বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪

রোদে পোড়া ত্বকের দাগ দূর করতে

রোদে কুঁচকানো ত্বক :
২৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সীদের ত্বকে দিনের পরিবর্তনের মাত্রাটা একটু বেশিই থাকে। এ বয়সী কারও কারও ত্বক রোদে পোড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুঁচকে আসতে থাকে। এটা এ বয়সী প্রত্যেকের শরীরের জন্য খুবই ভয়ানক। তাই এ ক্ষেত্রে হাত-পায়ের ত্বকে এমন কিছু প্যাকের ব্যবহার আনতে হবে যা কি-না রোদে পোড়া বা কুঁচকানো ত্বককে স্বাভাবিক করে তুলতে পারে। এজন্য চন্দন গুঁড়া, কাঁচা হলুদ, মাষ কলাইয়ের ডাল ও মুগ ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে হাত-পায়ের ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের টানটান ভাব ফিরে আসবে, হাত-পায়ের পুড়ে যাওয়া টোনিংটা চলে যাবে এবং ত্বক আগের মতই সৌন্দর্য ফিরে পাবে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য :
যাদের হাত-পায়ের ত্বক খুবই শুষ্ক এবং ত্বকে রোদে পোড়া ভাব রয়েছে তাদের জন্য এটি একটি উপকারী প্যাক হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। এজন্য সয়াবিন পাউডার, দুধের সর, কাঁচা হলুদ, গাজরের রস একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে ১০/১৫ মিনিট পরে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্যাকটি শুষ্ক ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে অনেকটা চমকের মতোই কাজ করবে।

স্বাভাবিক ত্বক :
যাদের ত্বক অতিমাত্রায় তৈলাক্ত নয় আবার শুষ্কও নয় ঠিক এমন ত্বককেই স্বাভাবিক ত্বক হিসেবে ধরা হয়। স্বাভাবিক ত্বক যাদের, তাদের জন্য এখানে দুটি প্যাক দেওয়া হলো। প্রথমটি হতে পারে কাঁচা হলুদের সঙ্গে দুধ, মধু ও অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে রেখে ১০/১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। আর দ্বিতীয় প্যাকটি হতে পারে ডিমের কুসুম, এক টেবিল চামচ বেসন ও দুধ দিয়ে তৈরি সহজ একটি প্যাক। প্যাক ব্যবহারের ১০/১৫ মিনিটে ত্বক ধুয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। এ প্যাক দুটি ব্যবহারে ত্বক তার হারানো লাবণ্য ফিরে পাবে।

তৈলাক্ত ত্বক :
যাদের ত্বক খুবই তৈলাক্ত তারা মসুরের ডাল বাটা, শসার রস ও ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। প্যাকটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই ফলপ্রসূ। তাই প্রথমে প্যাকটি তৈরি করে তারপর ত্বকে ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে ১০/২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে।

স্ক্রাবের ব্যবহার :
হাত-পায়ের কালো দাগ দূর করতে সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য প্রয়োজন হবে এক টেবিল-চামচ করে চালের গুঁড়া, ময়দা, দুধ, শসার রস ও লেবুর রস। এর সঙ্গে মেশাতে হবে এক টেবিল চামচ নারকেল অথবা তিলের তেল। আবার অলিভ অয়েলও মেশানো যেতে পারে। এর সঙ্গে আরও লাগবে আধা চা চামচ মধু। প্যাকটি ক্রিমের মতো করে মিশিয়ে প্রতিটি দাগে ঘষতে হবে। তারপর ধুয়ে টোনিং করতে হবে।

টোনিং করতে শুধু দুধ ও মধুর ক্রিমের মতো মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। হালকা ঘষে পানিতে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম লাগাতে হবে।

আরও সহজ পদ্ধতিতেও দাগ দূর করতে চাইলে এক চা-চামচ লেবুর রসে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে দাগে ঘষতে পারেন। তবে সরাসরি কখনও লেবুর রস দাগে মাখাবেন না। লেবুর রস ত্বকে সহ্য না হলে অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী ব্যবহার করতে পারেন। দুই টেবিল-চামচ ঘৃতকুমারীর শাঁসে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে দাগে মাখালেও দাগ ধীরে ধীরে কমে আসবে।

আমাদের কিছু কিছু ত্বকের জন্য ত্বকের প্যান্টোনিংটা কিছুতেই দূর করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ত্বকের প্যান্টোনিং ভাবটা দূর করতে ত্বকে কাঁচা হলুদের ব্যবহারটা বাড়ানো যেতে পারে। তবে ত্বকের বাহ্যিক অংশে আমরা যদি নিয়মিতভাবে সানবার্ন ব্যবহার করি তবেও আমাদের হাত-পায়ের কালো দাগ অনেকাংশে কমে আসবে।

রোদের মাঝেও ত্বকের ব্রাইটনেস বাড়াতে আমরা কেউ কেউ বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি। অথচ রোদে যাওয়ার জন্য এসব প্রসাধনী ত্বকের জন্য মোটেই সুফল বয়ে নিয়ে আসে না বরং ত্বককে আরও রুক্ষ-শুষ্ক করে তুলে ত্বকের পুড়ে যাওয়া কালো দাগকে বেশি করে ফুটিয়ে তোলে। এই প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহারে আমরা আমাদের শরীরের রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক ও হাত-পায়ের কালো দাগকে সহজেই দূর করতে পারি। রোদ থেকে বাঁচতে নিত্যদিনের ব্যবহারে সুতি কাপড়, সানগ্গ্নাস ও রোদ প্রটেক্টেড ছাতা ব্যবহার করতে পারি। তাহলে খুব সহজেই আমাদের ত্বক রোদে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে। তাই যতটা সম্ভব তীব্র রোদের হাত থেকে দূরে থাকতে হবে।

সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

শরীর ভালো রাখতে প্রতিদিন দই খান

আসুন আজ জেনে নিন দইয়ের ১০ টি গুণাবলীঃ

১/ দইয়ের মধ্যে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

২/ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা মেটাতে পারে দই।

৩/ দই দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফলে খুব সহজেই জ্বর কিংবা ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সমস্যা কমে যায়।

৪/ দই শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। ফলে প্রচন্ড গরমের সময়ে দই খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫/ ওজন জনিত সমস্যায় ভুগলে অবশ্যই দই খান- উপকার পাবেন।

৬/ দই এ আছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি। ফলে নিয়মিত দই খেলে দাঁত ও হাড় মজবুত থাকে।

৭/ টক দই রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়।

৮/ দই রক্ত থেকে বিষাক্ত উপাদান কমিয়ে দিয়ে রক্তকে বিশুদ্ধ করে তোলে।

৯/ দই হজমে সহায়ক তাই রোজ পরিমিত পরিমান দই খেলে হজম ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমে যায়।

১০/ সম্প্রতি গবেষনা থেকে জানা গেছে প্রতিদিন পরিমিত দই খেলে ক্যান্সারের মত মারনরোগ আটকানো যায়।

রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪

হালকা মেকআপ করার পদ্ধতি




halka

হালকা মেকআপ যেভাবে করবেনঃ


হালকা মেকাপ করা তুলনামূলক সহজ এবং কম সময়ে নিজেকে সাজানো যায়। হালকা মেকাপ কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে জেনে নিই- 
  • প্রথমেই মুখ ভালোমানের ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। অথবা পছন্দমাফিক যেকোনো ফেসপ্যাক লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
  • মুখ পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে হবে।
  • ময়েশ্চারাইজিং ব্যবহার করার পর সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন।
  • ভালোমানের প্রাইমার সেট করে নিন।
  • পরিমান মতো বিবি ক্রিম লাগান।
  • ডার্ক সার্কেল দূর করতে পরিমাণ মতো কনসিলার ব্যবহার করুন।
  • ভেজা স্পঞ্জ কিংবা পরিষ্কার হাত দিয়ে ফাউন্ডেশন ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন।
  • ব্লেন্ড করার সময় উপর থেকে নিচের দিকে ব্লেন্ড করুন।
  • ফেস পাউডার সেট করে নিন।
  • সবশেষে মেকাপ সেটিং স্প্রে দিয়ে মেকাপ সেট করে নিন।

বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

আইলাইনার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম




পেন লাইনার

শুধু চোখের পাপড়ি স্পর্শ করিয়ে খুব চিকন করে যারা আইলাইনার দিতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য পেন লাইনার। এর আকৃতি খানিকটা কলমের মতো। এর ফর্মুলা এমনভাবে তৈরি যেন তা দেওয়া মাত্রই শুঁকিয়ে যায়। ফলে যারা নতুন মেকআপ করছেন বা শিখতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এটি খুব ভালো একটি অপশন। পেন লাইনারের দাম লিকুইড লাইনার থেকে একটু বেশি হয়ে থাকে। তবে, আপনি যদি চোখকে ক্যাট আই লুক দিতে চান তাহলে কিনে নিতে পারেন পেন লাইনার।

জেল লাইনার
চোখকে গাঢ় কালো রঙে রাঙাতে জেল লাইনারের জুড়ি নেই। চোখের সাজে স্মোকি আই লুক আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় এটি। কারণ, এটি ব্যবহার করা হয় আলাদা ব্রাশের সাহায্যে। এতে করে এটি নিজের প্রয়োজন মতো ব্লেন্ড করা যায়। অন্য যে কোনো লাইনারের চেয়ে জেল লাইনারের দাম বেশি। একটি ভালো জেল লাইনার দাম শুরু হয় ৮০০ টাকা থেকে। তবে আপনি যদি স্মোকি আই ভালোবাসেন তাহলে এই অর্থ খুব বেশি মনে হবে না।

পেন্সিল আইলাইনার
পেন্সিল আইলাইনারকে কাজলের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার সুযোগ নেই। এটি কাজলের চেয়ে বেশি গাঢ় হয় এবং ব্যবহারের কিছু সময় পরেই শুঁকিয়ে যায়। ওয়াটারপ্রুফ ও স্মাজপ্রুফ এই পেন্সিল লাইনার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় রঙের বিভিন্নতার জন্য। বাজারে বিভিন্ন কালারের পেন্সিল আইলাইনার পাওয়া যায়। এর দামেও নাগালের মধ্যেই। ২০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন পেন্সিল আইলাইনার। ছোট হওয়ায় রেখে দিতে পারবেন ব্যাগেও।

গ্লিটার লাইনার
সম্প্রতি গ্লিটার লাইনার জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আগে আলাদা গ্লিটার ব্যবহারে করে চোখে চিকিমিকি লুক দেওয়া হতো। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো এক প্রকারের আঠা। কিন্তু গ্লিটার আইলাইনার আসার সেটি আর লাগছে না। ভালো গ্লিটার লাইনার পেতে পারেন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই।

লক্ষ্য রাখবেন
মেয়াদ উত্তীর্ণ কোনো আইলাইনার ব্যবহার না করাই ভালো। দিন শেষে মুখ থেকে মেকআপ তোলা খুবই জরুরি। অনেক সময় মেকআপ তোলার সময় আমাদের চোখ থেকে সম্পূর্ণ মেকআপ উঠে আসে না। সেজন্য ডাবল ক্লিঞ্জিং পদ্ধতিতে মেকআপ উঠাতে পারেন। তেলযুক্ত মেকআপ রিমুভার বা মিসেলার ওয়াটার ব্যবহার করলে সহজেই আইলাইনার উঠে আসবে।

সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪

নাকের ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা দূর করার উপায়





ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা দূর করার জন্য ১ চা চামচ বেকিং সোডা, ১/২ চা চামচ লেবুর রস, ১/২ চা চামচ নুন আর ১ চা চামচ গোলাপ জল নিন। প্রথমে একটি পাত্রে এই সব উপাদানগুলো নিন। ভাল করে মিশিয়ে নেবেন। এবার এই মিশ্রণটি প্রথমে নাকে লাগান। এটি ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
এই মিশ্রণটি লাগালে ত্বকে হালকা জ্বালাভাব অনুভূত হতে পারে। আসলে, বেকিং সোডা একটি খুব ভাল এক্সফোলিয়েটিং এজেন্ট এবং এটি ত্বকের মরা চামড়া দূর করে। এছাড়াও এটি সহজেই কালো দাগ দূর করে। আপনি যদি নুন ব্যবহার করতে না চান তবে আপনি চালের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।
৫ মিনিট পর ধীরে ধীরে নাক ঘষে তারপর হালকা গরম জল দিয়ে নাক পরিষ্কার করুন। এবার একটি নরম তোয়ালে নিয়ে তা দিয়ে নাক ঘষুন। খুব জোরে ঘষবেন না, এতে নাক লাল হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি র‍্যাশের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই পদ্ধতির পরপরই আপনার নাকে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এতে নাকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। এতেই দেখবেন দূর হয়ে গিয়েছে ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা। নাক ছাড়াও যদি মুখের অন্যান্য জায়গা ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা থাকে তাহলেও ব্যবহার করতে পারেন এই পদ্ধতি।

শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪

ঈদের দিনের সাজ



ঈদের সাজ নিয়ে কিছু কথা

ঈদের সকালের জন্য বেছে নিতে হবে হালকা পাতলা সুতি কাপড়ের পোশাক। যদি কেনাকাটা না করে থাকেন (অনলাইনে অনেকেই কেনাকাটা করেছেন), তাহলে আলমারি থেকে প্রিয় শাড়িটি বের করে পরতে পারেন। যে কোনো রঙের শাড়ি পরতে পারেন। মাংস নিয়ে সন্ধ্যায় হয়তো কিছু আত্মীয়স্বজন আসতে পারে। সন্ধ্যায় যে কোনো অনুষ্ঠানে কালো রঙের শাড়ি বেশি মানায়।

শাড়ির সঙ্গে মন ভালো রাখার জন্য অলঙ্কার পরতে পারেন। আইব্রোটা এঁকে নিতে হবে। হালকা কাজল আর ছোট্ট একটা টিপ দিতে ভুলে গেলে চলবে না। ঠোঁটে ন্যুড শেডের কোনো লিপস্টিক লাগিয়ে নিতে পারেন। সালোয়ার-কামিজ বা টপসের সঙ্গেও মেকআপ হওয়া চাই হালকা। চুল পনিটেল করে নিলে পোশাকের সঙ্গে ভালো মানাবে।

চুল খুলে রাখতে চাইলে কার্ল করে নিতে পারেন নিচের চুলগুলো। কানে ছোট্ট দুল, ভারি করে মাসকারা ব্যবহার করতে পারেন। আইলাইনার আর কাজল দিন। ইউটিউবে চুলের স্টাইলের টিউটোরিয়াল দেখে সুন্দর কোনো হেয়ারস্টাইল করে নিতে পারেন। এখন শিখে রাখলে পরে কাজে লাগবে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪

মুখের কালো দাগ দূর করতে রাতে ঘুমানোর আগে কিছু টিপস

কী ব্যবহার করবেন?

মুখের দাগ দূর করতে আমরা ব্যবহার করবো লেবু। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে সকল অ্যান্টি স্পট ফেয়ারনেস ক্রিম লেবুর কথা বলে। কারণ একটাই, লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসাবে কাজ করে। তবে লেবু এই রূপচর্চাটি কেবল রাতের বেলায় করতে হবে এই কারণে যে সূর্যের আলো আপনার ত্বকে রিঅ্যাকশন করতে পারে। রাতের বেলায় রূপচর্চাটি করলে সূর্যের আলো বা গরমে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং ত্বক সম্পূর্ণ ৮-১০ ঘণ্টা পাচ্ছে দাগ দূর করার জন্য।

কী করবেন?

দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন আপনি। যদি আপনার ত্বক হয়ে থাকে স্বাভাবিক, তাহলে মাত্র ৫ মিনিটের একটি কাজ করতে হবে আপনাকে। যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ হয়ে থাকে, তাহলে সময় লাগবে ৩০ মিনিট।
  • -মুখ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।
  • -যদি স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বক হয়, তাহলে তাজা পাকা লেবুর রস (যে লেবু পেকে হলদে হয়ে গেছে, অর্থাৎ লেমন) সরাসরি মুখের কালো দাগে লাগিয়ে নিন। লেবুর রসের সাথে সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর শুকাতে দিন। এবং লেবুর রস মুখে নিয়েই ঘুমিয়ে যান। স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বকে কোন সমস্যা হবে না। সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ মুছে নিন।
  • -আর যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ ত্বক হয়, তাহলে পাকা লেবুর রসের সাথে মুলতানি মাটি ও মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ধোয়া মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের কালো দাগ মিলিয়ে যাবে।
টিপস-
ত্বকে লেবুর রস দেয়ার পর যদি কোন রকম অস্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে অবিলম্বে মুখে ধুয়ে ফেলুন এবং পুনরায় ব্যবহার করবেন না।