বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

“তৈলাক্ত ত্বকের জন্য স্কিন কেয়ার রুটিন”

 

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সঠিক স্কিন কেয়ার পদ্ধতি


☀️ সকালবেলার স্কিন কেয়ার রুটিন (Morning Routine)

      ১️. মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া

সকালে উঠে সালফেট-ফ্রি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
এতে রাতের জমে থাকা তেল ও ময়লা দূর হয়।

👉 দিনে ২ বারের বেশি মুখ ধোবেন না।

     ২️. টোনার ব্যবহার করুন

গোলাপ জল বা গ্রিন টি টোনার ব্যবহার করুন।
এটি ওপেন পোরস ছোট করতে সাহায্য করে।

     ৩️. অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার

অনেকে তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন না—এটা ভুল।
জেল বেসড বা অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

      ৪️. সানস্ক্রিন (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)

 SPF 30 বা তার বেশি oil-free sunscreen ব্যবহার করুন।

রোদে বের না হলেও সানস্ক্রিন জরুরি।

🌙 রাতের স্কিন কেয়ার রুটিন (Night Routine

       ৫️. ক্লিনজিং

দিন শেষে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
মেকআপ করলে অবশ্যই ক্লিনজার ব্যবহার করবেন।

       ৬️. অ্যালোভেরা জেল বা নাইট জেল

রাতে অ্যালোভেরা জেল লাগালে—

  • ত্বক ঠান্ডা থাকে

  • ব্রণ কমে

  • অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ হয়

     

    ৭️. সপ্তাহে ১–২ দিন ফেসপ্যাক

    তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো ফেসপ্যাক:

  • মুলতানি মাটি + গোলাপ জল

  • দই + মধু (অল্প পরিমাণ)

    লাইফস্টাইল টিপস (Very Important)

  • ✔️ দিনে ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন
    ✔️ তেল-ঝাল খাবার কম খান
    ✔️ পরিষ্কার তোয়ালে ব্যবহার করুন
    ✔️ পর্যাপ্ত ঘুমান

     

 

 

 

 

 

 

মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

ঘরে বসে প্রাকৃতিক হেয়ার স্পা করার সহজ ধাপসমূহ

চুলের যত্নে ঘরে বসে হোমমেড হেয়ার স্পা

 

চুল রুক্ষ, প্রাণহীন বা অতিরিক্ত পড়ছে? নিয়মিত সেলুনে হেয়ার স্পা করানো সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। কিন্তু জানেন কি—ঘরে বসেই হেয়ার স্পা করে চুলকে নরম, উজ্জ্বল ও শক্তিশালী করা সম্ভব? আজ জানবো ঘরে বসে হেয়ার স্পা করার সহজ ও কার্যকর নিয়ম।

ঘরে বসে হেয়ার স্পা করার ধাপসমূহ

ধাপ ১: তেল ম্যাসাজ

প্রথমে চুলে হালকা গরম করা নারকেল তেল, অলিভ অয়েল বা ক্যাস্টর অয়েল লাগান।
১০–১৫ মিনিট আঙুলের ডগা দিয়ে স্কাল্পে ম্যাসাজ করুন।

ধাপ ২: স্টিম নেওয়া

একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে ভালোভাবে নিংড়ে মাথায় পেঁচিয়ে নিন।
১৫–২০ মিনিট রাখুন।

ধাপ ৩: মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়া

স্টিম নেওয়ার পর হালকা বা সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
খুব বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না।

ধাপ ৪: হেয়ার মাস্ক বা কন্ডিশনার ব্যবহার

ঘরে তৈরি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন:

  • দই + কলা

  • অ্যালোভেরা জেল + মধু

১৫–২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ধাপ ৫: স্বাভাবিকভাবে চুল শুকানো

চুল মুছতে জোরে ঘষবেন না।
হেয়ার ড্রায়ার এড়িয়ে চলুন—চুল নিজে নিজে শুকাতে দিন

ঘরে তৈরি সহজ হেয়ার স্পা প্যাক

ড্রাই চুলের জন্য:

  • কলা ১টি

  • দই ২ টেবিল চামচ

তৈলাক্ত চুলের জন্য:

  • অ্যালোভেরা জেল

  • লেবুর রস কয়েক ফোঁটা

 

 

 

 

শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চুলের যত্নে পেঁয়াজের উপকারিতা

 

চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের ব্যবহার

চুলের যত্নে পেঁয়াজের প্রধান গুণাবলী

১. চুল পড়া কমায়

পেঁয়াজে থাকা সালফার চুলের শিকড়কে শক্ত করে এবং চুল পড়া কমায়।

২. চুলের বৃদ্ধি বৃদ্ধি করে

নিয়মিত পেঁয়াজের রস ম্যাসাজ করলে চুলের ফোলিকল শক্ত হয় এবং নতুন চুল জন্মায়।

৩. খুশকি কমায়

পেঁয়াজের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ স্কাল্পে ব্যাকটেরিয়া কমায়, ফলে খুশকি কমে।

৪. চুল উজ্জ্বল করে

প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলকে ঝলমলে ও স্বাস্থ্যবান করে।

৫. চুলের ঘনত্ব বাড়ায়

পেঁয়াজের সালফার এবং প্রোটিন চুলকে ঘন ও শক্ত রাখে।

৬. মাথার ত্বকের সমস্যা দূর করে

স্ক্যাল্প ইনফেকশন বা চুলকানি কমাতে পেঁয়াজ কার্যকর।

৭. চুলকে শক্ত ও নমনীয় করে

পেঁয়াজের নিয়মিত ব্যবহার চুলকে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

চুলের যত্নে পেঁয়াজ ব্যবহার করার সঠিক পদ্ধতি

  1. পেঁয়াজের রস ম্যাসাজ:

    • পেঁয়াজ ব্লেন্ড করে রস বের করুন।

    • হালকা ভাবে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন।

    • ৩০ মিনিট রেখে নরম শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

  2. পেঁয়াজ + নারকেল তেল মাস্ক:

    • পেঁয়াজের রসে নারকেল তেল মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন।

    • সপ্তাহে ২–৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

  3. পেঁয়াজ + মধু মাস্ক:

    • ১ চামচ পেঁয়াজের রস + ১ চামচ মধু

    • স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ২০–৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গোপন রহস্য: অ্যালোভেরা বিউটি কেয়ার

 

অ্যালোভেরা দিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চর্চা

প্রাকৃতিক উপায়ে সুন্দর থাকার জন্য অ্যালোভেরা একটি অসাধারণ উপাদান। এতে রয়েছে ভিটামিন A, C, E, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বক জন্য খুবই উপকারী। নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহার করলে ত্বক হয় উজ্জ্বল, আর চুল হয় মজবুত ও ঝলমলে।

 

  • 💆‍♀️ অ্যালোভেরা দিয়ে ত্বকের যত্ন:

    1️⃣ ব্রণ ও দাগ দূর করতে

    খাঁটি অ্যালোভেরা জেল ব্রণের উপর লাগান।
    ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
    👉 নিয়মিত ব্যবহার করলে ব্রণ ও দাগ কমে যায়।

    2️⃣ উজ্জ্বল ও গ্লোইং স্কিন পেতে

    ফেস প্যাক:

  • ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল

  • ১ চামচ মধু

       ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে নরম ও উজ্জ্বল।

        3️⃣ রোদে পোড়া ত্বক শান্ত করতে

        রোদে পোড়া জায়গায় ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেল লাগান। এটি জ্বালা ও লালচে ভাব কমায়।

        4️⃣ ডার্ক সার্কেল কমাতে

        রাতে ঘুমানোর আগে চোখের নিচে অল্প অ্যালোভেরা জেল লাগান। নিয়মিত করলে কালচে ভাব              হালকা হয়।

     উপসংহার:

       প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর থাকতে চাইলে অ্যালোভেরা বিউটি কেয়ার হতে পারে আপনার সবচেয়ে           ভালো বন্ধু। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক হবে উজ্জ্বল আর চুল হবে মজবুত ও সুন্দর।

 

বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

শীতকালে ত্বকের যত্ন নেওয়ার ৮টি উপায়

 

winter skin care tips in bangla

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। অনেকের ত্বকে ফাটা দাগ, চুলকানি ও উজ্জ্বলতা কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। তবে সঠিক যত্ন নিলে শীতকালেও ত্বক রাখা সম্ভব নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর। চলুন জেনে নেই শীতকালে ত্বকের যত্ন নেওয়ার ৮টি কার্যকর উপায়:


১. নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন

শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য ময়েশ্চারাইজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে ময়েশ্চারাইজার, নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।


২. কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন

অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়, ফলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়। তাই মুখ ও শরীর ধোয়ার সময় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা ভালো

 

৩. শীতকালীন ফেস প্যাক ব্যবহার করুন

প্রাকৃতিক ফেস প্যাক শীতকালে ত্বকের জন্য খুব উপকারী।

দুধ ও মধুর ফেস প্যাক:

১ চামচ দুধ + ১ চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান।
১৫–২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

 

৪. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

শীতকালে কম তৃষ্ণা পেলেও পানি পান খুব জরুরি। দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করলে ত্বক ভেতর থেকে হাইড্রেটেড থাকে।

 

৫. ত্বক পরিষ্কার রাখুন

দিনে দুইবার হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। অতিরিক্ত সাবান বা কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলুন।

 

৬. সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

শীতকালেও সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে। বাইরে বের হওয়ার ১৫ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

 

৭. স্বাস্থ্যকর খাবার খান

ফলমূল, শাকসবজি, বাদাম ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে।

 

৮. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম ত্বকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম ত্বককে সতেজ ও সুন্দর রাখে।

 

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

দিনের শেষে কিভাবে নিজের যত্ন নিবেন

ত্বক পরিষ্কার

কিশোরী বয়সে মেকআপ করা উচিত নয়। তবে কেউ করে থাকলে, মেকআপ না তুলে কোনোভাবেই ঘুমাতে যাওয়া যাবে না। এটি সব বয়সীর জন্য বাধ্যতামূলক হলেও কিশোরী বয়সে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। এই বয়সের ত্বক বেশি সংবেদনশীল থাকে। মেকআপ দেওয়া না থাকলেও শোবার আগে মুখ পরিষ্কার করে ধুতে হবে। ফেসওয়াশ বা ক্লিঞ্জিং মিল্ক দিয়ে ভালো করে মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে। প্রতিদিনই করতে হবে। এতে করে মুখের ত্বকে বাইরের ধুলোবালি ও ময়লা থেকে আসা ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক বাসা বাঁধতে পারবে না। ত্বক থেকে নিঃসৃত অতিরিক্ত তেলও জমবে না। লোমকূপগুলোর মুখ পরিষ্কার থাকায় ত্বক উজ্জ্বল থাকবে।

ফেসওয়াশ বা ক্লিঞ্জিং মিল্কের পরিবর্তে চালের গুঁড়ো, বেসন ও শসার রস দিয়ে ঘরে তৈরি ক্লিঞ্জিংও ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে উপকার বেশি হবে।
সেই সঙ্গে সপ্তাহে এক দিন অথবা দুদিন ত্বকে টোনিং করতে হবে। কাঁচা দুধ অথবা ডাবের পানি দিয়ে টোনিং করা যায়।

মুখের ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার করুন, মিষ্টি খাবার অল্প খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুনময়েশ্চারাইজার
সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পানি। সাধারণত ত্বকের ভেতরের অংশ থেকে পানি ওপরের স্তরে এসে ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে। ত্বকে পানির অভাব হলেই ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক ও খসখসে। ময়েশ্চারাইজার ত্বকের নিচের স্তর থেকে পানিকে ওপরের স্তরে আনার কাজ করে থাকে। প্রতি রাতেই ত্বক পরিষ্কার করার পরে মুখে ময়েশ্চারাইজার লোশন লাগাতে হবে। মুখের ত্বকের জন্য ক্রিম ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখুন—

* ময়েশ্চারাইজার যেন অবশ্যই মুখের ত্বকের মানানসই হয়।
* ময়েশ্চারাইজারের ধরনটি হতে হবে হালকা, অর্থাৎ ঘন বা কোনো প্রকার তেলযুক্ত হওয়া চলবে না।

হাত-পায়ের যত্ন

শুধু মুখের ত্বকের প্রতি যত্নবান হলেই চলবে না। সেই সঙ্গে যত্ন নিতে হবে হাত ও পায়ের। শোবার আগে অবশ্যই পুরো হাত-পা পরিষ্কার করে ধুতে হবে। সারা দিনের বিভিন্ন কাজে হাত-পায়ে অনেক ধুলোবালি ও ময়লা জমে থাকে। সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। এরপর হাত-পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। তবে এই ময়েশ্চারাইজার অপেক্ষাকৃত ঘন প্রকৃতির হবে। হাতের কুনুই, পায়ের গোড়ালিতে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগালে ত্বক নরম হয়। এ ছাড়া কেউ চাইলে হাতের জন্য আলাদা হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

ঠোঁট

ঠোঁটের যত্নটা একটু আলাদা। কেননা, এর ত্বক সবচেয়ে কোমল। প্রতিদিন রাতে যাদের ঠোঁট ফাটে, তারা তো অবশ্যই, যাদের ফাটে না, তাদেরও উচিত আঙুল দিয়ে আলতো ঘষে ঠোঁট পরিষ্কার করে এতে লিপ বাম লাগিয়ে ঘুমানো।

চোখ

চোখের চারপাশের ত্বক মুখের ত্বকের তুলনায় পাতলা হয়। সে কারণে সম্ভব হলে ভিটামিন এ, সি, ই অথবা কে যুক্ত আই ক্রিম ঘুমানোর আগে ব্যবহার করা। এটি চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে।

দাঁত

নিয়মিত রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করা উচিত। এতে দাঁতের ফাঁকে খাবারের কণা জমে থাকতে পারে না।
এ তো গেল ত্বকের বাহ্যিক পরিচর্যার কথা। রাতের বেলা ত্বকের পরিচর্যার পাশাপাশি খাবার গ্রহণের পরিমাণ ও সময়ের দিকেও রাখতে হবে। পরিপূর্ণ পরিচর্যা তখনই হবে যখন ত্বকের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ দুটোই সমান গুরুত্ব পাবে। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সাজেদা আক্তার জানালেন, কিশোরী বয়সটাতে মেয়েদের খাবারে প্রোটিন ও আয়রন থাকতে হবে। এক গ্লাস দুধ ও একটি ডিম তো আবশ্যক। সেই সঙ্গে সপ্তাহে অন্তত একদিন হলেও গরুর/খাসির কলিজা খেতে হবে লেবু দিয়ে। এ ছাড়া যে কাজগুলো করা উচিত:
* রাত আটটার মধ্যে রাতের খাবারের পর্ব চুকিয়ে ফেলতে হবে।
* রাত আটটার পর থেকে ভারী খাবার খাওয়া যাবে না। পানিও পরিমাণে কম খেতে হবে।
* ১২টায় ঘুমালে, রাত ১০টা সাড়ে ১০টার দিকে হালকা খাবার খেতে হবে। মিষ্টি জাতীয় যেমন: পুডিং, পায়েস, দুধ বা মিষ্টি দধি অল্প পরিমাণে খাবেন।
* রাতের খাবারের পর থেকে আধা গ্লাস-এক গ্লাসের বেশি পানি পান না করাই উত্তম।
* আট ঘণ্টা ঘুম এই বয়সে আবশ্যক।
* হাসিখুশি থাকা এই বয়সটাতে সবচেয়ে জরুরি। মানসিকভাবে যেমন প্রয়োজন, তেমনি হাসিখুশি থাকাটা শরীরের জন্যও উপকারী। কিশোরী বয়সে হাসিখুশি একটা মুখ। প্রাণবন্ত ও লাবণ্যময়ী হতে আর কী লাগে!
সুস্থ থাকতে পরিমিত ঘুম জরুরিআরও টিপস
শোবার আগে বালিশের কভার পাল্টিয়ে বা বালিশের ওপর একটা ধোয়া কাপড় বিছিয়ে নিতে পারেন। বালিশের কভারে জমে থাকা ধুলোবালি ত্বকের ক্ষতি করতে পারবে না।

চুলের যত্ন

প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুল ভালো করে আঁচড়িয়ে বেঁধে ঘুমালে চুল দ্রুত বাড়ে। সুন্দরও থাকে। চুলে বেণি করেই ঘুমোতে হবে তা নয়, উঁচু করে জাপানিজ পনিটেইল অর্থাৎ ঝুঁটি করেও শোয়া যায়। চুল যদি কেউ একেবারেই বাঁধতে না চায়, তাহলে একটি কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে ঘুমোতে পারে। এটি চুলকে আগা ফাটা থেকে রক্ষা করবে। সেই সঙ্গে সকালে চুলে এনে দেবে একটা ওয়েভি ভাব। এতে চুল ঘন দেখাবে।

পানি চিকিৎসা

মুখে সজোরে, শব্দ করে একনাগাড়ে ২৫ বার পানির ঝাপ্টা দেওয়া। দিনে যতবার খুশি ততবার। প্রতিদিন করতে পারেন। চেহারার সতেজ ভাব ধরে রাখবে আজীবন।

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

নিস্প্রাণ হাত-পায়ে কিভাবে কোমল ভাব আনবেন

কী কী লাগছে তবে দেখে নিন এবার –
  • নারকেল তেল
  • লবণ
  • লেবু
  • কুসুম গরম পানি
  • গ্লিসারিন, গোলাপজল অথবা ময়েশ্চারাইজিং লোশন
যেভাবে করবেন –
হাতের তালু বাবাটিতে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী লবণ নিন। হাত এবং পায়ের জন্য একচা – চামচের খানিকটা বেশি লবণ দরকার হবে। কেবল হাতের জন্য আধচা – চামচেই হয়ে যাবে।
এবার তাতে নারকেল তেল ঢালুন। একটু মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে নিন ভালো করে। এবার আলতো ভাবে ম্যাসাজ করতে থাকুন। দুই/তিন মিনিটের জন্য ম্যাসাজ করতে পারেন বা চাইলে আর সামান্য বেশি সময়ও নিতে পারেন আপনি।
লেবুর ব্যবহার এখানে আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী হতে পারে। ত্বক থেকে দাগ – ছোপ দূর করার থাকলে মিশ্রণে কিছুটা লেবুর রস যোগ করে নিন কেবল।
ম্যাসাজ করা শেষে পাত্রে কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে হাত – পা ডুবিয়ে রাখুন। ওই পানিতেই ধীরে ধীরে ত্বক থেকে মিশ্রণ ছাড়িয়ে নিন।আরেকবার পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে শুকনো করে মুছে ফেলুন।
নিজের ত্বকের ব্যাপক পরিবর্তন আপনার মনোযোগ কেড়ে নেবে তখনই। খুব সাথে – সাথেই চামড়ায় কোমলতা টের পাবেন আপনি।বিশেষ করে বহু দিন যদি রুক্ষ নিষ্প্রাণ ত্বক দেখে থাকেন তবে হুট করে এই মোলায়েম ভাবটা আপনাকে অবাক করবে নিঃসন্দেহে।
হাত মুছে নিয়ে এবার পছন্দ বা দরকার মতন ময়েশ্চারাইজিং করুন। ডিপ ময়েশ্চারাইজিং এর জন্য গ্লিসারিন ব্যাবহার করতে পারেন, কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিলিয়ে।বা নিজের প্রিয় লোশনেই শেষ করুন ত্বকচর্চার পাট।
বিশেষ করে রুক্ষতার মৌসুমে এই উপায়টি যেকারোই ভীষণ উপকারে আসবে। কয়েক দিনের টানা প্রয়োগ দীর্ঘ সময়ের নির্জীব ত্বকে প্রাণ ফিরিয়ে আনবে।নারকেল তেল প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজিং হিসেবে  খুব কার্যকরী, সাথে লবণ ত্বকের মৃতকোষ দূর করে দিচ্ছে স্ক্রাবিং এর মাধ্যমে। হাত-পায়ের পুরনো মলিনতা চটজলদি কাটিয়ে দিয়ে ত্বকে চনমনেভাব নিয়ে আসতে এই পদ্ধতিটি সত্যিই দারুণ।