হাত ওপায়ের যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হাত ওপায়ের যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

হাত ও পায়ের যত্নে ১০টি কার্যকর টিপস

 

 

হাত-পায়ের ত্বক নরম ও উজ্জ্বল করার কার্যকর টিপস

 

 

 হাত ও পায়ের যত্নে ১০টি কার্যকর টিপস

    ১️ । হাত পা প্রতিদিন পরিষ্কার রাখা     

দিনে অন্তত দুইবার হালকা সাবান বা স্কিন-ফ্রেন্ডলি ক্লিনজার দিয়ে হাত ও পা পরিষ্কার করুন। বাইরে থেকে এলে পা না ধুয়ে থাকা মানেই ত্বকের ক্ষতি ডেকে আনা।

👉 টিপস: খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না।

    ২️। সপ্তাহে ২ দিন স্ক্রাব—মৃত কোষ বিদায়

মৃত কোষ জমে থাকলে ত্বক কখনো উজ্জ্বল দেখায় না।

     ঘরোয়া স্ক্রাব রেসিপি:
    চিনি + নারকেল তেল
    ৫ মিনিট হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।

👉 ফলাফল: ত্বক হবে মসৃণ ও প্রাণবন্ত।

    ৩️। গোসলের পর ময়েশ্চারাইজার বাধ্যতামূলক

গোসলের পর ত্বক সবচেয়ে বেশি শুষ্ক হয়। তখনই হাত ও পায়ে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা বডি লোশন লাগান।

👉 রাতে ব্যবহার করলে ফল আরও ভালো।

     ৪️। ফাটা পায়ের জন্য রাতের বিশেষ যত্ন

ফাটা পা খুবই সাধারণ সমস্যা।

করণীয়:
ঘুমানোর আগে পায়ে ভ্যাসলিন বা ফুট ক্রিম লাগান
কটন মোজা পরে ঘুমান

👉 কয়েকদিনেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

     ৫️। রোদে বের হলে সানস্ক্রিন ভুলবেন না

অনেকে শুধু মুখে সানস্ক্রিন দেন—হাত ও পা ভুলে যান।

👉 বাইরে বের হওয়ার ১৫ মিনিট আগে হাত ও পায়ে SPF যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
এতে ট্যান ও কালচে ভাব কমে।

     ৬️। প্রাকৃতিক প্যাক—ত্বকের খাবার

বেসন + দই + মধু
১৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

👉 সপ্তাহে ১–২ বার ব্যবহার করলে হাত ও পা উজ্জ্বল হয়।

     ৭️। গরম পানিতে হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন

সপ্তাহে একদিন কুসুম গরম পানিতে
✔ লবণ
✔ বা লেবুর রস
মিশিয়ে ১০–১৫ মিনিট হাত ও পা ভিজিয়ে রাখুন।

👉 ক্লান্তি কমে, ত্বক হয় সতেজ।

     ৮️। ভেতর থেকে যত্ন—পানি পান করুন

দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান না করলে কোনো স্কিন কেয়ারই কাজ করবে না।

👉 পানি ত্বককে ভেতর থেকে নরম রাখে।

     ৯️। খাবারেও থাকুক ত্বকের যত্ন

ভিটামিন-E, ফল, শাকসবজি ও বাদাম ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

👉 সুন্দর ত্বক মানে শুধু বাইরের যত্ন নয়, ভেতরের যত্নও।

     ১০। কেমিক্যাল ও ডিটারজেন্ট থেকে সাবধান

বেশি সময় ডিটারজেন্ট বা কড়া সাবান ব্যবহার করলে হাত দ্রুত রুক্ষ হয়।

👉 কাজের সময় গ্লাভস ব্যবহার করুন।

হাত ও পায়ের যত্ন নেওয়া কোনো বিলাসিতা নয়—এটা প্রয়োজন।
প্রতিদিন একটু সময় আর নিয়মিত এই ঘরোয়া টিপসগুলো মেনে চললেই আপনি পাবেন—

✨ নরম
✨ পরিষ্কার
✨ উজ্জ্বল হাত ও পা

 

 



শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

নিস্প্রাণ হাত-পায়ে কিভাবে কোমল ভাব আনবেন

কী কী লাগছে তবে দেখে নিন এবার –
  • নারকেল তেল
  • লবণ
  • লেবু
  • কুসুম গরম পানি
  • গ্লিসারিন, গোলাপজল অথবা ময়েশ্চারাইজিং লোশন
যেভাবে করবেন –
হাতের তালু বাবাটিতে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী লবণ নিন। হাত এবং পায়ের জন্য একচা – চামচের খানিকটা বেশি লবণ দরকার হবে। কেবল হাতের জন্য আধচা – চামচেই হয়ে যাবে।
এবার তাতে নারকেল তেল ঢালুন। একটু মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে নিন ভালো করে। এবার আলতো ভাবে ম্যাসাজ করতে থাকুন। দুই/তিন মিনিটের জন্য ম্যাসাজ করতে পারেন বা চাইলে আর সামান্য বেশি সময়ও নিতে পারেন আপনি।
লেবুর ব্যবহার এখানে আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী হতে পারে। ত্বক থেকে দাগ – ছোপ দূর করার থাকলে মিশ্রণে কিছুটা লেবুর রস যোগ করে নিন কেবল।
ম্যাসাজ করা শেষে পাত্রে কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে হাত – পা ডুবিয়ে রাখুন। ওই পানিতেই ধীরে ধীরে ত্বক থেকে মিশ্রণ ছাড়িয়ে নিন।আরেকবার পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে শুকনো করে মুছে ফেলুন।
নিজের ত্বকের ব্যাপক পরিবর্তন আপনার মনোযোগ কেড়ে নেবে তখনই। খুব সাথে – সাথেই চামড়ায় কোমলতা টের পাবেন আপনি।বিশেষ করে বহু দিন যদি রুক্ষ নিষ্প্রাণ ত্বক দেখে থাকেন তবে হুট করে এই মোলায়েম ভাবটা আপনাকে অবাক করবে নিঃসন্দেহে।
হাত মুছে নিয়ে এবার পছন্দ বা দরকার মতন ময়েশ্চারাইজিং করুন। ডিপ ময়েশ্চারাইজিং এর জন্য গ্লিসারিন ব্যাবহার করতে পারেন, কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিলিয়ে।বা নিজের প্রিয় লোশনেই শেষ করুন ত্বকচর্চার পাট।
বিশেষ করে রুক্ষতার মৌসুমে এই উপায়টি যেকারোই ভীষণ উপকারে আসবে। কয়েক দিনের টানা প্রয়োগ দীর্ঘ সময়ের নির্জীব ত্বকে প্রাণ ফিরিয়ে আনবে।নারকেল তেল প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজিং হিসেবে  খুব কার্যকরী, সাথে লবণ ত্বকের মৃতকোষ দূর করে দিচ্ছে স্ক্রাবিং এর মাধ্যমে। হাত-পায়ের পুরনো মলিনতা চটজলদি কাটিয়ে দিয়ে ত্বকে চনমনেভাব নিয়ে আসতে এই পদ্ধতিটি সত্যিই দারুণ।

মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

নখের যত্ন: হাতের নখ সুন্দর ও মজবুত রাখার টিপস

 




নখ আমাদের হাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এর সৌন্দর্য আমাদের ব্যক্তিত্বের ওপরও প্রভাব ফেলে। সুন্দর, মজবুত নখ শুধু আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় না, বরং ভালো স্বাস্থ্যকেও প্রকাশ করে। তবে, নিয়মিত যত্নের অভাব এবং কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে অনেক সময় নখ ভেঙে যায় বা নরম হয়ে যায়। তাই, নখের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে হাতের নখ সুন্দর ও মজবুত রাখার জন্য কিছু কার্যকরী টিপস দেওয়া হলো:


১. নখে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন

নখ শুকিয়ে গেলে তারা ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, তাই নিয়মিত ময়শ্চারাইজার বা তেল ব্যবহার করা জরুরি, যেমন অলিভ অয়েল বা ভিটামিন ই অয়েল।

২. নখ কাটার সময় সতর্ক থাকুন
নখ কাটার সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না, নখের কোণ খুব গভীরভাবে কাটবেন না, যাতে নখ ভেঙে না যায়।

৩. ভিটামিন ও মিনারেলস গ্রহণ করুন
নখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভিটামিন B, C, এবং E, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক প্রভৃতি পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করতে হবে, যা খাবার থেকে পাওয়া যায়।

৪. নখে অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন
নখ দিয়ে কোন কঠিন জিনিস খোলার বা চাপ দেওয়ার থেকে বিরত থাকুন, এতে নখ ভেঙে যেতে পারে।

৫. হাতের নখ পরিষ্কার রাখুন
নখের নিচে ময়লা জমে থাকলে তা নখের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, তাই নিয়মিত নখ পরিষ্কার রাখুন।

৬. নখের পুষ্টির জন্য তেল ব্যবহার করুন
প্রাকৃতিক তেল যেমন কাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল বা ভিটামিন E তেল ব্যবহার করে নখের স্বাস্থ্য বজায় রাখুন।

৭. মনে রাখুন, অতিরিক্ত ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর পরিহার করুন
এটি নখের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই বেশি সময় ম্যানিকিউর বা পেডিকিউর করার বদলে মাঝে মাঝে করুন।

৮. নখের জন্য প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন
হলুদ, মধু, টমেটো বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করে ঘরোয়া ফেসপ্যাক তৈরি করুন, যা নখকে মজবুত ও উজ্জ্বল রাখে।

৯. পানি পান করুন
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করলে নখের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং নখ শক্তিশালী হয়।

১০. নখে নকল নেল পলিশ বা গ্লিটার পরিহার করুন
অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত নেল পলিশ বা গ্লিটার নখকে দুর্বল করে দিতে পারে, তাই প্রাকৃতিক পলিশ ব্যবহার করুন।


বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

পায়ের যত্নে ঘরোয়া ফুট স্ক্রাব ও মাস্ক

 


পা নরম কোমল করতে স্ক্রাবঃ
যা যা লাগবে-
-ব্রাউন সুগার ২ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
-মধু ১ টেবিল চামচ
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
রেসিপি-
একটি বাটিতে সব উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না এটি নরম পেস্ট আকার ধারণ করে। এবার আপনার পা দুটি একটি বড় গামলায় গরম পানি নিয়ে সেই পানিতে ১০ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে আপনার পায়ের আলগা ময়লা স্তর নরম হয়ে যাবে, বাটি থেকে পেস্ট নিয়ে আপনার পায়ে লাগান এবং আলতো হাতে ঘষতে থাকুন। একই উপায়ে অপর পায়েও এই স্ক্রাব লাগান। কিছু সময় এভাবে পায়ে এই স্ক্রাব ম্যাসাজ করে পা ধুয়ে ফেলুন।
এটি আপনার পায়ের ডেডসেল ও শক্ত ভাব দূর করে পা নারিশ আর সফট করে।
কলা ফুট মাস্কঃ
যা যা লাগবে-
-পাকা কলা
-হালকা গরম পানি(প্রয়োজন মতো)
রেসিপি-
পাকা কলা চটকে আপনার পায়ের গোড়ালিতে লাগান। এটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার পা ধুয়ে ফেলুন।
এই মাস্কের বিশেষত্ব হচ্ছে যাদের পায়ের গোড়ালি ফাটা বা খসখসে তারা এই ফুট মাস্ক ব্যবহার করার ফলে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন ও পায়ের গোড়ালি নরম কোমল আর সুন্দর হয়ে উঠবে। কারণ কলা আপনার পায়ের জন্য ভালো ফুট ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে।
ফুট ময়েশ্চারাইজার-
যা যা লাগবে-
-পেট্রোলিয়াম জেলি ১ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ২ থেকে ৩ ফোঁটা
-গরম পানি
-পায়ের কটন মোজা
রেসিপি-
পেট্রোলিয়াম জেলি ও লেবুস রস দিয়েই আপনি ঘরে বসে আপনার ফুট ময়েশ্চারাইজার বানিয়ে ফেলতে পারেন। এই দুই উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তবে পায়ে এটি লাগানোর আগে আপনার পা হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার পায়ে এই ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে আলতো ম্যাসাজ করে পায়ে মোজা দিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে উঠেই পাবেন সুন্দর কোমল এক জোড়া নজরকাড়া আকর্ষণীয় পা।
ফুট মশ্চারাইজার ক্রিম-
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
-ল্যাভেন্ডার অয়েল ২ থেকে ৩ ফোঁটা
রেসিপি-
অলিভ অয়েল ও ল্যাভেন্ডার অয়েল একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণ যখন আপনার প্রয়োজন বা ইচ্ছে হয় ব্যবহার করতে পারেন।
শুধু মনে রাখবেন যখনই এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন ক্রিমটা ভালো ভাবে ঝাঁকিয়ে নেবেন। এটি ব্যবহারে আপনার পায়ের সৌন্দর্য কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।
পায়ের যত্নে কিছু হ্যান্ডি টিপসঃ
-পর্যাপ্ত পানি পান করুন সাথে তাজা সবজি ও ফলমূল খান।
-পায়ের নিয়মিত যত্ন করুন, পায়ের নখ বেশি বড় না করাই ভালো।
-শুধু মুখের ত্বকে নয় পায়েও ময়েশ্চারাইজার লাগান।
-পায়ে সব সময় হিলজুতো পড়া থেকে বিরত থাকুন। আবার একেবারে খুব পাতলা সোলের জুতাও পরবেন না।
-গরমকালে বেশি পায়ে ঘাম হয় তাই বাইরে থেকে এসে অবশ্যই পা ধুয়ে ফেলবেন।

বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩

পায়ের কালো দাগ দূর করার উপায়

  •  

    সঠিক মাপের জুতা পরুন

পায়ের দাগের অন্যতম একটি কারণ হলো আকারে ছোট কিংবা শক্ত জুতা পরার কারণে। তাই পায়ের জন্য সঠিক মাপের জুতা বেছে নিন। সেই সঙ্গে জুতার ভেতরে ফোম দেয়া, কাপড়ের কিংবা নরম চামড়ার জুতা পরুন। এতে পায়ে দাগ পড়বে না।
  • সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

জুতার বদলে স্যান্ডেল পরলে সরাসরি রোদ লাগে পায়ে। ফলে পায়ে রোদে পোড়া ছোপ ছোপ দাগ পড়ে যায়। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পায়েও ব্যবহার করতে হবে সানস্ক্রিন। এতে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত থাকবে আপনার সুন্দর পায়ের পাতাগুলো।
  • পা ঢেকে রাখুন

দাগমুক্ত সুন্দর পায়ের জন্য পা ঢাকা জুতা পরুন কিংবা সবসময়ে মোজা পরুন। এতে পায়ে পোড়া দাগ পরবে না কিংবা ধুলা ময়লা লেগে পায়ে ছোপ ছোপ দাগ পরবে না।
এবার আসা যাক, ঘরোয়া উপায়ে  কি করে পায়ের ফুল কেয়ার নেয়া যায় –
  • স্ক্র্যাবিং

পায়ের দাগ দূর করার জন্য স্ক্র্যাবিং এর জুড়ি নেই। স্ক্র্যাবিং পায়ের ত্বকের ডেড সেল দূর করে এবং জমে থাকা ধুলা ময়লা পরিষ্কার করে। ফলে পায়ের ছোপ ছোপ দাগ দূর হয় এবং রুক্ষতা কমে যায়। স্ক্র্যাবিং এর জন্য বেকিং পাউডার, ওটমিল, চিনি কিংবা লবন ব্যবহার করতে পারেন।
  • লেবুর রস কিংবা টমেটোর রস

লেবুর রস এবং টমেটোর রস হলো প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। তাই পায়ের ত্বকের পোড়া দাগ দূর করতে এবং পায়ের রং উজ্জ্বল করে তুলতে এই উপাদান দুটির জুড়ি নেই। লেবুর রসে সামান্য পানি মিশিয়ে কিংবা সসার রস মিশিয়ে পায়ে লাগিয়ে ১ ঘন্টা পরে ধুয়ে ফেলুন। কিংবা টমেটোর রস লাগিয়ে রেখে ১ ঘন্টা অপেক্ষা করে হালকা ঘষে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করলে পায়ের ত্বক উজ্জ্বল হবে ধীরে ধীরে।
  • অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরা ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করে। আর তাই পায়ের দাগ দূর করতে এবং পায়ের ময়েশ্চারাইজিং এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেল। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অ্যালোভেরা জেল পায়ের ত্বকে লাগিয়ে মোজা পড়ে ঘুমিয়ে যান। সকালে ঘুম থেকে উঠে পা ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন ব্যবহার করলেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন আপনি।
  • আলুর রস

আলুও ত্বকের দাগ দূর করে সহজেই। আলু ব্লেন্ড করে রস ছেকে পায়ে লাগিয়ে রাখুন ১ ঘন্টা। এরপর পা ধুয়ে ফেলুন। সহজেই কাজটি করতে চাইলে আলু স্লাইস করে কেটে ঘষে ঘষে পায়ের ত্বকে লাগিয়ে নিন। এরপর ১ ঘন্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন ঠান্ডা পানি দিয়ে। সপ্তাহে তিন থেকে চারবার ব্যবহার করুন।

মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩

হাত পায়ের রোদে পোড়া ভাব দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

১) অর্ধেক শসা নিয়ে গ্রেট বা কুচি কুচি করে কেটে একটি বাটিতে রাখুন। এর মধ্যে ২ চা চামচ তরল দুধ বা গুঁড়ো দুধ এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মেশান। এরপর প্যাকটি হাতে ও পায়ে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করুন।

২) টমেটো অর্ধেক করে কেটে এর ওপর চিনি দিয়ে হাত ও পায়ের রোদে পোড়া জায়গায় ঘষতে থাকুন। চিনি খুব ভালো এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে এবং টমেটোর রস সানবার্ন দূর করতে কার্যকর।

৩) একটি আস্ত আলু গ্রেট করে বা বেটে এর থেকে রস আলাদা করে নিন। এবার এই রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে মিশ্রণটি হাত-পায়ে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে রোদে পোড়া দাগ থাকবে না।

৪) অ্যালোভেরা কেটে এর ভেতরের জেল আলাদা করে নিয়ে হাত-পায়ে লাগাতে পারেন। চাইলে এই জেলের সঙ্গে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।

৫) এক চামচ কাঁচা হলুদ বাটার সঙ্গে লেবুর রস ও এক চামচ তরল দুধ মেশান। এই মিশ্রণটি হাত-পায়ের রোদে পোড়া জায়গায় লাগান, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

৬) একটি পাত্রে পরিমাণমতো টক দই নিয়ে এর সঙ্গে এক চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি হাতে ও পায়ে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৭) ২ চামচ অলিভ অয়েলের সঙ্গে ১ চামচ চিনি মিশিয়ে নিয়ে হাত-পায়ে ৩ থেকে ৫ মিনিট হালকাভাবে ঘষে কিছুক্ষণ রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করুন। রোদে পোড়া ভাব কেটে যাবে।

এছাড়া, হাত-পা খোলা রাখলে এসপিএফ (সান প্রোটেক্টর ইফেক্ট) ৩০ আছে এমন ধরনের সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২

ঘরে বসেই পার্লারের মত পেডিকিউর-মেনিকিউর


প্রতিদিনের রোদ ও ধুলোবালিতে আমাদের মুখের পাশাপাশি হাত ও পাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ত্বক কালো ও রুক্ষ হয়ে যায়। কিন্তু রূপচর্চায় আমরা হাত ও পাকে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করে থাকি। হাত পায়ের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার জন্য আমাদের নিয়মিত পেডিকিউর ও মেনিকিউর করা উচিত। কিন্তু পার্লারে গিয়ে পেডিকিউর ও মেনিকিউর করার তো আর সবার পক্ষে সম্ভব না। তাই আপনি বাসায় বসেই করে নিতে পারেন পার্লারের মত পেডিকিউর ও মেনিকিউর।

যা যা লাগবেঃ
পায়ের গোড়ালি ডোবে এমন একটি বড় বাটি
ব্রাশ
নেইল কাটার
ফাইলার
বাফার
কিউটিকল কাটার
শ্যাম্পু অথবা তরল সাবান
নেল পলিশ রিমুভার
পেট্রোলিয়াম জেলি/ লোশন
লেবু এবং চালের গুঁড়া, শসা গাজরের রস মিশিয়ে বানানো স্ক্রাব।

যেভাবে করবেনঃ
-প্রথমে নেইলপলিশ লাগানো থাকলে তা উঠিয়ে ফেলুন।
-গামলায় কুসুম গরম পানি নিয়ে এতে কিছু শ্যাম্পু মেশান। এরপর এতে ৫ মিনিট হাত ও পা ভিজিয়ে রাখুন। পায়ে ব্যথা থাকলে পানিতে একটু লবণ ছিটিয়ে নিন।
-এরপর পা মুছে নখ কেটে নিন। কিউটিকলে সমস্যা থাকলে কিউটিকল কাটার দিয়ে সাবধানে অতিরিক্ত কিউটিকল সরিয়ে নিন।
-এবার ঝামাপাথর দিয়ে পায়ের নিচে ও গোড়ালি ঘষে নিন। এতে করে পায়ের মরা চামড়া উঠে যাবে।
-এরপর নখে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে আবার ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এরপর ম্যাসাজ করে পরিষ্কার করে নিন। একটি শুকনা তোয়ালা দিয়ে পা মুছে ফেলুন।
এরপর আসবে স্ক্রাবের পালা। প্রথমে পায়ে স্ক্রাব মেখে রাখুন তিন মিনিট। তারপর ম্যাসাজ করে নিন দুই মিনিট, তারপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
-আবার পা ধুয়ে এবার নখে ও আঙুলে লেবুর রস মেখে পরিষ্কার করে নিন। নখ চকচকে করতে বাফার ঘষে নিতে পারেন। সবশেষে পা ধুয়ে মুছে ময়েশ্চারাইজার বা লোশন লাগিয়ে নিন।
ব্যাস হয়ে গেল পেডিকিওর। ঠিক একই ভাবে হাতেও সেরে নিন মেনিকিউর। প্রথমে পেডিকিউর করার পর মেনিকিউর, এতে হাতে বাড়তি চাপ পড়বে না। মাসে দুবার পেডিকিউর মেনিকিউর করলে হাত ও পায়ের কালো দাগ দূর হয়ে যায়।

রবিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২২

পায়ের যত্নে ঘরোয়া ফুট স্ক্রাব ও মাস্ক

পা নরম কোমল করতে স্ক্রাবঃ
যা যা লাগবে-
-ব্রাউন সুগার ২ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
-মধু ১ টেবিল চামচ
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ

রেসিপি-
একটি বাটিতে সব উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না এটি নরম পেস্ট আকার ধারণ করে। এবার আপনার পা দুটি একটি বড় গামলায় গরম পানি নিয়ে সেই পানিতে ১০ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে আপনার পায়ের আলগা ময়লা স্তর নরম হয়ে যাবে, বাটি থেকে পেস্ট নিয়ে আপনার পায়ে লাগান এবং আলতো হাতে ঘষতে থাকুন। একই উপায়ে অপর পায়েও এই স্ক্রাব লাগান। কিছু সময় এভাবে পায়ে এই স্ক্রাব ম্যাসাজ করে পা ধুয়ে ফেলুন।
এটি আপনার পায়ের ডেডসেল ও শক্ত ভাব দূর করে পা নারিশ আর সফট করে।

কলা ফুট মাস্কঃ
যা যা লাগবে-
-পাকা কলা
-হালকা গরম পানি(প্রয়োজন মতো)

রেসিপি-
পাকা কলা চটকে আপনার পায়ের গোড়ালিতে লাগান। এটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার পা ধুয়ে ফেলুন।
এই মাস্কের বিশেষত্ব হচ্ছে যাদের পায়ের গোড়ালি ফাটা বা খসখসে তারা এই ফুট মাস্ক ব্যবহার করার ফলে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন ও পায়ের গোড়ালি নরম কোমল আর সুন্দর হয়ে উঠবে। কারণ কলা আপনার পায়ের জন্য ভালো ফুট ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে।

ফুট ময়েশ্চারাইজার-
যা যা লাগবে-
-পেট্রোলিয়াম জেলি ১ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ২ থেকে ৩ ফোঁটা
-গরম পানি
-পায়ের কটন মোজা

রেসিপি-
পেট্রোলিয়াম জেলি ও লেবুস রস দিয়েই আপনি ঘরে বসে আপনার ফুট ময়েশ্চারাইজার বানিয়ে ফেলতে পারেন। এই দুই উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তবে পায়ে এটি লাগানোর আগে আপনার পা হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার পায়ে এই ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে আলতো ম্যাসাজ করে পায়ে মোজা দিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে উঠেই পাবেন সুন্দর কোমল এক জোড়া নজরকাড়া আকর্ষণীয় পা।

ফুট মশ্চারাইজার ক্রিম-
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
-ল্যাভেন্ডার অয়েল ২ থেকে ৩ ফোঁটা

রেসিপি-
অলিভ অয়েল ও ল্যাভেন্ডার অয়েল একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণ যখন আপনার প্রয়োজন বা ইচ্ছে হয় ব্যবহার করতে পারেন।
শুধু মনে রাখবেন যখনই এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন ক্রিমটা ভালো ভাবে ঝাঁকিয়ে নেবেন। এটি ব্যবহারে আপনার পায়ের সৌন্দর্য কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

পায়ের যত্নে কিছু হ্যান্ডি টিপসঃ
-পর্যাপ্ত পানি পান করুন সাথে তাজা সবজি ও ফলমূল খান।
-পায়ের নিয়মিত যত্ন করুন, পায়ের নখ বেশি বড় না করাই ভালো।
-শুধু মুখের ত্বকে নয় পায়েও ময়েশ্চারাইজার লাগান।
-পায়ে সব সময় হিলজুতো পড়া থেকে বিরত থাকুন। আবার একেবারে খুব পাতলা সোলের জুতাও পরবেন না।
-গরমকালে বেশি পায়ে ঘাম হয় তাই বাইরে থেকে এসে অবশ্যই পা ধুয়ে ফেলবেন।

শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১

পায়ের যত্ন


পায়ের ত্বককে নরম কোমল আর রোদে পোড়া ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর করতে সহজ কিছু উপায় জেনে নিই-

  • অল্প গরম পানিতে কিছুক্ষন পা ভিজিয়ে রাখুন। এবার লেবু আর চিনি মিশিয়ে একটি স্কার্ব বানিয়ে পাঁচ মিনিট পায়ের ত্বকে আস্তে আস্তে ঘষেস্কার্বিং করুন। পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • খাঁটি গরুর দুধ আপনার ত্বককে নরম কোমল করে আর দাগ দূর করতেও ভুমিকা রাখে । দুধ পায়ের পাতায় নিয়মিত ম্যাসাজ করুন আর তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • সহজ একটি প্যাক হল টমেটোর রস, বেসন, শসার রস এবং লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে পায়ের কালো ছোপ ছোপ দাগে বা সম্পূর্ণ পায়ে লাগান। শুকানোর পর পানি দিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার করুন। নিজেই আপনার পায়ের ত্বকের পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
  • নারকেল তেল আর লবণ নিয়ে মিশিয়ে পায়ের ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগান। আপনি চাইলে এর মধ্যে লেবুর রসও নিতে পারেন । পরে কুসুম গরম পানিতে আপনার পা দুটি কিছুক্ষন ভিজিয়ে রেখে আস্তে আস্তে পায়ের ত্বক হতে প্যাকটি উঠিয়ে ফেলুন পা পানির মধ্যে থাকা অবস্থায়। পরিষ্কার পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। এটি পর পর কিছুদিন একই ভাবে পায়ের জত্ন নিলে খুব সহজেই পায়ের ত্বকের নিস্প্রান রুক্ষ ভাব দূর হয়ে ত্বকে ফিরে আসে টান টান সজিবতা। নারকেল তেল ময়েশ্চারাইজিং হিসেবে পায়ে খুব ভাল কাজ করে। লবন ত্বকের শুষ্ক মৃত কোষগুলোকে দূর করে ফেলে স্কার্বিং এর মাধ্যমে।
  • এক চা চামচ লেবুর রস ও মধু একত্রে মিশিয়ে ছোপ ছোপ কালো দাগের উপর  প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। রাতের বেলা করলে ভাল ফল পাবেন। নিয়মিত করলে কিছুদিনের  ভিতরে পায়ের কালো দাগ দূর হয়ে  পায়ের ত্বক নরম কোমল হয়ে উঠবে।
  • একইভাবে অলিভ অয়েল এবং চিনির মিশ্রণও আপনি ব্যবহার করতে পারেন। বেশী না সপ্তাহে একবার করলেই হবে। তবে উপরের যেটাই আপনি করেন না কেন পা পরিষ্কার করার পর প্রয়োজন মতন ময়েশ্চারাইজিং করুন আপনার প্রিয় লোশন বা গ্লিসারিন ব্যবহার করে। ।
  • আপনার পায়ের ত্বকের যত্ন নিতে, ত্বককে সুন্দর আর কোমল রাখতে উপড়ের সহজ উপায়ের যেকোনো একটি চেষ্টা করে দেখুন নিয়মিত। অবশ্যই ভালো ফল পাবেন।

যন্ত্রণাদায়ক পায়ের গোড়ালি ফাটা ও সমাধান

পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ :
  • শুষ্ক জলবায়ুযুক্ত স্থানে বসবাস
  • স্থূলতা
  • সমানে খালি পায়ে হাঁটা বা চটি অথবা গোড়ালি খোলা জুতো পরা
  • নিষ্ক্রিয় ঘর্মগ্রন্থি
  • খুব বেশি শুকিয়ে যাওয়া
  • ময়েসচারাইজারের অভাব
  • পায়ের সঠিক যত্ন না নেয়া
  • অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
যদি সঠিক ভাবে পা ফাটা প্রতিরোধ করা সম্ভব না হয় তবে এই ফাটা অনেক বেশি গভীর পর্যন্ত চলে যায় যার ফলে রক্তপাতও হতে পারে। তাই পা ফাটাকে অবহেলা না করে এটি প্রতিরোধের উপায় খুঁজতে হবে। খুব সহজেই ঘরে বসে আপনি প্রতিরোধ করতে পারেন এই যন্ত্রণাদায়ক পা ফাটা রোগটি।

চালের গুঁড়ার ব্যবহার
একমুঠো চালের গুঁড়ো নিয়ে এতে ২/৩ টেবিল চামচ মধু, ২ তেবিল চামচ ভিনেগার, ১ তেবিল চামচ অলিভ অয়েল/ আলমণ্ড অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুণ। প্রথমে ১০ মিনিট গরম পানিতে পা ভিজিয়ে নিয়ে এই পেস্টটি দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভালো করে স্ক্রাব করে নিন। এতে করে পায়ের মরা চামড়া দূর হবে এবং শুষ্ক ভাবও চলে যাবে।

নিম পাতার ব্যবহার
১০/১৫ টি নিম পাতা নিয়ে ধুয়ে ভালো করে বেটে নিন। এতে ৩ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই পেস্টটি পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন পুরু করে। ৩০ মিনিট রেখে গরম পানি দিয়ে পা ভালো করে ধুয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন। নিমের অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান দ্রুত পা ফাটা রোধ করবে।

মধুর ব্যবহার
মধুর ময়েসচারাইজিং এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান পা ফাটা ও শুষ্ক ত্বক দুটোই দূর করতে সাহায্য করে। অর্ধেক বালতি পানিতে ১ কাপ পরিমানে মধু ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে এই পানিতে ১৫-২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর একটি স্ক্রাবার দিয়ে আলতো করে পা ঘষে নিন।

গোলাপজল ও গ্লিসারিনের ব্যবহার
গোলাপজলে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৩, সি, ডি ও ই, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা পা ফাটা দূর করে। এবং গ্লিসারিন ত্বককে নরম ও কোমল করতে সহায়তা করে। সমান পরিমাণ গোলাপজল এবং গ্লিসারিন মিশিয়ে নিয়ে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ের গোড়ালি ও পাতায় ম্যাসেজ করুণ।

কলার ব্যবহার
সব চাইতে সহজ পদ্ধতিটি হচ্ছে কলার ব্যবহার। একটি পাকা কলা নিয়ে তা ভালো করে পিষে নিন। পা ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়ে এই পিষে নেয়া কলাটি পায়ের ওপর লাগান। ১০-১৫ মিনিট পড়ে গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে পা খানিকক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন।

লেবুর ব্যবহার
লেবুর এসিডিক উপাদান পায়ের ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে পা ফাটা রোধ করে। একটি লেবু কেটে নিয়ে সরাসরি তা দিয়ে পায়ের গোড়ালিতে ঘষুন। এছাড়া হাল্কা গরম পানিতে লেবুর রস চিপে দিয়ে ১০-১৫ মিনিট ডুবিয়ে রেখে ঝামা ইট দিয়ে ঘষে নিন পায়ের গোড়ালি। পা ফাটা প্রতিরোধ হবে।

লবণ গরম পানির ব্যবহার
অর্ধেক বালতি গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে এতে পা ডুবিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে পা ডুবান। এতে করে পায়ের ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। এরপর পা ধুয়ে মুছে নিয়ে ফুটক্রিম বা পেট্রোলিয়াম জেলি ম্যাসেজ করে নিন। খুব দ্রুত পা ফাটা থেকে রেহাই পাবেন।

বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১

আঙুলের গিঁটের কালচে দাগ দূর করতে তিনটি উপায়

১) ব্লিচ পদ্ধতি

ঘরেই শুধুমাত্র লেবু ও মধুর মাধ্যমে ব্লিচ করে এই কালচে গিঁটের সমস্যার সমাধান করতে পারেন। লেবুর ব্লিচিং এজেন্ট কালচে দাগ দূর করে এবং মধুর প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার ত্বকের রুক্ষতা দূর করে মসৃণভাব ফুটিয়ে তোলে।
– ১ চা চামচ মধুতে ১ চা চামচ তাজা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি হাতের আঙুলের গিঁটে ভালো করে লাগিয়ে নিন।
– মাত্র ১ মিনিট ম্যাসেজ করে নিন এই মিশ্রণটি আঙুলের গিঁটে এবং পায়ের পাতার কালচে দাগের উপরে।
– এরপর ১০ মিনিট এভাবেই রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন। সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহারে খুব দ্রুত কালচে দাগ দূর হয়ে যাবে।

২) আমন্ড অয়েলের ব্যবহার

আমন্ড অয়েল অর্থাৎ কাঠবাদামের তেল ত্বকের জন্য খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। শুধুমাত্র আমন্ড অয়েলের ব্যবহারেই এই কালচে দাগ দূর করে দিতে পারেন আপনি।
– প্রতিদিন কয়েক ফোঁটা আমন্ড অয়েল আঙুলের এই কালচে দাগের উপর এবং পায়ের পাতার কালো হয়ে যাওয়া অংশের উপরে ম্যাসেজ করুন।
– ২-৩ মিনিট প্রতিদিন এভাবে ম্যাসেজ করে নিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রুক্ষতা ও কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

৩) বেকিং সোডা ও গ্লিসারিনের ব্যবহার

বেকিং সোডার ব্লিচিং এজেন্ট কালচে দাগ দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী এবং গ্লিসারিন ত্বকের মসৃণতা ধরে রাখবে দীর্ঘসময়।
– একটি বড় বোলে কুসুম গরম পানি নিয়ে এতে কয়েক চামচ বেকিং সোডা এবং ১ চা চামচ গ্লিসারিন এবং ১ চ চামচ গোলাপজল ভালো করে মিশিয়ে নিন।
– এই পানিতে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন ৫-১০ মিনিট। এরপর কালচে দাগের উপর ভালো করে ম্যাসেজ করে নিন।
– সপ্তাহে ২ বার ব্যবহারেই ভালো ফলাফল পাবেন।

শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১

“নখের কোণা ওঠা” সমস্যার সমাধান

-হাত বা পা উষ্ণ লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। যতটা সহ্য করতে পারেন, ততটা গরম পানি নেবেন।

-কাজ শুরুর আগে মেনিকিউর সেট গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিন।

-এবার পা/হাত ভালো করে মুছে নিন। মুছে নেয়ার পর নখ কাটুন। বেড়ে ওঠা বাড়তি নখ ও তার আশেপাশে যতটা সম্ভব কেটে ফেলুন।

-এবার রয়ে যাওয়া বাড়তি নখ চিমটার সাহায্যে সামান্য উঁচু করে ধরুন এবং আরেকটি চিমটার সাহায্যে সামান্য একটু তুলো নখের নিচে গুঁজে দিন। খুব সাবধানে কাজটি করুন। এই কাজটি আপনার নখে ব্যথা হতে দেবে না।

-যতদিন নখে বড় না হচ্ছে আর আপনি কেটে যন্ত্রণাদায়ক বাড়তি কোণা বাদ দিতে না পারছেন, ততদিন পর্যন্ত এভাবেই তুলো দিয়ে রাখুন। দিনে ২/১ বার বা জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে তুলো বদলে দেবেন।

-যদি ইতিমধ্যেই ইনফেকশন হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান। এই পদ্ধতি অবলম্বন করবেন না।

-পা/হাত সর্বদা পরিষ্কার রাখুন এবং এমন হলে মোজা পরিধান করবেন না।

শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১

গোড়ালি ফাটা রোধে কার্যকরী উপায়

– প্রথমত পা সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। ধুলাবালি পায়ের সবচেয়ে বড় শত্রু। তাই কাজ শেষে ঘরে ফিরে সামান্য স্ক্রাব বা ঘষে পা ধুয়ে নিন। পায়ে ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে হবে। পা ধোয়ার পর পা ভেজা থাকা অবস্থায় মুছে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভোলা যাবে না।

– সকালে বিছানা থেকে নামার আগেই পায়ের গোড়ালিতে একটু পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে ম্যাসাজ করে নিতে পারেন। নিয়মিত করতে পারলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন। কারণ পা ফাটার শুরু হয় এসময় থেকেই। তাই ব্যবস্থা শুরুতেই নিলে খুব বেশি ভয় থাকে না।

– গোসলের আগে পায়ে তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে ত্বক নরম থাকবে। তিল তেল বা যেকোনো ভেজিটেবল অয়েল পায়ের জন্য খুবই উপকারী। সারা বছর পায়ের ত্বক নরম রাখতে তিল তেল ভালো। ম্যাসাজের আগে সম্ভব হলে তেল অল্প গরম করে নিন।

– সপ্তাহে এক দিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিতে পারেন। সেজন্য রাতে শোবার আগে উষ্ণ গরম পানিতে লবণ, শ্যাম্পু মিশিয়ে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখতে হবে। গরম পানির স্পর্শে গোড়লির মরা ত্বক নরম হলে স্ক্রাবার বা পা ঘষার পাথর দিয়ে গোড়ালি ঘষে পরিষ্কার করতে হবে। এতে মরা ত্বক ঝরে পড়বে, ফাটাও দূর হবে।

– পায়ের যেকোনো পরিচর্যায় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। এতে ত্বক কোমল হয়। অপরদিকে ঠাণ্ডা পানি ত্বককে আরও শক্ত করে ফেলে। বাইরে থেকে ফিরে সামান্য গরম পানিতে পা ধুয়ে নিয়ে আলতো করে ময়েশ্চারাইজার ও গ্লিসারিন মালিশ করে নিলেও উপকার পাবেন।

– পায়ের ত্বকের কোমলতার জন্য ময়দা, হলুদের গুঁড়া, লেবুর রস ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে লাগালে উপকার পাবেন।

– পায়ে মুলতানি মাটি, শসার রস, কমলার রস ও টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে পায়ে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে।

– নিয়মিত পরার জুতাটি শক্ত হলেও পা ফাটতে পারে। এ জন্য সব সময় পায়ের পক্ষে আরামদায়ক জুতা পরার চেষ্টা করুন। শীতে পায়ের গোড়ালি ঢাকা জুতা পরাই ভালো।

– যারা বাইরে নিয়মিত বের হন ও বেশি হাঁটাহাঁটি করেন তারা মোজাসহ পা-বন্ধ জুতা পরতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, পা যেন না ঘামে। প্রতিদিন পরিষ্কার মোজা পরুন।

– পায়ে ঘাম ও ধুলোময়লা জমে অনেকেরই ছত্রাক সংক্রমণের সমস্যা দেখা যায়। এতে অতিরিক্ত পা ফাটার প্রবণতাও থাকে। সে ক্ষেত্রে জটিলতা বেশি হলে বা সংক্রমণ হয়েছে মনে হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১

নখ পরিচর্যার ৮টি সহজ টিপস্‌

১/নখ সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখবেন। নখ ভেজা থাকলে নখের ভেতর ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাশ জন্মাতে পারে। এ থেকে ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

২/বাড়িতেই নিয়মিত মেনিকিউর করে নিতে পারেন। মেনিকিউর ক্লিপার বা কাটার দিয়ে নিয়মিত নখ কেটে নেইল ফাইলার দিয়ে শেপ করে নিন। নখ কাটার আগে ঈষদুষ্ণ পানিতে নখ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। ভেজা নখ নরম থাকে, ফলে কাটতেও সুবিধা হয় এবং নখের কোনো ক্ষতিও হয় না।

৩/অনেক সময় বিভিন্ন কারণে নখ ভেঙে যায়। কোনো কারণে নখ ভেঙে গেলে কখনই টেনে ছিঁড়বেন না। টেনে ছিঁড়লে ব্যথা তো লাগবেই, সেই সঙ্গে নখের শেপও নষ্ট হয়ে যাবে। ভাঙা নখ সাবধানে নেইল কাটার দিয়ে কেটে ফেলতে হবে।

৪/সবসময় নেইলপলিশ ব্যবহার না করাই ভালো। এতে নখের স্বভাবিক রং নষ্ট হয়ে যায়। দু-সপ্তাহ অন্তর নেইল পলিশ ফেলে কয়েকদিন নখ এমনই রেখে দিন। এতে নখে আলো-হাওয়া লাগে, যা নখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৫/দাঁত দিয়ে নখ কাটা অথবা নখের চারপাশের চামড়া কাটার বদ অভ্যাস যত তাড়াতাড়ি ছাড়তে পারবেন ততই ভালো।

৬/প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পেট্রোলিয়াম জেলি অথবা ময়েশ্চারাইজার দিয়ে নখ ম্যাসাজ করা ভালো।

৭/নেইল পলিশ রিমুভার যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। বেশি রিমুভার ব্যবহার করলে নখের ন্যাচারাল ময়েশ্চার নষ্ট হয়ে যায় এবং নখ শুষ্ক হয়ে যায়। সপ্তাহে একবারের বেশি রিমুভার ব্যবহার না করাই ভালো।

৮/সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজিং হ্যান্ড ক্রিম অথবা লোশন লাগিয়ে নেবেন। সাবান হাতের ত্বকের পাশাপাশি নখের ময়েশ্চারও নষ্ট করে দেয়।

সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আকর্ষণীয় সুন্দর নখ পেতে হলে যা করবেন

কল্পনা করুন খুবই আকর্ষনীয় এবং ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন একজন নারী। কিন্তু যখনই তিনি হাতটি উপরে তুললেন, তখন তার নখের ধরণ দেখে তার প্রতি জন্ম নেয় ইতিবাচক ধারণা নেতিবাচকে পরিণত হলো। তার ময়লা এবং বিবর্ণ নখ অযত্ন এবং অজ্ঞতারই পরিচয় বহন করে। এটি যে শুধু সৌন্দর্যহানীকর তা নয়, অস্বাস্থ্যকরও বটে।
একই কথা খাটে পায়ের নখের ক্ষেত্রে। এর যত্নে অবহেলা আপনার ব্যক্তিত্ব খর্ব করার জন্য যথেষ্ট। সুতরাং আপনার মুখ এবং ত্বকের যত্ন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সমানভাবে নখের দিকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে। আর এই জন্য দেখে নিন আকর্ষণীয় সুন্দর নখ পেতে হলে যা করবেন আপনি।

নখের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

নখ পরিষ্কার রাখা খুবই সহজ। এর জন্য ভালো মানের হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করবেন। হাতের নখের ময়লাগুলো আলতো করে পরিষ্কার করুন। বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না। অনেক সময় দৈনন্দিন কাজে নখ এবং এর আশেপাশের ত্বকে দাগ পরে যায়। এই দাগ দূর করতে সহ্য করার মতো গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে হাত ডুবিয়ে রাখুন। লেবুর রস দাগও দূর করবে আর আপনার নখের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে। পায়ের নখ পরিষ্কার করতে একটি সুতি কাপড়ে সবান পানি দিয়ে ঘষুন। এই সৌন্দর্য ধরে রাখতে প্রতিদিন দুইবার নখ পরিষ্কার করা উচিত।
এর সাথে সপ্তাহে একবার মেনিকিউর-পেডিকিউরও করা উচিত।

নখের কোমলতা

নখ পরিষ্কার করার পর একটি তোয়ালে দিয়ে নখে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করুন। নখে পানি জমে থাকলে তা থেকে ইনফেকশন হতে পারে। এবার পায়ের নখে কোনো ভালো মানের ময়শ্চারাইজিং ক্রিম নখ এবং এর আশপাশের ত্বকে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে আপনার নখের চারপাশের ত্বক কোমল থাকবে। হাতের নখের জন্য অলিভ অয়েল, এলমন্ড কিংবা ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

নখের সুস্বাস্থ্য

আপনার সুন্দর নখ প্রকাশ করে আপনার ব্যক্তিত্ব এবং সুস্বাস্থ্য। যদি নখ হয় কোমল, মসৃণ এবং গোলাপী তাহলে বোঝা যাবে আপনার শরীরও সুস্থ্য আছে। ভাঙা, বিবর্ণ এবং দাগযুক্ত নখ কোন রোগ বা শারীরিক ভারসাম্যহীনতার চিহ্ন বহন করে। বেশি করে ভিটামিন এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন দুগ্ধজাত খাদ্য, ফল-মূল, শুষ্ক ফল এবং সবুজ শাক-সবজি খেলে শরীরের সাথে সাথে নখও কোমল, মসৃণ এবং উজ্জ্বল থাকবে।

শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

হাতের আঙুলের গিঁটের কালো দাগ দূর করার উপায়

১। লেবু এবং চিনির স্ক্রাব

২ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ লেবুর এবং ১ চা চামচ চিনি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি দিয়ে আঙ্গুলের গিঁটে ম্যাসাজ করে লাগান। এভাবে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। লেবুর ব্লিচিং এজেন্ট কালচে দাগ দূর করে এবং মধুর প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার ত্বকের রুক্ষতা দূর করে মসৃণভাব ফুটিয়ে তোলে। যা আঙুলের গিঁটের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

২। দুধের সর এবং হলুদের গুঁড়ো

১ চা চামচ দুধের সর এবং ১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়োর সাথে ২-৩ ফোঁটা বাদামের তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এবার প্যাকটি আঙুলের গিঁটসহ কালো হয়ে যাওয়া ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পেতে এটি সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন।

৩। দুধ এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল

১ চা চামচ দুধ, দুধের সরের সাথে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিন। এই পেস্টটি ত্বকে ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট লাগিয়ে নিন। এটি আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।

৪। অলিভ অয়েল এবং চিনি

৩ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং ২ চা চামচ চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে ফেলুন। এবার এটি হাতের গিঁটের কালো স্থানে ৫ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর হালকা কোন ময়োশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১

হাত-পায়ের যত্ন নিতে ১২টি টিপস

 


আমরা সবাই হাতের এবং পায়ের কথা ভুলে গিয়ে মুখের যত্ন নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকি। অথচ হাত-পায়ের যত্ন মুখের মতই সমানভাবে ইম্পরট্যান্ট। সূর্যরশ্মির সরাসরি প্রভাবের কারণে মেলানিন উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে আমদের ত্বকে কালচে ছোপ পড়ে। যদি আপনি ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে থাকেন কিন্তু হাত পা কাল হয়ে থাকে তাহলে আর লজ্জায় ভুগবেন না।

 কারণ নিচে দেয়া ১২টি টিপস প্রাত্যহিক ব্যবহার করে আপনার হাত-পায়ের যত্ন নিলে মুখের মত এরাও সুন্দর থাকবে। হাত-পায়ের যত্ন নিতে ১২টি টিপস:

 ১. কমলার খোসা শুকিয়ে সেটা গুঁড়ো করে কাঁচা দুধের সাথে মিশিয়ে নিয়মিত হাতে পায়ে লাগান,অবশ্যই ভাল ফলাফল পাবেন।

 ২. শসা, টমেটো এবং লেবুর রসের সাথে চন্দন গুঁড়ো মিশিয়ে হাতে পায়ে লাগান আর ১৫ মিনিট পরেই দেখুন কালচে পড়া হাত পায়ের উজ্জ্বলতা। হাত-পায়ের যত্ন নিতে লেবু, টমেটো ও শসা -

 ৩. ২ টেবিল চামচ বেসন, ২ চিমটি কাঁচা হলুদ, ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস আর ১ চা চামচ দুধ দিয়ে প্যাক বানিয়ে ফেলুন। হাতে এবং পায়ে ৫ মিনিট ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন এই প্যাকটি। তারপর ২০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তবে মনে রাখবেন হলুদ কিন্তু সবাইকে স্যুট করে না। তাই আগে একটু টেস্ট করে নিবেন কাঁচা হলুদ আপনার বন্ধু না শত্রু।

 ৪. ঘৃত কুমারীর নাম আমরা সবাই শুনেছি। এটির থকথকে জেলটা হাত-পায়ের যত্ন নিতে হাতে-পায়ে রাব করলে ভাল উপকার পাওয়া যায়।

 ৫. ১ টেবিল চামচ গুড়োঁ দুধ, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে হাত পায়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর পরিষ্কার করুন। এই প্যাকটি শাইন আনবে আর সানটান দূর করবে। 

 ৬. কাঁচা আলুর রস দিনে ২বার করে ব্যবহার করলেও খুব দ্রুত উজ্জ্বল লাবণ্যময় হাত-পা দেখে নিজেই অবাক হবেন। 

৭. এই প্যাকটি শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। সমপরিমাণ লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে হাতে পায়ে লাগান। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। 

 ৮. এক চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ শশার রসের সাথে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে হাতে পায়ে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন আর ২ সপ্তাহ পর সবার প্রশংসা পাবার জন্য তৈরি থাকুন। এই প্যাক প্রতিদিন ব্যবহার করবেন।

 ৯. ফর্সা হাত পায়ের জন্য ৩ চামচ বোরাক্স পাউডার, ২ চামচ গ্লিসারিন আর ২ কাপ গোলাপ জলের পেস্ট তৈরি করুন। হাত পায়ে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

 ১০. ২ মগ পানিতে একটি লেবুর অর্ধেক রস মিশিয়ে হাত পা ডুবিয়ে রাখুন। এইভাবে দিনে ৩ বার করুন।

 ১১. আপনার যদি টমেটোতে অ্যালার্জি না থেকে থাকে তাহলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সাথে টমেটোর ক্লাথ মিশিয়ে হাতে এবং পায়ে ব্যবহার করুন আর ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। 

১২. আমরা সবাই জানি দই সানটান কমাতে খুবই উপকারী। প্লেন টক দই হাতে পায়ে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন তারপর ধুয়ে ফেলুন। প্রত্যেকদিন ব্যবহার করলে ৭ দিনের মধ্যে সুফল পাবেন

মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১

শীতে পা ফাটা দূর করুন ৩টি উপায়ে

পা ফাটার কারণ

ঠান্ডা আবহাওয়া
পানির স্বল্পতা
কারো পা প্রাকৃতিক ভাবে শুষ্ক হয় তবে ফেটে যেতে পারে
দীর্ঘ সময় কোন শক্ত স্থানে দাঁড়িয়ে থাকলে পা ফেটে যেতে পারে
অনেক গরম পানি দিয়ে গোসল করা
ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডে সমস্যায়
বয়স বৃদ্ধির কারণে
নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং না করা ইত্যাদি।

১। নারকেল তেল

পা ফাটা রোধ করার সবচেয়ে সহজ এবং সস্তা উপায় হল নারকেল তেল। নারকেল তেল পা ময়েশ্চারাইজ করে ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস দূর করে থাকে।
– ঘুমাতে যাওয়ার আগে কুসুম গরম পানিতে পা ভিজিয়ে নিন। তারপর পা ঘষে নিন।
– তারপর পা মুছে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন।
– এভাবে সারা রাত থাকুন।
– পরের দিন সকালে পা ধুয়ে ফেলুন।
– এটি নিয়মিত করুন যত দিন পর্যন্ত না পা ফাটা সম্পূর্ণ ভাল হচ্ছে। আপনি চাইলে অলিভ অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।

২। পেট্রোলিয়াম জেলি এবং লেবুর রস

পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার শুষ্ক ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে থাকে। এটি ফাটা দাগ সমান করে থাকে। এর সাথে পায়ের পাতা নরম করে তোলে।
– ১ চা চামচ পেট্রোলিয়াম জেলি, ১টি লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
– প্রথমে পা কুসুম গরম পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
– তারপর পা শুকিয়ে নিন।
– জেলি, লেবুর রসের মিশ্রণটি পায়ে লাগান।
– হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন।
– এভাবে সারা রাত রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে পা ধুয়ে ফেলুন।
– ভাল ফল পেতে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

৩। ভিনেগার

ভিনেগারে অ্যাসিটিক এসিড আছে যা পায়ের তালু এক্সফলিয়েট করে। এবং পায়ের পাতাকে নরম করে থাকে।
– ১/২ বা ১ কাপ সাদা বা আপেল সাইড ভিনেগার এবং ২ কাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে নিন।
– এই মিশ্রণে পা ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
– তারপর হালকা হাতে ঘষে নিন।
– পা শুকিয়ে গেলে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ময়েশ্চারাইজার দিয়ে দিন।
– এছাড়া চালের গুঁড়া, মধু, ভিনেগার, অলিভ অয়েল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।
– পা ভাল করে ধুয়ে এটি দিয়ে কয়েক মিনিট ঘষুন। তারপর কসুমু গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন।
এটি সপ্তাহে দু বার করুন।

সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১

অল্প সময়ে কালো কনুই ফর্সা করার ২টি উপায়

ঘাড়ের কালো দাগের মত কনুইয়ের কালো দাগও নারী-পুরুষ উভয়ের কাছেই একটা বড় সমস্যা। বিশেষ করে যারা ছোট হাতের পোশাক পড়েন, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা দিন দিন যেন বাড়তেই থাকে। মুখ কিংবা ঘাড়ের চাইতে কনুইয়ের চামড়া মোটা ও খসখসে, তাই সাধারণ উপায়ে দূরও করা যায় না এই দাগ। কী করবেন? জেনে নিন খুব অল্প সময়ে কনুইকে ফর্সা করা তোলার কিছু কৌশল।

লেবু ও মধু

কনুইয়ের কালো দাগ দূর করার জন্য লেবু একটি দারুণ উপাদান। আর এর কার্যকারিতা বাড়ায় বহু গুণের মধু। কনুয়ের কালো অংশে মধু মাখিয়ে নিন। তারপর তাজা লেবু কেটে সেই লেবু ঘষুন কনুইতে। বেশ অনেকটা সময় ঘষার পর ৩০ মিনিট এভাবেই রেখে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। গোসলের আগে নিয়মিত করুন, দাগ দ্রুত দূর হবে।

হলুদ ও দুধ

হলুদ গুঁড়ো ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণ ১ দিন পর পর কনুইতে মাখুন। ১০/১৫ মিনিট পট পানি দিয়ে ধুয়ে সাবান দিয়েও পরিষ্কার করে নিন। কনুইতে হলুদের দাগ দেখে চিন্তিত হবে না, ২/১ দিন পর দাগ দূর হয়ে যাবে।

অ্যালোভেরা জেল তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে ভেতরের জেল সংগ্রহ করুন। এটা সরাসরি কনুইতে লাগান, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন নিয়মিত ব্যবহারেই ফল পাবেন।

শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

কনুই এবং হাঁটুর কালচে দাগ দূর করার উপায়

কনুই এবং হাঁটুতে কালচে দাগ হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে-
 (১) কনুই এবং হাঁটুতে মরা চামড়ার আস্তরণ পড়ার  ফলে  স্থানগুলো কালচে হয়ে যায়।
(২) কনুই এবং হাঁটুতে অতিরিক্ত প্রেসার পড়ার ফলেও কালচে দাগ পড়ে যায়।
(৩) অতিরিক্ত ওজনও এই কালচে দাগের কারণ।
(৪) এছাড়াও ড্রাই স্কিন, জেনেটিক, ইম্প্রপার হাইজিন ইত্যাদি এর কারণ হতে পারে।

প্রথম ধাপ (স্কিন সফটেনিং)

আমরা স্কিনকে পরবর্তী ধাপের জন্য তৈরি করে নিব। কনুই এবং হাঁটুর এড়িয়া অনেক বেশি ড্রাই হয়ে থাকে। তাই একে সফট এবং হাইড্রেট করে নেওয়ার জন্য শসা অত্যন্ত ভালো কাজ করে। শসা চাক চাক করে কেটে নিয়ে কনুই এবং হাঁটুর কালচে দাগের উপর ১০-১৫ মিনিট ঘষে নিতে হবে। এরপর ৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
শসা স্কিনকে ময়েশ্চারাইজ করে।  এতে ন্যাচারাল ব্লিচিং এজেন্ট রয়েছে, যা কালচে দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে ভিটামিন  সি, ই এবং এ রয়েছে, যা আমাদের স্কিনকে রেডিয়েন্ট ইফেক্ট এবং সান প্রোটেকশন দেয়।

দ্বিতীয় ধাপ (এক্সফ্লোয়েটিং)

প্রথম ধাপে শসা দিয়ে স্কিনকে দ্বিতীয় ধাপের জন্য তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। আর এই ধাপে আমরা কনুই এবং হাঁটুতে এক্সফ্লোয়েটিংয়ের মাধ্যমে স্কিন স্মুদ করার পাশাপাশি তৃতীয় ধাপের জন্য প্রস্তুত করব।
এই এক্সফ্লোয়েটোর তৈরি করতে  বেকিং পাউডার এবং কাচা দুধ লাগবে। একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা এবং ২ টেবিল চামচ কাচা দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।  এই মিশ্রণটি কনুই এবং হাঁটুতে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ৫ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
বেকিং সোডা একটি জেন্টল স্কিন ক্লিঞ্জার এবং ন্যাচারাল স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। এটি কনুই এবং হাঁটুর মরা চামড়া দূর করে এবং জীবাণু নাশ করতে সাহায্য করবে এবং পরবর্তীতে যেই প্যাকটি আমরা ব্যবহার করব তা ত্বককে শুষে নিতে সাহায্য করবে আর  কাচা দুধ আমাদের স্কিনকে ক্লিন এবং ময়েশ্চারাইজিং করে।

তৃতীয় ধাপ (হোয়াইটেনিং প্যাক)

দ্বিতীয় ধাপের পর এবার প্যাক লাগানোর পালা। তার আগে তো হোয়াইটেনিং প্যাকটি তৈরি করতে হবে। হোয়াইটেনিং প্যাক তৈরি করতে লাগছে- পেঁয়াজ, লেবুর রস, মধু এবং বেসন। একটি বাটিতে ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের পেস্ট, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, হাফ টেবিল চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ বেসন নিয়ে মিক্স করে নিন।  এই মিশ্রণটি কনুই এবং হাঁটুর কালচে দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
 পেঁয়াজ স্কিনকে নারিশ করে, স্কিনের ইম্পিউরিটি দূর করে এবং কালচে দাগ রিমুভ করে। লেবুর রসে ৬% সাইট্রিক এসিড রয়েছে, যা স্কিন টোন কে লাইট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। মধুতে ন্যাচারাল ব্লিচিং এজেন্ট রয়েছে, যা স্কিনকে ক্লিয়ার এবং ময়েশ্চারাইজ করে। বেসনে রয়েছে স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট যা স্কিনকে লাইট করে তোলে। এছাড়াও এটি স্কিনের ডেড স্কিন সেল রিমুভ করে।

সবশেষ ধাপ (ময়েশ্চারাইজিং)

হোয়াইটেনিং প্যাকের পরে আপনার পছন্দমত যে কোনো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এছাড়াও প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
এই প্রসেসটি সপ্তাহে ২-৩ দিন করবেন। একটু নিজের জন্যে সময় বের করে ধৈর্য ধরে করে নিলেই হলো।