মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

কেন হয়?

ঘুম না হওয়া, কম্পিউটারের মনিটরের সামনে বসে থাকাও চোখের নিচ কালো হওয়ার একটা কারণ। এ ছাড়া নাসারন্ধ্রে সমস্যা, বংশগত সমস্যা, এলার্জি, মূত্রগ্রন্থি কিংবা রক্ত চলাচলে সমস্যা থাকার কারণেও চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। আবার কোনো কারণে খুব বেশি চাপে থাকা, দিনে কমপক্ষে আট ঘণ্টা না ঘুমালেও কালি পড়ে। শরীর থেকে অনেক বেশি পানি বেরিয়ে গেলে ত্বক শুষ্ক ও শরীর দুর্বল হয়ে যায়। এর ফলে চোখের নিচে কালি পড়ে। আসুন জেনে নিই কিছু যত্ন-আত্তি যা দিয়ে এর থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি।

যত্ন-আত্তি

* কয়েক টুকরা শসা ও আলু নিন। পেস্ট করে ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে তরল মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণে তুলা ভিজিয়ে চোখের নিচে ১৫ থেকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। নিয়মিত করলে চোখের নিচের কালো দাগ কমে যাবে।
* চোখের নিচে যেখানে কালি পড়েছে, সেখানে প্রতিদিন রাতে অলিভ অয়েল লাগিয়ে ঘুমান। এক সপ্তাহ ব্যবহার করলে কালচে ভাব কমবে।
* ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখ বন্ধ করে চারপাশে বাদামের তেল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এটা কালো দাগ তুলতে ভালো কাজ করে।
* পুদিনা পাতার রস তুলায় ভিজিয়ে চোখের যে অংশে কালো দাগ আছে সেখানে লাগান। সাবধান থাকবেন যেন কোনোভাবেই এই রস চোখের ভেতরে প্রবেশ না করে। কালো দাগ দূর হবে।
* দুই ফোঁটা মধু নিয়ে চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করে লাগান। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা চোখের চারপাশের চামড়ার রোদেপোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করবে।
* মাল্টিভিটামিন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেলেও চোখের নিচে কালোভাব দূর হয়।

যা করবেন

* লবণ কম খাবেন।
* চোখ কচলানোর অভ্যাস থাকলে বাদ দিন। কেননা এটি ত্বকের নিচের রক্ত কণাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
* সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিলে উপকার হয়। এটি চোখের নিচের ফোলাভাব কমাতেও সাহায্য করে।
* ব্যবহার করা টিব্যাগ সারা রাত ফ্রিজে রেখে পরদিন সকালে চোখে ওপর ১৫ মিনিট রাখলে ফোলাভাব ও কালচে ভাব কমবে।
* কম মেকআপ ব্যবহারের চেষ্টা করুন। মেকআপ ভালো করে পরিষ্কার করবেন।

সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

চুল পড়া রোধ করতে জাদুকরী তেল

যা যা লাগবে:
নারকেল তেল
শুকনো আমলকী

যেভাবে তৈরি করবেন:
১। এক কাপ নারকেল তেল ৪-৫ মিনিট জ্বাল দিন।
২। এর সাথে শুকনো আমলকী দিয়ে দিন। আমলকীসহ এই তেল জ্বাল দিতে থাকুন।
৩। বাদামী রং হয়ে আসলে চুলা থেকে এটি নামিয়ে ফেলুন।
৪। এরপর তেলটি ছেঁকে আমলকী থেকে আলাদা করে নিন।
৫। তেলটি মাথায় কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করে লাগান।
৬। সারা রাত রাখুন, পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন।

কার্যকারিতা:
এই তেল শুধু নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে না। মাথার তালুতে রক্ত চলাচলও বৃদ্ধি করে থাকে। আমলকী চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। এটি সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করুন।

শুক্রবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

সুন্দর চুলের জন্য মুলতানি মাটির ৪ হেয়ার প্যাক

শুষ্ক চুলের জন্য
৪ চা চামচ মুলতানি মাটি, ১/২ কাপ টক দই দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলে ভাল করে লাগান। ১/২ ঘণ্টার পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুল পড়া রোধ করার সাথে সাথে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসাবে কাজ করে থাকে। এই প্যাকটির সাথে লেবুর রস যুক্ত করতে পারেন। লেবুর রস আপনার চুলের খুশকি দূর করে থাকে। ২ টেবিল চামচ মধু যোগ করে নিতে পারেন চুলকে ঝরঝরে সিল্কি করার জন্য।

তৈলাক্ত চুলের জন্য
 একটি বাটিতে ৩/৪ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ১/২ টেবিলচামচ রিঠা পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে রাখুন। প্যাকটি মিশিয়ে ১ /২ ঘন্টা রেখে দিন। তারপর চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে ভালভাবে লাগান। ১০/১৫ মিনিট পর তা ভাল করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এই প্যাকটি আপনার চুলকে সিল্কি এবং মজবুত করবে।
রুক্ষ্ম চুলের জন্য
রুক্ষ্ম চুল সিল্কি করার জন্য মুলতানি মাটি খুব ভাল কাজ করে। শ্যাম্পু করার আগের রাতে চুলে অলিভ অয়েল দিয়ে রাখুন। সকালে গরম পানিতে ভেজানো টাওয়েল দিয়ে চুল পেঁচিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। এরপর মুলতানি মাটি, টক দই দিয়ে তৈরি প্যাক চুলে লাগান। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু দিয়ে ভাল করে চুল ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে এই প্যাকটি প্রতি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

চুল মজবুত করতে
১ কাপ মুলতানি মাটি, ৫ চা চামচ চালের গুঁড়া, ১ টি ডিমের সাদা অংশ, অল্প কিছু পানি দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর প্যকটি চুলের গোড়াসহ সম্পূণ চুলে ভাল করে লাগান। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার চুলের গোড়া মজবুত করে থাকে।
মুলতানি মাটির প্যাক ব্যবহারে আগে চুল খুব ভাল ভাবে আঁচড়ে নিতে হবে। ভাল ফল পেতে চাইলে আগের রাতে চুলে তেলদিয়ে রাখা ভাল।

বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

ওজন কমাতে মধু ও লেবুর ব্যবহার

যা লক্ষ্য রাখবেন
—আগে পানি হালকা গরম করে তারপর লেবু ও মধু মেশাবেন। মধু
কখনোই গরম করতে যাবেন না।
—যদি ঠাণ্ডা পানিতে এটি পান করেন, তবে বিপরীত ফল হবে, মানে
আপনার ওজন বাড়বে।

লেবু-মধু পানীয়ের উপকারিতা
— এই পানীয় শরীর থেকে টক্সিন বের করে। শরীরের ভেতরের
নালীগুলোর সব ময়লা বের করে দেয়।
— মেটাবলিজম/হজম শক্তি বাড়ায়, ফলে ওজন কমে। ঠাণ্ডা লাগলে এই
পানীয় কফ বের করতে সাহায্য করে এবং ঠাণ্ডা লাগলে গলাব্যথা
করলেও এটি উপকারী ।
— এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
— শরীরে শক্তি বাড়ায়, অলসতা কমায়।
— কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

মধুর উপকারিতা
মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ আলাদাভাবে থাকে, কিন্তু চিনিতে তা একসঙ্গে থাকে। ফ্রুকটোজ তাড়াতাড়ি গ্লুকোজের মতো শরীরে ক্যালরি হিসেবে জমা হয় না। তাই চিনির মতো মধু সহজে ক্যালরি জমা করে না। ফলে অল্প মধু খেলেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম।
মধু শরীরকে রিলাক্স করে, মনকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে এবং সহজে ঘুম আনতে সাহায্য করে।
মধু একটি প্রাকৃতিক এন্টি বায়োটিক, যা শরীরের সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ইনফেকশন দূর করে। ফলে শরীরের কাজ করার প্রণালী উন্নত হয় এবং হেলদি থাকে।
মধু হজমে সহায়ক। তাই বেশি খাবার খাওয়ার পরে অল্প মধু খেতে পারেন।

—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয়।
—চোখের জন্য ভালো।
—গলার স্বর সুন্দর করে।
—শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
—আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—নালীগুলো পরিষ্কার করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ
পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
—বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়।
—শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।

লেবুর উপকারিতা
লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে
—লেবুর এই উপাদানগুলো টনসিল প্রতিরোধ করে
—এছাড়া লেবুর ভিটামিন সি ক্যান্সারের সেল গঠন প্রতিরোধ করে।
—লেবু বুক জ্বালা প্রতিরোধ করতে ও আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—লেবু আর্থাইটিসের রোগীদের জন্য ভালো ।
—লেবু শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।
—লেবু এন্টিঅক্সিডেন্ট। তাই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক
পরিষ্কার রাখে, অপহব দূর করে। ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
কালোদাগ ও ত্বকের ভাঁজ পড়া কমায়।
—লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে।
—লেবু হজমে সহায়ক ও হজমের সমস্যা দূর করে।
—কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
—শরীরের ভেতরের টক্সিন দূর করে, অন্ত্রনালী, লিভার ও পুরো শরীরকে
পরিষ্কার রাখে।
—পেট ফোলাজনিত সমস্যা কমায়।
—রক্ত পরিশোধন করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি হলে ভালো কাজ করে।
—শ্বাসনালীর ও গলার ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।

কখন খাবেন
সাধারণত সকালে উঠেই প্রথম পানীয় হিসেবে খালি পেটে এটি খাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরে সকালের নাস্তা খেতে পারেন।

সাবধানতা
যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই এটি খালি পেটে খাবেন না। কারণ লেবু এসিডিক। তাই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে এটি খাবেন।
তাছাড়া লেবুর এসিড দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকর, তাই এই পানীয় খাবার সঙ্গে সঙ্গে কুলি করবেন, অথবা পানি খাবেন।
একটা কথা মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য এই পানীয় শুধুই সহায়কমাত্র। সম্পূর্ণ ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে অবশ্যই থাকতে হবে স্বাস্থ্যকর/ব্যালেন্সড ডায়েট, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।

মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আইশ্যাডো ব্যবহারের সচেতনতা


১) আইশ্যাডো প্যালেটের ছোট্ট ব্রাশ দিয়ে ব্লেন্ড করা
আইশ্যাডো প্যালেট কিনলে তার সাথে ছোট্ট ব্রাশ পাওয়া যায়। এটি মূলত আইশ্যাডো লাগানোর ব্রাশ। অনেকে এই ব্রাশ দিয়েই ব্লেন্ড করার মতো ভুলটি করে থাকেন। এই কাজটি করবেন না। আইশ্যাডো ব্লেন্ডার ব্রাশ দিয়েই ব্লেন্ড করুন। এতে করে পারফেক্ট ভাবে ব্লেন্ড করতে পারবেন।

২) ভালো করে ব্লেন্ড না করা
আইশ্যাডো যদি ভালো করে ব্লেন্ড না কর হয় তাহলে তা চোখের পাতায় ভেসে থাকে যা দেখতে বেশ বিশ্রী দেখায়। বিশেষ করে যদি ২/৩ টি রঙের আইশ্যাডো ব্যবহার করে ভালো করে ব্লেন্ড না করা হয় তাহলে তা আলাদা করে বোঝা যায় যা পুরো মেকআপ নষ্ট করে দেয়। সুতরাং আইশ্যাডো ব্লেন্ড করার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

৩) আইশ্যাডো ব্যবহারের আগে কনসিলার লাগানো
অনেকেই ডিম আগে না মুরগী আগের মতো আইশ্যাডো আগে না কনসিলার আগে ব্যাপারটির মধ্যে গণ্ডগোল করে ফেলেন ফলে আইশ্যাডো সঠিকভাবে লাগানো হয় না। তাই মনে রাখুন, প্রথমে আইশ্যাডো লাগিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন এবং তার পর কনসিলার ব্যবহার করুন।

৪) চোখের নিচের পাতায় বেশি আইশ্যাডোর ব্যবহার
চোখের নিচের পাতায় অনেকেই বেশ গাঢ় করে এবং মোটা করে আইশ্যাডো ব্যবহার করেন যার ফলে আপনাকে অনেক ক্লান্ত দেখায়। চোখের নিচের পাতায় শুধুমাত্র চোখের পাপড়ির কোল ঘেঁষে হালকা করে আইশ্যাডো দিন।

৫) চোখের রঙের সাথে মিলিয়ে আইশ্যাডো দেয়া
অনেকেই পছন্দের রঙের লেন্স পড়ে লেন্সের রঙের সাথে মিলিয়ে চোখে আইশ্যাডো দিয়ে থাকেন যা সম্পূর্ণ ভুল। নিয়ম অনুযায়ী চোখের রঙের উল্টো রঙটিই আইশ্যাডো দেয়া উচিত নতুবা মেকআপ ভালো দেখাবে না।

রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

সঠিক ডায়েট স্যুপ রান্না

ডায়েটের ক্ষেত্রে ভারি খাবার হিসেবে আমরা স্যুপকেই বেছে নেই। কিন্তু স্বাদ বাড়াতে আমরা এমন অনেক উপাদান স্যুপ তৈরিতে ব্যবহার করি যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। তাই সহজ উপায়ে বিভিন্ন ধরনের সবজি দিয়ে এই স্যুপ তৈরি করুন। বাসায় বসে খুব সহজে তৈরি করতে জেনে নিন কী কী উপকরণ লাগবে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন স্বাস্থ্যকর এই স্যুপ।

উপকরণ

গাজর কুচি এক কাপ,
পেঁয়াজ কুচি এক কাপ,
ক্যাপসিকাম কুচি এক কাপ,
পেঁয়াজের কলি কুচি এক কাপ,
বাঁধাকপি কুচি এক কাপ,
রসুন এক কোয়া,
আদা আধা চা চামচ,
কর্নফ্লাওয়ার তিন চা চামচ,
গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ,
লেবুর রস দুই চা চামচ,
ভেজিটেবল স্টক দুই কাপ,
তেল সামান্য এবং
লবণ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে একটি প্যানে তেল নিয়ে আদা ও রসুন কষিয়ে নিন। এবার এতে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, ক্যাপসিকাম কুচি, বাঁধাকপি কুচি ও পেঁয়াজের কলি দিয়ে ভাজতে থাকুন। এবার এতে ভেজিটেবল স্টক দিন। লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে নেড়ে নিন।
এবার কর্নফ্লাওয়ার ও সামান্য পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে সবজির মধ্যে দিন। এখন এতে লেবুর রস দিয়ে পাঁচ মিনিট রান্না করুন। ভালো করে নেড়ে আরো ১০ মিনিট রান্না করুন। ওপরে ধনেপাতা ছড়িয়ে চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবশন করুন স্বাস্থ্যকর ডায়েট স্যুপ।

শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

বয়স ধরে রাখার কিছু গোপন কৌশল

একটু সচেতন হলেই চেহারার লাবণ্য ও সৌন্দর্য ধরে রাখা যায় দীর্ঘদিন-

১. দীর্ঘদিন তারুণ্য ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন শৃঙ্খলা। সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্যকর খাবার, হাঁটাচলা, ব্যায়াম, ইতিবাচক চিন্তা করা, মনকে প্রফুল্ল রাখা এসব কিছুই চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

২. বয়সের সাথে ত্বক পাতলা এবং শুষ্ক হয়। তাই ভিটামিন এ, সি এবং ই সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেতে হবে।

৪. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে নিজেকে দূরে রাখা প্রয়োজন। এতে যে ত্বক সহজে বুড়িয়ে যায় তা নয়, এর ফলে ত্বকে ক্যানসারও হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব দূষণ থেকে নিজেকে দূরে রাখা এবং বাইরে থেকে ফিরে গোসল বা ভালো করে হাত-মুখ ধোয়া উচিত।

৫. সুস্থ আর সুন্দর থাকতে খাওয়া-দাওয়ার ভূমিকা অনেক। মানুষের শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, শর্করা, মিনারেল- এগুলোর দরকার। সব কিছুই খাওয়া উচিত, তবে একটা পরিমিতিবোধ থাকতে হবে। প্রচুর শাক-সবজি, ফল-মূল খাবার তালিকায় থাকা প্রয়োজন।

৬. শুধু সুন্দর মুখ আর টানটান ত্বকই তারুণ্যের চাবিকাঠি নয়। শরীরটাও থাকতে হবে টানটান; আর সেজন্য চাই নিয়মিত কিছুক্ষণ শরীরচর্চা বা ব্যায়াম এবং মুক্ত বাতাস সেবন।

৭. সৌন্দর্য চর্চা বা তারুণ্য ধরে রাখতে গ্রিন-টি বা সবুজ চায়ের জুড়ি নেই। এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। নিয়মিত গ্রিন-টি পান শরীরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৮. অপ্রয়োজনীয় চাপ এড়িয়ে চলুন। অ্যালকোহল, ধূমপান পুরোপুরি ছেড়ে দিন আর দিনে অন্তত একবার প্রাণ খুলে হাসুন। ভালো বই পড়ুন, গান শুনুন। প্রকৃতির সাথে সম্পর্ক রাখুন, হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে পারলে অন্যের উপকার করার চেষ্টা করুন।