চোখ কান মুখমণ্ডলের যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চোখ কান মুখমণ্ডলের যত্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের উপকারিতা

 

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহার

 বর্তমান সময়ে ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এর মধ্যে অলিভ অয়েল (Olive Oil) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কার্যকর উপাদান। প্রাচীনকাল থেকেই ত্বক ও চুলের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে থাকা ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে করে তোলে কোমল, মসৃণ ও উজ্জ্বল। অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন E, ভিটামিন A এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কোষকে পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে শুধু সুন্দরই করে না, বরং ত্বকের ক্ষত সারাতেও সহায়তা করে।

🌼 ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের উপকারিতা

✅ ১. প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার

অলিভ অয়েল ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বককে দীর্ঘ সময় আর্দ্র রাখে।

✅ ২. ত্বক উজ্জ্বল করে

নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের নিস্তেজ ভাব দূর হয়ে ত্বক হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল।

✅ ৩. বয়সের ছাপ কমায়

অলিভ অয়েলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমাতে সাহায্য করে।

✅ ৪. ব্রণ ও দাগ কমাতে সাহায্য করে

এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা ব্রণ কমাতে ও ত্বকের দাগ হালকা করতে সহায়ক।

✅ ৫. ত্বক পরিষ্কার রাখে

অলিভ অয়েল একটি প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে এবং মেকআপ সহজে তুলে ফেলতে সাহায্য করে।

🧴 ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহারের উপায়

✔️ ম্যাসাজ: রাতে ঘুমানোর আগে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মুখে হালকা ম্যাসাজ করুন।

✔️ ফেসপ্যাক: অলিভ অয়েল + মধু + দই মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে ব্যবহার করুন।

✔️ স্ক্রাব: অলিভ অয়েল ও চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব করলে মৃত কোষ দূর হয়।
✔️ মেকআপ রিমুভার: তুলায় অলিভ অয়েল নিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

⚠️ ব্যবহারে সতর্কতা

  • অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বক তৈলাক্ত করে দিতে পারে
  • যাদের ত্বক খুব তেলতেলে, তারা সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করবেন
  • প্রথমবার ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করা ভালো  

 

🌸 উপসংহার

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল একটি সহজলভ্য, নিরাপদ ও কার্যকর প্রাকৃতিক উপাদান। নিয়মিত সঠিকভাবে ব্যবহার করলে আপনি ঘরে বসেই পেতে পারেন উজ্জ্বল, কোমল ও স্বাস্থ্যকর ত্বক। তাই আজ থেকেই আপনার স্কিন কেয়ার রুটিনে অলিভ অয়েল যুক্ত করুন।


 

 

বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

🌿 ত্বকের যত্নে কাঁচা হলুদ: প্রাকৃতিক ফেসপ্যাকের সেরা উপায়

 

কাঁচা হলুদ দিয়ে প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক তৈরির উপায়

 প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নিতে চাইলে কাঁচা হলুদের বিকল্প খুব কমই আছে। প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় কাঁচা হলুদ ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে তোলে। যারা ঘরোয়া উপায়ে সুন্দর ত্বক পেতে চান, তাদের জন্য কাঁচা হলুদ একটি দারুণ সমাধান।

কাঁচা হলুদের উপকারিতা

১. ত্বক উজ্জ্বল করে

কাঁচা হলুদ ত্বকের কালচে ভাব দূর করে এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।

২. ব্রণ ও দাগ কমায়

এটি ত্বকের ব্যাকটেরিয়া দূর করে, ফলে ব্রণ কমে এবং দাগ হালকা হয়।

৩. ত্বক পরিষ্কার রাখে

কাঁচা হলুদ ত্বকের গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

৪. বয়সের ছাপ কমায়

নিয়মিত ব্যবহারে বলিরেখা কমে এবং ত্বক থাকে টানটান।

কাঁচা হলুদের প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক

১. হলুদ ও দুধ ফেসপ্যাক

উপকরণ:

  • ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা
  • ২ চা চামচ দুধ
  •  

    ব্যবহার:
    মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫–২০ মিনিট রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
    👉 ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

    ২. হলুদ ও মধু ফেসপ্যাক

    উপকরণ:

    • ১ চা চামচ হলুদ
    • ১ চা চামচ মধু

    ব্যবহার:
    মুখে লাগিয়ে ১০–১৫ মিনিট রাখুন।
    👉 ব্রণ কমাতে কার্যকর।

    ৩. হলুদ ও লেবুর রস

    উপকরণ:

    • ১ চা চামচ হলুদ
    • কয়েক ফোঁটা লেবুর রস

    ব্যবহার:
    মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখুন।
    👉 ত্বকের কালো দাগ কমায়।

    সতর্কতা

  • অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ত্বক হলুদ হয়ে যেতে পারে
  • সংবেদনশীল ত্বকে আগে প্যাচ টেস্ট করুন
  • সপ্তাহে ২–৩ বার ব্যবহার করাই ভালো
  •  

     

     

     

    সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

    আলু দিয়ে মুখের যত্ন: ঘরে বসেই পান উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক

     

    আলু দিয়ে মুখের যত্নের প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক

    ত্বকের যত্নে আমরা অনেক দামি প্রসাধনী ব্যবহার করি। কিন্তু জানেন কি? আপনার রান্নাঘরের সাধারণ আলুই হতে পারে ত্বকের জন্য দারুণ কার্যকর একটি প্রাকৃতিক উপাদান! আলুতে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান, যা ত্বক উজ্জ্বল ও দাগহীন করতে সাহায্য করে।আজ জানবো আলু দিয়ে মুখের যত্নের সহজ ও কার্যকর কয়েকটি পদ্ধতি।

    🥔 আলু দিয়ে মুখের যত্নের ৭টি কার্যকর উপায়

    ১️। আলুর রস সরাসরি ব্যবহার

    একটি কাঁচা আলু ব্লেন্ড করে রস বের করুন। তুলা দিয়ে মুখে লাগান।
    ১৫–২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

    👉 সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল হবে।

    ২️। আলু ও মধুর ফেসপ্যাক

    উপকারিতা: ত্বক নরম ও মসৃণ করে

    যেভাবে বানাবেন:

    ২ চামচ আলুর রস

    ১ চামচ মধু

    মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

    ৩️। আলু ও লেবুর রস

    উপকারিতা: তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী

    ২ চামচ আলুর রস

    কয়েক ফোঁটা লেবুর রস

    মিশিয়ে মুখে লাগান, শুকালে ধুয়ে ফেলুন।

    ৪️। আলু ও হলুদের প্যাক

    উপকারিতা: ব্রণ কমাতে সাহায্য করে

    আলুর পেস্ট

    এক চিমটি হলুদ

    ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

    ৫️। ডার্ক সার্কেলের জন্য আলু

    পাতলা করে কাটা আলুর স্লাইস চোখের উপর ১০-১৫ মিনিট রাখুন।
    নিয়মিত ব্যবহার করলে চোখের নিচের কালচে ভাব কমে।

    ৬️।  আলু ও দইয়ের ফেসপ্যাক

    উপকারিতা: রোদে পোড়া ত্বক ঠান্ডা করে

    ২ চামচ আলুর পেস্ট

    ১ চামচ টক দই

    মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে রাখুন।

    ৭️। আলু ও চালের গুঁড়া স্ক্রাব

    উপকারিতা: মৃত কোষ দূর করে

    আলুর রস

    ১ চামচ চালের গুঁড়া

    হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন।

    ⚠️ ব্যবহারের আগে সতর্কতা

    • সংবেদনশীল ত্বকে আগে প্যাচ টেস্ট করুন

    • লেবু ব্যবহার করলে রোদে বের হওয়ার আগে মুখ ধুয়ে নিন

    • অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না

       

     


    রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

    চোখের ব্যথা বা ক্লান্তি কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়

    চোখের যত্নের জন্য হালকা মালিশ করছে হাতের আঙুল।

     

     চোখের ব্যথা, জ্বালা বা ক্লান্তি অনেকেই অনুভব করেন, বিশেষ করে কম্পিউটার, মোবাইল বা টিভি স্ক্রিনের সামনে দীর্ঘ সময় কাটালে। নিয়মিত এই সমস্যা উপেক্ষা করলে চোখের ক্ষতি হতে পারে। নিচে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় দেওয়া হলো যা চোখকে আরাম দেবে এবং ক্লান্তি কমাবে।

     চোখের ব্যথা বা ক্লান্তি কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়

    ১. চোখের ব্যায়াম

    চোখের পেশি শিথিল করতে চোখের ব্যায়াম করুন।

    • প্রতি ২০ মিনিটে স্ক্রিন থেকে চোখ সরান।

    • ২০ সেকেন্ডের জন্য দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকান।

    • চোখ ঘোরানো বা পলক বেশি করার ব্যায়াম করুন।

    ২. ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোয়া

    ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধোয়া ক্লান্তি কমাতে এবং চোখের লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে।

    ৩. চা ব্যাগ কম্প্রেস

    সবুজ চা বা হালকা কালো চা ব্যাগ ঠান্ডা করে চোখের উপরে রাখুন। এতে চোখের ফোলা এবং লালচে ভাব কমে।

    ৪. পর্যাপ্ত ঘুম

    প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। পর্যাপ্ত ঘুম চোখকে বিশ্রাম দেয় এবং ক্লান্তি কমায়।

    ৫. স্ক্রিন বিরতি

    কম্পিউটার বা মোবাইল দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ৫-১০ মিনিট  বিশ্রাম দিন।

    ৬. চোখের সঠিক আর্দ্রতা

    শুকনো চোখের সমস্যা থাকলে চোখে লুব্রিকেন্ট বা কৃত্রিম জলকণা (eye drops) ব্যবহার করতে পারেন।

    ৭. চোখে হালকা মালিশ

    হালকা করে পামের আঙুল দিয়ে চোখের পাতা ও চক্ষ্মকোণে মালিশ করুন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং চোখকে আরাম দেয়।

    ৮. স্বাস্থ্যকর খাবার

    ভিটামিন এ, সি ও ই সমৃদ্ধ খাবার চোখের জন্য ভালো।

    • গাজর, পালং শাক, বেল পেপার, বাদাম খেতে পারেন।

    ৯. পর্যাপ্ত পানি পান

    দেহ হাইড্রেটেড থাকলে চোখও সুস্থ থাকে। দিনে অন্তত ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন।

    ১০. চোখ ঢেকে ঘুমানো

    যদি চোখ অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকে, ৫-১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন।

     

    শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

    চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার ১০টি কার্যকর উপায়

     

    ডার্ক সার্কেল কমানোর ঘরোয়া রেমেডি

    চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল অনেকেরই সাধারণ সমস্যা। ঘুম কম হওয়া, স্ট্রেস, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার, পানিশূন্যতা বা সঠিক স্কিন কেয়ার না করার কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। তবে কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক উপায় মেনে চললে ধীরে ধীরে ডার্ক সার্কেল কমানো সম্ভব।

    চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার ১০টি কার্যকর উপায় 

    🌿 ১. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

    প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম ত্বককে সতেজ রাখে এবং চোখের নিচের কালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে।

    🥒 ২. শসার ব্যবহার

    শসা ঠান্ডা ও প্রশান্তিদায়ক।

    শসার পাতলা স্লাইস কেটে ১০–১৫ মিনিট চোখের ওপর রাখুন।

    🥔 ৩. আলুর রস

    আলু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে।

    আলুর রস তুলায় নিয়ে চোখের নিচে লাগান, ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

    🧊 ৪. ঠান্ডা চামচ বা আইস কমপ্রেস

    ঠান্ডা চামচ বা আইস কাপড় দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় চোখের নিচে ব্যবহার করলে ফোলা ও কালচে ভাব কমে।

    🍵 ৫. টি-ব্যাগ ব্যবহার

    গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি ব্যাগ ঠান্ডা করে চোখের ওপর রাখলে ডার্ক সার্কেল কমাতে সাহায্য করে।

    🥛 ৬. কাঁচা দুধ

    কাঁচা দুধে থাকা পুষ্টি ত্বককে উজ্জ্বল করে।

    তুলায় দুধ নিয়ে চোখের নিচে লাগান।

    💧 ৭. বেশি পানি পান করুন

    পানিশূন্যতা ডার্ক সার্কেলের অন্যতম কারণ।

    প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

    🧴 ৮. নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার

    চোখের নিচের ত্বক খুব নরম, তাই নিয়মিত আই ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

    📵 ৯. স্ক্রিন টাইম কমান

    দীর্ঘসময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার চোখের ক্লান্তি বাড়ায় এবং ডার্ক সার্কেল তৈরি করে।

    🥗 ১০. পুষ্টিকর খাবার খান

    ভিটামিন C, E ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং কালো দাগ কমাতে সাহায্য করে।

    চোখের নিচের কালো দাগ একদিনে দূর হয় না, তবে নিয়মিত যত্ন ও প্রাকৃতিক উপায় অনুসরণ করলে ধীরে ধীরে উন্নতি দেখা যায়। নিজের ত্বকের ধরন বুঝে নিয়মিত যত্ন নিলেই চোখের নিচের ত্বক হবে উজ্জ্বল ও সতেজ।

    মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

    চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়


    জেনে নিন ঘরে বসে কীভাবে দূর করবেন এই কালো দাগ :

    •    চোখের নিচের কালো দাগ দূর করেতে টমেটো খুবই উপকারী। এক চা চামচ টমেটোর রসের সঙ্গে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার অন্তত এই প্যাক লাগাতে হবে।

    •    আলু ভালো কর পেস্ট করে এর রস একটি কটন বলে নিয়ে চোখের ওপর ১৫ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন। খেয়াল রাখবেন পুরো চোখ যেন ঢেকে থাকে। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

    •    টি ব্যাগ ব্যবহারের পর ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা হলে বের করে চোখ বন্ধ করে ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। প্রতিদিন ব্যবহারে আপনার চোখের নিচের কালো দাগ দূর হবে।

    •    ঠান্ডা দুধে একটি কটন বল ভিজিয়ে চোখে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চোখের ফোলা ভাব কমে যায় এবং কালো দাগ দূর হয়।

    •    কমলার রসের সাথে দুই-এক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। এটা কালো দাগ দূর করার পাশাপাশি চোখকে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।

    •    শসার রস এবং আলুর রস একসাথে মিশিয়ে চোখে লাগান। ১০ মিনিট পর হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন।

    •    রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের চারপাশে বাদামের তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে চোখের কালো দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি চোখের চামড়া  কুচকানো ভাবও দূর হবে।
    চোখের নিচে কালি দূর করার ৫ টি ঘরোয়া উপায় জেনে নিই।
    টমেটো
    টমেটো চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এর সাথে সাথে আপনার ত্বককে করবে কোমল লাবন্যময়। ১ চা চামচ টমেটোর রস, ১ চাচামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে ২ বার করা চেষ্টা করুন। টমেটোর রস , লেবুর রস আর সাথে পুদিনা পাতা যোগ করে তৈরি করে নিতে পারেন দারুন একটি হেলথ ড্রিংক। এটি আপনার চোখের নীচের কালি ভিতর থেকে দূর করতে সাহায্য করবে।
    আলুর পেষ্ট
    ১/২ টি আলু পেষ্ট করে রস বের করে নিন। ছোট ছোট তুলার বল করে সেটি আলুর রসের মধ্যে ভিজিয়ে নিন। এখন চোখ বন্ধ করুন এবং তুলাটি চোখের ওপর রাখেন। তুলা এমনভাবে রাখবেন যাতে চোখের নিচের কালি পড়া স্থানটি ঢেকে যায়। এইভাবে ১০/ ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
    ঠাণ্ডা চায়ের ব্যাগ
    চায়ের ব্যাগ দিয়ে ও চোখের নিচে কালি দূর করা সম্ভব। সবুজ বা কালো চায়ের ব্যাগ ঠান্ডা করে নিন। আপনার চোখের ওপর ঠান্ডা চায়ের ব্যাগটি রাখুন। ১০/ ১৫ মিনিট পর চায়ের ব্যাগ সরিয়ে ফেলুন। দিনে ২/৩ বার করার চেষ্টা করুন।
    ঠান্ডা দুধ
    প্রতিদিন ঠাণ্ডা দুধ ব্যবহারে আপানার চোখের নীচের কালো দাগ দূর করে থাকে। তুলার বল ঠাণ্ডা দুধে ভিজিয়ে নিন। ভেজা তুলার বল আপানার চোখে ওপর রাখুন। ১০/১৫ মিনিট পর তুলা সরিয়ে নিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করাতে আপানার চোখের নীচের কালির দাগ করবে।
    কমলার রস
    কমলার রস চোখের কালি দূর করার অন্যতম একটি উপায়। কমলার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। এটি শুধু চোখের নীচের কালি দূর করবে না আপনার চোখের গ্লো বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ।
    - See more at: http://www.bdmorning.com/life-style/37965#sthash.XMGVoFQr.dpuf
    চোখের নিচে কালি দূর করার ৫ টি ঘরোয়া উপায় জেনে নিই।
    টমেটো
    টমেটো চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এর সাথে সাথে আপনার ত্বককে করবে কোমল লাবন্যময়। ১ চা চামচ টমেটোর রস, ১ চাচামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে ২ বার করা চেষ্টা করুন। টমেটোর রস , লেবুর রস আর সাথে পুদিনা পাতা যোগ করে তৈরি করে নিতে পারেন দারুন একটি হেলথ ড্রিংক। এটি আপনার চোখের নীচের কালি ভিতর থেকে দূর করতে সাহায্য করবে।
    আলুর পেষ্ট
    ১/২ টি আলু পেষ্ট করে রস বের করে নিন। ছোট ছোট তুলার বল করে সেটি আলুর রসের মধ্যে ভিজিয়ে নিন। এখন চোখ বন্ধ করুন এবং তুলাটি চোখের ওপর রাখেন। তুলা এমনভাবে রাখবেন যাতে চোখের নিচের কালি পড়া স্থানটি ঢেকে যায়। এইভাবে ১০/ ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
    ঠাণ্ডা চায়ের ব্যাগ
    চায়ের ব্যাগ দিয়ে ও চোখের নিচে কালি দূর করা সম্ভব। সবুজ বা কালো চায়ের ব্যাগ ঠান্ডা করে নিন। আপনার চোখের ওপর ঠান্ডা চায়ের ব্যাগটি রাখুন। ১০/ ১৫ মিনিট পর চায়ের ব্যাগ সরিয়ে ফেলুন। দিনে ২/৩ বার করার চেষ্টা করুন।
    ঠান্ডা দুধ
    প্রতিদিন ঠাণ্ডা দুধ ব্যবহারে আপানার চোখের নীচের কালো দাগ দূর করে থাকে। তুলার বল ঠাণ্ডা দুধে ভিজিয়ে নিন। ভেজা তুলার বল আপানার চোখে ওপর রাখুন। ১০/১৫ মিনিট পর তুলা সরিয়ে নিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করাতে আপানার চোখের নীচের কালির দাগ করবে।
    কমলার রস
    কমলার রস চোখের কালি দূর করার অন্যতম একটি উপায়। কমলার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। এটি শুধু চোখের নীচের কালি দূর করবে না আপনার চোখের গ্লো বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ।
    - See more at: http://www.bdmorning.com/life-style/37965#sthash.XMGVoFQr.dpuf
    চোখের নিচে কালি দূর করার ৫ টি ঘরোয়া উপায় জেনে নিই।
    টমেটো
    টমেটো চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এর সাথে সাথে আপনার ত্বককে করবে কোমল লাবন্যময়। ১ চা চামচ টমেটোর রস, ১ চাচামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে ২ বার করা চেষ্টা করুন। টমেটোর রস , লেবুর রস আর সাথে পুদিনা পাতা যোগ করে তৈরি করে নিতে পারেন দারুন একটি হেলথ ড্রিংক। এটি আপনার চোখের নীচের কালি ভিতর থেকে দূর করতে সাহায্য করবে।
    আলুর পেষ্ট
    ১/২ টি আলু পেষ্ট করে রস বের করে নিন। ছোট ছোট তুলার বল করে সেটি আলুর রসের মধ্যে ভিজিয়ে নিন। এখন চোখ বন্ধ করুন এবং তুলাটি চোখের ওপর রাখেন। তুলা এমনভাবে রাখবেন যাতে চোখের নিচের কালি পড়া স্থানটি ঢেকে যায়। এইভাবে ১০/ ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
    ঠাণ্ডা চায়ের ব্যাগ
    চায়ের ব্যাগ দিয়ে ও চোখের নিচে কালি দূর করা সম্ভব। সবুজ বা কালো চায়ের ব্যাগ ঠান্ডা করে নিন। আপনার চোখের ওপর ঠান্ডা চায়ের ব্যাগটি রাখুন। ১০/ ১৫ মিনিট পর চায়ের ব্যাগ সরিয়ে ফেলুন। দিনে ২/৩ বার করার চেষ্টা করুন।
    ঠান্ডা দুধ
    প্রতিদিন ঠাণ্ডা দুধ ব্যবহারে আপানার চোখের নীচের কালো দাগ দূর করে থাকে। তুলার বল ঠাণ্ডা দুধে ভিজিয়ে নিন। ভেজা তুলার বল আপানার চোখে ওপর রাখুন। ১০/১৫ মিনিট পর তুলা সরিয়ে নিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করাতে আপানার চোখের নীচের কালির দাগ করবে।
    কমলার রস
    কমলার রস চোখের কালি দূর করার অন্যতম একটি উপায়। কমলার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। এটি শুধু চোখের নীচের কালি দূর করবে না আপনার চোখের গ্লো বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ।
    - See more at: http://www.bdmorning.com/life-style/37965#sthash.XMGVoFQr.dpuf

    মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫

    মুখের উজ্জ্বলতা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন সহজ ৪ টি প্রাকৃতিক উপায়ে

     

    প্রতিটা মানুষ জন্মগ্রহণের সময় সুন্দর ত্বক নিয়েই পৃথিবীতে আসে। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার দায়িত্ব শিশুর অভিভাবকের এবং ব্যক্তির নিজের। বিভিন্নভাবে আপনি আপনার ত্বকের ক্ষতি করছেন। কিন্তু ভয় পাবেন না, কারণ ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করেই উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় ত্বক পাওয়া সম্ভব।। চলুন তাহলে সেই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো সম্পর্কে জেনে নিই।

    ১। কলার খোসা –

    কলা খাওয়ার পরে খোসাটা ফেলে দেয়াই আমাদের সবার অভ্যাস কারণ ত্বকের উপর কলার খোসার জাদুকরি প্রভাবের কথা অনেকেই জানেন না। এখন থেকে কলার খোসা ফেলে না দিয়ে এর ভেতরের সাদা অংশটুকু মুখে ও ঘাড়ে ভালো করে ঘসে ঘসে লাগান। ২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বক উজ্জ্বল হবে। ভালো ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে কয়েকবার এটি ব্যবহার করুন।

    ২। মধু ও লেবু –

    মধু ও লেবুর সমন্বয়ে তৈরি ফেস প্যাক ত্বক ফর্সা করতে পারে। সমপরিমাণ মধু ও লেবুর রস নিয়ে ভালোভাবে মেশান। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়ে থাকে তাহলে মধু ও শশার রস ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও মধুর সাথে সমপরিমাণ দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারে। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয় তাহলে লো ফ্যাট দুধ ব্যবহার করুন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পরে বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    ৩। টমেটো –

    প্রতিমাসে একবার স্পেনের লা টোমাটিনা ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করতে পারলে ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়া সহজ হত। টমেটোতে ত্বকের বর্ণ হালকা করার উপাদান আছে। এটি ত্বকের তেল শোষণ করে এবং ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্রের নিরাময় করে। আপনার ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ টমেটো থেঁতলে নিয়ে মুখে ও শরীরের অন্যান্য স্থানে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    ৪। চন্দন –

    প্রাচীন কাল থেকেই ত্বক ফর্সা করতে ব্যবহার হয়ে আসছে চন্দনের গুঁড়া যাকে কেউ হারাতে পারেনি। চন্দন ও হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর সাথে কাঠ বাদামের তেল মিশাতে পারেন। তারপর মিশ্রণটি আপনার মুখে লাগান। কিছুক্ষণ পরে বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটির ব্যবহারে আপনার ত্বকের বর্ণ হালকা হবে এবং আপনার মুখের দ্যুতি ছড়াবে।
    সব কিছুর শেষ কথা হচ্ছে ক্লিঞ্জিং, টোনিং ও ময়শ্চারাইজিং এই ৩ টির সমন্বয় ছাড়া ত্বক ভালো রাখা সম্ভব নয়। CTM রুটিন ঠিকভাবে অনুসরণ করলেই আপনি আপনার ত্বককে খুব বেশি তামাটে হয়ে যাওয়া রোধ করতে পারবেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা অটুট রাখার জন্য ঘরের বাহিরে যাওয়ার পূর্বে ভালমানের সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না যেনো।
    আপনার ত্বকে গোলাপি আভা এনে দেবে।

    সোমবার, ১ মে, ২০২৩

    চোখের কালি, ব্ল্যাক হেডস,রোদে পোড়া ভাব দূর করার উপায়

    চোখের কালি দূর করতে
    >শসা বা আলু ছেঁচে চোখের ওপর ২০ মিনিট রেখে দিন। ব্যবহৃত টি ব্যাগ কিছুক্ষণ চোখের ওপর রেখে দিলেও কাজে দেবে।
    >বাঁধাকপি সেদ্ধ করে তার পেস্টও চোখে লাগিয়ে রাখতে পারেন।
    >পেস্তাবাদাম বাটার সঙ্গে অল্প মধু লাগিয়ে ব্যবহার করলেও চোখের কালি দূর হয়।
    > করলা হালকা ছেঁচে চোখের ওপর দিয়ে রাখতে পারেন।

    মুখে ব্রণের কালো দাগ দূর করতে
    >কাঁচা ব্রণে সমপরিমাণ লবঙ্গ, তুলসীপাতা, নিমপাতা, পুদিনাপাতা একসঙ্গে পেস্ট করে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখলে সেখানে দাগ হবে না।
    >শুষ্ক ত্বকের ব্রণের দাগ দূর করতে লবঙ্গ তেল খুব উপকারী।
    >ব্রণ শুকিয়ে যাওয়ার পর মুখে চিনি আর দারুচিনি বাটা একসঙ্গে পেস্ট করে লাগাতে পারেন। লবঙ্গ বা দারুচিনি ত্বকে লাগানোর পর একটু জ্বালা করবে, এতে কোনো ক্ষতি নেই।

    >মেস্তার দাগ দূর করতে
    > অ্যালোভেরা জেল বের করে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন।
    >তালমাখনা অথবা ইসবগুলের ভুষি কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। থকথকে হয়ে যাওয়ার পর মুখে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখতে পারেন।

    ব্ল্যাক হেডস দূর করতে
    >পোলাওয়ের চাল ও মুগ ডাল আধা ভাঙা করে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর >যেসব জায়গায় ব্ল্যাক হেডস বেশি, সেখানে হালকা ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন।

    >সুজি হালকা ভেজে নিয়ে তার সঙ্গে টকদই ও মধু মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    >ডিমের সাদা অংশ ও বেকিং সোডার মিশ্রণ মুখে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখার পর টিস্যু পেপার দিয়ে চাপ দিলেও ব্ল্যাক হেডস সহজে উঠে আসে।

    >লেবুর রস আর চিনি জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করার পর এই মিশ্রণ দিয়ে স্ক্রাবিং করে নিন। এরপর পরিষ্কার পাতলা কাপড় দিয়ে মুখে হালকা চাপ দিয়ে ব্ল্যাক হেডস তুলে নিতে পারেন।

    >টমেটোর রস এবং মধু রোদে পোড়া ভাব দূর করে।

    >গাজর, মধু এবং বেকিং পাউডারের মিশ্রণও কার্যকরী।

    >শুষ্ক ত্বকে তিলের তেল ভালোভাবে কিছুক্ষণ মালিশ করে ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

    বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২

    আকর্ষনীয় ভ্রু পাওয়ার কিছু উপায়



    বিভিন্ন ধরনের তেল

    অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, নারিকেল তেল ও বাদামের তেলে আছে পুষ্টিকর প্রাকৃতিক উপাদান। প্রতিদিন অলিভ অয়েল দিয়ে মালিশ করলে ভ্রু হবে মোটা ও ঘন। এসব তেলে আছে ভিটামিন-ই যা ব্যবহারে আদ্রতা ঠিক থাকে এবং প্রতিদিন ব্যবহারে ভ্রুর ঘনত্ব বাড়ে।

    ভ্যাসলিন

    প্রতিদিন ভ্রুসহ-এর আশপাশের জায়গায় দুই থেকে তিনবার ভ্যাসলিন ব্যবহারের ফলে ভ্রুর ঘনত্ব বাড়বে। কেননা ভ্যাসলিন ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। রাতের বেলা পুরো ভ্রুতে বা ভ্রু কম আছে এমন জায়গায় ভ্যাসলিন লাগিয়ে সারারাত রেখে দিলেই ধীরে ধীরে ভ্রুর ঘনত্ব বাড়বে। তবে ভ্যাসলিন লাগিয়ে রোদে বের হওয়া উচিত নয়।
    কৃত্রিম পদ্ধতি

    আই-পেন্সিল ও পাউডার

    পাউডার ব্যবহার করে ইচ্ছে মতো ভ্রু হালকা ও গাঢ় করা যায়। তবে নির্ভর করবে চুলের রং, পোশাক ও কতটুকু পরিমাণ ভ্রুর ঘনত্ব চাচ্ছেন তার উপর।
    মেইকআপের সাহায্যে ভ্রু ঘন দেখানোর জন্য লাগবে তিন ধরনের শেইড, ব্রাশ এবং ভ্রু তোলার জন্য ছোট চিমটা বা টোইজার্জ।

    ভ্রু ঘন দেখাতে চুলের রং থেকে একটু গাঢ় শেইড ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া ভ্রু স্বাভাবিক ও মনোরম দেখাতে আই শ্যাডোর মতো ভ্রু শ্যাডো দিয়ে ভ্রু ভরাট করে নেওয়া যেতে পারে। তারপর কৌণিক ব্রাশ দিয়ে ভ্রুর উপরে এবং আশপাশে শ্যাডো লাগাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আই-ভ্রু লাইনের আশপাশে বেশি শ্যাডো না লাগানো হয়।

    তবে ভ্রুর আশপাশে যদি কাটাদাগ বা ক্ষত থাকে সেক্ষেত্রে আই-পেন্সিল ব্যবহার করাই ভালো।

    কন্ডিশনার ও হেয়ার গ্রোথ পণ্য

    বারবার ভ্রু না তুলে ভ্রু’র কন্ডিশনার ব্যবহার করা ভালো। ভ্রু কন্ডিশনারে থাকা পুষ্টিকর উপাদান এক সপ্তাহে প্লাক করা ভ্রু পুনরায় গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া ভ্রু গজাতে বা ঘন করতে চাইলে ‘হেয়ার গ্রোথ’ পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

    বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১

    আইশ্যাডো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতা



    ১) আইশ্যাডো প্যালেটের ছোট্ট ব্রাশ দিয়ে ব্লেন্ড করা
    আইশ্যাডো প্যালেট কিনলে তার সাথে ছোট্ট ব্রাশ পাওয়া যায়। এটি মূলত আইশ্যাডো লাগানোর ব্রাশ। অনেকে এই ব্রাশ দিয়েই ব্লেন্ড করার মতো ভুলটি করে থাকেন। এই কাজটি করবেন না। আইশ্যাডো ব্লেন্ডার ব্রাশ দিয়েই ব্লেন্ড করুন। এতে করে পারফেক্ট ভাবে ব্লেন্ড করতে পারবেন।

    ২) ভালো করে ব্লেন্ড না করা
    আইশ্যাডো যদি ভালো করে ব্লেন্ড না কর হয় তাহলে তা চোখের পাতায় ভেসে থাকে যা দেখতে বেশ বিশ্রী দেখায়। বিশেষ করে যদি ২/৩ টি রঙের আইশ্যাডো ব্যবহার করে ভালো করে ব্লেন্ড না করা হয় তাহলে তা আলাদা করে বোঝা যায় যা পুরো মেকআপ নষ্ট করে দেয়। সুতরাং আইশ্যাডো ব্লেন্ড করার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

    ৩) আইশ্যাডো ব্যবহারের আগে কনসিলার লাগানো
    অনেকেই ডিম আগে না মুরগী আগের মতো আইশ্যাডো আগে না কনসিলার আগে ব্যাপারটির মধ্যে গণ্ডগোল করে ফেলেন ফলে আইশ্যাডো সঠিকভাবে লাগানো হয় না। তাই মনে রাখুন, প্রথমে আইশ্যাডো লাগিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন এবং তার পর কনসিলার ব্যবহার করুন।

    ৪) চোখের নিচের পাতায় বেশি আইশ্যাডোর ব্যবহার
    চোখের নিচের পাতায় অনেকেই বেশ গাঢ় করে এবং মোটা করে আইশ্যাডো ব্যবহার করেন যার ফলে আপনাকে অনেক ক্লান্ত দেখায়। চোখের নিচের পাতায় শুধুমাত্র চোখের পাপড়ির কোল ঘেঁষে হালকা করে আইশ্যাডো দিন।

    ৫) চোখের রঙের সাথে মিলিয়ে আইশ্যাডো দেয়া
    অনেকেই পছন্দের রঙের লেন্স পড়ে লেন্সের রঙের সাথে মিলিয়ে চোখে আইশ্যাডো দিয়ে থাকেন যা সম্পূর্ণ ভুল। নিয়ম অনুযায়ী চোখের রঙের উল্টো রঙটিই আইশ্যাডো দেয়া উচিত নতুবা মেকআপ ভালো দেখাবে না।

    শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১

    ব্রণের জন্য কিছু প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ

    ব্রণের জন্য কিছু প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ এর রেসিপিঃ

    ➣উপটান ১চা চামচ, কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ ,তাজা নিম পাতা বাটা, লেবুর রস বা কমলা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। আপনি চাইলে একটু বেশি পরিমাণে নিয়ে করতে পারেন এবং ৩/৪ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে ব্যবহার করা যাবে। প্রতিবার মুখ ধোয়ার সময় অল্প পরিমাণে নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি মাত্র ৭ দিন ব্যবহার করলে আপনার মুখের ব্রণ থেকে মুক্তি পাবেন।

    ➣কাঁচা দুধ ,হলুদ গুঁড়া ,অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে ৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের কোমলতা বাড়বে এবং সেই সাথে ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করবে।

    ➣১ চা চামচ উপটান, ১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ লেবুর রস, এবং ১ চা চামচ গোলাপ জল এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।  দিনে ৩ বার ব্যবহার করতে হবে। আপনি চাইলে এই মিশ্রণটি ৩/৪ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। এই ফেস ওয়াশটা প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ এর মধ্যে অন্যতম।

    ➣১/২ চা চামচ আলু কুচি, ১/২ চা চামচ শশা কুচি, ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ১ চা চামচ টক দই ও ১ চা চামচ পুদিনা পাতা দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের কালচে ভাব দূর করার সাথে সাথে মুখে আনবে লাবণ্যতা ।

    ➣পুদিনা পাতা ১ চা চামচ, দারুচিনি ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মধু ১ চা চামচ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ৩/৪ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি ৪/৫ ব্যবহারের করলেই ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

    উপরোক্ত ফেস ওয়াশ গুলো অবশ্যই প্রতিদিন ৩ বার ব্যবহার করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনার মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে কারণ আপনার মুখে সারা রাত ধরে অনেক তেল জমা হয়ে থাকে আর এ থেকেও ব্রণের সৃষ্টি হয়।আর হ্যাঁ মনে করে বাইরে থেকে এসে সাথে সাথে মুখে ফেস ওয়াশ করে ফেলবেন বাইরের ধুলোবালি থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবেন। অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে, কারণ এই সময়ে ত্বক পরিষ্কার না করলে সারা রাত ধরে আপনার মুখে রোগ জীবাণু বহন করে ব্রণের উপদ্রব বাড়িয়ে দেবে। এভাবে ত্বক পরিষ্কার পরিছন্ন রাখলে কিছু দিনের মধ্যে আপনি পাবেন ব্রণ মুক্ত লাবণ্যময় চেহারা।

    রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১

    গরমে চোখের অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে

    গরমে চোখের অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে- 

    ১. শুষ্ক মৌসুমে যখনই বাইরে বের হবেন ধূলোবালি থেকে রক্ষা পেতে নাকে-মুখে মাস্ক এবং চোখে সানগ্লাস ব্যবহার করবেন।

    ২. চোখ চুলকালে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলবেন।

    ৩. টিভি বা কম্পিউটারের সামনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করবেন না।

    ৪. সাবধানে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করবেন।

    ৫. খেয়াল রাখবেন গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, ডিম জাতীয় কোন খাবারের কারণে আপনার অ্যালার্জি হচ্ছে কিনা।

    ৬. ঘরের কার্পেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

    ৭. ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আই ড্রপ ব্যবহার করবেন।

    ৮.বাড়িতে লোমশ পোষা কোন প্রাণি থাকলে তার থেকে সতর্ক থাকবেন।

    শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১

    চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার সহজ উপায়


    চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল নানা কারণে হতে পারে। নারী-পুরুষ সবারই ডার্ক সার্কেল দেখা যায়। এটা বড় কোনো সমস্যা না হলেও এটি মুখের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। চিন্তিত না হয়ে ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন ডার্ক সার্কেল— ম্যাসেস নারিকেল তেল ও বাদাম তেল মিশিয়ে ভালোভাবে চোখের চারপাশে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসেস করুন। এভাবে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে ম্যাসেস করতে হবে।

    ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক সপ্তাহ করুন, দেখবেন ডার্ক সার্কেল দূর হয়ে গেছে। আইপ্যাক নারিকেল, কয়েক ফোঁটা লেবুর জুস, দুই টেবিল চামচ শশা বাটা, এক টেবিল চামচ সর ও তিন টেবিল চামচ চীনা মাটি এক সঙ্গে মিশিয়ে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন।

    ব্যবহারের আগে তুলার গজ দিয়ে চোখ ঢেকে নিন। এবার আরাম করে শুয়ে ডার্ক সার্কেলের উপর মিশ্রণটি লাগান। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
    টমেটো আই টোনার লেবুর রস ও টমেটোর রস মিশিয়ে চোখের চারপাশে প্রতিদিন লাগান। এভাবে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

    আলু বাটা উজ্জ্বল ত্বক পেতে আলু বেটে চোখের চারপাশে লাগাতে পারেন। চাইলে আলু কেটে চোখের উপর কিছুক্ষণ রেখে দিতে পারেন।

    হার্বাল চা প্রতিদিন ব্যবহার করার পর হার্বাল টি ব্যাগ ফেলে না দিয়ে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। চোখের উপর দিয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। ডার্ক সার্কেল দূর করতে এটি বেশ কার্যকর।

    রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

    ফর্সা হওয়ার সেরা ৮ ঘরোয়া ফেসপ্যাক



    জেনে নিন, ত্বকের উজ্জলতায় ঘরোয়া কিছু ফেসপ্যাক

    লেবুর ফেসপ্যাক:  ১টা লেবুর রস, তাতে ১ টেবিল চামচ পানি ঝরানো দই, ভালো করে একসঙ্গে মেশান। এবার মুখ ও গলায় পুরু করে এই পেস্টটি লাগান। শুকনো হয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার লাগালেই যথেষ্ট।

    * গমের ফেসপ্যাক: একমুঠো গম গুঁড়ো করে নিন। এতে ২ টেবিলচামচ গোলাপজল মেশান। এবার এই পেস্টটি মুখে ও গলায় সমানভাবে লাগান। ১৫ মিনিট পারে হাল্কা গরম দুধ দিয়ে ধুয়ে গোলাপজল দিয়ে মুখ মুছে নিন।

    * মধুর ফেসপ্যাক: মধু একাই যথেষ্ট। মুখে ও গলায় ভালো করে মধু লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে মধুর সঙ্গে ১ চা চামচ কমলালেবুর রস মিশিয়েও লাগাতে পারেন।

    * ওটসের ফেসপ্যাক: ১ টেবিল চামচ ওটসের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ গোলাপজল মেশান। ভালো করে চটকে মেখে নিন। এবার এই মিশ্রনটা গলায় ও মুখে ভালো করে লাগান। এবার ক্লকওয়াইজ হাত ঘুরিয়ে মুখে ভালো করে মালিশ করুন। মালিশ হয়ে গেলে ১৫-২০ মিনিট শুকতে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন।

    * হলুদের ফেসপ্যাক: ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ২ চা চামচ দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। হলদেটে ভাব না গেলে শুকনো আটা ভেজে মুখে স্ক্রাব করুন। মাসে ২ বার করুন।

    * টমেটোর ফেসপ্যাক: টমেটো ভালো করে বেটে পেস্ট বানিয়ে নিন। এতে ১ চামচ বেসন ও ১ চামচ মধু মেশান। যে পেস্টটি তৈরি হল তা মুখে ও গলায় লাগান। শুকিয়ে এলে আরও একটা কোট লাগান। শুকিয়ে গেলে টেনে তোলার চেষ্টা করুন। না উঠলে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন।

    * দই-এর ফেসপ্যাক: দই ও আমন্ড একসঙ্গে বেল্ডারে দিয়ে পেস্ট করে নিন। এই পেস্ট গলায় ও মুখে ভালো করে লাগান। শুকিয়ে গেলে হাল্কা পানির সাহায্যে স্ক্রাব করে করে পরিষ্কার করে নিন। এর ফলে মুখের মৃতকোষগুলোও ঝরে যাবে।

    * কমলার খোসার ফেসপ্যাক: কমলার খোসা মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। এর সঙ্গে ২ টেবিল চামচ দুধ ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে, ভিজে তুলোর সাহায্যে তুলে নিন। উষ্ণ দুধ দিয়ে এরপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। মাসে ২ দিন এটি করুন।

    রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২১

    গোলাপজলেই রূপচর্চার সব সমাধান


    ত্বকের রুক্ষভাব বা নাছোড়বান্দা দাগ সহজে যেতে চায় না। আর এমন ত্বকে মেকআপ করলে সৌন্দর্য ঠিকভাবে ফুটে ওঠে না। এ নিয়ে চিন্তিত না হলেও চলবে। কারণ এর সহজ সমাধান রয়েছে আপনার হাতের কাছেই। ভাবছেন, কিভাবে? বাসায় গোলাপজল রয়েছে নিশ্চয়ই? গোলাপজলই হতে পারে আপনার ত্বকের সমস্যায় উপকারী সমাধান। এমনকি ব্যবহার করতে পারেন চুলের সৌন্দর্যেও। চলুন জেনে নেয়া যাক-

     ব্রণের সমস্যা থাকলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা দিনের বেলা মুখে গোলাপজল লাগিয়ে নিতে পারেন। নিয়ম করে এটা করলে কিন্তু অনেক সমস্যার হাত থেকে উপকার পাবেন। এছাড়া ব্রণের পরের বিচ্ছিরি দাগগুলোও কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি গায়েব হয়ে যাবে। আর গোলাপজল কিন্তু দারুণ সুন্দর টোনারের কাজ করে। তাই বাজার থেকে টাকা খরচা করে আলাদা করে টোনার কিনে আনার বদলে কিন্তু এবার থেকে গোলাপজলই ব্যবহার করতে পারেন।
     ত্বক যদি খসখসে, অমসৃণ হয়, তাহলে স্বচ্ছন্দে গোলাপজল ব্যবহার করতে পারনে। তুলোয় গোলাপজল লাগিয়ে সেটা মুখে ভালো করে মাখিয়ে নিন।
    বাড়িতে ঘরোয়া উপায়ে নিশ্চয়ই ফেসপ্যাক বানান? তাহলে ফেসপ্যাকের মধ্যেও কয়েক ফোঁটা গোলাপজল দিয়ে দিতে পারেন। গোলাপজল ত্বককে মসৃণ আর সুন্দর উজ্জ্বল করে তোলে।
    মেকআপ তোলার জন্যও এবার থেকে ব্যবহার করতে পারেন গোলাপজল। বাইরে থেকে এসে মুখ পরিষ্কার করার জন্য গোলাপজল সহজ আর বেস্ট অপশন হতে পারে। এছাড়া কোনো মাস্ক লাগানোর আগে ও মুখ ধোয়ার পর মুখে গোলাপজল লাগিয়ে মাস্ক অ্যাপ্লাই করতে পারেন।চুলে যদি খুশকির সমস্যা থাকে, আর বারবার অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু করেও কোনো লাভ না হয়, তাহলে ব্যবহার করুন গোলাপজল। নারিকেল তেল আর গোলাপজল নিয়ে হালকা গরম করে চুলে ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। কয়েকদিনেই খুশকি দূর হবে।
     
     

    মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০

    মুখের ‘স্পা’ ঘরে বসেই


    ঋতুবদলের ধকল ছাড়াও সবসমই ত্বক কিছু পুষ্টি চায় যেন সে তার যৌবন ধরে রাখতে পারে।
    ত্বকের এই পুষ্টির জন্য নামীদামী পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হলেও চলবে। রান্না ঘরেই এমন অনেক জিনিস আছে যেগুলো দিয়ে অনেক নামী পণ্যের চেয়েও ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।

    ওটস ও মধুর স্ক্রাবার:
    এ টেবিল-চামচ মধু, এক টেবিল-চামচ মিহি গুঁড়া করা কাঠবাদাম, দুই টেবিল-চামচ শুকনা ওটস আর সামান্য টক দই বা লেবুর রস মেশালেই হয়ে যায় চমৎকার একটা স্ক্রাবার।

    দই-মধুর রূপটান:
    টক দই, মধু সমান অনুপাতে নিয়ে পরিষ্কার আর্দ্র ত্বকে মেখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ ত্বক নরম, পেলব করে। এতে থাকা মধু ছোট ফুসকুড়ির মতো ব্রণ নিরাময়ে কাজ করে।

     কলার মুখের ক্রিম:
    অর্ধেক পাকাকলা চটকে ক্রিমের মতো করে নিতে হবে। এরপরে তা মুখে মেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে প্রথমে গরম পানিতে পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বকের কোষের ছিদ্রের মুখ বন্ধ হয়। সবশেষে একটা তোয়ালে চেপে পানিটা মুছে নিতে হবে।

    মধু ও বাদামি চিনি:
    দুই টেবিল-চামচ মধুর সঙ্গে দুই থেকে তিন চা-চামচ বাদামি চিনি মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণ অসাধারণ স্ক্রাবার। মুখ ছাড়াও শরীরের বাকি অংশেও ব্যবহার করা যেতে পারে। স্ক্রাব করার পরে হালকা কুসুম পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে।

    লালচে ভাব দূর করার ফেইশল:
    একটা আস্ত ডিম এবং গোটা একটা লেবুর রস মিশিয়ে ফেটাতে হবে। এক সময় যখন সেটা পানির মতো মিশে যাবে তখন মুখে মেখে মিনিট ১৫ রেখে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে ত্বকের লালচে ভাবে দূর হবে।

    মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০

    বয়সের ছাপ মুছে ফেলতে সাতটি জাদুকরী ফেসপ্যাক

    বয়স সবাই ধরে রাখতে চায়। কিন্তু বয়স কি ধরে রাখা যায়? আজ হোক বা কাল, বয়স বাড়বেই। আর বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রকৃতিকভাবে তার ছাপ চেহারায় পড়বেই পড়বে। চোখের নিচে ভাঁজ, বলি রেখা, ত্বক ঝুলে যাওয়া এগুলো বয়সের ছাপের লক্ষণ। তবে অল্প বয়সেই অনেকের চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে যায় আর এই ছাপ লুকানোর জন্য ব্যবহার করা হয় কত না এ্যান্টি এজিং প্রসাধনী। এসব ব্যবহারে আপনার উপকার হোক বা না হোক, তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিন্তু আপনার ত্বক ঠিকই ভোগ করে, যার ফলে ত্বকে দেখা যায় নানা সমস্যা। তাই আসুন, আজ জেনে নিই বয়সের ছাপ দূরে করার প্রাকৃতিক কিছু উপায়।

    ১) শসার প্যাক

    শসাতে সিলিকা নামক একটি উপাদান আছে যা ত্বকের চামড়া ঝুলে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে । ৩ চা চামচ শসার পেষ্ট, ১ চা চামচ ডিমের সাদা অংশ, ২ চা চামচ লেবুর রস, ২ চা চামচ পুদিনা পাতার রস, পর্যাপ্ত পরিমাণে আপেলের পেষ্ট দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি সারা মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    ২) দুধ এবং কোকো পাউডার

    ২ টেবিলচামচ কোকো পাউডার এবং ১ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। ভালোভাবে মুখে লাগান। শুকানোর জন্য ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুধ এবং কোকো পাউডারের প্যাকটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বককে করবে মসৃণ এবং উজ্জ্বল।

    ৩) কলার প্যাক

    কলাতে এমন কিছু উপাদান আছে যা বয়সের ছাপ দূর করে থাকে। মাঝারি আকারের একটি কলার পেষ্ট, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ ক্রিম দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি মুখে, ঘাড়ে ভালভাবে লাগান। ৩০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

    ৪) আলুর প্যাক

    ১ টি আলুর পেষ্ট, ২ টেবিল চা চামচ আপেলের পেষ্ট দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। প্যাকটি ভালো ভাবে ঘাড়, মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বককে ন্যাচারাল গ্লো দেয় এবং নিস্তেজ ত্বককে উজ্জ্বল করে থাকে।

    ৫) ডিম এবং মধুর প্যাক

    ২ টেবিল চামচ ডিমের সাদা অংশ, ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে মেখে প্যাকটি শুকানোর জন্য ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পান দিয়ে মখ ধুয়ে ফেলুন। ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য কয়েক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

    ৬) পেঁপে এবং টক দই

    ২ টেবিল চামচ পেঁপের পেষ্ট এবং ২ টেবিলচামচ টক দই মিশিয়ে একটি পেষ্ট তৈরি করে নিন। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ত্বকের মৃত কোষ দূর করে থাকে।

    ৭) ওটমিল এবং মধুর প্যাক

    সমপরিমাণ মধু এংব ওটমিল মিশিয়ে নিন। মুখে ভাল ভাবে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

    শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২০

    চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করার সহজ উপায়

    কেন চোখের নিচের অংশ ফোলার সমস্যা হয়

    চোখের নিচ ফুলে যাওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। এই কারণগুলো যতোটা সম্ভব বাদ দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। এতে করে চোখ ফোলার সমস্যা হবেই না।
    • – ঘুম কম হলে বা ঘুমের সমস্যা থেকে থাকলে চোখের নিচ ফুলে যায়। সুতরাং আপনাকে নিয়ম করে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
    • – অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে চোখের নিচ ফুলে যায় অনেক বেশী।
    • – অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার খাওয়ার কারণে দেহে পানি বেশী জমতে থাকে। এতে করেও অনেকের চোখের নিচে ফুলে যায়।
    • – সাইনাসের সমস্যা থাকলে চোখের নিচের ফোলাভাব বেড়ে যায়।
    • – অতিরিক্ত ধূমপান এবং মদ্যপানের কারণেও চোখের নিচ ফুলে থাকে।
    • – পরিবারের সদস্যদের যদি এমন সমস্যা থাকে তাহলে সেটি আপনার জেনেটিক্যাল ব্যাপার, আর সে কারণেই আপনার চোখের নিচ ফোলা।

    ১) আলুর রসের ব্যবহার

    আলুর রসের অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান চোখের নিচের ফলাভাব এবং সেই সাথে কালচে ভাব দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।প্রথমে একটি আলু গ্রেট করে নিয়ে চিপে রস বের করে নিন। এবং এই রস একটু ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে ফেলুন। ঠাণ্ডা আলুর রস তুলোর বলে লাগিয়ে চোখের উপরে দিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এই ২০ মিনিট রিলাক্স করুন। ২০ মিনিট পর তুলোর বল ফেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। দেখবেন ফোলাভাব অনেকটাই কমে গিয়েছে।

    ২) ডিমের ব্যবহার

    ডিম ত্বকের জন্য খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। বিশেষ করে ত্বকের টানটান ভাব ধরে রাখতে ডিমের সাদা অংশের জুড়ি নেই। একারণেই চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করতে ডিমের সাদা অংশ কার্যকরী। একটি ডিম ভেঙে কুসুম আলাদা করে নিন। এরপর ডিমের সাদা অংশ ভালো করে ফেটিয়ে নিন। আঙুলের ডগা দিয়ে এই সাদা অংশ চোখের নিচে লাগান তবে সাবধান থাকবেন যেনো চোখের ভেতরে না যায়। সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন চোখ বন্ধ করে। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। চোখের ফোলাভাব খুব সহজেই দূর হয়ে যাবে।
    যদি এর চাইতেও সহজ পদ্ধতি চান, তাহলে দুটো টেবিলচামচ ডীপে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর এই চামচ চোখের উপরে ধরে রাখুন ১০ মিনিট, এতেও ভালো ফলাফল পাবেন।

    বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০

    চোখের নিচের কাল দাগ দূর করার উপায়

    ১) ২ টি চা চামচ ফ্রিজে রাখুন এবং চামচ ২ টি ঠাণ্ডা হবার জন্য অপেক্ষা করুন। চামচ ঠাণ্ডা হলে, বালিশে শুয়ে চোখের উপর চামচ দুইটি রাখুন। এটির দুটি সুফল আছে। এটি চোখের ক্লান্তি দূর করে এবং চোখের কালি দূর করতে সাহায্য করে।

    ২) ২ টি কটন বল শসার রসে ডুবিয়ে চোখের উপর পনের মিনিট রাখুন।

    ৩) ঠাণ্ডা টি ব্যাগ চোখের উপর রাখলে ভাল ফল পাবেন। গ্রিন টি-এর ব্যাগ রাখলে কাজ দ্রুত হবে।

    ৪) খোসা সহ আলু বেটে বা গ্রেট করে চোখের উপর রাখুন।

    ৫) কাজু বাদাম বেটে দুধের সাথে গুলিয়ে, পেস্ট করে চোখের চারপাশে লাগাতে পারেন।

    ৬) চোখের চারপাশে বাদাম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলেও দ্রুত উপকার পাবেন।

    সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

    ব্রণের জন্য কিছু প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ

    ব্রণের জন্য কিছু প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ এর রেসিপিঃ

    ➣উপটান ১চা চামচ, কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ ,তাজা নিম পাতা বাটা, লেবুর রস বা কমলা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। আপনি চাইলে একটু বেশি পরিমাণে নিয়ে করতে পারেন এবং ৩/৪ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে ব্যবহার করা যাবে। প্রতিবার মুখ ধোয়ার সময় অল্প পরিমাণে নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি মাত্র ৭ দিন ব্যবহার করলে আপনার মুখের ব্রণ থেকে মুক্তি পাবেন।

    ➣কাঁচা দুধ ,হলুদ গুঁড়া ,অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে ৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের কোমলতা বাড়বে এবং সেই সাথে ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করবে।

    ➣১ চা চামচ উপটান, ১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ লেবুর রস, এবং ১ চা চামচ গোলাপ জল এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।  দিনে ৩ বার ব্যবহার করতে হবে। আপনি চাইলে এই মিশ্রণটি ৩/৪ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। এই ফেস ওয়াশটা প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ এর মধ্যে অন্যতম।

    ➣১/২ চা চামচ আলু কুচি, ১/২ চা চামচ শশা কুচি, ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ১ চা চামচ টক দই ও ১ চা চামচ পুদিনা পাতা দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের কালচে ভাব দূর করার সাথে সাথে মুখে আনবে লাবণ্যতা ।

    ➣পুদিনা পাতা ১ চা চামচ, দারুচিনি ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মধু ১ চা চামচ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ৩/৪ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি ৪/৫ ব্যবহারের করলেই ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

    উপরোক্ত ফেস ওয়াশ গুলো অবশ্যই প্রতিদিন ৩ বার ব্যবহার করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনার মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে কারণ আপনার মুখে সারা রাত ধরে অনেক তেল জমা হয়ে থাকে আর এ থেকেও ব্রণের সৃষ্টি হয়।আর হ্যাঁ মনে করে বাইরে থেকে এসে সাথে সাথে মুখে ফেস ওয়াশ করে ফেলবেন বাইরের ধুলোবালি থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবেন। অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে, কারণ এই সময়ে ত্বক পরিষ্কার না করলে সারা রাত ধরে আপনার মুখে রোগ জীবাণু বহন করে ব্রণের উপদ্রব বাড়িয়ে দেবে। এভাবে ত্বক পরিষ্কার পরিছন্ন রাখলে কিছু দিনের মধ্যে আপনি পাবেন ব্রণ মুক্ত লাবণ্যময় চেহারা।