অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়





চোখের নিচের এই কালো দাগ থেকে রেহাই পেতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। বিশেষ করে ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।বি-৬ সমৃদ্ধ খাবারের অভবে চোখের নিচের এই কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল তৈরি হয়।
ঘরোয়া মিশ্রণের প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহার ঠাণ্ডা টি ব্যাগ ঠাণ্ডা টি ব্যাগ চোখের উপর রাখলে ডার্ক সার্কলের স'মস্যায় ভালো ফল পাবেন। রাতে শোবার আগে অন্তত মিনিট পনেরো নিয়মিত রাখতে হবে।
শসার রস ২টি কটন বল শসার রসে ডুবিয়ে চোখের উপর অন্তত ১৫ মিনিট রাখুন। এভাবে নিয়মিত শসার রস চোখের উপর লাগাতে পারলে দ্রুত উপকার পাবেন।
আলু আলু খোসাসহ বেটে বা পেস্টের মতো করে চোখের উপরে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। দ্রুত উপকার পাবেন। কাজু বাদাম কাজু বাদাম বেটে দুধের সঙ্গে গুলিয়ে, পেস্টের মতো তৈরি করে চোখের চারপাশে লাগাতে পারেন। এতেও উপকার মিলবে।এছাড়া চোখের চারপাশে বাদাম তেল দিয়ে মালিশ করলেও দ্রুত উপকার পাবেন।

টমেটো

এক চা চামচ টমেটোর রসের সঙ্গে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট প'র পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার অন্তত এই প্যাক লাগাতে হবে।

দুধ

ঠাণ্ডা দুধে একটি কটন বল ভিজিয়ে চোখে লাগান। দশ মিনিট প'র পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চোখের ফোলাভাব কমে যাবে এবং কালো দাগ দূর হবে।

কমলা

কমলার রসের সঙ্গে দুই ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। এটা কালো দাগ দূর করার পাশাপাশি আরও উজ্জ্বল করে তোলে।

বাদাম তেল

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আ'গে চোখের চারপাশে বাদাম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে চোখের কালো দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি চোখের চামড়া টানটান হবে।

শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

ঘরোয়া লিপ বাম তৈরি

 



আপনি যদি কেমিক্যাল-মুক্ত এবং প্রাকৃতিক লিপ কেয়ার পছন্দ করেন, তবে এই ঘরোয়া লিপ বাম আপনার জন্য একদম পারফেক্ট। কোকো বাটার, নারিকেল তেল এবং হালকা রঙিন মোম দিয়ে তৈরি এই লিপ বাম ঠোঁটকে নরম, মসৃণ এবং হাইড্রেটেড রাখে। 

উপকরণ:

  • কোকো বাটার – ১ টেবিল চামচ

  • নারিকেল তেল – ১ টেবিল চামচ

  • হালকা রঙিন বিটরুট পাউডার বা লিপ-ফ্রেন্ডলি মোম – ১ চা চামচ

  • (ঐচ্ছিক) ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট বা ইসেন্স – ২-৩ ফোঁটা

 প্রণালী:

  1. একটি ছোট পাত্রে কোকো বাটার, নারিকেল তেল ও মোম একসাথে ডাবল বয়ারের পদ্ধতিতে গলান।

  2. সব উপকরণ ভালোভাবে মিশে গেলে, যদি চাইলে হালকা রঙের বিটরুট পাউডার বা লিপ-ফ্রেন্ডলি রঙ যোগ করুন।

  3. একসাথে ২–৩ মিনিট নেড়ে সমান মিশ্রণ তৈরি করুন।

  4. মিশ্রণটি কাচের ছোট জারে ঢেলে ঠাণ্ডা হতে দিন।

  5. ঠাণ্ডা হলে জার ঢেকে রাখুন। এখন আপনার প্রাকৃতিক লিপ বাম প্রস্তুত।

 ব্যবহার টিপস:

  • প্রতিদিন সকালে ও রাতে প্রয়োগ করলে ঠোঁট নরম ও হাইড্রেটেড থাকে।

জারটি যেকোনো ব্যাগে বা পকেটে সহজে বহন করা যায়।

মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

ত্বকের কালো দাগ দূর করতে করণীয়

 

যা যা লাগবে

  • দুটি গ্রিন টি ব্যাগ
  • দুই টেবিল চামচ চিনি
  • এক টেবিল চামচ ময়দা

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে গরম পানির মধ্যে গ্রিন টি ব্যাগ দুটি ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এবার পানি থেকে তুলে টি ব্যাগ দুটি কেটে এর পাতা বের করে নিন। কিছুক্ষণ ঠান্ডা করুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে এর সঙ্গে চিনি ও ময়দা ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

প্যাকটি পুরো মুখে লাগিয়ে হালকাভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

পরামর্শ

১. প্যাক দিয়ে স্ক্রাবিং করার সময় বেশি জোরে ঘষবেন না।
২. সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই প্যাক দিয়ে স্ক্রাবিং করুন।
৩. স্ক্রাবিং করার পর অবশ্যই মুখে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

রূপচর্চায় বেসন এর ব্যবহার

 

- মুখের কালচে ভাব দূর করতে ৪ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ টক দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে এবং ঘাড়ে লাগিয়ে শুকান পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক কে নরম এবং উজ্জ্বল করে। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে ৪-৫ বার ব্যবহার করুন।

- ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে লেবু এবং বেসনের ফেইস প্যাক খুব কার্যকর। ৪ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ লেবুর রস এবং এক চামচ কাঁচা দুধ ভালো মতো মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে সারকুলার মোশনে স্ক্রাবের মতো মাখুন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

- যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা ৩ চা চামচ বেসন এর সাথে ২ চা চামচ কাঁচা দুধ অথবা ২ চা চামচ টক দই মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমানোর সাথে সাথে ত্বকের ময়লা দূর করে।

- ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন এন্টি পিম্পল বেসন মাস্ক। ২ চা চামচ বেসন, ২ চা চামচ স্যানডালউড পাউডার, এক চা চামচ দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে শুকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

- ঘাড় এবং আন্ডারআর্মের কালো দাগ নিয়ে বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয় অনেককেই। এসব জায়গার কালো দাগ দূর করতে বেসনের একটি প্যাক খুব কার্যকর। বেসন, টক দই এবং কাঁচা হলুদ পরিমাণ মতো নিয়ে ঘাড়ে এবং আন্ডারআর্মের কালো জায়গায় লাগান। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এরপর মুছে সেখানে তিলের তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ বার ব্যবহার করুন।

- মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে অনেক আগে থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে বেসন। মেথি গুঁড়ো এবং বেসনের সাথে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখের যেসব জায়গায় লোম রয়েছে সেখানে এই মিশ্রণটি লাগান। শুকালে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য প্রতিদিন এই ফেইস প্যাকটি ব্যবহার করুন।

- ব্রণের কালো দাগ দূর করতে বেসনের সাথে শশা এবং লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ হালকা হয়ে যাবে।

- চেহারায় মুহূর্তের মধ্যে উজ্জ্বলতা আনতে ২ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ শুকনো কমলার খোসার গুঁড়ো এবং আধা চা চামচ দুধ মিশিয়ে মুখে এবং ঘাড়ে লাগান। লাগানোর সময় মুখে হালকা ভাবে সারকুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বককে উজ্জ্বল এবং মসৃণ করে।

বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫

গরমে ছেলেদের ঘামের গন্ধ দূর করার উপায়


 

গরমে ঘামের গন্ধ দূর করার জন্য নিয়মিত গোসল করা, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা, এবং ঘামাচি ও শরীরের ভাঁজগুলোতে ভালোভাবে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এছাড়াও, সুতির হালকা পোশাক পরা, ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহার করা এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে সহায়ক।
  • নিয়মিত গোসল:

    দিনে অন্তত দুইবার গোসল করা উচিত, বিশেষ করে গরমকালে। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করে শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করলে ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমানো যায

ভালোভাবে শরীর পরিষ্কার করা:

শরীরের যে অংশগুলোতে বেশি ঘাম হয়, যেমন বগল, কুঁচকি ইত্যাদি ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত।
  • সুতির পোশাক পরা:

    গরমে সুতির মতো হালকা ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পোশাক পরা উচিত। সিনথেটিক বা ভারী কাপড় ঘাম শোষণ করতে পারে না, যার ফলে দুর্গন্ধ হতে পারে। 
  • ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহার:

    ডিওডোরেন্ট ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমায় এবং অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ঘামের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। 
  • পর্যাপ্ত জল পান করা:

    শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করলে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং দুর্গন্ধ কম হয়। 
  • বেকিং সোডা ও লেবুর রস ব্যবহার:

    বেকিং সোডা ঘাম শোষণ করে এবং লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে, যা ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে সহায়ক। 
  • বেকিং সোডা ও লেবুর রস ব্যবহার:

    বেকিং সোডা ঘাম শোষণ করে এবং লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে, যা ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে সহায়ক। 
  • মানসিক চাপ কমানো:

    মানসিক চাপ ঘাম বাড়াতে পারে, তাই ধ্যান বা যোগব্যায়ামের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা উচিত। 
  • জুতা ও মোজা পরিষ্কার রাখা:

    প্রতিদিন পরিষ্কার মোজা পরা উচিত এবং জুতাও নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। 
এই উপায়গুলো অনুসরণ করলে গরমে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

ঈদের পর মুখের বিশেষ যত্ন





মুখের যত্নে ক্লিনজিং ফেশিয়াল ভালো হবে। এতে ত্বক পরিষ্কার হবে এবং ব্রণ কম উঠবে। বাসায় বাড়তি যত্নের জন্য ব্যবহার করতে হবে প্যাক। রোদে পুড়ে যাওয়া ভাব দূর করতে শসার রস ফ্রিজে রেখে সেটা তুলা দিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ঠিক একইভাবে লাগাতে পারেন আলুর রসও। এতে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হয়।
বেসনের সঙ্গে দুই চামচ টকদই ও গোলাপ পানি দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ত্বক সতেজ এবং উজ্জ্বল হয়। মসুর ডাল পেস্ট করে তার সঙ্গে কাঁচা হলুদ বেটে মুখে লাগান। কিছুক্ষণ রাখার পর দুই হাত দিয়ে আলতো করে ঘষে নিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ময়লা পরিষ্কার হয় এবং ত্বকের কোষগুলোর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়।
রুটিনের বাইরে চলার কারণে স্পর্শকাতর ত্বক যাদের, তাদের ব্রণের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। এটি নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে রাতে ঘুমানোর আগে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর একটু পানিসহ মুখে দুই হাতের তালুতে গ্লিসারিন নিয়ে হালকা করে লাগান। সকালে উঠে দেখবেন ত্বক অনেক নরম হয়ে আছে। এতে নতুন করে আর ব্রণ উঠবে না।
মুখের যত্ন তো থাকবেই, সেই সঙ্গে নিন হাত-পায়ের যত্ন। নিয়মিত ম্যানিকিওর-পেডিকিওরের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন রাখুন হাত-পা। আর ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে কাঁচা দুধ ও মধু মেখে ৫ মিনিট পর গোসল করে ফেলুন। এতে রোদে পোড়া ভাব দূর হবে।

শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

ঘরোয়া উপায়ে চুল কালো করার ৫ টি উপায়



hair

উপকরণ:

৫-৬ টা আলু ছাড়িয়ে তার খোসা
২ কাপ জল

পদ্ধতি:

জলের মধ্যে আলুর খোসা ফেলে ফুটতে দিন
মিনিট পাঁচেক পরে বন্ধ করে জলটা ছেঁকে নিন
ঠাণ্ডা হতে দিন
শ্যাম্পু করার পরে ওই জলটা দিয়ে চুল ধুয়ে নিন
এরপর আর তক্ষুনি চুলে জল দেবেন না
সপ্তাহে ১-২ বার করুন

উপকরণ:

১ টে চা পাতিলেবুর রস
২ টে চা নারকেল তেল

পদ্ধতি:

উপকরণগুলি ভালো করে মিলিয়ে নিন
চুল ও স্ক্যাল্পে ভালো করে ম্যাসাজ করুন
আধঘণ্টা পরে শ্যাম্পু করে নিন
সপ্তাহে ২-৩ বার করুন

উপকরণ:

৩ চা চামচ আমলা পাউডার
২ চা চামচ কফি পাউডার
১-১.৫ কাপ হেনা পাউডার
অলিভ অয়েল ২ চা চামচ

পদ্ধতি:

সব উপকরণগুলি একটি কাঁচের বাটিতে ভালো করে মেলান
প্রয়োজনে ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে মসৃণ পেস্ট বানিয়ে নিন
পুরো চুলে ভালো করে লাগান
এক ঘণ্টা পরে মাইলড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন
মাসে ১ বার যথেষ্ট

উপকরণ:

এক কাপ নারকেল তেল
আধা কাপ মেথি দানা

পদ্ধতি:

একটি পাত্রে নারকেল তেল ফুটতে দিন
তেল ফুটে এলে মেথি দানা দিয়ে দিন এবং ৮-৯ মিনিট ফোটান
তেল ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন
রাতে পুরো চুল ও স্ক্যাল্পে ভালো করে ম্যাসাজ করুন
সকালে শ্যাম্পু করুন
সপ্তাহে ৩ বার করুন

শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫

ত্বক ঠিক রাখার জন্য পানি খাওয়ার উপকারিতা অনেক








প্রচুর জল খান 

জল খাওয়া শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, ত্বকের জন্যও খুব ভালো । উজ্জ্বল ত্বকের সেরা রহস্য হল দিনে 4 লিটার জল নিয়ম করে খাওয়া। এতে আপনার শরীর ডিটক্স হবে, শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসবে। আর এতে ত্বক স্বাভাবিকভাবেই উজ্জ্বল হবে।

মুলতানি মাটি দিয়ে ফেস প্যাক 
মুলতানি মাটি ত্বকের জন্য খুবই উপকারী । সৌন্দর্যের জন্য এর ব্যবহার হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসছে এবং এর থেকে অনেক চমৎকার ফলাফল দেখা গেছে। আপনি মুলতানি মাটির একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এই প্যাকটি তৈরি করতে আধা চা চামচ মুলতানি মাটিতে এক চা চামচ চন্দন গুঁড়ো, 1/4 চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এক চা চামচ গোলাপ জল বা দুধ মেশান। এটি মুখে লাগান, এটি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রেখে দিন এবং তারপরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম
বিউটি স্লিপ কথাটির সঙ্গে তো আপনি নিশ্চয়ই পরিচিত। এটা কোনও মিথ্যে প্রবাদ নয়। ঘুম আপনার শরীর এবং সৌন্দর্য উভয়ের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং ত্বক ভালো রাখে আপনার। ঘুমের সময় নিয়ে কাটাছেঁড়া করবেন না। যদি ঘুম কম করেন তাহলে আপনার চেহারা নিস্তেজ হয়ে পড়তে পারে। এছাড়া অকাল বার্ধক্য এবং প্রাণহীন দেখাতে পারে। আপনি যদি আপনার ডার্ক সার্কেল, বলিরেখা এবং ফাইন লাইনস মসৃণ করতে চান তবে আপনাকে ঘুমের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতেই হবে।

ভিটামিন সি রয়েছে এমন ফল খান 
ভিটামিন শরীরে কতটা প্রয়োজনীয়, সেই বিষয়ে কত কয়েক বছরে সচেতন হয়েছে মানুষ। তবে কমলালেবু খেতে কিন্তু কেউ কোনওদিনই ভোলেনি। আর কিছু থাক না থাক। ডায়েট চার্টে একটা কমলালেবু অবশ্যই তাকে। এটি একটি বিউটি ফল হিসেবেও পরিচিত, যা আপনি ডায়েট থেকে শুরু করে ঘরে তৈরি ফেসপ্যাকেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন । কমলা ছাড়াও আপনার ডায়েটে লেবু এবং পেঁপেও রাখতে পারেন।

বেসনের উবটান
ত্বক যদি আপনি পরিষ্কার পেতে চান, তাহলে অবশ্যই মরা চামড়াকে আপনার ভালোভাবে ত্বক থেকে বিদায় জানাতে হবে। আপনি যদি একটু চর্চা করেন এসব বিষয় নিয়ে তাহলে এই বিষয়টি আপনি বুঝতে পারবেন। আগেকার দিনে এই সমস্ত ফেসিয়াল, ক্লিন আপ কোথায় ছিল? তাই বলে কি মানুষের ত্বক পরিষ্কার থাকত না? ছোট ছোট ঘরোয়া টোটকাই ছিল সুন্দর ত্বকের রহস্য। এরমধ্যে অবশ্যই রয়েছে বেসন।

নিয়মিতভাবে ব্যায়াম করুন
নিয়মিত ব্যায়াম করলে ত্বকের কোষে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৃদ্ধি পায়। যার কারণে ত্বকে ভালো গ্লো আসে এবং আপনার স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।

নারকেল তেলের ব্যবহার
বর্তমান সময়ে অনেক ধরনের বাটার অয়েল, ইন্সট্যান্ট অয়েল এবং এসেন্সিয়াল অয়েল এসেছে। এখন এই সমস্ত তেলের ব্যবহার বাড়লেও একসময় তো মানুষের সঙ্গে এসবের পরিচয়ই ছিল না। আর তখন সবক্ষেত্রেই ব্যবহার হত একটি তেলেরই। সেটি হল নারকেল তেল। আগেকার দিনের মানুষ নারকেল তেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করতেন। আজও বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন নারকেল তেলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

চন্দনের ফেসপ্যাক 

আগেকার দিনে মানুষ তাদের সৌন্দর্য বাড়াতে চন্দনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করতেন। চন্দনের ব্যবহার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এটির ব্যবহারে ব্রণ ও কালো দাগও সেরে যায়। সপ্তাহে একবার এই ফেসপ্যাকটি অবশ্যই ব্যবহার করবেন।

হলুদের ব্যবহার
আগেকার দিনে ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে এবং উজ্জ্বল মুখের সৌন্দর্যের জন্য হলুদ বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা হত । স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য নানাভাবে উপকারী হলুদ। ফেসপ্যাক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন এবং ফুটিয়ে নিতে পারেন।

গোলাপ জল 
গোলাপ জল একটি ন্যাচারাল স্কিন টোনার এবং ত্বক টাইট করতে এটি কাজ করে। টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন এটি। ফেসপ্যাকের সাথেও ব্যবহার করা যেতে পারে

শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৪

জাফরানের ফেসপ্যাক ব্যবহার করবেন কেন?


ভিটামিন এ, বি, সি, জিঙ্ক, পটাসিয়াম ও সোডিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া যায় জাফরান থেকে। খাবারে চমৎকার ফ্লেভার যোগ করা জাফরান ত্বকের যত্নেও তাই অনন্য। প্রাচীনকাল থেকে রূপচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে জাফরান। জাফরানের ফেসপ্যাক নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের বিবর্ণ ভাব দূর হয়ে আসে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা। ত্বকের কালচে দাগ ও রোদে পোড়া দাগও দূর করতে পারে এটি। জেনে নিন জাফরানের কয়েকটি ফেসপ্যাক সম্পর্কে।

চন্দন, দুধ ও জাফরান
আধা কাপ ঘন দুধের মধ্যে দুই চিমটি জাফরান ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। এবার ১ টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে নিন জাফরানমিশ্রিত দুধে। পেস্ট তৈরি হলে মুখ ও গলার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার এটি ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল হবে।

জাফরান, লেবু ও দুধ
৫ টেবিল চামচ কুসুম গরম দুধের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। দুধ ফেটে গেলে এক চিমটি জাফরান মিশিয়ে নেড়ে নিন। ফেসপ্যাকটি গরম থাকতে থাকতে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করলে ত্বকের রোদে পড়া ভাব কমে যাবে।

গোলাপজল ও জাফরান
প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন গোলাপজল ও জাফরানের মিশ্রণ। টোনার ত্বকের মরা চামড়া ও অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করতে পারে। ২ টেবিল চামচ গোলাপজলে দুই চিমটি জাফরান ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। তুলা ডুবিয়ে চেপে চেপে মুছে নিন ত্বক। চাইলে এই টোনার ফ্রিজে রেখেও ব্যবহার করতে পারবেন।

জাফরান ও পুদিনা পাতা
ব্রণ দূর করতে এই ফেসপ্যাকের জুড়ি নেই। ১ টেবিল চামচ গোলাপজলে আধা চা চামচের কম জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। মুঠোভর্তি পুদিনা পাতা বেটে জাফরানের মিশ্রণ মেশান। ত্বকে আধা ঘণ্টা লাগিয়ে রাখুন এই পেস্ট। নিয়মিত ব্যবহারে দূর হবে ব্রণ।

মধু ও জাফরান
১ টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে দুই চিমটি জাফরান মেশান। ১০ মিনিট পর ত্বকে ম্যাসাজ করুন মিশ্রণটি। চক্রাকারে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করার পর অপেক্ষা করুন ১৫ মিনিট। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ত্বক। এটি ত্বকের রুক্ষতা দূর করবে।

শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৪

পেয়ারা ও পেয়ারা পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা

১)মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্য পরিচর্যায়–
দাঁতে প্লাক জমা মুখের ভেতরের একটি বড় সমস্যা। পেয়ারা পাতা এন্টিপ্লাক বিশিষ্টের জন্য খুব কার্যকর। ভেষজবিদরা মুখ গহ্বরের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য কচি পেয়ারা পাতার পেস্ট ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এই পাতার প্রদাহনাশক, বেদনাশক এবং জীবানুনাশক গুনাগুনের জন্য এটা মাড়ির প্রদাহ, মাড়ির ফোলা, মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে, দাঁতের ব্যাথা, মুখের ঘা সারাতে বেশ কার্যকর। পেয়ারা গাছের ডাল দাঁতের মাজন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ১/২ টি পেয়ারা পাতা মুখে নিয়ে চিবালে ভালো ফল পাবেন। পেয়ারা পাতা দিয়ে তৈরি করতে পারেন মাউথওয়াশ, ৫/৬টি পেয়ারা পাতা পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করে সেই পানি দিয়ে দিনে ১/২ বার কুলি করতে পারেন।

২)হৃদ স্বাস্থ্যের উন্নতিকরনে-
১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে কারন পেয়ারাতে উচ্চ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং দ্রবনীয় আঁশ থাকে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়। পেয়ারা পাতা ভালো করে শুকিয়ে চা বানিয়ে খেলে সম্পূর্ণ কোলেস্টেরল,খারাপ কোলেস্টেরল(LDL)এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়।

৩)ডায়রিয়ার চিকিৎসায়-
পেয়ারা পাতার চা ব্যাকটেরিয়ার কারনে সংঘটিত ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে। কারণ এটার রস “Stephylococcus Aureus” নামক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। তাই ডায়রিয়া হলে দিনে কয়েকবার এই চা খেলে পায়খানার পরিমাণ, পানির মতো ভাব, পেট ব্যাথা কমিয়ে দ্রুত সুস্থ করে তুলবে। পেয়ারার এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুনাগুনের জন্য হজম ক্রিয়া ভালো হয়, এটা ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর বৃদ্ধিতে বাধা দেয় এবং এর আঁশ হজম ও নিঃসরণকে উন্নত করে।

৪)ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে-
অনেকবছর ধরে ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় চীনা ঔষধে পেয়ারা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।১৯৮৩ সালে “The American journal of Chinese medicine”এ প্রকাশিত হয় যে পেয়ারার রসের হাইপোগ্লাইসেমিক গুনের প্রভাব ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। উচ্চআঁশ ও নিম্নগ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পেয়ারা রক্তের সুগারের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া যারা ডায়াবেটিসের উচ্চমাত্রার ঝুঁকিতে রয়েছে পেয়ারা পাতার চা ও খেতে পারেন। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।

৫)দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে-
উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পেয়ারা দেহকে ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশিসহ অসংখ্য রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রতিদিন ১টি পেয়ারা বা এর তৈরি সালাদ, স্মোদি বা পেয়ারা পাতার চা বানিয়ে খেতে পারেন।

৬)ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়-
পেয়ারাতে থাকা বেশ কিছু যৌগিক পদার্থ যেমন লাইকোপিন, ভিটামিন সি এবং বেশ কিছু পলিফেনল থাকাতে এর রয়েছে ক্যান্সার ও টিউমার বিরোধী গুনাগুন। এগুলো শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা মুক্ত র‍্যাডিকেলকে নিরপেক্ষ করে দেহকে রক্ষা করে। ২০১০ সালে প্রকাশিত “Nutrition & Cancer” জার্নালে গবেষক বলেন যে পেয়ারার রস প্রোস্টেট টিউমারের আকার ছোট করে এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।এছাড়া নিয়মিতভাবে পেয়ারা খেলে বিভিন্ন ক্যান্সার ধরনের যেমন স্তন, মুখের, ত্বকের, পাকস্থলীর, অন্ত্রের এবং ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

৭)দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে-
পেয়ারাতে থাকা উচ্চ মাত্রার ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে, কর্নিয়াকে সুস্থ, স্বচ্ছ রাখতে ও চোখের কোষকে সুরক্ষিত রাখতে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া এর ভিটামিন সি কৌশিক নালীকে উন্নত করে রেটিনাল কোষের সঠিক কার্যক্রমে সাহায্য করে। তাই খাবারের মাঝে কাঁচা পেয়ারা বা এর জুস রাখলে তা দৃষ্টিশক্তির জন্য ভালো।

৮)জ্ঞানশক্তিকে উদ্দীপিত করতে-
পেয়ারার দ্বারা মস্তিস্কের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে সুস্থ রাখা সম্ভব। এই সেরা খাবারটি জ্ঞানশক্তিকে উদ্দীপিত করার সাথে সাথে মনোযোগকে তীক্ষ্ণ করে। শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি থাকার কারনে এই ফলটি মানসিক ও মস্তিস্কের কার্যক্রমকে উন্নত করে। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন বি৩ ও বি৬ মস্তিস্কের রক্ত চলাচলকে উন্নত করতে সাহায্য করে।পেয়ারাতে থাকা পটাশিয়াম মস্তিস্কের তড়িৎ পরিবহনে সাহায্য করে যা চিন্তাশক্তি ও স্মরণশক্তিকে বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই ফলটি রাখতে ভুলবেন না।

৯)সুস্থ ত্বকের জন্য-
বিশেষ করে গোলাপি পেয়ারাতে রয়েছে শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট যা কোষকে নষ্ট করার জন্য দায়ী ফ্রী র‍্যাডিকেলকে নিরপেক্ষ করে। ফ্রী র‍্যাডিকেলের জন্য সাধারণত ত্বকে বয়সের চিহ্ন যেমন শুষ্ক, রুক্ষ, ভাঁজ ও অনুজ্জ্বলতার ছাপ পড়ে। ত্বকের নমনীয়তা ও ইলাস্ট্রিসিটি রক্ষা করে পেয়ারাতে থাকা ভিটামিন সি। এছাড়া পেয়ারা ও এর পাতার সংকোচন বৈশিষ্টের কারনে এটা আমাদের ত্বককে উন্নত করতে, সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির থেকে এবং ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রণ ও ফুসকুড়ি থেকে রক্ষা করে। তাই সুন্দর ত্বক পেতে পেয়ারা খেতে পারেন অথবা কচি পাতা বা পেয়ারা পেস্ট করে মুখে মাখতে পারেন।

১০)থাইরয়েডের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে-
থাইরয়েড জন্য উপকারী কপারের খুব ভালো উৎস হচ্ছে পেয়ারা। এটি আমাদের দেহের খুব গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি যা দেহের হরমোন ও অর্গান সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে।আর কপার দেহের হরমোন উৎপাদন ও শোষণকে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য এবং এর পটাশিয়াম ও শক্তিশালী প্রদাহনিরামক গুনাগুন থাইরয়েডের কাজকে উন্নত করতে সহায়তা করে।।তাই থাইরয়েড সংক্রান্ত সমস্যা দূর করার জন্য পেয়ারা ও পেয়ারা পাতাকে খাদ্য তালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে নিতে হবে।এছাড়াও পেয়ারা দেহের শক্তি বৃদ্ধি ও ওজন কমানোর কাজকে সহজ করে দেয়।

শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০২৪

ব্রণের উপদ্রব কমানোর জন্য চন্দনের ৪টি ফেইস প্যাক


ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে কতো কিছুই না করেন। খাবার দাবারে সচেতনতা থেকে শুরু করে রূপচর্চার নানা ধরন আপনার মুখস্ত। তারপরও মুখে চলছে ব্রণের উপদ্রব। ক্রমেই ত্বকে বেড়ে যাচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত দাগের পরিমাণ।

আপনার নাজুক ত্বকের ব্রণ দূর করে রূপ-লাবণ্য ধরে রাখতে নিয়মিত চন্দন ফেস প্যাক ব্যবহারই যথেষ্ট। আর তাই জেনে নিতে হবে ত্বকের ধরন অনুযায়ী চন্দন প্যাক ব্যবহার।

* ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চন্দনের জুড়ি নেই। মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য হলুদ বাটা ও চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে লাগান। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হবে।
* দুই চা চামচ চন্দনের গুঁড়া ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই প্যাক মুখে লাগিয়ে নিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। এবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। স্বাভাবিক ও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক খুবই উপকারী।

* চন্দন গুঁড়ার সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এই পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হবে সহজেই।

* রোদে পোড়া ভাব দূর করতে চন্দন বেশ উপকারী। শসার রস, চন্দনের গুঁড়া, দই ও গোলাপ জল একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে রোদে পোড়া ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাক রোদে পোড়া ভাব কমাতে সাহায্য করবে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪

খাওয়ার পর যে কাজগুলো করবেন না


খাওয়ার পরে অলসতা লাগেই। মনে হয়, একটুখানি গড়াগড়ি করে নিতে পারলে বা ভাতঘুম দিতে পারলে বেশ হতো! আবার খাওয়ার পরপরই এককাপ চা না হলে ভালোলাগে না। এই অভ্যাসগুলিই ধীরে ধীরে হয়ে উঠতে পারে আপনার বিপদের কারণ। চলুন জেনে নেই খাওয়ার পরে কোন কাজগুলো করবেন না-

ঘুম
খাওয়ার পরপরই ঘুমের অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। এটি একেবারেই অনুচিত। কারণ এতে হজমপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। পাশাপাশি নাক ডাকা, স্থুলতার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এরচেয়ে বরং হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।

গোসল
হজমের জন্য আমাদের শরীরে প্রচুর শক্তি ক্ষয় হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটার জন্য পাকস্থলীতে প্রচুর পরিমাণ রক্তচলাচলের প্রয়োজন হয়। ফলে খাওয়ার পরে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে যায়। কিন্তু গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রায় তারতম্য হয় এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য রাখতে গিয়ে হজমপ্রক্রিয়ায় ব্যঘাত ঘটে। 
 
ফল খাওয়া
খাওয়ার শেষে ফল খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা আজই বাদ দিন। কারণ ফল হজম হতে খুব বেশি সময় নেয় না। কিন্তু অন্যান্য খাবারের সঙ্গে ফলও খেলে হজমের জন্য অনেক বেশি সময় লাগে। ততক্ষণে ফল তার পুষ্টিগুণ হারিয়ে ফেলে। তখন উপকারের বদলে অপকারই বেশি হয়।

ঠান্ডা বা গরম কিছু খাওয়া
খাবার পরে বেশি গরম পানীয় বা অনেক ঠান্ডা পানীয় কোনভাবেই পান করা উচিত নয়। এতে হজমের সমস্যা হয়, পাকিস্থলিতে গণ্ডগোল হতে পারে। আমরা জানি আমাদের হজমের মূলে রয়েছে হাইড্রোক্লোরিক এসিড(HCL) আমরা যদি লাঞ্চ বা ডিনারের পরে অধিক গরম বা ঠান্ডা জাতীয় কিছু খাই তবে উক্ত এসিড স্বাভাবিকভাবে নিঃসরণ হতে পারে না। আর সেই কারণে খাবার হজমে সমস্যা হয়। দীর্ঘদিন এই অনিয়ম চলতে থাকলে শরীরে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।


সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

শরীর ভালো রাখতে প্রতিদিন দই খান

আসুন আজ জেনে নিন দইয়ের ১০ টি গুণাবলীঃ

১/ দইয়ের মধ্যে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

২/ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা মেটাতে পারে দই।

৩/ দই দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফলে খুব সহজেই জ্বর কিংবা ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সমস্যা কমে যায়।

৪/ দই শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। ফলে প্রচন্ড গরমের সময়ে দই খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫/ ওজন জনিত সমস্যায় ভুগলে অবশ্যই দই খান- উপকার পাবেন।

৬/ দই এ আছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি। ফলে নিয়মিত দই খেলে দাঁত ও হাড় মজবুত থাকে।

৭/ টক দই রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়।

৮/ দই রক্ত থেকে বিষাক্ত উপাদান কমিয়ে দিয়ে রক্তকে বিশুদ্ধ করে তোলে।

৯/ দই হজমে সহায়ক তাই রোজ পরিমিত পরিমান দই খেলে হজম ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমে যায়।

১০/ সম্প্রতি গবেষনা থেকে জানা গেছে প্রতিদিন পরিমিত দই খেলে ক্যান্সারের মত মারনরোগ আটকানো যায়।

রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪

হালকা মেকআপ করার পদ্ধতি




halka

হালকা মেকআপ যেভাবে করবেনঃ


হালকা মেকাপ করা তুলনামূলক সহজ এবং কম সময়ে নিজেকে সাজানো যায়। হালকা মেকাপ কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে জেনে নিই- 
  • প্রথমেই মুখ ভালোমানের ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। অথবা পছন্দমাফিক যেকোনো ফেসপ্যাক লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
  • মুখ পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে হবে।
  • ময়েশ্চারাইজিং ব্যবহার করার পর সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন।
  • ভালোমানের প্রাইমার সেট করে নিন।
  • পরিমান মতো বিবি ক্রিম লাগান।
  • ডার্ক সার্কেল দূর করতে পরিমাণ মতো কনসিলার ব্যবহার করুন।
  • ভেজা স্পঞ্জ কিংবা পরিষ্কার হাত দিয়ে ফাউন্ডেশন ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন।
  • ব্লেন্ড করার সময় উপর থেকে নিচের দিকে ব্লেন্ড করুন।
  • ফেস পাউডার সেট করে নিন।
  • সবশেষে মেকাপ সেটিং স্প্রে দিয়ে মেকাপ সেট করে নিন।

বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

আইলাইনার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম




পেন লাইনার

শুধু চোখের পাপড়ি স্পর্শ করিয়ে খুব চিকন করে যারা আইলাইনার দিতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য পেন লাইনার। এর আকৃতি খানিকটা কলমের মতো। এর ফর্মুলা এমনভাবে তৈরি যেন তা দেওয়া মাত্রই শুঁকিয়ে যায়। ফলে যারা নতুন মেকআপ করছেন বা শিখতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এটি খুব ভালো একটি অপশন। পেন লাইনারের দাম লিকুইড লাইনার থেকে একটু বেশি হয়ে থাকে। তবে, আপনি যদি চোখকে ক্যাট আই লুক দিতে চান তাহলে কিনে নিতে পারেন পেন লাইনার।

জেল লাইনার
চোখকে গাঢ় কালো রঙে রাঙাতে জেল লাইনারের জুড়ি নেই। চোখের সাজে স্মোকি আই লুক আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় এটি। কারণ, এটি ব্যবহার করা হয় আলাদা ব্রাশের সাহায্যে। এতে করে এটি নিজের প্রয়োজন মতো ব্লেন্ড করা যায়। অন্য যে কোনো লাইনারের চেয়ে জেল লাইনারের দাম বেশি। একটি ভালো জেল লাইনার দাম শুরু হয় ৮০০ টাকা থেকে। তবে আপনি যদি স্মোকি আই ভালোবাসেন তাহলে এই অর্থ খুব বেশি মনে হবে না।

পেন্সিল আইলাইনার
পেন্সিল আইলাইনারকে কাজলের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার সুযোগ নেই। এটি কাজলের চেয়ে বেশি গাঢ় হয় এবং ব্যবহারের কিছু সময় পরেই শুঁকিয়ে যায়। ওয়াটারপ্রুফ ও স্মাজপ্রুফ এই পেন্সিল লাইনার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় রঙের বিভিন্নতার জন্য। বাজারে বিভিন্ন কালারের পেন্সিল আইলাইনার পাওয়া যায়। এর দামেও নাগালের মধ্যেই। ২০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন পেন্সিল আইলাইনার। ছোট হওয়ায় রেখে দিতে পারবেন ব্যাগেও।

গ্লিটার লাইনার
সম্প্রতি গ্লিটার লাইনার জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আগে আলাদা গ্লিটার ব্যবহারে করে চোখে চিকিমিকি লুক দেওয়া হতো। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো এক প্রকারের আঠা। কিন্তু গ্লিটার আইলাইনার আসার সেটি আর লাগছে না। ভালো গ্লিটার লাইনার পেতে পারেন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই।

লক্ষ্য রাখবেন
মেয়াদ উত্তীর্ণ কোনো আইলাইনার ব্যবহার না করাই ভালো। দিন শেষে মুখ থেকে মেকআপ তোলা খুবই জরুরি। অনেক সময় মেকআপ তোলার সময় আমাদের চোখ থেকে সম্পূর্ণ মেকআপ উঠে আসে না। সেজন্য ডাবল ক্লিঞ্জিং পদ্ধতিতে মেকআপ উঠাতে পারেন। তেলযুক্ত মেকআপ রিমুভার বা মিসেলার ওয়াটার ব্যবহার করলে সহজেই আইলাইনার উঠে আসবে।

সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪

নাকের ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা দূর করার উপায়





ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা দূর করার জন্য ১ চা চামচ বেকিং সোডা, ১/২ চা চামচ লেবুর রস, ১/২ চা চামচ নুন আর ১ চা চামচ গোলাপ জল নিন। প্রথমে একটি পাত্রে এই সব উপাদানগুলো নিন। ভাল করে মিশিয়ে নেবেন। এবার এই মিশ্রণটি প্রথমে নাকে লাগান। এটি ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
এই মিশ্রণটি লাগালে ত্বকে হালকা জ্বালাভাব অনুভূত হতে পারে। আসলে, বেকিং সোডা একটি খুব ভাল এক্সফোলিয়েটিং এজেন্ট এবং এটি ত্বকের মরা চামড়া দূর করে। এছাড়াও এটি সহজেই কালো দাগ দূর করে। আপনি যদি নুন ব্যবহার করতে না চান তবে আপনি চালের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।
৫ মিনিট পর ধীরে ধীরে নাক ঘষে তারপর হালকা গরম জল দিয়ে নাক পরিষ্কার করুন। এবার একটি নরম তোয়ালে নিয়ে তা দিয়ে নাক ঘষুন। খুব জোরে ঘষবেন না, এতে নাক লাল হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি র‍্যাশের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই পদ্ধতির পরপরই আপনার নাকে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এতে নাকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। এতেই দেখবেন দূর হয়ে গিয়েছে ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা। নাক ছাড়াও যদি মুখের অন্যান্য জায়গা ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা থাকে তাহলেও ব্যবহার করতে পারেন এই পদ্ধতি।

শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪

ঈদের দিনের সাজ



ঈদের সাজ নিয়ে কিছু কথা

ঈদের সকালের জন্য বেছে নিতে হবে হালকা পাতলা সুতি কাপড়ের পোশাক। যদি কেনাকাটা না করে থাকেন (অনলাইনে অনেকেই কেনাকাটা করেছেন), তাহলে আলমারি থেকে প্রিয় শাড়িটি বের করে পরতে পারেন। যে কোনো রঙের শাড়ি পরতে পারেন। মাংস নিয়ে সন্ধ্যায় হয়তো কিছু আত্মীয়স্বজন আসতে পারে। সন্ধ্যায় যে কোনো অনুষ্ঠানে কালো রঙের শাড়ি বেশি মানায়।

শাড়ির সঙ্গে মন ভালো রাখার জন্য অলঙ্কার পরতে পারেন। আইব্রোটা এঁকে নিতে হবে। হালকা কাজল আর ছোট্ট একটা টিপ দিতে ভুলে গেলে চলবে না। ঠোঁটে ন্যুড শেডের কোনো লিপস্টিক লাগিয়ে নিতে পারেন। সালোয়ার-কামিজ বা টপসের সঙ্গেও মেকআপ হওয়া চাই হালকা। চুল পনিটেল করে নিলে পোশাকের সঙ্গে ভালো মানাবে।

চুল খুলে রাখতে চাইলে কার্ল করে নিতে পারেন নিচের চুলগুলো। কানে ছোট্ট দুল, ভারি করে মাসকারা ব্যবহার করতে পারেন। আইলাইনার আর কাজল দিন। ইউটিউবে চুলের স্টাইলের টিউটোরিয়াল দেখে সুন্দর কোনো হেয়ারস্টাইল করে নিতে পারেন। এখন শিখে রাখলে পরে কাজে লাগবে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪

মুখের কালো দাগ দূর করতে রাতে ঘুমানোর আগে কিছু টিপস

কী ব্যবহার করবেন?

মুখের দাগ দূর করতে আমরা ব্যবহার করবো লেবু। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে সকল অ্যান্টি স্পট ফেয়ারনেস ক্রিম লেবুর কথা বলে। কারণ একটাই, লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসাবে কাজ করে। তবে লেবু এই রূপচর্চাটি কেবল রাতের বেলায় করতে হবে এই কারণে যে সূর্যের আলো আপনার ত্বকে রিঅ্যাকশন করতে পারে। রাতের বেলায় রূপচর্চাটি করলে সূর্যের আলো বা গরমে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং ত্বক সম্পূর্ণ ৮-১০ ঘণ্টা পাচ্ছে দাগ দূর করার জন্য।

কী করবেন?

দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন আপনি। যদি আপনার ত্বক হয়ে থাকে স্বাভাবিক, তাহলে মাত্র ৫ মিনিটের একটি কাজ করতে হবে আপনাকে। যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ হয়ে থাকে, তাহলে সময় লাগবে ৩০ মিনিট।
  • -মুখ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।
  • -যদি স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বক হয়, তাহলে তাজা পাকা লেবুর রস (যে লেবু পেকে হলদে হয়ে গেছে, অর্থাৎ লেমন) সরাসরি মুখের কালো দাগে লাগিয়ে নিন। লেবুর রসের সাথে সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর শুকাতে দিন। এবং লেবুর রস মুখে নিয়েই ঘুমিয়ে যান। স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বকে কোন সমস্যা হবে না। সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ মুছে নিন।
  • -আর যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ ত্বক হয়, তাহলে পাকা লেবুর রসের সাথে মুলতানি মাটি ও মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ধোয়া মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের কালো দাগ মিলিয়ে যাবে।
টিপস-
ত্বকে লেবুর রস দেয়ার পর যদি কোন রকম অস্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে অবিলম্বে মুখে ধুয়ে ফেলুন এবং পুনরায় ব্যবহার করবেন না।

বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪

ফেস মাস্ক সম্পর্কে খুটিনাটি বিষয়




চর্মরোগবিশেষজ্ঞরা সাধারণত সপ্তাহে একবার মাস্ক ব্যবহার করতে সুপারিশ করেন।

ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক ফেস মাস্ক

(১) প্রথমে ফেস মাস্ক লাগানোর আগে একটি ভালো ফেসিয়াল ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে হবে। ক্লিনজিং ত্বককে মাস্ক থেকে পুষ্টি এবং সক্রিয় উপাদান শোষণের জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করতে।

(২) তবে ফেস মাস্ক প্রয়োগ করার প্রথম ধাপ হলো, ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক মাস্কটি বেছে নেওয়া। যেমন হাইড্রেটিং ক্রিম বা শিট মাস্ক শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। সর্বোচ্চ হাইড্রেশনের জন্য বিশেষজ্ঞরা এই মাস্ক রাতে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

(৩) অন্যদিকে ক্লে মাস্ক তৈলাক্ত বা মিশ্র ত্বকের জন্য ভালো কাজে দেয়। ব্রণপ্রবণ ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ভালো জেল ও বাবল মাস্ক। হাইপারপিগমেন্টযুক্ত ত্বকের জন্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্রিম বা জেল মাস্ক ব্যবহার ভালো কাজে দেবে।


(৪)ত্বকের ধরন অনুযায়ী মাস্ক বাছাইয়ের পর এবার ব্যবহারের পালা। মাস্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য ত্বকে ম্যাসেজ করলে উপকার পাওয়া যাবে। আর অবশ্যই যেকোনো মাস্ক ব্যবহার করার সময় ঠোঁট, চোখ এবং ভ্রু এড়িয়ে চলুন।

মাস্ক ওঠাব কীভাবে
বেশির ভাগ মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ২০ মিনিটের বেশি রাখা উচিত নয়। বেশিক্ষণ থাকলে মাস্ক শুকিয়ে ত্বকও শুকিয়ে যেতে থাকে। তাই ব্যবহারের পর মুখ থেকে মাস্কটি আলতোভাবে আঙুলের ব্যবহারে, সাধারণ পানি দিয়ে তুলে ফেলতে হবে।

শিট মাস্ক ও পিল-অব মাস্কের ক্ষেত্রে আলতো করে মুখ থেকে মাস্ক সরাতে হবে। ত্বক কোনোভাবেই জোরে ঘষা যাবে না। সময় নিয়ে ধৈর্যসহকারে কাজটা করতে হবে। ধোয়ার পর ত্বকে ভালো একটা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। ফলে ত্বক হাইড্রেটেড থাকবে।

বাড়িতে তৈরি ফেস মাস্ক
ফেস মাস্ক কেনার পরিবর্তে বাড়িতে থাকা উপাদানগুলো ব্যবহার করে অর্থ এবং সময় বাঁচাতে পারেন।

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪

দীপ্তিময় ত্বকের সহজ কিছু টিপস



ত্বকের যত্নে সহজ কিছু টিপস
১/
চালের গুঁড়া মুখের স্ক্রাব হিসেবে অনেক ভালো কাজ করে। এক কাপ চায়ের পানি ঠাণ্ডা করে নিন। এবার এর সাথে ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া এবং আধা চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট করে মাস্ক এর মত করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ২০ মিনিট পর হাত দিয়ে সার্কুলার ভাবে ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে ইন্সট্যান্ট ত্বকে ফর্সাভাব আসবে।

২/এক টেবিল চামচ ওটস পানিতে ভিজিয়ে ভালো ভাবে পেস্ট করে নিন। এবার এর সাথে এক টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। আপনার ত্বক যদি সেন্সিটিভ হয় তাহলে লেবুর রসের সাথে একটু পানি মিশিয়ে নিতে পারেন।

৩/২ টেবিল চামচ আটা, আধা চামচ হলুদ, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং একটু দুধ একসাথে ভালো ভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এটাকে ৫ মিনিট মুখে ঘষে ঘষে লাগিয়ে ২০ মিনিট শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে মুখের ময়লা কেটে গিয়ে মুখ উজ্জ্বল দেখাবে।

৪/যেকোনও ধরনের পার্টি তে যাওয়ার আগে একটা কলা চটকে, তার সাথে পাকা পেঁপে মিশিয়ে ভালো করে পেস্ট তৈরি করে নিন। তারপর সেটা পুরো মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। তারপর মুখ ধুয়ে দেখুন আপনার কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা।

৫/একটা টমেটোর রস এর সাথে একটু হলুদ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার এটাকে মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন যতক্ষণ না এটি পুরোপুরি শুকিয়ে যায়। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এটি কিছুক্ষণের মধ্যে গায়ের রঙ উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত একটি পদ্ধতি।

৬/কমলার খোসা রোদে শুকিয়ে নিন। এবার এটাকে গুঁড়ো করে এক কাপ ফ্রেশ টকদই এর সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে নিন। এতে আপনার ত্বকের ইন্সট্যান্ট ফর্সাভাব এর সাথে সাথে ত্বকে উজ্জ্বলও হবে।

৭/এক চামচ কাঁচা দুধ এর সাথে এর চামচ মধু ও কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে পরিষ্কার মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। দুধ এবং লেবুর রস ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে দেয়। মুখে লেবু লাগানোর কারণ হল এটি ব্লীচের একটি প্রধান উপাদান। এটি মুখের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনবে।

৮/কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই সহজলভ্য কিছু উপাদান যেমন গ্লিসারিন, শশা, গোলাপজল আপনার ত্বককে খুব দ্রত উজ্জ্বল এবং সুন্দর করে দিতে পারে। কয়েক টুকরা শশার সাথে পরিমাণ মত গোলাপজল এবং গ্লিসারিন মিক্স করে পেস্ট করে ঘুমা্নোর আগে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন পেস্টটি খুব বেশি পাতলা না হয় অথবা ঘন না হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে তারপর মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

৯/ত্বকে আলুর রস লাগালে মুখের পোড়াভাব দূর হয় এবং তাৎক্ষনিকভাবে মুখের উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।

১০/তৈলাক্ত ত্বকের জন্য লেবুর রস এর সাথে পেঁপে মিক্স করে মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। রঙ পরিষ্কার হবে। এবং মুখের তেলতেলে ভাব কেটে যাবে। ফলে আপনাকে ফর্সা দেখাবে।

১১/ডিমের সাদা অংশ ভালো ভাবে ফেটে নিয়ে মুখে লাগান। এতে স্কিন অনেক নরম ও উজ্জ্বল হয়।

১২/জিঙ্ক এবং ল্যাক্টিকএসিড স্কিন এর জন্য অনেক ভালো। তাই টক দই ভালো ভাবে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর মুখ ধুয়ে দেখুন ইন্সট্যান্ট ফর্সাভাব।

১৩/মুখের স্কিন এর ক্ষেত্রে গোলাপজল একটি গুরুত্বপুর্ন উপাদান। প্রতিদিন তুলায় গোলাপজল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। রঙ ফর্সা হবে তাৎক্ষণিকভাবে।