ফেসিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফেসিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

ঘরে বসেই স্পা ট্রিটমেন্ট – ২০ মিনিটে ফ্রেশ লুক

 




প্রতিদিনের ক্লান্তি, দূষণ আর ব্যস্ততার মধ্যে নিজেকে একটু রিল্যাক্স করা জরুরি।
কিন্তু বাইরে গিয়ে পার্লারে স্পা করা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।
তাই আজ জানুন কীভাবে মাত্র ২০ মিনিটে ঘরে বসেই পেতে পারেন পার্লারের মতো ফ্রেশ ও গ্লোয়িং লুক! 


 প্রয়োজনীয় উপকরণ:

  • কুসুম গরম পানি – ১ বাটি

  • মধু – ১ চা চামচ

  • লেবুর রস – ১ চা চামচ

  • অ্যালোভেরা জেল – ২ চা চামচ

  • গোলাপজল – ১ টেবিল চামচ

  • নরম তোয়ালে ও কটন


ধাপে ধাপে স্পা ট্রিটমেন্ট

১️. মুখ পরিষ্কার (Cleanse) – ৩ মিনিট

প্রথমে হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
এক চা চামচ মধু ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে আলতোভাবে মুখে ম্যাসাজ করুন।
এটি ত্বকের ময়লা ও তেল পরিষ্কার করবে।

 টিপস: ত্বক সংবেদনশীল হলে লেবু না দিয়ে শুধু মধু ব্যবহার করুন।


২️.স্টিম (Steam) – ৫ মিনিট

এক বাটি গরম পানিতে মুখ নিচু করে বাষ্প নিন (তোয়ালে দিয়ে ঢেকে রাখুন)।
এটি রোমছিদ্র খুলে দেয় ও ডেড সেল দূর করে।

 স্টিমের সময় মুখে ল্যাভেন্ডার বা গোলাপজল দিলে আরাম লাগবে আরও বেশি।


৩️.এক্সফোলিয়েট (Scrub) – ৫ মিনিট

এক চা চামচ অ্যালোভেরা জেল ও সামান্য চিনি মিশিয়ে মুখে হালকা হাতে ঘষুন।
এটি মৃত কোষ দূর করে ত্বক করে তুলবে নরম ও উজ্জ্বল।


৪️.ফেস প্যাক (Mask) – ৫ মিনিট

অ্যালোভেরা জেল ও গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান।
৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এই প্যাক ত্বককে ঠান্ডা, ফ্রেশ ও গ্লোয়িং রাখবে।


৫️.ময়েশ্চারাইজ (Moisturize) – ২ মিনিট

শেষে হালকা ময়েশ্চারাইজার বা নারকেল তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন।
ত্বক থাকবে মসৃণ, কোমল ও হাইড্রেটেড। 



  • সপ্তাহে ২ বার এই ২০ মিনিটের স্পা রুটিন করলে ত্বকে গ্লো বাড়বে অনেক।

  • সময় থাকলে চোখের নিচে ঠান্ডা শসার টুকরা রাখলে ফোলাভাব ও ক্লান্তি কমে যাবে।

  • মন ভালো রাখতে হালকা সুরের গান চালিয়ে রাখুন ।


মাত্র ২০ মিনিটেই ক্লান্ত মুখ পাবে ফ্রেশ, উজ্জ্বল ও রিল্যাক্সড লুক –
একেবারে ঘরে বসে প্রাকৃতিক স্পা ট্রিটমেন্ট! 

সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

ঈদের পর মুখের বিশেষ যত্ন





মুখের যত্নে ক্লিনজিং ফেশিয়াল ভালো হবে। এতে ত্বক পরিষ্কার হবে এবং ব্রণ কম উঠবে। বাসায় বাড়তি যত্নের জন্য ব্যবহার করতে হবে প্যাক। রোদে পুড়ে যাওয়া ভাব দূর করতে শসার রস ফ্রিজে রেখে সেটা তুলা দিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ঠিক একইভাবে লাগাতে পারেন আলুর রসও। এতে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হয়।
বেসনের সঙ্গে দুই চামচ টকদই ও গোলাপ পানি দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ত্বক সতেজ এবং উজ্জ্বল হয়। মসুর ডাল পেস্ট করে তার সঙ্গে কাঁচা হলুদ বেটে মুখে লাগান। কিছুক্ষণ রাখার পর দুই হাত দিয়ে আলতো করে ঘষে নিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ময়লা পরিষ্কার হয় এবং ত্বকের কোষগুলোর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়।
রুটিনের বাইরে চলার কারণে স্পর্শকাতর ত্বক যাদের, তাদের ব্রণের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। এটি নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে রাতে ঘুমানোর আগে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর একটু পানিসহ মুখে দুই হাতের তালুতে গ্লিসারিন নিয়ে হালকা করে লাগান। সকালে উঠে দেখবেন ত্বক অনেক নরম হয়ে আছে। এতে নতুন করে আর ব্রণ উঠবে না।
মুখের যত্ন তো থাকবেই, সেই সঙ্গে নিন হাত-পায়ের যত্ন। নিয়মিত ম্যানিকিওর-পেডিকিওরের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন রাখুন হাত-পা। আর ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে কাঁচা দুধ ও মধু মেখে ৫ মিনিট পর গোসল করে ফেলুন। এতে রোদে পোড়া ভাব দূর হবে।

রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০২৪

ঘরে বসেই করুন গোল্ড ফেসিয়াল

ত্বকের পুরনো লাবণ্য, উজ্জ্ব্বলতা ফিরিয়ে আনতে গোল্ড ফেসিয়ালের জুড়ি নেই। ত্বকে লুকিয়ে থাকা ধূলো ময়লা, বিষাক্ত পদার্থ বের করে আনার ক্ষমতা সোনার অসীম। নতুন কোষ জন্মানোর জন্য সোনার অবদান অনেক। ৩৫ এর উপরে বয়স হলে এই ফেসিয়াল করলে যৌবনের সেই নরম তুলতুলে ত্বক ফিরে । এবার জেনে নিন কিভাবে ঘরে বসেই করবেন এই ফেসিয়াল।

একটি গোল্ড ফেসিয়াল কিটে থাকে গোল্ড ক্লিনজার, গোল্ড ফেসিয়াল স্ক্রাব, গোল্ড ফেসিয়াল ক্রিম বা জেল, গোল্ড ফেসিয়াল মাস্ক।

– প্রথমে গাঁদা ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি গোল্ড ক্লিনজার দিয়ে মুখ ক্লিন করুন তারপর গোল্ড ফেসিয়াল স্ক্রাব দিয়ে মুখের সব মরা কোষ দূর করুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে সার্কুলার মুভমেন্টে স্ক্রাব করুন। তারপর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

-এবার গোল্ড ক্রিম দিয়ে মুখ ম্যাসাজের পালা। এতে আছে গোল্ড ফয়েল, গোল্ড পাউডার, মধু, স্যাফ্রন, এলোভেরা আর চন্দন। যা আপনার ত্বকে বুলিয়ে দেবে কোমল পরশের ছোঁয়া। হালকা হাতে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

-এবার ধীরে ধীরে গোল্ড ফেসিয়াল মাস্ক পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। আর অপেক্ষা করুন মাস্ক শুকানো পর্যন্ত। তারপর ভেজা কটন প্যাড দিয়ে মাস্ক তুলে ফেলুন। মাস্কে বিদ্যমান হলুদ, গোল্ড ফয়েল, আর এলোভেরা আপনার ত্বকে এনে দেবে সোনালি আভা। এই ফেসিয়াল করার পর ৩০% পর্যন্ত পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪

ফেস মাস্ক সম্পর্কে খুটিনাটি বিষয়




চর্মরোগবিশেষজ্ঞরা সাধারণত সপ্তাহে একবার মাস্ক ব্যবহার করতে সুপারিশ করেন।

ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক ফেস মাস্ক

(১) প্রথমে ফেস মাস্ক লাগানোর আগে একটি ভালো ফেসিয়াল ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে হবে। ক্লিনজিং ত্বককে মাস্ক থেকে পুষ্টি এবং সক্রিয় উপাদান শোষণের জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করতে।

(২) তবে ফেস মাস্ক প্রয়োগ করার প্রথম ধাপ হলো, ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক মাস্কটি বেছে নেওয়া। যেমন হাইড্রেটিং ক্রিম বা শিট মাস্ক শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। সর্বোচ্চ হাইড্রেশনের জন্য বিশেষজ্ঞরা এই মাস্ক রাতে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

(৩) অন্যদিকে ক্লে মাস্ক তৈলাক্ত বা মিশ্র ত্বকের জন্য ভালো কাজে দেয়। ব্রণপ্রবণ ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ভালো জেল ও বাবল মাস্ক। হাইপারপিগমেন্টযুক্ত ত্বকের জন্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্রিম বা জেল মাস্ক ব্যবহার ভালো কাজে দেবে।


(৪)ত্বকের ধরন অনুযায়ী মাস্ক বাছাইয়ের পর এবার ব্যবহারের পালা। মাস্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য ত্বকে ম্যাসেজ করলে উপকার পাওয়া যাবে। আর অবশ্যই যেকোনো মাস্ক ব্যবহার করার সময় ঠোঁট, চোখ এবং ভ্রু এড়িয়ে চলুন।

মাস্ক ওঠাব কীভাবে
বেশির ভাগ মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ২০ মিনিটের বেশি রাখা উচিত নয়। বেশিক্ষণ থাকলে মাস্ক শুকিয়ে ত্বকও শুকিয়ে যেতে থাকে। তাই ব্যবহারের পর মুখ থেকে মাস্কটি আলতোভাবে আঙুলের ব্যবহারে, সাধারণ পানি দিয়ে তুলে ফেলতে হবে।

শিট মাস্ক ও পিল-অব মাস্কের ক্ষেত্রে আলতো করে মুখ থেকে মাস্ক সরাতে হবে। ত্বক কোনোভাবেই জোরে ঘষা যাবে না। সময় নিয়ে ধৈর্যসহকারে কাজটা করতে হবে। ধোয়ার পর ত্বকে ভালো একটা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। ফলে ত্বক হাইড্রেটেড থাকবে।

বাড়িতে তৈরি ফেস মাস্ক
ফেস মাস্ক কেনার পরিবর্তে বাড়িতে থাকা উপাদানগুলো ব্যবহার করে অর্থ এবং সময় বাঁচাতে পারেন।

রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩

একটি পরিপূর্ণ ফেসিয়ালের ধাপগুলো জেনে নেই

অনেকেই জানি না পরিপূর্ণ ফেসিয়ালে কি কি ধাপ রয়েছে! একটি পরিপূর্ণ ফেসিয়ালের করার ৭ টি ধাপ রয়েছে। চলুনে জেনে নেয়া যাক সেই সব ধাপসমূহ সম্পর্কে।

(১) ক্লিঞ্জিং এবং ম্যাসাজিং (Cleansing and Massaging)
(২) স্টিমিং (Steaming)
(৩) স্ক্রাবিং (Scrubbing)
(৪) ফেসপ্যাক (Facepack)
(৫) টোনিং (Toning)
(৬) ট্রিটমেন্ট (Treatment)
(৭) ময়েশ্চারাইজিং (Moisturizing)

(১) ক্লিঞ্জিং এবং ম্যাসাজিং: ফেসিয়াল করার পূর্ব শর্ত হলো ত্বক পরিষ্কার করা। ত্বকের উপরিভাগ পরিষ্কার করার জন্য ক্লিঞ্জিং ক্রীম, ক্লিঞ্জিং অয়েল, ম্যাসাজ ক্রীম ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। ম্যাসাজ ক্রীম  ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বাটিতে ম্যাসাজ ক্রীম এবং তাতে এক টুকরা বরফ নিয়ে তা ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর গলাসহ পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন পাঁচ মিনিট। ম্যাসাজ হয়ে গেলে তুলো ভিজিয়ে গলা ও মুখ মুছে নিন।

(২) স্টিমিং: এবার পালা স্টিমিং করার। স্টিমিং করার ফলে ত্বকের পোরসগুলো খুলে যায় এবং ত্বকের ভেতরকার ময়লা দূর হয়। একটি বাটিতে কুসুম গরম পানি নিন এবং তা থেকে গরম পানির ভাপ মুখে নিন। স্টিমিং করতে না চাইলে একটি তোয়ালে সহনীয় গরম পানিতে ভিজিয়ে হালকা করে মুখের উপর চেপে ধরুন পাঁচ মিনিট। যাদের ত্বক শুষ্ক এবং সংবেদনশীল তারা স্টিমিং করবেন দুই মিনিট।

(৩) স্ক্রাবিং:  স্টিমিং করার পরবর্তী কাজ হলো স্ক্রাবিং করা। স্ক্রাবিং করার ফলে ত্বকের মরা কোষ উঠে যায়, ব্ল্যাকহেডস দূর হয় এবং ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার হয়। ত্বকের ধরণ অনুযায়ী স্ক্রাবিং প্রথমে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন তিন মিনিট। এরপর পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ হয়ে গেলে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে মুখ মুছে নিন। ত্বকের ধরণ অনুযায়ী প্রাকৃতিক স্ক্রাবার  নিচে দেয়া হলো-
  • তৈলাক্ত ত্বকের জন্য স্ক্রাব: ১ টেবিল চামচ চিনি এবং অর্ধেকটি টমেটো দিয়ে তৈরি করুন স্ক্রাব।
  • শুষ্ক এবং মিশ্র ত্বকের জন্য স্ক্রাব: ২ টেবিল চামচ অটমিল, হাফ চামচ দারুচিনি গুঁড়া এবং ২ চা চামচ তরল দুধ মিশিয়ে তৈরি করুন স্ক্রাব।
  • সংবেদনশীল ত্বকের জন্য স্ক্রাব: ব্যবহৃত গ্রীন টি প্যাক হতে পাতা সমূহ বের করে তাতে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন।
(৪) ফেসপ্যাক ব্যবহার: স্ক্রাবিংকরার পর ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন। ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ফেসপ্যাক গলাসহ মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে নিন। ত্বকের ধরণ  অনুযায়ী ফেসপ্যাক নিচে দেওয়া হল-
  • তৈলাক্ত ত্বক – মসুর ডাল বাটা, শসার রস ও ডিমের সাদা অংশের পেস্ট অথবা মুলতানি মাটি ও গোলাপ জলের পেস্ট।
  • শুষ্ক ত্বক – সয়া পাউডার, দুধের সর, কাঁচা হলুদ ও গাজরের রস মেশানো পেস্ট।
  • সাধারণ ত্বক – বেসন ও গোলাপ জলের পেস্ট ও তার সঙ্গে গ্লিসারিন ।
  • সংবেদনশীল ত্বক – শসা, গোলাপ জল, কাঁচা হলুদের পেস্ট।
(৫) টোনিংটোনিংকরার ফলে ত্বক ঠান্ডাহয় এবং ত্বকের খুলে যাওয়া পোরস বন্ধ হয়। টোনার হিসেবে রোসবেরি ওয়াটার, রোজ-ওয়াটার, শসার রস ব্যবহার করতে পারেন। একটি তুলোর বল তৈরি করে তাতে টোনার নিয়ে লাগিয়ে রাখুন না শুকানো পর্যন্ত।

(৬) ট্রিট: উপরের ছয়টি ধাপ করার পর ত্বক কিছুটা সংবেদনশীল হয়ে পরবে। এর জন্য দরকার ট্রিট। ট্রিট এর জন্য যে কোন ভালো তেল, যেমন – অলিভ ওয়েল , আমন্ড ওয়েল অথবা নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। কয়েক ফোটা তেল মুখে মেখে পাঁচ মিনিট রেখে দিন।

(৭) ময়েশ্চারাইজিং: শেষ ধাপ ময়েশ্চারাইজ করা। ময়েশ্চারাইজ করার ফলে ফেসিয়াল ফলপ্রসূ হয় এবং ট্রিট এর তেল টাকে ত্বকে লক করে রাখে। নিজের ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজ ক্রিম ব্যবহার করুন।

অনেক সময় ঘরে বসে নিজেই ফেসিয়াল করার সময় ব্ল্যাকহেডস দূর হয় না। এক্ষেত্রে নিচের প্যাক টি অনেক কাজে দেবে –
  • ১ চামচ দুধ
  • হাফ চামচ জেলাটিন (ফ্লেভার ছাড়া)
  • কয়েক ফোটা লেবুর রস
এসব উপকরণ মিশিয়ে ১ মিনিট ওভেনে রাখুন মিশ্রণটি মেল্ট হবার জন্য। মেল্ট হয়ে গেলে হালকা গরম থাকতে নাকের উপর লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে উঠিয়ে ফেলুন। ফলাফল দেখে নিজেই চমকে যাবেন।
উপরের সাতটি ধাপে খুব সহজেই নিজের ফেসিয়াল নিজেই করুন আর উপভোগ করুন কোমল ও উজ্জল ত্বক।

সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২

গোলাপের পাপড়ির ময়েশ্চারাইজিং স্ক্রাব তৈরির উপায়

যা যা লাগবে
– ২ টেবিল চামচ নারিকেল তেল
– আধা টেবিল চামচ মধু
– ১ টেবিল চামচ গোলাপজল
– আড়াই টেবিল চামচ চিনি
– ছোট এক জার শুকনো গোলাপের পাপড়ি
– ১/২ ফোঁটা রোজ এসেনশিয়াল অয়েল
প্রণালী
১) একটা ছোট বোলে নারিকেল তেল নিন। গরম পানির ওপর বোলটি রেখে ধীরে ধীরে গলিয়ে নিন তেলটাকে। গলে গেলে এতে দিয়ে দিন গোলাপজল এবং মধু। মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না পুরো মিশ্রণের রঙ এক হয়ে যায়।
২) মিশ্রণ একটু ঠাণ্ডা হয়ে এলে একটু একটু করে চিনি দিন এবং মেশাতে থাকুন। এতে একটা খসখসে, নরম মিশ্রণ তৈরি হবে। এ সময়ে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে দিতে পারেন।
৩) একটা শুকনো গোলাপ নিয়ে গরম পানিতে কয়েক সেকেন্ড রেখে নরম করে নিন। এরপর এটাকে ছোট্ট ছোট্ট টুকরো করে মিশিয়ে দিন নারিকেল তেলের মিশ্রণে। এগুলো স্ক্রাবের শক্তি বাড়ায়।
এই রেসিপিতে আড়াই আউন্স স্ক্রাব তৈরি হবে। দুই সপ্তাহ পর্যন্ত এটা ভালো থাকবে। ইচ্ছে হলে এতে এক টেবিল চামচ আমন্ড অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন মধুর পরিবর্তে।
আরও একটি উপায়ে গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করতে পারেন। আপনি নিজে গোলাপ কিনে নিতে পারেন বা টবে থাকা গোলাপ নিয়ে শুকিয়ে নিতে পারেন। এই শুকনো গোলাপের পাপড়ি গুঁড়ো করেও মিশিয়ে নিতে পারেন ২ কাপ চিনি এবং ২/৩ কাপ নারিকেল তেলের সাথে। এই মিশ্রণটি আগের স্ক্রাবের চাইতে একটু বেশি গুঁড়ো গুঁড়ো হবে।
এই দুই ধরণের যে কোনো একটি স্ক্রাব তৈরি করে নিন। এবার গোলাপের মিষ্টি সুগন্ধ ঘুরে ফিরবে আপনার আশেপাশে। সেই সাথে আপনার ত্বকের ফুটিয়ে তুলবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল আভা।

সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২

ঘরোয়া গোল্ড ফেসিয়াল


*প্রথমে গাঁদা ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি গোল্ড ক্লিনজার দিয়ে মুখ ক্লিন করুন।

*তারপর গোল্ড ফেসিয়াল স্ক্রাব দিয়ে মুখের সব মরা কোষ দূর করুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে সার্কুলার মুভমেন্টে স্ক্রাব করুন। তারপর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

*এবার গোল্ড ক্রিম দিয়ে মুখ ম্যাসাজ করুণ। হাতে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে আছে গোল্ড ফয়েল, গোল্ড পাউডার, মধু, স্যাফ্রন, এলোভেরা আর চন্দন।

*এরপর ধীরে ধীরে গোল্ড ফেসিয়াল মাস্ক পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। আর অপেক্ষা করুন মাস্ক শুকানো পর্যন্ত।

*তারপর ভেজা কটন প্যাড দিয়ে মাস্ক তুলে ফেলুন। মাস্কে বিদ্যমান হলুদ, গোল্ড ফয়েল, আর এলোভেরা আপনার ত্বকে এনে দেবে সোনালি আভা।

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১

ফর্সা ও কোমল ত্বকের জন্য কাঁচা দুধের অসাধারণ ফেসপ্যাক

(১) কাঁচা দুধ, বেসন ও মুলতানি মাটির প্যাক

এই প্যাকটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দারূণ কাজ করে। কাঁচা দুধের ল্যাকটিক এসিড প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে ত্বকের রঙ হালকা করে। বেসন ও মুলতানি মাটি ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করে এবং সেই সাথে ত্বককে গভীর থেকে পরিস্কার করে।
একটা পাত্রে ১ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ মুলতানি মাটি ও ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এবার হাতে অল্প পানি নিয়ে মুখে লাগিয়ে আলতো হাতে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে করে মুখের ত্বকের গভীর থেকে ময়লা উঠে আসবে। এবার মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।

(২) কাঁচা দুধ ও কলার প্যাক

এই প্যাকটির জন্য লাগবে অর্ধেক পাঁকা কলা ও পরিমাণ মত (প্রায় ২ চা চামচ) কাঁচা দুধ। কলা খুব ভালো করে ম্যাশ করে নিতে হবে। এর সাথে অল্প অল্প করে কাঁচা দুধ মিশিয়ে একটি থকথকে মিশ্রণ বানাতে হবে। এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্যাকটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ত্বককে ময়শ্চারাইজও করবে। এজন্য এটি ধোয়ার পর আলাদা করে ময়শ্চারাইজার লাগানোর কোন দরকার নেই।

(৩) কাঁচা দুধ, পেঁপে ও মধুর প্যাক

এই প্যাকটি মূলত বয়স্ক ত্বকের জন্য। যাদের ত্বকে হালকা রিংকেল পড়ে গেছে তারা এই প্যাকটি থেকে অনেক উপকার পাবেন। দুই টুকরা পাঁকা পেঁপে খুব ভালো করে ম্যাশ করে নিতে হবে। এর সাথে মিশাতে হবে দুই চা চামচ কাঁচা দুধ ও ১ চা চামচ মধু। এটি মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ১৫ মিনিট। এরপর ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

(৪) কাঁচা দুধ, মধু ও লেবুর রসের প্যাক

কাঁচা দুধ মধু ও লেবুর রসের সাথে মিশালে এটি প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে যা কেমিকেল ব্লিচের মত কোন ধরণের ক্ষতি ছাড়াই ত্বকের রঙ হালকা করে। দুই চা চামচ কাঁচা দুধের সাথে এক চা চামচ মধু ও এক চা চামচ লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। এরপর পানি দিয়ে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা দেখে আপনি নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

(৫) শুধুই কাঁচা দুধ

আর এত কিছু যদি আপনার জন্য কষ্টকর মনে হয় তবে আপনার জন্য অতি সহজ একটা রূপচর্চার উপায় বলে দিচ্ছি। শুধু কাঁচা দুধ হাতে নিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর ধুয়ে ফেলুন। আপনি যদি প্রত্যেকদিন এই শুধু কাজটিও করতে পারেন, তাহলেও আপনার ত্বক আস্তে আস্তে অনেক উজ্জ্বল হয়ে যাবে।

শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ত্বকের যত্ন ফেশিয়াল এর পরে ত্বকের যত্ন

ফেশিয়াল করার পর প্রথম কয়েকদিন ত্বক দেখায় খুব উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত কিন্তু কিছুদিন চলে যাওয়ার পরেই আগের মতো ত্বক হয়ে যায় তৈলাক্ত, দেখা দেয় ব্রনের উপদ্রব ইত্যাদি আরও নানা সমস্যা। তাই ফেশিয়াল করার পরেও কী করে ত্বকের স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ঠিক রাখবেন জেনে রাখুন প্রয়োজনীয় টিপস।এ জন্য যা করবেন:

১। সতর্কতার পরিষ্কার করুণ। আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে ফেশিয়াল এর পরে প্রতিদিন অবশ্যই প্রাকৃতিক ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নেবেন। এ ক্ষেত্রে দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পুরো মুখে মেখে তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। এই ক্লিনজার মুখের তেল, ময়লা দূর করে সহজেই। এ ছাড়া ওটসের সঙ্গে টকদই মিশিয়ে ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপানার ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকবে।

২। ফেশিয়াল এর পরে ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজিং খুবই কার্যকরী। ক্লিনজিংয়ের পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে কিছুক্ষণ পর ফেসিয়াল করুন। দেখবেন এতে ত্বক অনেক নরম ও মসৃণ হবে।

৩। ভালো পণ্য দিয়ে মুখ ধোবেন। এ জন্য সাবানের বদলে ভালো মানের ফেসওয়াস ব্যাবহার করতে পারেন।

৪। বাইরে বেরুনোর সময় সান্সক্রিম ব্যাবহার করতে ভুলবেন না।

৫। সপ্তাহে ২/৩ দিন ফেশিয়াল স্ক্রাবার ব্যবহার করুন।

৬। সপ্তাহে দুই একবার গোলাপ জ্বল, লেবুর রস মুলতানি মাটির সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে। একইভাবে মধু, লেবুর রস, ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়েও মুখে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

এই উপায়ে প্রতিদিন ত্বকের যত্ন নিলে দেখবেন ফেশিয়ালের পরেও ত্বকের স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে এবং উজ্জ্বলতা থাকবে অটুট। তবে শুধুমাত্র ঘরোয়া রূপচর্চা করলেই যে ত্বকের স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ভালো থাকবে তা নয়। নিজের ডায়েট মেন্যুতে রাখতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার।

শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কার্যকরী ৫টি ফেসপ্যাক

১। বেসন এবং হলুদের ফেসপ্যাক

দুই টেবিল চামচ বেসন, আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো এবং কিছু পরিমাণ লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ম্যাসাজ করে মুখ পরিষ্কার করে নিন। বেসন এবং হলুদ ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।

২। মুলতানি মাটির ফেইস প্যাক

মুলতানি মাটি, গোলাপ জল এবং অল্প একটু লেবুর রস একসাথে মেশান। এবার এটি মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুলতানি মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। গোলাপ জল ত্বক ময়শ্চারাইজ করে এবং লেবুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করে থাকে।

৩। টমেটো এবং লেবুর রস

দুই টেবিল চামচ টমেটো রস এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি মুখে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক স্কিন টোন ধরে রেখে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

৪। নিম ফেইস প্যাক

চারটি নিম পাতা কুচি করে সিদ্ধ করে বেটে নিন। এরপর এর সাথে এক চা চামচ গোলাপ জল বা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। আপনার ত্বকে এই প্যাকটি ভাল করে লাগান। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ দূর করতে নিম অনেক কার্যকরী। এর অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান ব্রণ দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে থাকে।

৫। কমলার খোসার ফেসপ্যাক

কমলার খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এরসাথে পানি অথবা টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। কমলার এই প্যাকটি মুখ এবং ঘাড়ে ব্যবহার করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কমলার এই প্যাকটি ত্বকের অভ্যন্তরীণ ময়লা পরিষ্কার করে। এছাড়া এটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করে দেয়।

শনিবার, ১২ জুন, ২০২১

ফেয়ার পলিশ বা হোয়াইটেং ফেসিয়াল করুন ঘরে বসেই

০১ ক্লিনজিং
শুরুতেই সমস্ত মুখমন্ডল ভালো কোন ব্র্যান্ডের ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। বাজারের পণ্য ব্যবহার করতে না চাইলে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা শশা ও শুষ্ক ত্বক হলে কাঁচা দুধ দিয়ে এ কাজটি সেরে নিতে পারেন ।

০২ এক্সফ্লোয়েশনঃ
ছোট ছোট দানাযুক্ত ফেস ওয়াস বা স্ক্রাবার দিয়ে সমস্ত মুখ ধুয়ে নিন কিংবা প্রাকৃতিক উপাদান চাইলে ১/২ কাপ আতপ চালের গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ টমেটোর রস ও কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখের ত্বকে হালকা হাতে স্ক্রাব করে নিন।

০৩ স্টিম
ফেসিয়ালের ক্ষেত্রে স্টিম বেশ জরুরী। এটি লোমকূপ খুলতে সাহায্য করে এবং ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে। প্রথমে খুব অল্প পরিমাণ বাদাম তেল সারা মুখে মালিশ করে নিন। তারপর বাজারের পাওয়া যায় এমন স্টিমারের সাহায্যে স্টিম নিন অথবা যে কোন গরম পানির পাত্রে পাতলা কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে তার ভাপ নিতে পারেন।

০৪ ব্ল্যাক হেড পরিষ্কারকরণ
একটা ব্ল্যাক হেড পরিষ্কারক যন্ত্রের সাহায্যে ব্ল্যাক হেড গুলো পরিষ্কার করে নিন। যেহেতু লোমকূপ খোলা আছে তাই যন্ত্রের হালকা চাপেই উঠে আসবে ব্ল্যাক হেড ।

৫ টোনিং
অনেকেই ভেবে থাকে এর হয়ত প্রয়োজন নেই। কিন্তু এ ধারণা ভুল। যেহেতু স্টিমের মাধ্যমে লোমের গোড়া খোলা হয়েছে টোনিং এ তা বন্ধ করা জরুরী; নয়ত খোলা পোর দিয়ে ময়লা ঢুকে ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে। বাজারের টোনারে অনীহা থাকলে গোলাপ জল লাগিয়ে নিন।

০৬ মাস্ক
এবার হচ্ছে আসল কাজ; হোয়াইটেনিং মাস্কের ব্যবহার। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন জাফরানের উপকারী দিক সমূহ। তাহলে এটাও জেনে থাকবেন যে জাফরানে আছে হোয়াইটেনিং প্রোপার্টি, যা ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

উপকরণঃ
– ৫-৬ টা জাফরানের আঁশ
– ১/২ কাপ টক দই/দুধ/দুধের সর
– ২-৩ টা গোলাপের পাপড়ি,
– ১ টেবিল চামচ চন্দন/মুলতানি মাটি/নিমের(স্পর্শকাতর ত্বক হলে) গুঁড়ো ,
 – ২-৩ টা কাঠ বাদামের গুঁড়ো,
– ১ টেবিল চামচ গোলাপ জল ।

প্রস্তুত প্রণালীঃ
জাফরান গুলো তরল দুধে ২-৩ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন; যতক্ষণ না এর রঙ হলুদাভ হয়। এবার গোলাপের পাপড়িগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর পাপড়িগুলোর পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার একে একে দুধ-জাফরান, গোলাপ পেস্ট, মুলতানি ও বাদামের গুঁড়ো গোলাপ জলে গুলিয়ে রাখুন। সুন্দর পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে মুখের ত্বকে লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কলের ঠান্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

০৭ ময়েশ্চারাইজেশন
সব শেষে ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আর্দ্রতায় তালা লাগিয়ে দিন।
এবার আয়নায় আপনার চেহারাটি মিলিয়ে নিন, নিজেই অবাক হয়ে যাবেন ত্বকের জেল্লা দেখে। হোয়াইটেনিং ফেসিয়ালের ফলে আপনার ত্বকে আসবে এক অদ্ভুত সুন্দর আভা ও দ্যুতি আর মেক-আপের ভরিক্কি ভাব যাবে কমে। সেই সাথে মেক-আপ বসবে নির্ঝঞ্ঝাটে।

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

অ্যারোমা ফেসিয়াল

উপকরণঃ
• ক্লিঞ্জার
• স্ক্রাব
• ফেসিয়াল অয়েল
• দুধ
• চন্দন গুঁড়ো
• কাঠবাদাম গুঁড়ো
• ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম
• রোজ অয়েল
• জিরেনিয়াম অয়েল
• ল্যাভেণ্ডার অয়েল
• লেমন অয়েল
• সারপ্রেস অয়েল
• টক দই

কীভাবে করবেন?
• ক্লিঞ্জিং দিয়ে মুখ ধোয়ার পূর্বে প্রথমে গরম ভাপ নিয়ে নিন। এটি আপনার মুখের রন্ধ্র খুলে দিতে সাহায্য করবে। এর জন্য আপনি একটি তোয়ালে এক বাটি হার্বাল চায়ের মধ্যে ভিজিয়ে তা আপনার মুখে ও গলার উপর দিয়ে রাখুন এবং ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

• এবার স্ক্রাব দিয়ে মুখ আলতো ভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষুন। তারপর উষ্ণ তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। মুখে কোন তেল থেকে থাকলে তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন। যদি আপনি ভারী মেক-আপ নিতে চান আপনি চাইলে আবার মুখ ক্লিঞ্জিং করে নিতে পারেন।

• এই পর্যায়ে টোনিং করে নিতে হবে। টোনিং খুবই গুরত্বপূর্ণ ধাপ ফেসিয়ালের। তুলা দিয়ে টোনার মুখে লাগান কিন্তু ভুলেও ঘষবেননা। চোখের কাছে লাগাবেন না। আপনার ত্বক এখন ময়েশ্চারাইজিং এর জন্য প্রস্তুত।

• এবার অ্যারোমাটিক ফেসিয়াল অয়েল দিয়ে মুখে ময়েশ্চারাইজ করতে পারেন। এই তেলে কিছু উপাদান আছে যা মুখের আর্দ্রতা বজায় রাখে। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য রাখবেন টোনার লাগাবার পর মুখ কিছুটা আর্দ্র থাকা অবস্থায় তেল লাগাতে হবে। পুরোপুরি শুকনো হলে চলবেনা। যদি ত্বকের কোন জায়গা শুষ্ক থাকে তবে সেক্ষেত্রে দুবার ময়েশ্চারাইজ করবেন। কিন্তু প্রথম বার আর দ্বিতীয় বারের মাঝে ২-৩ মিনিট বিরতি রাখবেন এবং দ্বিতীয় বার কিছুটা পানি অথবা টোনার দিয়ে নিবেন।

• ১ টেবিল চামচ দুধ, চন্দন গুঁড়ো, কাঠ বাদামের গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে পেস্ট করে তা মুখে আর গলায় লাগিয়ে নিন।

• এবার কাঠ বাদামের গুঁড়ো, আধা টেবিল চামচ মধু এবং ১ ফোঁটা রোজ অয়েল দিয়ে একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন এবং তা মুখে ও গলায় লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। রোজ অয়েলের মধ্যে এন্টিব্যাক্টিক উপাদান রয়েছে যা ত্বকের জন্য উপকারী। এটি ত্বক কে করে তোলে উজ্জ্বল।

• এবার একটি ভালো ব্র্যান্ডের সুগন্ধী ছাড়া ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম নিন এবং তার সাথে এক ফোঁটা রোজ অয়েল ও এক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে ধীরে ধীরে মুখে লাগান।

• ৪ ফোঁটা ল্যাভেণ্ডার অয়েল, ৪ ফোঁটা রোজ অয়েল এবং ২ ফোঁটা জিরে নিয়ে মেশাবেন আপনার ফেসিয়াল মাস্কে। তবে এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য। তৈলাক্ত এবং স্বাভাবিক ত্বকের জন্য ২ চা চামচ টক দই, ২ ফোঁটা লেমন অয়েল, ২ ফোটা সাইপ্রেস অয়েল মেশাবেন আপনার ফেসিয়াল মাস্কের সাথে। অ্যারোমা ফেসিয়াল প্যাক আপনি যে কোন মার্কেট থেকে কিনে নিতে পারেন।

অ্যারোমা ফেসিয়াল যেমন জনপ্রিয় তেমন উপকারী। এতে আপনার কোন এলার্জির সমস্যা হবেনা যদি আপনি সঠিক ভাবে এসেনসিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১

পার্ল ফেসিয়াল করার নিয়ম

পার্ল ফেসিয়ালের কিছু উপকারীতা

• এটি ত্বক করে তোলে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত
• বয়সের ছাপ দূর করে
• ত্বক করে তোলে কোমল ও স্নিগ্ধ

পার্ল ফেসিয়ালের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

• পার্ল ক্রিম
• পার্ল পাউডার
• ফ্রেশ ক্রিম
• ক্লিঞ্জার
• দুধ
• পানি / গোলাপজল
• তেল(শুষ্ক ত্বকের জন্য অলিভওয়েল ভালো)
• মধু
• ডিম
• লেবুররস
• টোনার

পদ্ধতি

• পার্ল ফেসিয়াল করতে হলে প্রথমেই আপনাকে যেটা করতে হবে তাহল খুব ভালো ও উন্নতমানের পার্ল পাউডার ও পার্ল ক্রিম কেনা। এই দুটি প্রসাধনী আপনি মার্কেট থেকে কিনে নেবেন।
• এখন আপনার মুখমণ্ডল ক্লিঞ্জার দ্বারা ভালো মত পরিষ্কার করুন। আপনি একটি তুলা দুধের মধ্যে ডুবিয়ে তা দিয়ে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করতে পারেন। বেসন ও দুধের মিশ্রণ-ও একটি ভালো ক্লিঞ্জার হিসেবে কাজ করে।
• এবার পার্ল পাউডারের একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এর জন্য পার্ল পাউডার পানি অথবা গোলাপজলের সাথে মিশিয়ে নিন। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয় তবে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মেশান।
• এবার পেস্টটি আপনার মুখমণ্ডলে ৫ মিনিটের মত ম্যাসাজ করুন এবং আরো ৫ মিনিট মুখে রাখুন। এবার পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
• এবার মুখ মুছে পার্ল ক্রিম লাগান। আলতো ভাবে লাগাবেন। খুব বেশি জোরে ঘষবেন না। এতে মুখ লাল হয়ে যেতে পারে। ক্রিম দিয়ে মুখ প্রায় ৫ মিনিট আলতো ভাবে ম্যাসাজ করুন।
• এপর্যায়ে মাস্ক প্রস্তুত করুন। যদি আপনি বয়সের ছাপ থেকে মুক্তি পেতে চান তবে ডিম ও মধু মেশান এবং তার সাথে লেবুর রস ও এক চামচ পার্ল পাউডার মেশান। এই মাস্ক টি ধীরে ধীরে মুখে লাগান। দাগ থেতে মুক্তি পেতে চাইলে ফ্রেশ ক্রিমের সাথে ১ চামচ পার্ল পাউডার মেশান। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ফ্রেশ ক্রিম প্রস্তুত করা কোন কঠিন কাজ নয়। ফ্রেশ ক্রিম পেতে হলে দুধ জ্বাল দিন ঘনকরে এবং তার থেকে সর নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এভাবে প্রায় ১ দিন ফ্রিজে রাখলে আপনি ফ্রেশক্রিম পাবেন। তবে সর অল্প পরিমাণ হলে ১ দিন রাখার দরকার নেই। কয়েক ঘণ্টাতেই হয়ে যাবে। সবশেষে টোনার লাগিয়ে নিতে ভুলবেননা। জেনে নিলেন কিভাবে পার্ল ফেসিয়াল করতে হয়। তবে আর দেরী কেন? এখন-ই করুন ঘরে বসে পার্ল ফেসিয়াল আর আপনার ত্বকে নিয়ে আনুন মাধুর্য।
বিঃদ্রঃ যাদের সেনসিটিভ ত্বক তাদের জন্য এই ফেসিয়াল উপযোগী নয়।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ত্বকের জন্য রেগুলার ফেসিয়াল

হানি ফেসিয়ালঃ

প্রথমে ফেসওয়াশ আর স্ক্রাবার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে তারপর ভালো মানের মাস্যাজ ক্রিম দিয়ে হালকা হাতে মাস্যাজ করুন ১০ মিনিট। এরপর একটি গামলাতে গরম পানি নিয়ে মুখে গরম ভাপ নিন। এতে করে আপনার মুখে লোমকূপ গুলো খুলে যাবে। এবার ব্ল্যাকহেডস বা হোয়াটহেডস থাকলে তা এক্সট্রাকটর দিয়ে পরিষ্কার করুন। এখন নীচের প্যাকটি লাগান।
যা যা লাগবে
১ টেবিল চামচ মধু,
একটি ডিমের কুসুম,
১ চা চামচ অলিভ অয়েল।
প্রণালীঃ
ডিমের কুসুম ভালো ভাবে ফেটিয়ে নিন। তেল মিশান আবার ভালো ভাবে ফেটান। এবার অন্য একটি বাটিতে মধুর সাথে গরম পানি দিয়ে আলতো হাতে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি ডিমের মিশ্রণের সাথে ফেটিয়ে নিন। সমস্ত মুখ এবং গলায় প্যাকটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সব শেষে মুখে এক টুকরো বরফ ঘষে নিন। এতে খোলা পোর গুলো বন্ধ হয়ে যাবে। কী?? আয়নায় নিজেকে দেখে অবাক হচ্ছেন তো?? গত মাসে এত গুলো টাকা খরচ করে পার্লার থেকে ফেসিয়াল করে যেমনটি দেখাচ্ছিল ঠিক তেমনটিই লাগছে, তাই না? যেহেতু এই ফেসিয়ালে গরম ভাপ দিয়ে স্ক্রাব করে, ত্বক উপযোগী মাস্ক লাগিয়ে মুখের ময়লা পরিষ্কার করা হয় তাই মাসে ২ বার করলে কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না।

এলোভেরা ফেসিয়ালঃ

জানা কথা এলোভেরা ফেসিয়ালে এলোভেরা জেল ব্যবহার হবে। তবে তার আগে জেনে নিন এলোভেরাতে আপনার অ্যালার্জি নেই তো? এলোভেরা জেলে অক্সিন আর গিবেরেলিন্স নামের ২ টি হরমোন আছে। এই ২টি হরমোন ব্রণের সমস্যা দূর করে, সানবার্ন সারিয়ে দেয়, সেই সঙ্গে বয়সের ছাপও চটপট লুকিয়ে ফেলে। শুষ্ক, তৈলাক্ত বা মিশ্র ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসে এই ফেসিয়াল করাতে পারেন।
ফেসওয়াশ বা ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে প্রথমে মুখটি পরিষ্কার করে নিন। স্ক্রাবার দিয়ে ত্বকের সব মরা কোষ তুলে ফেলুন। তারপর ব্র্যান্ডেড কোন মাস্যাজ ক্রিম দিয়ে মাস্যাজ করুন ১০-১৫ মিনিট। এবার এলোভেরা দিয়ে একটি প্যাক বানান। একটি শশার খোসা ছড়িয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর ৬ টেবিল চামচ শশার সাথে ৪ টেবিল চামচ এলোভেরা জেল নিন। এর সাথে ২ টেবিল চামচ প্লেন দই মিশিয়ে নিন। চোখের চারপাশ বাদে পুরো মুখে প্যাকটি লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখটি ধুয়ে ফেলুন।

কিউকাম্বার ফেসিয়ালঃ

প্রথমে ফেসওয়াশ আর স্ক্রাবার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর ভালো মানের মাস্যাজ ক্রিম দিয়ে হালকা হাতে মাস্যাজ করুন ১০ মিনিট। এখন নীচের প্যাক টি লাগান।
যা যা লাগবে – ১টি শশা,
হাফ চা চামচ লেবুর রস,
ডিমের সাদা অংশ ফেটিয়ে ফোম করে নেয়া।
প্রণালীঃ শশার খোসা তুলে ফেলুন। তারপর শশাটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর শশার রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে ডিমের ফোমটা আলতো হাতে শশার প্যাকের সাথে মেশান। তারপর মুখে গলায় লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। হয়ে গেল স্বল্প খরচে আপনার কিউকাম্বার ফেসিয়াল। মাসে ২ বার এটা করতে হবে অনুজ্জ্বল, রোদে পোড়া ভাব কমানোর জন্য। তবে যাদের ব্রণ আছে তারা এই ফেসিয়ালে তেমন কোন উপকার পাবেন না।
সর্বোপরি রুটিন মাফিক জীবন যাপন আর পুষ্টিকর খাবার সাস্থ্যজ্জ্বল ত্বকের গোপন রহস্য। ধুমপান, অ্যালকোহল ত্যাগ করুন দেখবেন এমনিতেই আপনার চেহারা ঝলমল করছে। তবে, এটা সত্যি যে একটি বয়সের পর ত্বক তার মাধুর্য হারিয়ে রুক্ষ শুষ্ক মলিন হয়ে ওঠে তাই এর নিয়মিত যত্ন দরকার।

বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০

ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর যেভাবে করবেন

ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর কি ও কিভাবে করবেন?
প্রথমে রিমুভার দিয়ে নখের পুরোনো নেইল পলিশ তুলে ফেলুন। এবার কিউটিক্যাল অয়েল লাগিয়ে নিন নখের চামড়া বা কিউটিক্যালের উপর। কিছুক্ষণ এভাবে রেখে দিন, যাতে চামড়া কিছুটা নরম হয়। এবার হালকা হাতে নখের ওপর তেলটা একটু ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। তারপর একটি কিউটিক্যাল পুশার দিয়ে আস্তে আস্তে কিউটিক্যাল পিছনের দিকে পুশ করুন। কিউটিক্যাল পুশারের অপর প্রান্ত দিয়ে নখে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন।

এবার নেইল কাটার এবং ফাইলার দিয়ে নখকে দিন আপনার পছন্দ অনুযায়ী আকার।
এবার চলে আসি মূল প্রসঙ্গে।
প্রথমেই আপনার কয়েক ধরনের নেইলপলিশ দরকার। কয়েক ধরনের বলতে তিন রঙের ওয়াটার কালার, পিঙ্ক বা বেইজ এবং ঝকঝকে উজ্জ্বল সাদা রঙ। এক নজরে দেখে নিন সেই রঙ গুলো।

স্বচ্ছ নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন প্রথমে নখে। তাতে নখ ভালো থাকবে এবং যেকোনো রঙের নেইল পলিশ ব্যবহার করা হলে কেমিক্যাল থেকে সৃষ্ট হলুদ ছাপ নখে পড়া থেকে বিরত রাখবে। ক্লিয়ার কালারের নেইল পলিশটি শুকিয়ে গেলে এর উপর হালকা গোলাপি বা বেইজ রঙের নেইলপলিশ লাগিয়ে নিন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর আরেক কোট নেইলপলিশ লাগান।

এরপর নেইল পলিশ শুকিয়ে যাওয়ার পর নখের সামনের দিকে অর্থাৎ আপনার নখের ওপর যেটুকু অংশ আপনি সাদা রাখতে চান,সেটি বাদে বাকি অংশে নেইল গাইড লাগিয়ে নিন ঠিক ছবিটির মত করে। এবার বাড়তি নখের উপর উজ্জ্বল সাদা রঙের নেইল পলিশ লাগিয়ে দিন। যেকোনো দোকানে আপনি এই স্টিকারগুলো কিনতে পারেন। এ ছাড়া স্টিকার ব্যবহার না করে সাবধানেও নেইল পলিশ দিয়ে নখের ওপরের অংশটি সাদা করে নিতে পারেন।

কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন এবার নেইল গাইডটি তুলে ফেলুন। ভালো করে নেইলপলিশ শুকালে এবার পুরো নখে স্বচ্ছ কালারের নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন। এভাবেই হয়ে গেল আপনার ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর।
ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের পরিচ্ছন্নতা, হালকা ভাব এবং একই সঙ্গে ফ্যাশনেবল ভাবের জন্য খুবই জনপ্রিয়। তবে বর্তমানে ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের ধরনেও এসেছে বৈচিত্র্য। আজকাল ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের সাদা রঙের বদলেও এসেছে বিভিন্ন রঙের ব্যবহার। লাল, কালো বা ছাই রং অথবা আপনার পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করতে পারেন যেকোনো রং।  ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর অনেক দিন ধরে রাখতে কয়েক দিন পর পর ওপরের নেইল পলিশের কোটটি লাগিয়ে নিন।

শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

জেনে নিন পার্ল ফেসিয়াল করার নিয়ম

পার্ল ফেসিয়াল বর্তমানে বহুল আলোচিত। সব মেয়ের মুখেই শোনা যায় এই পার্ল ফেসিয়ালের কথা। এই ফেসিয়াল এখন গোল্ড ফেসিয়াল বা ফ্রুট ফেসিয়ালের মতই জনপ্রিয়। পার্ল ফেসিয়াল করতে হলে সব সময় যে পার্লারে যেতে হবে তা নয়। ঘরে বসেই আপনি করতে পারেন এই পার্ল ফেসিয়াল আর আনতে পারেন আপনার চেহারায় এক অপরূপ লাবণ্য।

তাহলে জেনে নিন আমাদের দেওয়া পার্ল ফেসিয়াল করার নিয়ম…

পার্ল ফেসিয়ালের কিছু উপকারীতা

• এটি ত্বক করে তোলে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত
• বয়সের ছাপ দূর করে
• ত্বক করে তোলে কোমল ও স্নিগ্ধ

পার্ল ফেসিয়ালের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ :

• পার্ল ক্রিম
• পার্ল পাউডার
• ফ্রেশ ক্রিম
• ক্লিঞ্জার
• দুধ
• পানি / গোলাপজল
• তেল ( শুষ্ক ত্বকের জন্য অলিভওয়েল ভালো )
• মধু
• ডিম
• লেবুররস
• টোনার

পদ্ধতি :

• পার্ল ফেসিয়াল করতে হলে প্রথমেই আপনাকে যেটা করতে হবে তাহল খুব ভালো ও উন্নতমানের পার্ল পাউডার ও পার্ল ক্রিম কেনা। এই দুটি প্রসাধনী আপনি মার্কেট থেকে কিনে নেবেন।

• এখন আপনার মুখমণ্ডল ক্লিঞ্জার দ্বারা ভালো মত পরিষ্কার করুন। আপনি একটি তুলা দুধের মধ্যে ডুবিয়ে তা দিয়ে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করতে পারেন। বেসন ও দুধের মিশ্রণ-ও একটি ভালো ক্লিঞ্জার হিসেবে কাজ করে।

• এবার পার্ল পাউডারের একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এর জন্য পার্ল পাউডার পানি অথবা গোলাপজলের সাথে মিশিয়ে নিন। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয় তবে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মেশান।

• এবার পেস্টটি আপনার মুখমণ্ডলে ৫ মিনিটের মত ম্যাসাজ করুন এবং আরো ৫ মিনিট মুখে রাখুন। এবার পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

• এবার মুখ মুছে পার্ল ক্রিম লাগান। আলতো ভাবে লাগাবেন। খুব বেশি জোরে ঘষবেন না। এতে মুখ লাল হয়ে যেতে পারে। ক্রিম দিয়ে মুখ প্রায় ৫ মিনিট আলতো ভাবে ম্যাসাজ করুন।

• এপর্যায়ে মাস্ক প্রস্তুত করুন। যদি আপনি বয়সের ছাপ থেকে মুক্তি পেতে চান তবে ডিম ও মধু মেশান এবং তার সাথে লেবুর রস ও এক চামচ পার্ল পাউডার মেশান। এই মাস্ক টি ধীরে ধীরে মুখে লাগান। দাগ থেতে মুক্তি পেতে চাইলে ফ্রেশ ক্রিমের সাথে ১ চামচ পার্ল পাউডার মেশান। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ফ্রেশ ক্রিম প্রস্তুত করা কোন কঠিন কাজ নয়। ফ্রেশ ক্রিম পেতে হলে দুধ জ্বাল দিন ঘনকরে এবং তার থেকে সর নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এভাবে প্রায় ১ দিন ফ্রিজে রাখলে আপনি ফ্রেশক্রিম পাবেন। তবে সর অল্প পরিমাণ হলে ১ দিন রাখার দরকার নেই। কয়েক ঘণ্টাতেই হয়ে যাবে। সবশেষে টোনার লাগিয়ে নিতে ভুলবেননা। জেনে নিলেন কিভাবে পার্ল ফেসিয়াল করতে হয়। তবে আর দেরী কেন? এখন-ই করুন ঘরে বসে পার্ল ফেসিয়াল আর আপনার ত্বকে নিয়ে আনুন মাধুর্য।

বি: দ্র: যাদের সেনসিটিভ ত্বক তাদের জন্য এই ফেসিয়াল উপযোগী নয়।

বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০

ঘরে বসে হারবাল ফেসিয়াল

 

ঘরে বসে হারবাল ফেসিয়াল

যা যা লাগবেঃ
১. হারবাল ক্লিনজিং মিল্ক,
২.ফেসিয়াল স্ক্রাব,
৩.টোনার,
৪.ময়েশ্চারাইজার,
৫.আপনার ত্বকের ধরণ অনুযায়ী প্যাক তৈরির উপাদান,

ফেসিয়াল করতে হয় কয়েকটি (৬টি) ধাপেঃ

১ম ধাপঃ
ফেসিয়াল করার শুরুতে মুখটা পরিষ্কার করে নিন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একটা ভেজা নরম তোয়ালে রুমাল দিয়ে মুখটা মুছে ফেলুন। এরপর যে কোনও হারবাল ক্লিনজিং মিল্ক পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে মুখটা ৫/৬ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করার নিয়ম হচ্ছে উভয় হাতের চার আঙুলের সাহায্যে নিচ থেকে উপরের দিকে। কপাল, থুতনি ও ঠোঁটের উপরে করতে হয় দুই আঙুলের সাহায্যে। এরপর ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুখটা মুছে নিন।

২য় ধাপঃ
গরম পানি দিয়ে মুখ ভিজিয়ে নিন। এরপর সমস্ত মুখে ফেসিয়াল স্ক্রাব ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বকের মরা কোষ ঝরে যাবে এবং ত্বক মসৃণ ও নরম হবে।

৩য় ধাপঃ
একটি গামলায় ফুটন্ত পানি নিন। মাথায় তোয়ালে পেঁচিয়ে গামলা থেকে উড়ে আসা পানির বাষ্প মুখে লাগতে দিন। এভাবেপাঁচ মিনিট থাকতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ত্বক যদি সেনসেটিভ হয়, ত্বকে ব্রণ বা অন্য কোনো দাগ থাকে তবে এই ধাপটি বাদ দিন।

৪র্থ ধাপঃ
এরপর মুখটা মুছে নিয়ে লাগান আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্যাক:

• তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ব্যবহার করতে পারেন চন্দনের প্যাক। তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে আধা চামচ লেবুর রস, পাকা পেঁপে এবং ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করুন।
• শুষ্ক ত্বকের জন্য আধা কাপ কলা ও মধু মিশিয়ে ব্যবহার করুনএতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে
• মিশ্র ত্বক গোলাপ ফুলের পাপড়ির পেস্ট, গোলাপজল, টক দই ও মধু দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। প্যাক শুকিয়ে গেলে মুখ ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
• ত্বকে রোদে পোড়া দাগ হলে পাকা টমেটোর রস লাগান। পাকা টমেটো প্রাকৃতিক বিচের কাজ করে।

৫ম ধাপ: টোনারঃ
এক টুকরো তুলোয় টোনার নিয়ে সারামুখে ও ঘাড়ে লাগান। বাজারে কেনা টোনার না থাকলে শসার রস বা আলুর রস টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। তবে চোখের চারপাশে টোনার লাগাবেন না।

৬ষ্ট ধাপঃ
সব শেষে মুখে লাগান ময়েশ্চারাইজার। মুখটা একটু ভেজা থাকতেই দু’হাতে ময়েশ্চারাইজার লোশন নিয়ে আলতো হাতে লাগান। মুখের যেসব জায়গা বেশি শুষ্ক সে জায়গাগুলোতে দু’বার করে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এতে দীর্ঘ সময় ত্বক আর্দ্র থাকবে।

বাড়িতে বসে ফেসিয়াল করতে কেমিক্যাল জাতীয় তেমন কিছু ব্যবহার করা হয় না বলে এটা ঘন ঘন করলেও তেমন কোনও সমস্যা নেই।

 

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০

ত্বক উজ্জ্বল করতে তিনটি ফলের ফেসিয়াল


ফল শুধু স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়, এটি ত্বককেও সুস্থ রাখে। ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আর এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। তাই ত্বক উজ্জ্বল করতে চাইলে তিনটি ফল দিয়ে নিয়মিত ফেসিয়াল করুন, যা আপনার ত্বকের কালচে ভাব দূর করে ত্বককে করবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।

ত্বক উজ্জ্বল করতে তিনটি ফল দিয়ে কীভাবে ফেসিয়াল করবেন, সে সম্বন্ধে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগে।
স্ট্রবেরি ফেসিয়াল:
আধা কাপ স্ট্রবেরি বাটার সঙ্গে এক চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে মুখে হালকা ম্যাসাজ করুন। এবার এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে স্যালিসিলিক এসিড রয়েছে, যা ত্বকের সংক্রমণ জাতীয় সমস্যার সমাধান করে, ত্বকের মরা কোষ দূর করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করে।

অ্যাভোকাডো ফেসিয়াল:
অ্যাভোকাডো চটকে নিয়ে এর সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে মুখে হালকা ম্যাসাজ করুন। এবার এই প্যাক লাগিয়ে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, ডি, ই ও পটাশিয়াম রয়েছে, যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বককে টানটান ও উজ্জ্বল করে।

কলার ফেসিয়াল:
কলা চটকে নিয়ে এর সঙ্গে দুই টেবিল চামচ মধু ও দুই টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। এবার এই প্যাক লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কলার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল করে।

বুধবার, ৩ জুন, ২০২০

ফেসপ্যাক লাগানোর আগে করণীয় কাজ

১। গোসলের আগে ফেসপ্যাক ব্যবহার
বেশিরভাগ সময় আমরা ফেসপ্যাক গোসলের আগে ব্যবহার করে থাকি। এতে ফেসপ্যাকের কার্যকারিতা কিছুটা কমে যায়। ফেসপ্যাক গোসলের পর লাগালে ভাল ফল পাওয়া সম্ভব। প্রথমে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখটি ধুয়ে ফেলুন। এতে করে ত্বকের ছিদ্রগুলো খুলে যাবে আর ফেসপ্যাকটি ত্বকের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে। এছাড়া একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে মুখের উপর দিয়ে দিন। এভাবে কয়েক বার করে ৫ মিনিট করুন। এটিও আপনার ত্বকের ছিদ্রগুলো খুলে ফেলে। লক্ষ্য রাখবেন তোয়ালে যেন বেশি গরম না হয়ে যায়।

২। ম্যাসাজ করে ফেসপ্যাক লাগান
ত্বকেও ফেসপ্যাক ম্যাসাজ করে লাগান। আঙুল দিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করে ফেসপ্যাক লাগান। এতে করে ফেসপ্যাকটি ত্বকের ভিতরে ভালভাবে প্রবেশ করবে। ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে তারপর শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন।

৩। ফেসপ্যাক মুখে খুব বেশি শুকাতে দিবেন না
এই কাজটি কম বেশি সবাই করে থাকেন। ফেসপ্যাক খুব শুকানোর না পর্যন্ত পরিষ্কার করেন না। কিন্তু এই কাজটি করা যাবে না। খুব বেশি শুকিয়ে গেলে ফেসপ্যাক আপনার ত্বককে রুক্ষ করে তুলবে। আর এর জন্য ত্বকে বলিরেখাও দেখা দিতে পারে। ফেসপ্যাক খুব বেশি শুকানোর আগে ধুয়ে ফেলুন।

৪। টোনার ব্যবহার করুন
ফেসপ্যাক ধুয়ে ফেলার পর টোনার ব্যবহার করুন। টোনার হিসেবে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বক উজ্জ্বল করার পাশাপাশি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করবে। এছাড়া গ্রিণ টি, মধু, গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন।

টিপস:
১। চেষ্টা করবেন সাথে সাথে ফেসপ্যাক তৈরি করে নিতে। বাসি ফেসপ্যাক ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
২। তরল ফেসপ্যাক ব্রাশ দিয়ে লাগান।
৩। হাত দিয়ে ফেসপ্যাক লাগানোর ক্ষেত্রে হাত ভালো করে পরিস্কার করে নিবেন। অনেক সময় হাতের ময়লা ত্বকে প্রবেশ করে ফেসপ্যাকের মাধ্যমে।
৪। সরাসরি পানি দিয়ে মুখ না ধুয়ে একটি তুলা বা তোয়েলা পানিতে ভিজিয়ে ত্বক থেকে ফেসপ্যাক তুলুন। এতে সময় কিছুটা বেশি লাগলেও ত্বকের জন্য অনেক উপকারী হবে।
৫। ফেসপ্যাক ভাল হয় রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করলে। এতে ত্বক সারারাত বিশ্রামে থাকে এবং ফেসপ্যাক বেশি কার্যকর হয়।

মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০

ঘরে বসেই করুন ফ্রুট ফেসিয়াল

উপকরণঃ 
লেবু, অল্প পরিমাণ কাঁচা দুধ, লবণ, তুলা, কুসুম গরম পানি, ফ্রুট স্ক্রাব, কলা, স্ট্রবেরি, পেঁপে, মধু, শশা, গোলাপজল ও নারিকেলের পানি।
পদ্ধতিঃ 
-প্রথমে অল্প পরিমাণ কাঁচা দুধের সাথে লেবুর রস এবং এক চিমটি লবণ মিশান। এবার একটি তুলা নিন এবং তুলাটি দিয়ে আপনি ধীরে ধীরে আপনার মুখ আলতোভাবে ঘষতে থাকুন। কয়েক মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এবার স্ক্রাব দিয়ে মুখ ভালো করে স্ক্রাবিং করুন।
-স্ক্রাবিং করা হংেয় গেলে কলা, স্ট্রবেরি আর পেঁপে ছোট ছোট করে কেটে তাতে এক চামচ দুধ এবং কিছু মধু মেশান। ত্বক তৈলাক্ত হলে দুধ ব্যবহার না করে লেবুর রস ব্যবহার করুন। এবার মিশ্রণটি লাগিয়ে লেবু অথবা শশা গোল করে কেটে চোখের উপর দিয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। এরপর সামান্য ম্যাসাজ করে একটি তোয়ালে দিয়ে হালকা করে মুছে ফেলুন।
-ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ফেসপ্যাক প্রস্তুত করুন। ত্বক রোদে পুড়ে তামাটে হয়ে গেলে শশার অথবা লেবুর রস মুখে লাগাতে পারেন। উজ্জ্বল ত্বক চাইলে দুধের সাথে কমলার রস এবং কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে লাগাতে পারেন। আর যদি আপনি ব্রণ থেকে মুক্তি ও তেল দূর করতে চান সেক্ষেত্রে শশার টুকরো এবং গোলাপজলের সাথে মুলতানি মাটি মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
-মুখ ধুয়ে সবশেষে টোনার লাগিয়ে নিন। এক্ষেত্রে শশার রস, লেবুর রস, ও নারিকেল পানি দিয়ে নিজেই ঘরে টোনার লাগিয়ে নিতে পারেন।