শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

ঘরোয়া উপায়ে চুল কালো করার ৫ টি উপায়



hair

উপকরণ:

৫-৬ টা আলু ছাড়িয়ে তার খোসা
২ কাপ জল

পদ্ধতি:

জলের মধ্যে আলুর খোসা ফেলে ফুটতে দিন
মিনিট পাঁচেক পরে বন্ধ করে জলটা ছেঁকে নিন
ঠাণ্ডা হতে দিন
শ্যাম্পু করার পরে ওই জলটা দিয়ে চুল ধুয়ে নিন
এরপর আর তক্ষুনি চুলে জল দেবেন না
সপ্তাহে ১-২ বার করুন

উপকরণ:

১ টে চা পাতিলেবুর রস
২ টে চা নারকেল তেল

পদ্ধতি:

উপকরণগুলি ভালো করে মিলিয়ে নিন
চুল ও স্ক্যাল্পে ভালো করে ম্যাসাজ করুন
আধঘণ্টা পরে শ্যাম্পু করে নিন
সপ্তাহে ২-৩ বার করুন

উপকরণ:

৩ চা চামচ আমলা পাউডার
২ চা চামচ কফি পাউডার
১-১.৫ কাপ হেনা পাউডার
অলিভ অয়েল ২ চা চামচ

পদ্ধতি:

সব উপকরণগুলি একটি কাঁচের বাটিতে ভালো করে মেলান
প্রয়োজনে ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে মসৃণ পেস্ট বানিয়ে নিন
পুরো চুলে ভালো করে লাগান
এক ঘণ্টা পরে মাইলড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন
মাসে ১ বার যথেষ্ট

উপকরণ:

এক কাপ নারকেল তেল
আধা কাপ মেথি দানা

পদ্ধতি:

একটি পাত্রে নারকেল তেল ফুটতে দিন
তেল ফুটে এলে মেথি দানা দিয়ে দিন এবং ৮-৯ মিনিট ফোটান
তেল ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন
রাতে পুরো চুল ও স্ক্যাল্পে ভালো করে ম্যাসাজ করুন
সকালে শ্যাম্পু করুন
সপ্তাহে ৩ বার করুন

শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫

ত্বক ঠিক রাখার জন্য পানি খাওয়ার উপকারিতা অনেক








প্রচুর জল খান 

জল খাওয়া শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, ত্বকের জন্যও খুব ভালো । উজ্জ্বল ত্বকের সেরা রহস্য হল দিনে 4 লিটার জল নিয়ম করে খাওয়া। এতে আপনার শরীর ডিটক্স হবে, শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসবে। আর এতে ত্বক স্বাভাবিকভাবেই উজ্জ্বল হবে।

মুলতানি মাটি দিয়ে ফেস প্যাক 
মুলতানি মাটি ত্বকের জন্য খুবই উপকারী । সৌন্দর্যের জন্য এর ব্যবহার হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসছে এবং এর থেকে অনেক চমৎকার ফলাফল দেখা গেছে। আপনি মুলতানি মাটির একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এই প্যাকটি তৈরি করতে আধা চা চামচ মুলতানি মাটিতে এক চা চামচ চন্দন গুঁড়ো, 1/4 চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এক চা চামচ গোলাপ জল বা দুধ মেশান। এটি মুখে লাগান, এটি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রেখে দিন এবং তারপরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম
বিউটি স্লিপ কথাটির সঙ্গে তো আপনি নিশ্চয়ই পরিচিত। এটা কোনও মিথ্যে প্রবাদ নয়। ঘুম আপনার শরীর এবং সৌন্দর্য উভয়ের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং ত্বক ভালো রাখে আপনার। ঘুমের সময় নিয়ে কাটাছেঁড়া করবেন না। যদি ঘুম কম করেন তাহলে আপনার চেহারা নিস্তেজ হয়ে পড়তে পারে। এছাড়া অকাল বার্ধক্য এবং প্রাণহীন দেখাতে পারে। আপনি যদি আপনার ডার্ক সার্কেল, বলিরেখা এবং ফাইন লাইনস মসৃণ করতে চান তবে আপনাকে ঘুমের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতেই হবে।

ভিটামিন সি রয়েছে এমন ফল খান 
ভিটামিন শরীরে কতটা প্রয়োজনীয়, সেই বিষয়ে কত কয়েক বছরে সচেতন হয়েছে মানুষ। তবে কমলালেবু খেতে কিন্তু কেউ কোনওদিনই ভোলেনি। আর কিছু থাক না থাক। ডায়েট চার্টে একটা কমলালেবু অবশ্যই তাকে। এটি একটি বিউটি ফল হিসেবেও পরিচিত, যা আপনি ডায়েট থেকে শুরু করে ঘরে তৈরি ফেসপ্যাকেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন । কমলা ছাড়াও আপনার ডায়েটে লেবু এবং পেঁপেও রাখতে পারেন।

বেসনের উবটান
ত্বক যদি আপনি পরিষ্কার পেতে চান, তাহলে অবশ্যই মরা চামড়াকে আপনার ভালোভাবে ত্বক থেকে বিদায় জানাতে হবে। আপনি যদি একটু চর্চা করেন এসব বিষয় নিয়ে তাহলে এই বিষয়টি আপনি বুঝতে পারবেন। আগেকার দিনে এই সমস্ত ফেসিয়াল, ক্লিন আপ কোথায় ছিল? তাই বলে কি মানুষের ত্বক পরিষ্কার থাকত না? ছোট ছোট ঘরোয়া টোটকাই ছিল সুন্দর ত্বকের রহস্য। এরমধ্যে অবশ্যই রয়েছে বেসন।

নিয়মিতভাবে ব্যায়াম করুন
নিয়মিত ব্যায়াম করলে ত্বকের কোষে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৃদ্ধি পায়। যার কারণে ত্বকে ভালো গ্লো আসে এবং আপনার স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।

নারকেল তেলের ব্যবহার
বর্তমান সময়ে অনেক ধরনের বাটার অয়েল, ইন্সট্যান্ট অয়েল এবং এসেন্সিয়াল অয়েল এসেছে। এখন এই সমস্ত তেলের ব্যবহার বাড়লেও একসময় তো মানুষের সঙ্গে এসবের পরিচয়ই ছিল না। আর তখন সবক্ষেত্রেই ব্যবহার হত একটি তেলেরই। সেটি হল নারকেল তেল। আগেকার দিনের মানুষ নারকেল তেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করতেন। আজও বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন নারকেল তেলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

চন্দনের ফেসপ্যাক 

আগেকার দিনে মানুষ তাদের সৌন্দর্য বাড়াতে চন্দনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করতেন। চন্দনের ব্যবহার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এটির ব্যবহারে ব্রণ ও কালো দাগও সেরে যায়। সপ্তাহে একবার এই ফেসপ্যাকটি অবশ্যই ব্যবহার করবেন।

হলুদের ব্যবহার
আগেকার দিনে ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে এবং উজ্জ্বল মুখের সৌন্দর্যের জন্য হলুদ বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা হত । স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য নানাভাবে উপকারী হলুদ। ফেসপ্যাক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন এবং ফুটিয়ে নিতে পারেন।

গোলাপ জল 
গোলাপ জল একটি ন্যাচারাল স্কিন টোনার এবং ত্বক টাইট করতে এটি কাজ করে। টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন এটি। ফেসপ্যাকের সাথেও ব্যবহার করা যেতে পারে

বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫

ছেলেদের ত্বকের যত্ন


 

ত্বকের যত্ন কিংবা সৌন্দর্যচর্চা শব্দগুলো যেন শুধু নারীদের জন্যই সংরক্ষিত। অনেক পুরুষও ভাবেন এমনই। সাধারণভাবে অনেকেই বলবেন, সাজগোজ বা রূপচর্চা সে তো মেয়েদের বিষয়। অথচ ত্বকের যত্ন নেওয়া এবং সাজগোজ একেবারেই আলাদা। কারণ, ছেলেদেরও ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন, এ বিষয় অনেকেই এখন অনুধাবন করতে পারেন। অনেকেই ধীরে ধীরে আরও বেশি সচেতন হয়ে উঠছেন। কারণ, ছেলেদের ত্বক এমনিতেই বেশি রুক্ষ। তাই তাদের ত্বকের সমস্যাও বেশি। সঠিক সময়, সঠিক যত্নে এসব সমস্যার সমাধান হতে পারে। তবে মাথায় রাখতে হবে, ত্বকের যত্ন মানেই অনেক বেশি সৌন্দর্যপণ্যের ব্যবহার নয়, বরং সটিক পণ্য ব্যবহার।

ফেসওয়াশ ব্যবহারঃ 

মুখ ধুতে সাধারণ সাবানের পরিবর্তে ফেসওয়াশ ব্যবহার করা উচিত। এখন বাজারে ছেলেদের জন্য আলাদা ফেসওয়াশ পাওয়া যায়। কারণ, সাধারণ সাবানে অনেক বেশি রুক্ষ উপাদান থাকে; যা মুখের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। যাঁরা বাইরে অনেক বেশি সময় থাকেন এবং ওয়র্কআউট করেন, তাঁদের মুখ ধোওয়ার জন্য ফেসওয়াশ ব্যবহারের পর অল্প গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে এবং সপ্তাহে অন্তত দুদিন স্ক্র্যাব করানো উচিত। এতে ব্রণের সমস্যারও সমাধান হবে।




সঠিক পদ্ধতিতে শেভঃ

যাঁরা নিয়মিত শেভ করেন, তাঁদের কিছু বিষয় মেনে চলা উচিত। যেমন সঠিক পদ্ধতিতে শেভ না করলে রেজার বার্ন বা রেজার বাম্পের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সমস্যা এড়াতে মাল্টি ব্লেড রেজার ছেড়ে সিঙ্গল বা ডাবল ব্লেড রেজার ব্যবহার করা উচিত। পাশপাশি সাধারণ শেভিং ক্রিমের বদলে ময়শ্চারাইজিং শেভিং ক্রিম বেছে নিতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিবার রেজার টানার পর মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। যাঁদের ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল, তাঁরা তিন থেকে পাঁচবার শেভের পরই ব্লেড বদলে ফেলুন এবং সেন্টেড আফটারশেভ ব্যবহার না করাই ভালো।

ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখুনঃ

সাধারণত ত্বক শুষ্ক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ত্বকের নানা সমস্যা বাড়তে থাকে। এ জন্য ময়শ্চারাইজার ব্যবহার খুবই জরুরি। এটি যে শুধু ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখে, তা নয়। ত্বকে বয়সের ছাপও পড়তে দেয় না। ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের সবচেয়ে ভালো সময় গোসল ও শেভ করার পর।

সানস্ক্রিনও জরুরিঃ

নগরায়ণের ফলে বাড়ছে দূষণ। আর প্রখর রোদে বেশি সময় থাকলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে বাইরে বেরোলেই চাই সানস্ক্রিন। ব্রড-স্পেকট্রাম, ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট, এসপিএফ থারটি রয়েছে, এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।

প্রোডাক্টের লেবেল দেখে নেওয়াঃ

নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী যথাযথ পণ্য বেছে নেওয়া উচিত। ব্রণ-অ্যাকনের সমস্যা থাকলে ‘অয়েল ফ্রি’ ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করাই ভালো। সংবেদনশীল ত্বকের জন্য অবশ্যই কোমল, সুগন্ধহীন পণ্য নির্বাচন করতে হবে। মেয়েদের ত্বকের যেমন নানা ধরন রয়েছে, তেমনি পুরুষেরও। তাই যেকোনো সৌন্দর্যপণ্য কেনার আগে বুঝতে হবে আপনার ত্বকের ধরন। সেনসিটিভ, স্বাভাবিক, শুষ্ক, তৈলাক্ত বা কম্বিনেশন ত্বকের ধরন অনুযায়ী পণ্য নির্বাচন করতে হবে।




মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫

গায়ের রঙ ফর্সা করার কার্যকরী কিছু টিপস

                                                             


আজ থাকছে গায়ের রঙ ফর্সা করার কার্যকরী কিছু টিপস। ঘরে বসে এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে আপনি পাবেন ফর্সা ও দ্যুতিময় ত্বক। আপনাকে আর টাকা খরচ করে কেমিক্যাল যুক্ত বিষাক্ত প্রসাধনী কিনতে হবে না । চলুন জেনে নেই এই টিপসগুলি।

টিপস -১

মসুর ডাল গুঁড়ো করে নিন মিহি করে। তার মধ্যে ডিমের হলুদ অংশটা মেশান। রোদের মধ্যে এই পেস্টটা শুকিয়ে নিন ভালো করে। একদম মচমচে হয়ে গেলে গুঁড়ো করে শিশির মধ্যে ভরে রেখে দিন। প্রতিদিন রাতে শোবার আগে ২ ফোটা লেবুর রসের সঙ্গে ১ চামচ দুধ ও এই গুঁড়ো খানিকটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। আধ ঘন্টা রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোয়ার পর কাঁচা দুধ খানিকটা তুলোতে নিয়ে মুখে বুলিয়ে নিন। আরও ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

টিপস -২

তিল বেটে নিন অথবা গুঁড়ো করে নিন। এতে সামান্য পানি মিশিয়ে ভালো করে চটকে নিন। এবার ছেঁকে নিন। ছাঁকার পর একটা সাদা রঙের তরল পাবেন সেটা মুখে লাগান, বিশেষ করে রোদে পোড়া জায়গায়। আধা ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। অচিরেই ত্বকের রঙ ফিরে পাবেন।
টিপস -৩

ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য টক দই লাগান মুখে। যাদের ত্বক শুষ্ক তাঁরা মধু ও দই মিশিয়ে নিন। মিনিট বিশেক রাখুন মুখে, তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে।

টিপস -৪

তৈলাক্ত ত্বক উজ্জ্বল করতে মুলতানি মাটি, থেঁতো করা পদ্মপাপড়ি ও নিমপাতা বাটা এবং চালের গুঁড়ো মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। মুখে-গলায় লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ধুয়ে ফেলার পর মুখে কাঁচা দুধ লাগিয়ে রাখুন আরও আধা ঘণ্টা।

টিপস -৫

আলুর রস ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। সাথে দিন চন্দনের গুঁড়ো। দিনে ২বার এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট করে। দ্রুত রঙ উজ্জল হবে। চন্দন না দিলেও সমস্যা নেই।
এগুলো থেকে যে কোন একটি উপায় বেছে নিন। এবং অবলম্বন করুন। নাম্বার ৫ ছাড়া বাকি যে কোন প্যাক ব্যবহার করলে দিনে দুবার কাঁচা দুধ মুখে লাগিয়ে রাখবেন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবেন। এতে জলদি কাজ করবে।

লাস্ট টিপসঃ 


এক. এক টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, এক টেবিল চামচ মধু, এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং ১/২ টেবিল চামচ বাদামের তেল ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে তারপর পরিষ্কার করুন। এই প্যাকটি মুখের উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর রোদে পোড়া ভাব দূর করবে।
দুই. বেশন, দুধ ২ চা চামচ এবং লেবুর রসের মিশ্রন মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২বার লাগালে আপনার গায়ের রঙ অবশ্যই উজ্জ্বল হবে।

তিন. ঝকঝকে ত্বকের জন্য চন্দন গুঁড়োর অবদান অনস্বীকার্য। চন্দন গুঁড়োর সাথে দুধ মিশিয়ে প্রত্যেকদিন হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। অল্প দিনের মধ্যে আপনার মুখে হাসি ফুটবেই।

চার. টমেটোতে অ্যালার্জি না থাকলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সাথে এর ক্লাথ মিশিয়ে মুখে এবং গলায় ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন আপনাকে অনেক ফর্সা দেখাবেই।

পাঁচ. ১/২ কাপ চায়ের লিকার(ঠাণ্ডা), ২ চামচ চালের গুঁড়ো, আধা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। চালের গুঁড়ো স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করবে আর মধু মুখের আর্দ্রতা বজায় রাখবে।

ছয়. শশার রস আর মধু সমান পরিমাণ নিয়ে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। তবে তৈলাক্ত ত্বকে মধুর বদলে লেবু ব্যবহার করতে হবে।

সাত. সপ্তাহে একবার পাকা কলা চটকিয়ে মুখে লাগান আর ৩/৪ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। মুখে লুকিয়ে থাকা সব ময়লা নিমিষে পালিয়ে যাবে আর আপনি হয়ে উঠবেন আরও আকর্ষণীয়।



আট. ২ টেবিল চামচ বেসন, ২ চিমটি কাঁচা হলুদ , ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস আর এক চা চামচ দুধ দিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে ৫ মিনিট ভালো ভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপর ২০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তবে মনে রাখবেন, হলুদ সবার ত্বকের জন্য নয়। তাই আগে একটু টেস্ট করে নিবেন কাঁচা হলুদ আপনার বন্ধু না শত্রু।

নয়. কাঁচা আলুর রস অথবা আলু পাতলা করে কেটে অথবা আলুর পাল্প দিনে ২বার করে ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাবেন।

টিপসগুলো মেনে চলার আগে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন উপাদানগুলোর সাথে আপনার ত্বক মানিয়ে নিতে পারে কিনা। আগে অল্প করে হাতে লাগিয়ে দেখবেন কোন ধরণের চুলকানি কিংবা জায়গাটা লাল হয়ে যাচ্ছে কিনা, তারপর পছন্দসই প্যাকটি বেছে নিন।

রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

গরমে চুলের যত্ন নিতে ফলো করুন এই ৯ টি টিপস।

                                   


১. নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুনঃ

যারা নিয়মিত বাইরে বের হন তাদের চুল খুব দ্রুত ঘাম ও ধুলোবালিতে নোংরা হয়ে যায়। চুলের গোড়ায় ধুলোবালি ও ঘাম আটকে খুশকি তৈরি হয় ও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। তাই সপ্তাহে ২-৩ বার অথবা রেগুলার মাইল্ড বা হার্বাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। 

২. তেল মালিশ করুনঃ

গরমের দিনে চুলকে ডিপ কন্ডিশনিং করতে প্রতিদিন রাতে নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল ব্যবহার করূন অথবা সপ্তাহে ১-২ বার হালকা গরম তেল চুলে ম্যাসাজ করুন। নিয়মিত চুলের গোড়ায় তেল মালিশ করলে চুল হয় মজবুত ও স্বাস্থ্যকর। 

৩. হিট স্টাইলিং টুলস ব্যবহার এরিয়ে চলুনঃ 

গরমের দিনে পরিবেশের তাপের সাথে হিট স্টাইলিং হেয়ার টুলস যেমন: হেয়ার স্ট্রেইনার , ব্লো ড্রায়ার ও কার্লার এর তাপ এক হয়ে চুলকে করে তোলে আরো শুষ্ক ও দুর্বল। তাই গরমের দিনে হিট স্টাইলিং হেয়ার টুলস ব্যবহার না করে যতটা সম্ভব প্রাকৃতিকভাবে চুল শুকানোর চেষ্টা করূন।

৪. চুল বেঁধে রাখুনঃ

খোলা চুলে ঘাম ও ধুলোবালি বেশি আটকায় ফলে চুল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঢিলা বেণি বা পনিটেইল করে চুল বেঁধে রাখলে চুল কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই গরমের দিনে সবসময় চুল ঢিলা করে বেঁধে রাখার চেষ্টা করুন।

৫. ছাতা, স্কার্ফ বা হ্যাট ব্যবহার করুনঃ

গরমের মৌসুমে বাইরে সূর্যের তাপ ও ধুলোবালির পরিমান বেশি থাকে । সূর্যের কড়া তাপে চুল রুক্ষ, শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়। তাই বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই ছাতা, স্কার্ফ বা হ্যাট ব্যবহার করুন।

৬. প্রচুর পানি পান করুনঃ

শরীর হাইড্রেটেড থাকলে চুলের ময়েশ্চার লেভেলও ঠিক থাকে। পানি চুল ও ত্বকের যত্নে খুবই উপকারী। তাই গরমের দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখুন।

৭. হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুনঃ

গরমের দিনে চুলকে মজবুত ও স্বাস্থ্যজ্জ্বল রাখতে প্রতি সপ্তাহে এক থেকে দুই বার ঘরোয়া পদ্ধতিতে দই, মধু, অ্যালোভেরা বা কলা দিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করুন।

৮. পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুনঃ

সঠিক পুষ্টি গুণে ভরা খাদ্য গ্রহণে শরীরসহ চুল ও ত্বক ইত্যাদি সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকে। চুল ভালো রাখতে খাদ্য তালিকায় : প্রোটিন, ভিটামিন এ, সি , ই ও বায়োটিন যুক্ত খাবার রাখুন।

৯. চুলে অতিরিক্ত কেমিক্যাল পন্য ব্যবহার এড়িয়ে চলুনঃ

বিশেষ করে বিউটি পার্লারে চুলের সাজসজ্জায়: হেয়ার স্প্রে, জেল, রঙ বা পার্মিং কেমিক্যাল নিয়মিত ব্যবহার হয়। তবে এইসব পণ্য কিন্ত চুলের ক্ষতি দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই যথাসম্ভব প্রাকৃতিকভাবে চুলের যত্ন দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং অতিরিক্ত কেমিক্যাল পণ্য ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

উপরে উল্লেখিত টিপসগুলো ফলো করে চললে, গরমকালেও আপনার চুল থাকবে প্রাণবন্ত, স্বাস্থ্যকর ও ঝলমলে।


রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

শিশুর ত্বক এর যত্ন


সংসারে একজন নতুন অতিথি আসার মত আনন্দ বোধহয় আর কিছুতে নেই! কোন দম্পতির ঘর আলো করে যখন সন্তান আসে, তখন সেই মুহুর্তটিকে মনে হয় বেশ সুখের, তৃপ্তির। শুরু থেকে নতুন অতিথির স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় সবই প্রস্তুতি নিতে থাকেন বাবা মা। শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ তো বটেই, সেই সাথে শিশুর নাজুক শরীরের সুরক্ষার জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী। সবকিছুর পাশাপাশি শিশুর ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। আমরা আজকে জানাবো কিভাবে ১০টি উপায়ে নিবেন শিশুর ত্বকের যত্ন! তো চলুন দেখে নেই কিভাবে ১০ টি উপায়ে করবেন শিশুর ত্বকের যত্ন ।

শিশুর ত্বকের যত্ন করার উপায়

 . নবজাতক শিশুর ত্বক 

নবজাতকের জন্মের পর অন্য সবকিছুর পাশাপাশি শুরু থেকেই এ ব্যাপারটির উপর বাবা মায়ের গুরুত্ব দেয়া জরুরী সেটি হচ্ছে শিশুর ত্বক। মনে রাখবেন, জন্মের পর নবজাতক শিশুর ত্বক বেশ নাজুক থাকে। সেই সাথে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাও। তাই একদম শুরুতেই হঠাৎ করেই কোন ধরণের ক্রিম, তেল, সুগন্ধী বা কাপড় ব্যবহার করলে তা শিশুর চামড়ায় শুষ্কতা, এমনকি লালচে র‍্যাশের মত সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এই ব্যাপারগুলো নিয়ে সন্তান জন্মের আগে থেকে সাবধান হওয়া উচিৎ।

২. ভারনিক্স 

সন্তান জন্মের পর শিশুর জন্য কোমল এবং উষ্ণ আরামদায়ক জায়গার ব্যবস্থা করা। শিশু জন্মের পর তার শরীরের চামড়ায় ভারনিক্স  নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে। এই পদার্থ অনেকটা অ্যান্টিবডির  মত কাজ করে। বাইরের ধুলো বালি কিংবা অন্য কিছু যা শিশুর ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে সব ত্বকের সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয়।

৩. শিশুর গোসলের নিয়ম

আমাদের দেশের মায়েদের মধ্যে একটি খুবই সাধারণ ব্যাপার দেখা যায়, সন্তান জন্মের পর তার শিশুকে যত দ্রুত সম্ভব গোসল করিয়ে ফেলতে চান। সত্যি কথা বলতে এই ধরনের কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা উচিৎ। কারণ গোসল করালে শিশুর ত্বকে প্রাকৃতিক যে তেলের স্তরটি থাকে তা সরে যাবে এবং নাজুক হয়ে পড়বে। একজন নবজাতকের জন্য গোসলের নিয়ম হচ্ছে সপ্তাহে তিনবার। তবে অবশ্যই সেটা পানি ঢেলে গোসল নয়, স্পঞ্জ কিংবা নরম কাপড় হালকা কুসুম গরম পানিতে চুবিয়ে শরীর মুছে ফেললেই হবে। এর বেশি গোসল করালে শিশুর ঠান্ডা লেগে যাবে, সেই সাথে ত্বকের তেলের আস্তর সরে গেলে একজিমার মত ভয়াবহ চামড়ার রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

৪. নবজাতক শিশুর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা

সাধারণত মুখের লালা এবং ডায়াপার ছাড়া নবজাতক শিশু খুব একটা নোংরা হয় না। তাই সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার স্পঞ্জ দিয়ে গা মুছে দিলেই যথেষ্ট। আর দিনে একবার ক্লিনজার কিংবা অল্প একটু পানি দিয়ে মুখের ভেতরটা পরিষ্কার করে নিলেই হবে। শিশুর জন্মের পর অন্তত এক বছর এই নিয়ম অনুসরণ করা উচিৎ।

৫. বেবী প্রোডাক্ট ব্যবহার

শিশুর জন্মের পর তাদের শরীরে বিভিন্ন দেশী বিদেশী বেবী প্রোডাক্ট ব্যবহার করে থাকি। সেক্ষেত্রে কিছু বিষয় যেমন…

  • শিশুর জন্মের পর অন্তত প্রথম ৬ মাস বেবী প্রোডাক্ট সাবধানে ব্যবহার করা।
  • আপনার বংশে যদি এলার্জি কিংবা অ্যাজমা এর রেকর্ড থেকে থাকে, তাহলে ব্যবহার না করা। কারণ নামে উপকারী হলেও এইসব বেবী প্রোডাক্ট শিশুর শরীরের প্রাকৃতিক আবরণ নষ্ট করে, যার কারণে শিশুর ত্বকে স্কিন ইনফেকশন  হতে পারে।

৬. শিশুর বিছানাপত্র এবং কাপড়

নিয়মিত শিশুর বিছানাপত্র এবং কাপড় গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এক্ষেত্রে  যা করা থেকে বিরত থাকতে হবে যেমন…

  • সুগন্ধী ডিটারজেন্ট  ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
  • পরিবারের অন্য সদস্যদের জামা কাপড়ের সাথে শিশুর কাপড় না মেলানো।

৭. শিশুর ডায়াপার

 আপনার শিশুর ডায়াপার নিয়মিত চেক করবেন। অধিক সময় ধরে নোংরা ডায়াপার পরা থাকলে শিশুর চামড়ায় র‍্যাশ হতে পারে, যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর।

৮. বেবী ওয়াইপ

 শিশুর ত্বক মোছার জন্য বাজারের বেবী ওয়াইপ  না ব্যবহার করাই ভালো, কারন বেবী ওয়াইপে থাকা ক্যামিক্যাল শিশুর ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। তাই এর পরিবর্তে পরিষ্কার নরম কাপড় ব্যবহার করুন।

৯. পেট্রোলিয়াম জেলী ব্যবহার

শিশুর স্পর্শকাতর অঙ্গগুলোতে পেট্রোলিয়াম জেলী ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া যদি বেবী ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, তবে লক্ষ্য রাখবেন পাউডার যাতে শিশুর মুখের দিকে না যায়। এতে শিশুর শ্বাসের সমস্যা হতে পারে।

১০. শিশুর ত্বক ম্যাসাজের নিয়ম

শিশুর ত্বক কে আরো স্বাস্থ্যকর কর তুলতে ম্যাসাজ করতে পারেন। তবে সেটা অবশ্যই জন্মের অন্তত দশ সপ্তাহ পর থেকে। রিসার্চে দেখা গেছে শিশুকে কিভাবে স্পর্শ করা হচ্ছে, তার উপর শিশুর সুস্থতা ও বৃদ্ধি খানিকটা নির্ভর করে। শিশুর শরীর ম্যাসাজের জন্য স্পেশাল কোন টেকনিক নেই। একটি উষ্ণ রুমে শিশুকে ভাঁজ করা কম্বলের উপর উপুড় করে শোয়ান। এরপর স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ বেবী লোশন কিংবা বেবী অয়েল হাতে মেখে নিয়ে আলতো করে শিশুর শরীরে বুলান। মনে রাখবেন, শিশুর শরীরে যাতে চাপ না লাগে। এতে শিশু ব্যাথা লাগতে পারে। সাবধানে আলতো ভাবে সারা শরীরে ম্যাসাজ করুন। এতে শিশুর চামড়া নরম এবং স্বাস্থ্যকর হবে।

সুস্থ ও হাসিখুশি একজন নতুন অতিথি কে না চায়? তাই আপনার নবজাতকের ভবিষ্যৎ সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তার লক্ষ্যে জন্ম থেকেই তার যত্ন নেওয়া জরুরী।

বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

বিয়ের মেহেদি টিপস

কণের মনটা থাকবে ভাঙ্গা
না যদি হয় হাত মেহেদি-রাঙা

কণের প্রেম কি বিয়ের শাড়ি? নাকী গহনা? দিব্যি দিয়ে বলছি- শড়ি বা গহনার চেয়েও একজন কণের মানে বেশি স্রোত জাগায় বেলি ফুলের মালা! সুবাসিত বিয়ের সাজের সাথে রঙিন হাত না হলে কণের মন ভাংবেই। সেই অঘটন ঘটানোর কি বা দরকার! মেহেদি দেওয়ার জন্য আগে যেমন বোন ভাই ভরসা ছিল – এখন তো সেই গণ্ডি ভেঙেছে বহু আগে! সাজ সজ্জার কেন্দ্রগুলোতে মেহেদির পসরা সাজানো হয়েছে বহু আগে থেকেই। ঘরে এসেও মেহেদি দিয়ে হাত রাঙিয়ে যায় প্রশেনাল মেহেদিবাজরা। তাদের কথা না হয় একটু পরেই শোনা যাক! আপাতত আমার সাথে একটু নাহয় উকিঝুকি মারা হোক যেমন চাওয়ার তেমন মেহেদি সাজে!

হাতে সূয্যিমামা:

 যতই নতুন ট্রেন্ড আসুক কিম্বা না আসুক! আঙুরের মাথায় গাঢ় লাল আর তালুতে গোল একটা সূয্যিমামা. বাংলার চিরায়ত মেহেদি সাজ চলে এসেছে আবার ঘুরে ফিরে হাতে হাতে। অনেকেই বাসার ছোটভাইবোনদের কাজে লাগিয়ে সিম্পল সাজে নিজের কণে সাজকে করছেন সম্পূর্ণ! আর এইভাবে সাজাতে খুব বেশি ভাবনার কিছু নেই। কিছু কিচু আনন্দ না হয় ঘরের মানুষরাই শুধু ভাগ করে নিক।

হাতের আঁজলায় ফুলের ডালা

ইদানিং বেশ ট্রেন্ড চলছে শাপলা ফুলের! শাড়িতে শাপলা, কপালে শাপলা এমনকি গহনাতেও! মেহেদীর সাজেও যদি শাপলা আসে তবে মন্দ কী! হাতের পিঠে ফোটা শাপলার শুদ্ধতায় মন ভালো হবে । আর হ্যা ছবিও কিন্তু ভালো আসবে। এছাড়াও নানা রকমের ফুল তো প্রিয় মোটিফ মেহেদির সাজের জন্য। চার পাপড়ির ফুল বা গোলাপ বা যেকোনও কলি- মেহেদির সুবাসে ফুলের সাজ- মন্দ হয় না একদমই।

রিকশার মোটিফ:

এই মজার এক্সপেরিমেন্টটা কিন্তু করাই যায়। রিকশার পেছনে থাকা হংশমিথুন হাতের পিঠে চলে আসতেই পারে। আসতে পারে দস্যি কণের হাতে ”পালাবি কোথায়”। আসলে রিকশা পেইন্টে এতো এতো মোটিফ আছে সবগুলোর যেকোনও দুই তিনটিও যদি ফোটানো যায় তাহলে তো কথাই নেই। চাঁদ-তারা, ফুল, পাখি – কতকিছু যে আসতে পারে। আর তার সাথে মিলিয় ধরুন আপনার হলুদের সেটটা হলো রিকশার আসন! বাড়ির সজ্জায় থাকলো রিকশা মোটিফ! পুরো হলুদ কিন্তু একবারেই জমে যাবে!