্যবহার সপ্তাহে এক দিন করলেই যথেষ্ট।

চুলের যত্ন

চুল ধোয়ার জন্য এ সময়ে ব্যবহার করতে পারেন বৃষ্টির পানি। তবে সরাসরি বৃষ্টিতে ভিজে নয়, চুল ধোয়া নয়। কিছুক্ষণ বৃষ্টি হওয়ার পর সেই পানি কোনো পাত্রে ধরে রাখতে হবে, এরপর সেটি চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করতে হবে। এবার দেখুন না কেমন উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার চুল।

এ ছাড়া অন্য একটি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন চুলের যত্নে। ২ টেবিল চামচ আমলকীর গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ মেথিগুঁড়া এবং ১ টেবিল চামচ মেহেদিগুঁড়া কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এবার মাথার তালুতে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। বাড়িতে শ্যাম্পু করার পর অনেকের চুলই তৈলাক্তভাব রয়ে যায়। এটা এড়াতে শ্যাম্পুর সঙ্গে একটু লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।

এই সময় পরিচ্ছন্ন থাকাটাও জরুরি। নিয়মিত গোসল করার সময় গোসলের পানিতে নিমের পানি মিশিয়ে নিন। এ ছাড়া গোসলের পানিতে কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে দিতে পারেন। এর সুগন্ধ এই মন খারাপের সময়ও আপনার মনকে রাখবে সতেজতায় ভরপুর।

কোন উপাদানের কী গুণ

ভেষজ উপাদান চুলে দেবে বাড়তি উজ্জ্বলতা

মুলতানি মাটি

মুলতানি মাটি বা ফুলারস আর্থ, একধরনের মাটিজাতীয় রূপচর্চার উপকরণ। শুধু উজ্জ্বলতা বাড়াতেই নয়, ত্বকে জীবাণুনাশক (অ্যান্টিসেপটিক) হিসেবেও কাজ করে এই মুলতানি মাটি। তবে রূপচর্চার উপকরণ হিসেবে ব্যবহারের আগে এই মুলতানি মাটি আসল কি না, তা জেনে নেওয়াটা খুব জরুরি। যদি পানিতে গোলানোর পর একটু ঘন হয়, তবে এটি আসল মুলতানি মাটি। আর যদি বালুর মতো হাতে কিছু অনুভূত হয়, তবে তা আসল নয়।

কাঁচা হলুদ

হলুদে আছে কারকিউমিন, যা জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া হলুদে আছে এসেনশিয়াল অয়েল, যে কারণে ত্বক হয় দ্রুত উজ্জ্বল।

আমলকীর গুঁড়া

আমলকীর গুঁড়ায় আছে ভিটামিন সি ও ডি, যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আমলকীর ভিটামিন সি চুলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বাড়াতে বেশ কাজে দেয়।

কাঁচা দুধ

কাঁচা দুধে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যে কারণে লোমকূপে জমে থাকা ময়লা ভালোভাবে পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়তা করে।

 

গরমে ত্বকের যত্নে ৭টি টিপস

পানি পান করুন
পানি শুধু শরীরে আর্দ্রতা জোগায় না, ত্বককে করে তোলে সজীব। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে এ সময়ে প্রচুর পানি পান করুন।

টোনার ব্যবহার করুন
টোনার ত্বকের রোমকূপ বন্ধ ও ত্বককে শীতল রাখতে সাহায্য করে। বাজার থেকে ভালো কোম্পানির টোনার দেখে কিনুন। ঘরোয়া টোনার হিসেবে গোলাপজল ভালো কাজ করে।

ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
গরমের সময়ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ করবেন না। কারণ ময়েশ্চারাইজার ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি ত্বককে নরম রাখে। তবে গরমের সময় ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন ত্বকের যতেœ।

ত্বক পরিষ্কার রাখুন
সকালে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করুন। যদি এমন হয় সারা দিন বাইরে বের হননি তবুও রুটিন করে ত্বক পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।

এক্সফোলিয়েট করুন
গরমের সময় ত্বকের মরা কোষ দূর করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য ত্বককে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি। কারণ এ সময় ধুলাময়লা জমে ত্বক অপরিচ্ছন্ন হয় বেশি। চার-পাঁচ চামচ বেসনের সাথে এক চামচ হলুদ, পাঁচ-ছয় ফোঁটা গোলাপজল ও দুধ মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন।

রোদ এড়িয়ে চলুন
বেসন ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে খুব কার্যকর। বেসনের সাথে টক দই ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে। রোদে পোড়া দাগ দূর করতে লেবুর রস ভালো কাজ করে। পেঁপে প্রাকৃতিক কিনজার হিসেবে ভালো কাজ করে। তাই ত্বক পরিষ্কার করতে দুই টেবিল চামচ চটকানো পেঁপের সাথে এক চা চামচ মধু ও একটা ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

ত্বককে শীতল রাখুন
গরমে ত্বক শীতল রাখা খুব প্রয়োজন। এক টেবিল চামচ কোরানো শসার সাথে এক টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। খুবই সতেজ অনুভব করবেন। এ ছাড়া পুষ্টিকর খাবার, ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম ত্বক ভালো রাখার জন্য খুবই জরুরি। লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না

রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৩

গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করুন কিছু উপায়ে

১. সকালে অনেকক্ষণ ধরে গোসল করবেন না। বেশিক্ষণ পানিতে থাকলে ত্বকের প্রাকৃতিক এসেনশিয়াল অয়েল দূর হয়ে যায়, যা ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলে।

২. যে সাবানে ক্ষার আছে, সেটা ব্যবহার না করাই ভালো। অয়েল বেইজড সাবান ব্যবহার করুন। এতে ত্বক সহজে শুষ্ক হবে না। আপনি চাইলে অয়েল বেইজড শাওয়ার জেলও ব্যবহার করতে পারেন। গরমের এই সময়টাতে এটি ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখবে।

৩. গোসলের পর ভেজা থাকা অবস্থায় পুরো শরীরে আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। সামান্য অয়েল হাতে নিতে হালকাভাবে মুখসহ পুরো শরীরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে, আবার তেলতেলেও করবে না। এ ছাড়া সাবান ব্যবহারের পর ত্বকে যে অতিরিক্ত শুষ্কতা দেখা দেয়, সেটি দূর করতেও এই অয়েল বেশ কার্যকর।

৪. ভুলেও অয়েল বা ক্রিম বেইজড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন না। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর করবে ঠিকই, কিন্তু এটি ব্যবহারের পর ত্বক অনেক বেশি ঘামাবে, যা আপনার শরীরের গরম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে। এ ক্ষেত্রে বেশি করে ওয়াটার বেইজড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি সারা দিন ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে।

৫. শরীর ও মুখের পাশাপাশি পায়ের যত্ন নিতেও ভুলবেন না। শীতের মতো এই আবহাওয়ায়ও পায়ের গোড়ালি ফেটে যেতে পারে। গোসলের সময় পাথরে ঝামা দিয়ে নিয়মিত পা ঘষে নিন। এর পর বেশি করে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে শুকনো তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। দেখবেন, পা তেলতেলে হবে না, তবে নরম ও মসৃণ থাকবে।

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩

এই অসহ্য গরমে সতেজ থাকতে


প্রচন্ড গরম,সাথে চিটচিটে ঘাম,বাতাসের আর্দ্রতা। এপ্রিল থেকে আগষ্ট মোটামুটি এই কয়েকটি মাস যেন আসে অভিশাপের মত। বিশেষ করে আপনি যদি হন তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারী। একজনের মুখের ত্বক হয়ে পড়ে যেন এক একটি তেলের কূপ। সাথে সান ট্যান, ব্রণ তো আছেই। মেকআপ করাই যেন অসম্ভব হয়ে পড়ে। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা তেলের ঝামেলায় না পড়লেও অতিরিক্ত ঘাম, র‍্যাশ দেখা দেয়।
তাই বলে ঘরে বসে থাকালে চলবে। অফিস, ক্লাস, ঘোরাঘুরি তো আর বাদ দেওয়া যায় না। তাই বের হওয়ার আগে সাথে রাখুন কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস, যা আপনাকে এই অসহ্য গরমে সতেজ রাখতে সাহায্য করবে।
১/ওয়েট টিস্যু/ মেকআপ রিমুভিং ওয়াইপ্সঃ
প্রতিদিনতো আর ভারী দীর্ঘস্থায়ী মেকআপ করা সম্ভব হয় না আর ময়েশ্চারাইজার বা বিবি ক্রিম যতই অয়েল ফ্রি হোক এই গরমে ৩-৪ ঘণ্টা পর মুখ আবারো তেল তেলে হয়ে যায়। তাই সাথে রাখুন ওয়েট টিস্যু। এটি দিয়ে মুখ ভালো ভাবে মুছে ফেলুন। ওয়েট টিস্যূ সহজেই সব ধরনের মেকআপ, তেল, ময়লা দূর করতে সক্ষম।
আলমাস, প্রিয়,স্টার ডাস্টে সহজেই পাবেন ওয়েট টিস্যু বা মেকআপ রিমুভিং ওয়াইপ্স।
গোল্ডেন রোজ, পোজি, নিউট্রোজেনা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মেকআপ রিমুভিং ওয়াইপ্স পাওয়া যায়।
দাম ২০০-২৫০ টাকা।
 ২/টোনারঃ
ওয়েট টিস্যু দিয়ে মুখ মোছার পর তুলোয় টোনার নিয়ে মুখ ভালো ভাবে মুছে ফেলুন। এটি বাকি মেকআপ, তেল, ময়লা দূর করার পাশাপাশি লোমকূপ ছোট করে,তেল নিঃসরণ কম করে ও ত্বক সতেজ রাখে।
ক্লিন অ্যান্ড ক্লিয়ার, নিউট্রোজেনা, বডি শপ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টোনার পাবেন যেকোনও বিউটি শপে। দাম পড়বে ১৫০-১০০০ টাকা
এছাড়াও টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন গোলাপ জল। এটি টোনার হিসেবে বেশ ভালো কাজ করে।ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখে।
 ৩/সানস্ক্রিনঃ
এই গরমে আর প্রচন্ড রোদে আর যাই ভুলে যান সানস্ক্রিন লাগাতেও সাথে রাখতে ভুলবেন না। মনে রাখবেন যত এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন হোক না কেন,৩ ঘণ্টা পর অবশ্যই রিঅ্যাপ্লাই করতে হয়। অন্তত এসপিএফ ৪০ যুক্ত সানস্ক্রিন রাখুন ব্যাগে আর মুখের সাথে হাত পায়ে লাগাতে ভুলবেন না। ব্যবহার করুন এসপিএফ যুক্ত লিপবাম আর আই ক্রিমও।
লোটাস হারবাল, নিউট্রোজেনা, মাইনাস সল, স্পেক্ট্রাব্যান সানস্ক্রিন এই গরমে খুবই উপযোগী। মাইনাস সল সানস্ক্রিনটি তৈলাক্ত ও ব্রণের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি। পাবেন বড় ফার্মেসি গুলোতে।
সানস্ক্রিনের দাম পড়বে ৩০০-১৩০০ টাকা
 ৪/ওয়েল অ্যাবসরবিং শিট বা ব্লটিং পেপারঃ
অনেক সময়ই সম্ভব না পুরো মুখ মুছে আবার মেকআপ করা। আবার তেলের উপর সরাসরি ফেসপাউডার দিলে পোরের মুখ বন্ধ হয়ে দেখা দেয় ব্রণ। তাই সাথে রাখুন ব্লটিং পেপার। এটি মেকআপ নষ্ট না করে শুধু অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ভালো রাখে।
আলমাস,স্টার ডাস্টে পাবেন ক্লিন অ্যান্ড ক্লিয়ারের ব্লটিং পেপার। দাম ৩৪০ টাকা। এছাড়া ELF,NYX সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্লটিং পেপার পাবেন অনলাইনে।
৫/ছাতাঃ
সানস্ক্রিন লাগালেও ছাতার কোন বিকল্প নেই এই তীব্র রোদে। রোদের তাপ খুব বেশি হলে বা দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকলে সানস্ক্রিন কিন্তু পুরো নিরাপত্তা দেয় না। তাই মাথার উপর একটি সুন্দর ছাতা তুলে ধরতে ভুলবেন না।
৬/সানগ্লাসঃ
ছাতার মতোই আরেকটি অপরিহার্য জিনিস সানগ্লাস। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি চোখের পাতলা চামড়াকে অনেক বেশি প্রভাবিত করে। ফলে চোখে বয়সে ছাপ, বলিরেখা,ডার্কসার্কেল পড়ে। বাইরে বের হলে চোখে সানগ্লাস পরতে ভুলবেন না। সুরক্ষার পাশাপাশি এটি স্টাইল স্টেটমেন্টও যোগ করবে।
*বাড়ী ফেরার সাথে সাথে প্রচুর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
*প্রতিদিনই কিছু না কিছু ট্যানতো পড়েই। তাই মুখ পরিষ্কারের পর মুখে লাগান অ্যালোভেরা জেল,কাঁচা দুধ বা শশার রস।
*বাসায় রাখতে পারেন ক্যালামাইন লোশন। অতিরিক্ত ট্যান পরে গেলে সাথে সাথে মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের পোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করে। পাবেন যেকোনও ফার্মেসিতে।
এই গরমে থাকুন সতেজ,সুস্থ আর সুন্দর।

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২

গরমে ত্বকের উপযুক্ত হারবাল ফেসিয়াল

নিজের ত্বক নির্বাচন : আপনার ত্বক তৈলাক্ত নাকি খুব শুষ্ক, হারবাল ফেসপ্যাক ব্যবহারের আগে তা জেনে নিন। মুখমণ্ডলের কপাল অংশ থেকে নাক ও থুঁতনি অংশ পর্যন্ত যদি তেল আসে, তবে তা টিস্যু পেপার ব্যবহারের মাধ্যমে মুচে ফেলুন। ওই স্থানগুলো টিস্যু পেপারে মোছার পর যদি টিস্যু পেপার ভিজে যেতে দেখা যায় তবে বুঝতে হবে ত্বকে ঘামের পরিমাণ বেশি। যদি টিস্যু পেপারটিতে কালছে ভাব আসে তাহলে বুঝতে হবে, আপনার ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত। এ ছাড়াও দুই আঙুলের ব্যবহারে আপনি আপনার ত্বকের ঘাম ও তৈলাক্তভাবের পার্থক্য বুঝতে পারবেন। ত্বকে তৈলাক্তভাব এলে মুখমণ্ডল, নাকের চারপাশের অংশে চকেচকে ভাব ফুটে উঠবে।

তৈলাক্ত ত্বকের প্যাক : মুলতানি মাটির সঙ্গে একটু শসা, কমলা লেবুর রস ও একটু চন্দনের গুঁড়া দিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগাতে হবে। এ প্যাক ব্যবহারে মুখের ব্রণের ভাব চলে যাবে, কোনো ধরনের ইনফেকশন থাকলে তা দূর হবে এবং ত্বকের উজ্জ্বল ভাব বৃদ্ধি পাবে।তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ফ্রুটপ্যাকও ব্যবহার করা যেতে পারে। এ জন্য আপেল, কমলার রস, সামান্য মুলতানি মাটি, একটু টকদই, আর যাদের মধু ব্যবহারে সমস্যা নেই তারা একটু মধু দিয়ে এগুলো একসঙ্গে ব্লেন্ড করে প্যাকটি ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।

ওই প্যাকগুলো ছাড়া ত্বকের যত্নে ভেজিটেবল প্যাকও ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য শসা, আলু ভালো করে ব্লেন্ড করে তার মধ্যে অল্প পরিমাণ পেঁপে ও মসুর ডাল দিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। এর সঙ্গে চাইলে সামান্য পরিমাণ চালের গুঁড়া ও একটু টক দই দিয়েও নতুন আরেকটি প্যাক তৈরি করতে পারেন। এ প্যাকটি ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে সজীবতার ভাবটি ফুটে উঠতে থাকবে।

কম্বিনেশন ত্বকের জন্য : কম্বিনেশন ত্বকের জন্য তৈলাক্ত বা শুষ্ক ত্বকের যে কোনো প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্যবহারের আগে মৌসুমের দিকে একটু লক্ষ্য রাখতে হবে। কম্বিনেশন ত্বক গরমের দিনে বেশি তৈলাক্ত ও শীতে বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। তাই মৌসুম অনুযায়ী যে কোনো প্যাক আমরা আমাদের ত্বকে অনায়াসে ব্যবহার করতে পারি। অর্থাৎ গরমের সময় তৈলাক্ত ত্বকের প্যাক ও শীতের সময় শুষ্ক ত্বকের প্যাকগুলো ব্যবহার করতে হবে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য : শুষ্ক ত্বকে ভেজিটেবল ফেসিয়ালটা বেশ জরুরি। তাই শুষ্ক ত্বকের জন্য গাজরের ব্যবহার খুব উপকারী হতে পারে। এ জন্য প্রথমেই গাজর গ্রেড করে এর মধ্যে সামান্য চালের গুঁড়া দিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া ত্বকে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যালোভেরা থেকে তৈরি জেলটাও শুষ্ক ত্বকের জন্য উপকারী।

সব মিলিয়ে ত্বকের টোন বুঝে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করতে হবে। প্যাকগুলো ১৫ থেকে ২০ মিনিট ত্বকে মেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর ত্বকে ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করবেন। যাদের শুষ্ক ত্বক তারা অয়েল বেসড ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করবেন।

প্যাকগুলো ছাড়াও কেউ যদি বাজারের হারবাল ফেসিয়ালগুলো ব্যবহার করতে চান তবে, সে পণ্যটি শতভাগ হারবাল কি-না তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেবেন। হারবাল ব্যবহারে ত্বকে কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই অভিজ্ঞ রূপ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন। মনে রাখবেন, বাজারে হারবাল ফেসিয়ালের নামে অনেক কেমিক্যাল ফেসিয়ালও বিক্রি হচ্ছে। তাই পণ্যটা যেন ভালো ব্র্যান্ডের হয় সে দিকেও খেয়াল রাখবেন।

রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২

গরমে ত্বক সুন্দর রাখতে করণীয়

উজ্জলতা বৃদ্ধিতে পেঁপের ব্যবহার

রোদের তীব্রতায় ত্বক পুড়ে কালো হয়ে যায় এবং ঘামের ওপর ধুলোবালি জমে ত্বক কালো দেখায়।ত্বকের হারানো উজ্জলতা ফিরিয়ে আনতে ব্যবহার করুন পেঁপে। পাকা পেঁপে স্লাইস করে কেটে নিন। এরপর এই পেঁপে মুখ, হাত, পা, গলা এবং ঘাড়ের ত্বকে ভালো করে ঘষে নিন। শুকিয়ে উঠলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে মাত্র ২ দিন ব্যবহারে বাড়বে ত্বকের উজ্জলতা।

ত্বককে সুস্থ রাখতে ফেইস মাস্ক

২ টেবিল চামচ টকদই এবং ১ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে মুখ, গলা এবং ঘাড়ের ত্বকের উপর লাগান। ২০-৩০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের গরমকাল জনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

ত্বককে ময়েসচারাইজ করতে প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার

গরমকালে আবহাওয়ায় অনেক তাপ থাকে বলে ত্বকের উপরিভাগের আদ্রর্তা একেবারেই চলে যায়। এতে দেখতে বিশ্রী লাগে। এই সমস্যা দূর করতে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়ে, ২ টেবিল চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট পড়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের আদ্রর্তা বজায় থাকবে এবং চেহারা থাকবে সুন্দর।

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২

গরমে ত্বকের উজ্বলতা ধরে রাখার কিছু উপায়

 

টিপস ১

ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শশার রস ও লেবুর রস এক সাথে ভালো ভাবে মিসিয়ে নিন। তুলার সাহায্যে পুরো মুখে আলতো ভাবে লাগিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সাথে সাথে যদি জ্বালা করে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে, সেক্ষেত্রে ত্বকের উপযোগী একটি ময়েশ্চারাইজার মুখে লাগিয়ে নিন। লেবুর রসে থাকে সাইট্রিক এসিড, যা ত্বকের তেল সম্পূর্ণ রূপে দূর করে এবং ত্বককে শুষ্ক ও উজ্জ্বল করে।তবে বেশিক্ষণ লাগিয়ে রাখবেন না। এতে ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

টিপস ২

ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার জন্যে  খুবই উপকারী একটি উপাদান হল ডিম।এটি একই সঙ্গে স্কিন ফার্মিং করতেও সাহায্য করে। একটা ডিমের সাদা অংশ ভালোভাবে ফেটিয়ে নিয়ে মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট মতো রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

টিপস ৩

মধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি নানা রকম স্কিন ইনফেকশন এবং ব্রণ কমাতে সাহায্য করে । সারা মুখে ও গলায় পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মতো লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ফেস প্যাকেও মধু ব্যবহার করতে পারেন। চন্দনের গুঁড়োর সঙ্গে লেবুররস ও মধু মিশিয়ে সারা মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

টিপস ৪

স্ট্রবেরিতে রযেছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এক্সফোলিয়েন্টস্ ।যা আপনার ত্বকের উজ্বলতা ধরে রাকতে সাহায্য করে। শুধু স্ট্রবেরি পেস্ট করেও মুখে লাগাতে পারেন, আবার টক দই ও মধুর সঙ্গে মিশিয়েও লাগাতে পারেন। নিমেষেই ফিরে পাবেন ত্বকের উজ্জ্বলতা।

টিপস ৫

ক্লান্তিহীন ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্যে কলা খুবই উপকারী একটি ফল। কলার সঙ্গে মধু মিশিয়ে সারা মুখে ও গলায় ১০ মিনিট লাগি রাখুন। এর পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

টিপস ৬

ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা করার জন্য লেবুর রস ও জৈব ঘাস এক সাথে মিশ্রণ করে নিয়ে এটা আপনার মুখে এবং ঘাড়ে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন। এটা প্রয়োগে আপনার মুখের ব্রণ এবং কালো দাগ দূর হবে এবং ত্বক পরিষ্কার হবে।

টিপস ৭

প্রতিদিন কমপক্ষে ২ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করার অভ্যস করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পানে ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর হয় এবং ত্বক হয়ে উঠে কোমল।

টিপস ৮

মুখে ব্রণ সমস্যা থাকলে চা গাছের তেল তুলার সাহায্যে ব্রণের উপরে কয়েক ঘণ্টা পরপর প্রয়োগ করতে থাকুন। প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে ভিটামিন ই তেল আক্রান্ত স্থানে ১ ঘণ্টার জন্য প্রয়োগ করুন।তার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

টিপস ৯

অতি দ্রুত ত্বকের গোলাপি আভা ফিরিয়ে আনতে অলিভ, কোকোনাট এবং জুজুবা তেল কয়েক ফোঁটা আপনার গালে এবং ভ্রু এর হাড়ে ধীরে ধীরে প্রয়োগ করুন।

টিপস ১০

ভাল ঘুম ত্বকের জন্য উপকারী। তাই ত্বকের যত্নে অবশ্যই সিল্ক এর বালিশ ব্যবহার করুন। এতে আপনার ঘুম পরিষ্কার হবে এবং আপনার ত্বক প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

টিপস ১১

ত্বককে মসৃণ ও কোমল রাখতে সামুদ্রিক কড মাছের যকৃত দ্বারা তৈরি তেল খুবি কার্যকরি একটি উপাদান । এক্ষেত্রে লেবুর রস এবং কড লিভার তেল এর মিশ্রণ তৈরি করে নিয়ে শরীরে প্রয়োগ করতে পারেন।

টিপস ১২

সবুজ শাকসবজি ত্বকের জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান। এটা আপনি রান্না করে অথবা রস বানিয়ে খেতে পারেন। যদি রস বানিয়ে খেতে চান তাহলে প্রতিদিন এক কাপ করে নিয়মিত খাবেন।

রবিবার, ১২ জুন, ২০২২

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন যেভাবে নিবেন


বেশ গরম পড়েছে। এ সময় প্রচণ্ড তাপ ও ধুলোবালির কারণে ত্বকে তৈলাক্ত ভাবটা যেন বেশিই দেখা যায়। তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে যেখানে সেখানে যাওয়াটা  খুব বিরক্তিকর। তাই গরমে তৈলাক্ত ত্বক রক্ষা করতে প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার করতে হবে। আর সেটি বাড়িতে বসেই প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া সম্ভব।
তাহলে খুব সহজেই তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায় একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো-

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন-
পানি আপনার ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে সাহায্য করে। ডাক্তারদের মতে, প্রতিদিন আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য খুব উপকারী। এছাড়া মুখে ঘন ঘন পানির ঝাপটা দিন।

শশার রস-
তৈলাক্তভাব দূর করতে শসা খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শশার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। এতে তৈলাক্তভাব অনেকটা দূর হবে।

কলা-
কলা ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করায় বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এজন্য একটা পাকা কলার পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এই পেস্ট রাতে লাগাতে পারেন।

লেবুর রস-
লেবুর রস তৈলাক্তভাব দূর করে। কয়েক ফোটা লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামুচ মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

চালের গুঁড়া-
চালের গুঁড়াতে সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। সপ্তাহে দুইদিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে।

গ্রিন টি-
ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করতে গ্রিন টি বেশ উপকারী। এই গ্রিন টি দিয়ে সহজেই একটি মাস্ক আপনি তৈরি করে নিতে পারেন মুখে মাখার জন্য। দুই টেবিল চামচ গ্রিন টির সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু ও এক চা চামচ এলোভেরা জেল মিশিয়ে মাস্ক বানিয়ে নিন। মুখে ২০ মিনিট রেখে দিন। ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি রাতে করা ভালো।

শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২

ভাঁজ পড়া ত্বক টানটান হয়ে উঠতে করণীয়


এমন সমস্যায় সবচাইতে কার্যকরী হচ্ছে ঘরোয়া সমাধান। কারণ এক্ষেত্রে চাই নিয়মিত যত্ন করা। ভাঁজ পড়া ত্বক আবার টানটান করে তোলার জন্য থাকছে খুব সহজ একটি রূপচর্চা পদ্ধতি। প্রতিদিন এই কাজটি চালিয়ে গেলে ৭ দিনেই বিস্ময়কর পরিবর্তন দেখতে পাবেন। নিয়মিত চালিয়ে গেলে ত্বকে আবারও ফিরে আসবে যৌবনের দীপ্তি।

যা লাগবে:
ডিমের সাদা অংশ একটি
খুব ভালো মানের অলিভ অয়েল
টক দই
লেবুর রস হাফ চা চামচ
যা করবেন:
-ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রস খুব ভালো করে ফেটিয়ে ফোম করে নিন। কেক তৈরি করার সময়ে যেমন ফোম তৈরি করা হয়, তেমন।
-ত্বক ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর এই সাদা অংশের ফোম ভালো করে ত্বকে মেখে নিন। একটু শুকিয়ে গেলে ওপরে আবারও মাখুন।
-২০/২৫ মিনিট পর ত্বক ধুয়ে নিন। এবার ত্বকে মেখে নিন তাজা ও ঘন টক দই।
-আবারও ২০/২৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
-ভালো করে তোয়ালে দিয়ে মুছে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। অন্তত ৪/৫ মিনিট ম্যাসাজ করবেন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে।
খুব ভালো হয় যদি রাতে শোবার আগে এই কাজটি করতে পারেন। নিয়মিত ধৈর্য নিয়ে করলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অন্য কিছুর প্রয়োজন হবে না। বাড়তি পাওনা হিশেবে থাকবে নরম ও কোমল ত্বক, দূর হবে কালো দাগ, ব্রণের সমস্যাও চলে যাবে।

শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০২২

গরমে ত্বকের যত্নের গোপন ফর্মুলা


পানি পান :
পানি শরীরে আর্দ্রতা আনার পাশাপাশি ত্বককে করে তোলে সজীব। গ্রীষ্মে ত্বক সুন্দর রাখতে প্রয়োজন প্রচুর পানি পান করা।

ত্বক পরিষ্কার রাখা :
গরমে ত্বক পরিষ্কার রাখা জরুরি। সকালে ঘুম থেকে জেগে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করুন। নিয়ম করে ত্বক পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। কমলালেবুর রস ময়েশ্চার হিসেবে ভালো কাজ করে। সঙ্গে দুধ ও ময়দা মিশিয়ে মুখের ত্বক পরিষ্কার করুন। ত্বকে অতিরিক্ত খসখসে ভাব থাকলে রাতে ঘুমানোর সময় ত্বক পরিষ্কার করে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন।

রোদ এড়িয়ে চলা :
গ্রীষ্মে ত্বকের সুস্থতার অন্যতম শর্ত হচ্ছে রোদ থেকে দূরে থাকা। নইলে রোদে পুড়ে ত্বকে দেখা দেবে কালচে ভাব। রোদে পোড়া দাগ দূর করতে লেবুর রস কার্যকর। পেঁপে প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে ভালো কাজ করে। ত্বক পরিষ্কার করতে দুই টেবিল চামচ পেঁপের পেস্টের সঙ্গে এক চা চামচ মধু ও একটা ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

ত্বক শীতল রাখা :
এই সময়ে ত্বকের শীতলতা খুব প্রয়োজন। এক টেবিল চামচ কোরানো শসার সঙ্গে এক টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া মুখ ধোয়ার পানিতে দু-এক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিন; সতেজ অনুভূতি পাবেন।
ওয়াটার বেজ্ড ময়েশ্চারাইজার :
গরমের সময় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ করবেন না। ময়েশ্চারাইজার ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি ত্বককে নরম রাখে। গরমের সময় ওয়াটার বেজ্ড ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন ত্বকের যত্নে। এ ছাড়াও ওয়াটার বেজ্ড বা পানিনির্ভর প্রসাধনী ব্যবহার করুন। তেলের প্রাধান্য আছে এমন প্রসাধনী ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।

এসবের পাশাপাশি আরও কিছু দিক খেয়াল রাখা জরুরি:

_গরমে যাদের ঘামাচি হয়, নিমপাতার রস ব্যবহারে তারা উপকার পাবেন। ঘাম বেশি হলে ট্যালকম পাউডারের সঙ্গে এক চিমটি খাবার সোডা ব্যবহার করুন।

_গ্রীষ্মে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে পড়ে। শসা বাটা ও মসুর ডাল বাটা পেস্ট করে মুখে মেখে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। মুখের তৈলাক্ত ভাব কেটে যাবে।

_রোদেপোড়া ভাব দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও মোলায়েম ভাব আনতে লাউয়ের রস, তরমুজের রস বরফ করে মুখে ঘষুন।

_গরমে অনেকের ত্বকে হিট র‌্যাশ দেখা দেয়। এটি এড়াতে দইয়ের সঙ্গে হলুদ বা নিমপাতা বাটা মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। খানিকটা লাউ থেঁতো করে সঙ্গে তুলসীপাতা ও চালের গুঁড়া মিশিয়ে ব্যবহার করলে র‌্যাশ হবে না। বাড়বে ত্বকের উজ্জ্বলতাও।

মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১

গরমে ত্বক সুস্থ রাখবেন যেভাবে

১। সানস্ক্রিন ব্যবহার
ত্বকের ধরণ অনুযায়ে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সানস্ক্রিন দুটি উপাদান দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে অ্যাভোবেনজোন এবং জিঙ্ক। এই দুটি উপাদান সূর্যের ক্ষতিকর রশ্নি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে । সানস্ক্রিন কেনার সময় অব্যশই এর এসপিএফ দেখে নিবেন। এসপিএফ ৩০ এর উপরে সানস্ক্রিন কেনা ভাল। বাইরে বের হওয়ার সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলে যাবেন না।
২। এক্সফলিয়েট
এই গরমে ত্বক নিয়মিত স্ক্রাব করুন। একটি পাত্রে বেসন এবং দুধ মিশিয়ে নিন। এর সাথে কিছু পরিমাণে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে ত্বক ভাল করে স্ক্রাবিং করুন।
৩। ছাতা বা হ্যাট ব্যবহার করুন
আপনি যখনি বের হবেন ছাতা অথবা বড় কোন হ্যাট ব্যবহার করুন। এটি সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে আপনার চুল এবং ত্বক উভয়কে রক্ষা করবে।
৪। ত্বক পরিষ্কার করা
এই গরমে অত্যন্ত দুইবার মুখ পরিষ্কার করুন। বাইরে থেকে ফিরে ফেসওয়াশ দিয়ে ত্বক ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। যতবার বাইরে যাবেন ততবার ত্বক পরিষ্কার করুন। তবে হ্যাঁ প্রতিবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না। বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার ত্বক শুষ্ক করে তোলে।
৫। দুধের ব্যবহার
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর একটি তুলোর বল দুধে ভিজিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এটি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ত্বক নরম কোমল করে তুলবে।
৬। বরফ
প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে বরফ বেশ কার্যকর। সকালে এবং রাতে এক টুকরো বরফ নিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বককে ঠান্ডা করে ব্রণ হওয়া রোধ করবে।
৭। রোদে পোড়া দাগ দূর করা
টমেটোর রস অথবা লেবুর রস রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে থাকে। বাইরে থেকে ফিরে একটি তুলোর বলে টমেটো রস অথবা লেবুর রস লাগিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
৮। ত্বকের যত্নে ফেসপ্যাক
পেঁপে এবং দুধের তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বক ঠান্ডা করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে দেয়। এছাড়া শসা এবং শসার রস ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। এক টুকরো শসা লবণে ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ তারপর এটি ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি স্ক্রাব হিসেবে কাজ করবে।
এই গরমে শরীরে পানি শুন্যতা দেখা দিয়ে থাকে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি করুন। এছাড়া ফল এবং পানি জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি ত্বক সুস্থ রাখার পাশাপাশি আপনার শরীরও সুস্থ রাখবে।

বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৯

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

– শসার রস তৈলাক্ততা দূর করতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শশার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন।
– এছাড়া স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এর সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই হবে। যাদের মধুতে অ্যালার্জি নেই, তারা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন এই মিশ্রণে। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না।
– গোলাপ জল, লেবুর রস সমান পরিমাণে নিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে আধ ঘণ্টা মুখে লাগিয়ে রাখুন। আলতো ভাবে তুলো দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন ধীরে ধীরে। এতে ব্রণ এবং ফুসকুড়ির দাগ উধাও হয়ে যাবে।
– এক চা চামচ বেসন, অল্প হলুদ গুঁড়ো, টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে লাগাতে হবে এবং আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলতে হবে।
- See more at: http://www.bdmorning.com/life-style/99516#sthash.993StwAZ.dpuf