সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭

ব্ল্যাকহেডস দূর করার ঘরোয়া উপায়

উপকরণ

১টা ডিমের সাদা অংশ
১/২ লেবুর রস
১ চা চামচ মধু

পদ্ধতি

প্রথমে মুখে গরম পানির ভাপ নিন। শুকনো টাওয়েল দিয়ে আলতো করে মুখ মুছে নিন।
 ডিমের সাদা অংশ, লেবুর রস ও মধু একটি বাটিতে ভালো করে মিশিয়ে নিন। 
আঙ্গুল দিয়ে পুরো মুখে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন ফেস প্যাকটি। 
১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন শুকানোর জন্য। 
শুকিয়ে গেলে নরম একটি বেবি টুথ ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। 
বিশেষ করে আক্রান্ত স্থান গুলো।
 এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। 
এতে রোমকূপ গুলো বন্ধ হয়ে যাবে। 
আলতো করে মুখ মুছে ১ ফোটা অলিভওয়েল লাগিয়ে নিন পুরো মুখে। 
সপ্তাহে দুবার করে এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ব্ল্যাকহেডসের যন্ত্রণা থেকে ত্বক থাকবে মুক্ত, বারবার ফিরেও আসবে না।

রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০১৭

মসুরির ডাল দিয়ে অসাধারণ রূপচর্চা


১। মুখের কালচে ভাব দূর করতেঃ
মসুরির ডালকে রাতে দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। সকাল বেলায় ডালটা পিষে মুখে লাগান। রোজ যদি মুখে এই প্যাকটা লাগান আপনার চেহারায় কালো ভাবটা দূর হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবেন, ডালটা রোজ তাজা তাজা পিষতে হবে আর কাঁচা দুধ ব্যবহার করবেন।

২। ত্বক সতেজ করতেঃ
মসুরির ডাল পিষে তার মধ্যে মধু এবং দই মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর হালকা ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বক সতেজ হবে৷

৩। মুখে বা পিঠের দাগ দূর করতেঃ
যদি মুখে বা পিঠে দাগ হয়, তাহলে মসুরির ডালের সাথে পোলাও চাল মিশিয়ে পেস্ট করুন। এর সাথে চন্দন পাউডার,মুলতানী মাটি, কমলা লেবুর শুকনো গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন। ৪ চামচ শশার রসও দিন। মুখে এবং শরীরের নানা স্থানে ঐ পেস্টটা লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার পরে ধুয়ে ফেলুন।

৪। হাতের কনুইর রুক্ষভাব কমাতে এবং কালো দাগ দূর করতেঃ
দুধে মসুর ডাল ভিজিয়ে বাটুন। মসুর ডাল বাটা, হলুদ বাটা, পালংশাক বাটা, টমেটোর রস, সূর্যমুখীর তেল একসঙ্গে মিশিয়ে কনুইয়ে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।

৫। রোদেপোড়া দাগ দূর করতেঃ
রোদেপোড়া দাগ কমাতে মসুর ডালবাটা, কাঁচা হলুদবাটা ও মধু একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান।

৬। বলিরেখা দূর করতেঃ
বলিরেখা দূর করতে কাঁচা হলুদের সাথে মসুর ডাল বাটা দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে অবশ্যই দারুন উপকার পাবেন।

শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০১৭

গলায় ছোপ ছোপ দাগ থেকে মুক্তির উপায়

তৈরীর উপায়:
১ চা  চামচ ঔষধমিশ্রিত উপতান (ঔষধের দোকানে পাওয়া যায় )
১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
অল্প পরিমান গোঁটা করে ভাঙা এলাচি
১ টেবিল চামচ এলাচি গুঁড়ো
জিরা ভাঙা
ভিটামিন সি ট্যাবলেট ১ টি ( ভেঙে নিতে হবে )
ভিটামিন ই ক্যাপসুল ১ টি ( ভেঙে নিতে হবে )
দেশি ঘি ( পরিমান মত )

ব্যবহার প্রণালি :
প্রথমে সব উপকরন এক সাথে মিশিয়ে পেস্ট বানান  ।  এরপর ব্রাশ দিয়ে গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন । ৪০ মিনিট পর শুকিয়ে এলে, গোলাপ জল দিয়ে আস্তে আস্তে তুলে ফেলুন । এই পেস্ট দিনে ২ বার করে গলায় এবং ঘাড়ের অংশে নিয়মিত লাগাতে হবে ।
টিপস :
  • প্রতিদিন ২ বার করে ১ টেবিল চামচ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সিরাপ পান করুন ।
  •  প্রচুর পানি খান ।
  •  ঔষধের দোকানে উপতান পাওয়া না গেলে ১ কাপ বেসন, ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ দুধ এবং ১ চা চামচ বাদাম তেল বা নারিকেল তেল মিশিয়ে উপতান বানিয়ে ফেলুন ।

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭

ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর যেভাবে করবেন

প্রথমে রিমুভার দিয়ে নখের পুরোনো নেইল পলিশ তুলে ফেলুন। এবার কিউটিক্যাল অয়েল লাগিয়ে নিন নখের চামড়া বা কিউটিক্যালের উপর। কিছুক্ষণ এভাবে রেখে দিন, যাতে চামড়া কিছুটা নরম হয়। এবার হালকা হাতে নখের ওপর তেলটা একটু ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। তারপর একটি কিউটিক্যাল পুশার দিয়ে আস্তে আস্তে কিউটিক্যাল পিছনের দিকে পুশ করুন। কিউটিক্যাল পুশারের অপর প্রান্ত দিয়ে নখে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন।

এবার নেইল কাটার এবং ফাইলার দিয়ে নখকে দিন আপনার পছন্দ অনুযায়ী আকার।
এবার চলে আসি মূল প্রসঙ্গে।
প্রথমেই আপনার কয়েক ধরনের নেইলপলিশ দরকার। কয়েক ধরনের বলতে তিন রঙের ওয়াটার কালার, পিঙ্ক বা বেইজ এবং ঝকঝকে উজ্জ্বল সাদা রঙ। এক নজরে দেখে নিন সেই রঙ গুলো।

 স্বচ্ছ নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন প্রথমে নখে। তাতে নখ ভালো থাকবে এবং যেকোনো রঙের নেইল পলিশ ব্যবহার করা হলে কেমিক্যাল থেকে সৃষ্ট হলুদ ছাপ নখে পড়া থেকে বিরত রাখবে। ক্লিয়ার কালারের নেইল পলিশটি শুকিয়ে গেলে এর উপর হালকা গোলাপি বা বেইজ রঙের নেইলপলিশ লাগিয়ে নিন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর আরেক কোট নেইলপলিশ লাগান।

এরপর নেইল পলিশ শুকিয়ে যাওয়ার পর নখের সামনের দিকে অর্থাৎ আপনার নখের ওপর যেটুকু অংশ আপনি সাদা রাখতে চান,সেটি বাদে বাকি অংশে নেইল গাইড লাগিয়ে নিন ঠিক ছবিটির মত করে। এবার বাড়তি নখের উপর উজ্জ্বল সাদা রঙের নেইল পলিশ লাগিয়ে দিন। যেকোনো দোকানে আপনি এই স্টিকারগুলো কিনতে পারেন। এ ছাড়া স্টিকার ব্যবহার না করে সাবধানেও নেইল পলিশ দিয়ে নখের ওপরের অংশটি সাদা করে নিতে পারেন।

কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন এবার নেইল গাইডটি তুলে ফেলুন। ভালো করে নেইলপলিশ শুকালে এবার পুরো নখে স্বচ্ছ কালারের নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন। এভাবেই হয়ে গেল আপনার ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর।

ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের পরিচ্ছন্নতা, হালকা ভাব এবং একই সঙ্গে ফ্যাশনেবল ভাবের জন্য খুবই জনপ্রিয়। তবে বর্তমানে ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের ধরনেও এসেছে বৈচিত্র্য। আজকাল ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরের সাদা রঙের বদলেও এসেছে বিভিন্ন রঙের ব্যবহার। লাল, কালো বা ছাই রং অথবা আপনার পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করতে পারেন যেকোনো রং।  ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর অনেক দিন ধরে রাখতে কয়েক দিন পর পর ওপরের নেইল পলিশের কোটটি লাগিয়ে নিন।

মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০১৭

চুলের সমস্যা দূর করতে টক দইয়ের হেয়ার প্যাক

১। চুল নরম কোমল করতে
টক দই, নারকেল তেল এবং অ্যালোভেরা জেল ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলে ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।  প্রাণহীন, নির্জীব, রুক্ষ চুলকে নরম, কোমল, এবং ময়োশ্চারাইজ করে তুলবে এই প্যাকটি। নিয়মিত ব্যবহারে এই প্যাকটি চুলের রুক্ষতা দ্রুত দূর করে দেবে।

২। চুল পড়া রোধ
১/৪ কাপ মেথি গুঁড়োর তার সাথে ১ কাপ টক দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মাথার তালুসহ সম্পূর্ণ চুলে এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। ২ ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে এক বার ব্যবহার করুন।  এই প্যাকটি চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।

৩। রুক্ষতা দূর করতে
টকদই, বাদাম তেল এবং একটি ডিম ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলের গোড়া থেকে সম্পূর্ণ চুলে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। ডিমের পুষ্টি এবং তেলে চুলের রুক্ষতা দূর করে দিয়ে চুল স্লিকি করে তোলে।

৪। খুশকি দূর করতে
মাথার তালুর রুক্ষতা, খুশকি দূর করতে এই প্যাকটি বেশ কার্যকর। তিন টেবিল চামচ অলিভ অয়েল টক দইয়ের সাথে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি মাথার তালুতে ১০ মিনিট চক্রাকারে ম্যাসাজ করে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুই বার ব্যবহার করুন।

রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৭

ঘরোয়া টোনার তৈরির পদ্ধতি

প্রাকৃতিক উপায়ে সহজ কিছু পন্থায় আপনি ঘরে বসেই তৈরি করে নিতে পারেন আপনার স্কিন টোনার।

১। একটি শশা কুচি করে কেটে তার সাথে ১/২ কাপ টক দই মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। তা মুখে লাগিয়ে ৫-১০ মিনিটের জন্য রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ফ্রিজে রেখে আপনি ২-৩দিন  ব্যবহার করতে পারেন।

২। ১ লিটার গরম পানিতে পুদিনা পাতা ছেড়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। তারপর পানি ছেঁকে নিয়ে তা ঠাণ্ডা হতে দিন। তুলার সাহায্যে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বক পরিষ্কার করে ও টোনার হিসেবেও কাজ করে।

৩। গোলাপ জল খুবই উত্তম টোনার হিসেবে কাজ করে। ১/২ লিটার পানিতে ৫টি ডিস্টিল ওয়াটার ও ৮টি গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল করুন। যখন পানিটি প্রায় বেগুনি রঙ ধারণ করবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিন। ঠাণ্ডা করে পানিটি ছেঁকে নিন। এভাবে গোলাপ জল তৈরি করে আপনি এক মাস ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। প্রতিদিন ২-৩ বার আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

৪। সমপরিমাণ ভিনেগার ও গোলাপ জলের মিশ্রণ তৈরি করেও আপনি টোনার হিসেবে লাগাতে পারেন। টোনার হিসেবে এই মিশ্রণ খুবই উপকারী।

৫। টোনার হিসেবে বরফের ব্যবহার অতি পরিচিত। প্রতিদিন সকালে ও রাতে মুখ ধুয়ে নিয়ে আপনি ৩-৪ টুকরো বরফ ঘষে নিতে পারেন। বরফ আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে আর সেই সাথে খোলা লোমকূপ বন্ধ করে দেয়। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতেও আপনি বরফ ব্যবহার করতে পারেন।

৬। একটি গ্রীন টি প্যাক ১/২ কাপ পানিতে ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পানি ছেঁকে নিন। রোজ সকালে আপনি এই পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। কেবল টোনার নয়, এটি আপনার ত্বককে সারাদিনের জন্য কোমল ও সতেজ রাখবে।

৭। লেবুর রস মুখে ঘষে ১০ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৮। ১/৪ চামচ অলিভ অয়েল, ১/৪ চামচ লেবুর রস ও ১ চামচ মধুর মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরন পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৯। মুখ ভালো করে ধুয়ে নিয়ে ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের দাগ দূর করতেও কাজ করে। প্রতি রাতে শোবার আগে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

১০। ১ চামচ দুধ, ১ চামচ মধু ও একটি ডিম নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি সপ্তাহে ২ দিন আপনি প্যাকটি লাগাতে পারেন।

১১। ৩ চামচ টমেটোর রস ও ১ চামচ মধু মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

১২। মধু ও লেবুর মিশ্রণ খুবই জনপ্রিয় টোনার হিসেবে কাজ করে।এই প্যাকটি আপনার ত্বককে মসৃণও করে তুলে।

১৩। পেঁপে ও আপেল একসাথে ব্লেন্ড করে আপনি টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

নিজেকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে আমরা সবাই চাই। তবে এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় আপনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ, আপনার হাসিটা ধরে রাখার ভার কিন্তু আপনার উপরই রইল। তাই সুস্থ থাকুন, হাসি মুখে থাকুন।

শনিবার, ২২ জুলাই, ২০১৭

নাইট ক্রিম ব্যবহার করা অতি জরুরি

নাইট ক্রিমের কিছু উপকারীতার কথা  আমাদের ত্বকের জন্য-
(১) আপনার ত্বককে সারা রাত ধরে নাইট ক্রিম ময়েশ্চারাইজ রাখে। ফলে ত্বকের সজিবতা ঠিক থাকে ।
(২) ত্বক মসৃণ রাখে আর ত্বকে আরাম দেয়।
(৩) আপনার ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধি করে।
(৪) নাইট ক্রিম মাসাজ করার ফলে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়।
(৫)  ত্বক মসৃণ রেখে ত্বকের টেক্সচার ঠিক রাখে।
(৬) ত্বকের বলিরেখা আর অন্যান্য ভাঁজ কমায়।
(৭) ত্বক রুক্ষ হওয়া থেকে রক্ষা করে ।
(৮) ত্বক নরম ও ফুটফুটে রাখে।
(৯) ত্বকে বুড়িয়ে যাওয়া ছাপ পড়তে বাধা দেয়।
(১০) ত্বকে নুতন কোষ জন্মাতে ও ত্বকে পুষ্টি জোগাতে  নাইট ক্রিম অসাধারণ।

কোন ধরনের নাইট ক্রিম লাগাবেন?

আপনার ত্বকের সাথে যুতসই নাইট ক্রিম বেছে নিন । বাজারে অনেক ধরণের নাইট ক্রিম রয়েছে। স্বাভাবিক ত্বক, তৈলাক্ত ত্বক বা মিশ্র ত্বক ইত্যাদি সব ধরণের ত্বকের জন্যই আলাদা আলাদা নাইট ক্রিম আপনি বাজারে পাবেন এবং অনেক বিশ্বস্ত ব্রান্ডের নাইট ক্রিম পাবেন। নাইট ক্রিম কেনার সময় খেয়াল রাখুন ক্রিমটি যেন খুব ঘন না হয়। ঘন নাইট ক্রিম আপনার ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে দেবে যার ফলে ত্বকে ঠিকমতো বাতাস সরবারাহ হবে না । আর নাইট ক্রিম যেন সুঘন্ধিযুক্ত  না হয় আর এটি যেন অবশ্যই হাইপোএলারজিক হয় ।

কেন নাইট ক্রিম লাগাবেন?

আগেই বলেছি  ত্বকের জন্য কী কী ভালো কাজ করে এই নাইট ক্রিম । এটা বলা হয়ে থাকে যে, নাইট ক্রিমের একটিভ উপাদানগুলো রাতের বেলা আপনার ত্বকে ভাল কাজ করে দিনের বেলার ক্রিমের তুলনায়। আর রাতে আপনার ত্বকের কোষ রিজেনারেশানের ক্ষমতাও বেশী থাকে যখন আপনি ঘুমান।

সাধারণত কী কী উপাদান থাকে এই নাইট ক্রিমে?

নাইট ক্রিমে সাধারণত যেসব উপাদান থাকে তা হল – ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, জোজোবা ওয়েল, অলিভ ওয়েল, আপ্রিকট ওয়েল, রোজ ওয়েল, অ্যালোভেরা, মধু, শিয়াবাটার, জেসমিন, অ্যান্টি এইজিং উপাদান, রেটিনল, এমিনো এসিড, এএইচএস, কপার, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, কোলাজেন।

ভালো এবং উন্নত মানের কিছু নাইট ক্রিমের নাম

The body shop Aloe Soothing Night Cream, The body shop Vitamin E Night Cream,  Neutrogena Light Night Cream, The body shop Nutriganic Smooth Night Cream, The body shop Shiso Brightening Night Treatment, L’oreal Night Cream For Mature Skin, Olay Night Recovery Cream

 কিভাবে নাইট ক্রিম লাগাবেন

যেমন তেমন করে নাইট ক্রিম লাগাবেন না। তাতেত্বকের উপকার হবে না। নাইট ক্রিম লাগানোর পদ্ধতি হবে  নিম্নরুপ-
 (১) নাইট ক্রিম লাগানোর আগে অবশ্যই ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
(২) হাতের আঙ্গুলের ডগায় ক্রিম নিয়ে ফোটা ফোটা করে মুখের ত্বকে লাগান।
(৩) উপরের দিক থেকে নীচের দিকে বৃত্তাকারভাবে  ম্যাসাজ করে ক্রিম ত্বক মিশিয়ে দেবেন আস্তে আস্তে আলতো করে।
(৪) চোখের পাতায় নাইট ক্রিম লাগাবেন না ।
তাই আজ থেকেই আপনার ত্বকের যত্নে নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন । রাতে ঘুমানোর আগে আপনার নাইট ক্রিমের যত্ন সাথে নিয়েই ঘুমাতে যান যাতে সকালে আপনার মতো আপনার ত্বকও সজীব ও ফ্রেশ থাকে।